11/09/2025
১৯৬৯ সালের জানুয়ারি'তে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান গণআন্দোলন প্রশমনের জন্য ঢাকায় গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করেন। রাজনৈতিক নেতারা সেখানে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু মাওলানা ভাসানী বলেছিলেন, শুধু আলোচনার টেবিলে বসে সমাধান হবে না, জনগণের মুক্তি আসবে রাজপথের সংগ্রাম থেকে।।
মাওলানা ভাসানী টেবিলে হাত মেরে দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন
“গোলটেবিল নয়, রাজপথ
রাজপথ, রাজপথ”
আমার সৌভাগ্য হয়নি মাওলানা ভাসানী'র টেবিলে থাপড় দেওয়ার দৃশ্য দেখার, আমি দেখেছি আমাদের ভাই, ছাত্রদলের ভাই,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি G.C. Roy Shahos ডাকসু নির্বাচনের অনিয়ম,স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদে টেবিলে থাপড় দিতে।।
আমি গর্বিত আমাদের ছাত্রদলে একজন সাহস আছে।।
25/05/2025
টাকা ধার দিলে সম্পর্ক নষ্ট হয় না
সম্পর্ক নষ্ট হয় ধারের টাকা চাইতে গেলে
21/04/2025
তারেক রহমান: এক অনুপ্রেরণার নাম:
তারেক রহমান, যিনি বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি মহত্ত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি হচ্ছেন সাহস, দূরদর্শিতা ও গণতন্ত্রের জন্য এক অবিচল প্রতীক।
তারেক রহমানের প্রতি আমার শুভকামনা এবং অগাধ ভালোবাসা সর্বদা থাকবে। তিনি সবসময় দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায়, জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার প্রতিটি পদক্ষেপ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে, নতুন স্বপ্ন দেখায় এবং এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগায়।
আমার প্রার্থনা, তারেক রহমান যেন সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন লাভ করেন। তিনি যেন আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের জন্য আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারেন। তার কর্মস্পৃহা, আত্মত্যাগ ও মানবিক গুণাবলি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমলিন থাকবে।
তারেক রহমান শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের জন্য আলোর দিশারী। তার প্রতি আমাদের দোয়া, শুভকামনা ও শ্রদ্ধা সবসময় বহমান থাকবে ।
26/03/2025
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে জাতি যখন দিশেহারা তখনই নেতৃত্বশূণ্য জাতিকে মুক্তি দিতে এগিয়ে এসেছিলেন জিয়াউর রহমান। ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে তিনি পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘উই রিভোল্ট’ বলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।
মহান মুক্তি যুদ্ধের সময় সামরিক অফিসার মেজর জিয়ার ঘোষণাটি সারা দেশে এবং সীমান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সাহস ও অনুপ্রেরণা দেয়। মুক্তি যুদ্ধের সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় তাঁর অসাধারণ প্রজ্ঞা, দায়িত্ববোধ ও রণকৌশলের পরিচয় পাওয়া যায়।
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের মাঠে থেকে দেশকে স্বাধীন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের কারণে তিনি পেয়েছেন বীর উত্তম খেতাব।
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া সালাম।