Novans Institute

Novans Institute

Share

Welcome to the official page of Novans Institute.

গেইনার এডুকেশন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে একাডেমিক পাঠদান যাত্রা শুরু করে।
গেইনার এডুকেশন এর বৈশিষ্ট্যঃ
-একাডেমিক পাঠদান কার্যক্রম ৪র্থ থেকে ১০ম শ্রেণী পযর্ন্ত ।
-বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের দ্বারা পাঠদান কাযক্রম পরিচালনা করা হয়।
-প্রত্যেক ক্লাসে ১০ জন এর বেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ করা হয় না।
-প্রত্যেক শেণীর ইরেজি, গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।
-দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতি

25/08/2022

সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সক্রিয় উদ্যোগ আপনার সন্তানকে সফল/প্রকৃত মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেই। তাই আপনাদের সন্তানদের প্রতি নজর দেন নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন, সারাদিন কী করল, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন।
👉👉সাথে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন -
১. সে কখন স্কুলে যায়।
২. স্কুল থেকে কখন বাসায় ফিরে।
৩. স্কুলে আসার সময় মোবাইল ফোন নিয়ে আসে কি না সাথে ব্লুটুথ ইয়ার ফোন।
৪. স্কুল ড্রেসের বাইরে অন্য কোন ড্রেস অতিরিক্ত হিসাবে রাখে কি না এমনকি কোন জার্সি পরে আসে কি না।
৫. মাথার চুল স্বাভাবিক আছে কি না।
৬. যদি প্রাইভেট পড়ে, কোথায় প্রাইভেট পড়ে, কখন পড়ে, সেখানে যোগাযোগ রাখবেন।
৭. মাঝে মধ্যে স্কুলে আসবেন তাকে না জানিয়ে।
৮. শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
৯. কার সাথে মিশতেছে জানতে চেষ্টা করুন।
১০. প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা দিবেন না।
১১. মাঝেমধ্যে স্কুলের ব্যাগ ও মানিব্যাগ(যদি থাকে) চেক করুন।
১২. স্মার্টফোন ব্যবহার করা নিষেধ করে দিবেন, যদি কোন তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে আপনি পাশে থেকে সহায়তা করুন।
১৩. আপনার সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন।
১৪. যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে, সম্ভব হলে শ্রেণি শিক্ষক বা সহকারী প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক এর সাথে যোগাযোগ করে এটার সত্যতা যাচাই করবেন।
১৫/ আপনার অজান্তে স্কুল থেকে জরুরী কারণ দেখাইয়া বিশেষ করে ছাত্রীরা ছুটি নিয়ে বাহিরে ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে কিনা, সেটা জানার চেষ্টা করবেন।
১৬/ মাঝে মধ্যে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে চেষ্টা করবেন
১৮/মাঝে মাঝে স্কুলে গিয়ে শ্রেণি শিক্ষকের নিকট স্কুলে উপস্থিতির অবস্থা জেনে আসবেন।
👉👉সর্বোপরি আপনার সন্তানকে সময় দিন। কাছ থেকে ভালমন্দ বুঝানোর চেষ্টা করুন, যাতে সে বুঝতে পারে এবং একজন ভালো/সফল/প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

02/06/2022

➡️ যা বলা হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখায়❗

শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন। অনুমোদন মিলেছে নতুন শিক্ষাক্রমের। প্রকাশিত হয়েছে রূপরেখো। । এবারের রূপরেখায় আটটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু হবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, নতুন শিক্ষাক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় পরিবর্তনসমূহঃ
** ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত সকলের জন্য ১০টি বিষয় নির্ধারণ অর্থাৎ থাকছে না বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন ও মানবিক বিভাগ।
** পরীক্ষা ও মুখস্ত নির্ভর পড়াশোনার পরিবর্তে, পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দিয়ে দশম শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য একাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণি শেষে এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পারদর্শিতা অর্জন নিশ্চিত করা ও মুখস্তনির্ভরতা কমানোর জন্য শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রবর্তন।
** ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য কৃষি, সেবা বা শিল্প খাতের একটি অকুপেশনের ওপর দক্ষতা অর্জন বাধ্যতামূলক এবং ১০ম শ্রেণি শেষে যেকোনো একটি অকুপেশন কাজ করার মতো পেশাদারি দক্ষতা অর্জন।
** সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন প্রবর্তন।
** অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন-শেখানো কার্যক্রম পারিবারিক ও সামাজিক পরিসরে অনুশীলন।
** সকল শিক্ষার্থীর অভিন্ন মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য স্তরভিত্তিক নির্বাচনের বিষয়ের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখায় বিশেষায়িত বিষয়সমূহের যৌক্তিক সমন্বয়।

রূপরেখায় আটটি লক্ষ্যঃ
১। শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও আনন্দময় শিখনের পরিবেশ সৃষ্টি।
২। বিষয় এবং পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো।
৩। গভীর শিখনের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান।
৪। মুখস্ত নির্ভরতার পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিখনে অগ্রাধিকার প্রদান।
৫। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের গুরুত্ব প্রদান।
৬। নির্দিষ্ট দিনের পাঠ শ্রেণিকক্ষেই যেন শেষ হয় সে ধরণের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা সচেষ্ট হয়ে বাড়ির কাজ কমানো।
৭। নির্দিষ্ট সময়ে অর্জিত পারদর্শিতার জন্য সনদ প্রাপ্তির প্রতি গুরুত্ব আরোপ।
৮। জীবন ও জীবিকা সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা।

