07/09/2025
যে ব্যক্তি আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, তাকে নেয়ামত আরো বৃদ্ধি করে দেন। আলহামদুলিল্লাহ 🤲🥀🕋
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hossain Al Maruf, Cox's Bazar.
আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) ইরশাদ করেছেন, কিছু মানুষ আল্লাহর পরিজন। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল, তারা কারা? তিনি বলেন, কোরআন তেলাওয়াতকারীরা আল্লাহর পরিজন এবং তাঁর বিশেষ বান্দা।’ -(ইবনে মাজাহ: ২১৫
07/09/2025
যে ব্যক্তি আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, তাকে নেয়ামত আরো বৃদ্ধি করে দেন। আলহামদুলিল্লাহ 🤲🥀🕋
মানুষের জন্য করা আপনার কিছু সাহায্য,উপকার,ত্যাগ গোপনে রাখা ভালো। সবকিছুর ক্রেডিট বা সুনাম দুনিয়াতে নিয়ে নিলে আখেরাতের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবেনা।
তবে হ্যাঁ ব্যক্তিবিশেষ মাঝেমধ্যে দুয়েকটা সুনাম জোর করে শুনবেন,কারণ মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ, আপনার সুনাম কখনো করতে চায়বেনা, তাই মাঝেমধ্যে উপকারগুলো দেখিয়ে দিয়ে সুনাম নিবেন।এতে আপনি মানুষের উপকার করতে আরো বেশী অনুপ্রাণিত হবেন।🙂
উত্তরবঙ্গের মানুষ আর চট্রগ্রামের মানুষের মধ্যে পার্থক্য একটায়।
চট্রগ্রামের মানুষের মন বড় ও আন্তরিক হয়।
এই জিনিসটা উত্তরবঙ্গের মানুষের মধ্যে নায়।
তাদের সাথে আমরা যতই মিশতে যাই,তারা তত দূরে যায়।🙂
🌼রমজানুল মোবারক🌼
🥰এলো মাহে রমজান🥰
#রমজান
রমজান মাসে অনলাইনে সহীহ কোরআন তেলাওয়াত শেখানোর উদ্যোগ নিয়েছি।
১০-১৫ জনের সীমিত আসন,
আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।
19/02/2025
সম্ভবত ২০ দিন আগের ঘটনা।
ঘটনাটি ঘঠেছে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে। ঘঠনাটির সাথে জড়িত ছিল একজন ডাক্তার এবং তার সহকর্মী কয়েকজন মহিলা নার্স এবং একটি ধনাঢ্য পরিবার (দম্পতি)।
ভুক্তভোগী একটি হুজুরের