স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলঃ
** প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি থাকছে না পরীক্ষা। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা হবে শিখনকালীন।
** ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা মূল্যায়ন ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা হবে ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতাভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ একং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ। জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা।
** ১১শ-১২শ শ্রেণির জন্য শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো ও ধারণায়ন সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রায়গিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন থাকবে শতভাগ। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতিবর্ষ শেষে একটি পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চুড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।
সংকলিতযা বলা হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখায়

শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে আমূল পরিবর্তন। অনুমোদন মিলেছে নতুন শিক্ষাক্রমের। প্রকাশিত হয়েছে রূপরেখো। । এবারের রূপরেখায় আটটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু হবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, নতুন শিক্ষাক্রম যথাযথ বাস্তবায়ন হলে উপকৃত হবে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষাক্রমের রূপরেখায় পরিবর্তনসমূহঃ
** ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত সকলের জন্য ১০টি বিষয় নির্ধারণ অর্থাৎ থাকছে না বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন ও মানবিক বিভাগ।
** পরীক্ষা ও মুখস্ত নির্ভর পড়াশোনার পরিবর্তে, পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দিয়ে দশম শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য একাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণি শেষে এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণি শেষে পাবলিক পরীক্ষা।
** পারদর্শিতা অর্জন নিশ্চিত করা ও মুখস্তনির্ভরতা কমানোর জন্য শিখনকালীন/ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রবর্তন।
** ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য কৃষি, সেবা বা শিল্প খাতের একটি অকুপেশনের ওপর দক্ষতা অর্জন বাধ্যতামূলক এবং ১০ম শ্রেণি শেষে যেকোনো একটি অকুপেশন কাজ করার মতো পেশাদারি দক্ষতা অর্জন।
** সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন প্রবর্তন।
** অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন-শেখানো কার্যক্রম পারিবারিক ও সামাজিক পরিসরে অনুশীলন।
** সকল শিক্ষার্থীর অভিন্ন মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য স্তরভিত্তিক নির্বাচনের বিষয়ের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শাখায় বিশেষায়িত বিষয়সমূহের যৌক্তিক সমন্বয়।

রূপরেখায় আটটি লক্ষ্যঃ
১। শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও আনন্দময় শিখনের পরিবেশ সৃষ্টি।
২। বিষয় এবং পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো।
৩। গভীর শিখনের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান।
৪। মুখস্ত নির্ভরতার পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিখনে অগ্রাধিকার প্রদান।
৫। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের গুরুত্ব প্রদান।
৬। নির্দিষ্ট দিনের পাঠ শ্রেণিকক্ষেই যেন শেষ হয় সে ধরণের শিখন শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা সচেষ্ট হয়ে বাড়ির কাজ কমানো।
৭। নির্দিষ্ট সময়ে অর্জিত পারদর্শিতার জন্য সনদ প্রাপ্তির প্রতি গুরুত্ব আরোপ।
৮। জীবন ও জীবিকা সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা।

স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলঃ
** প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি থাকছে না পরীক্ষা। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করা হবে শিখনকালীন।
** ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা মূল্যায়ন ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ এবং পরীক্ষা হবে ৪০ শতাংশ। সেই সঙ্গে জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতাভাগ।
** ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান শিখনকালীন মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ একং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ। জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প সংস্কৃতি শিখনকালীন মূল্যায়ন শতভাগ। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা।
** ১১শ-১২শ শ্রেণির জন্য শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো ও ধারণায়ন সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রায়গিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন থাকবে শতভাগ। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতিবর্ষ শেষে একটি পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চুড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।
সংকলিত

28/02/2021
29/12/2020

২০২১ সালের SSC পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনে, HSC পরীক্ষা হবে জুলাই-আগষ্টে।
-শিক্ষামন্ত্রনালয়

26/12/2020

২০২০ এইচএসসির ফল প্রকাশ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ❗

Photos from Novans Institute's post 12/12/2020

২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যাবলী-

04/12/2020

"গেইনার এডুকেশন" ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে একাডেমিক পাঠদানের যাত্রা শুরু করে।

আমাদের বৈশিষ্ট্য সমূহঃ
☞একাডেমিক পাঠদান কার্যক্রম ৪র্থ থেকে ১০ম শ্রেণী পযর্ন্ত ।
☞বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের দ্বারা পাঠদান কাযক্রম পরিচালনা করা হয়।
☞প্রত্যেক ক্লাসে ১০ জন এর বেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ করা হয় না।
☞প্রত্যেক শেণীর ইরেজি, গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।
☞দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে।
☞সাপ্তাহিক ও মাসিক পাঠদানের উপর বিশেষ পরিক্ষা নেওয়া হয়।
☞সপ্তাহে একদিন ইংলিশ স্পোকেন ক্লাস নেওয়া হয়।

Gainer Education



27/11/2020

"Education is the most powerful weapon, which you can use to change the world."

-Nelson mandela

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Kotbari
Cumilla
3503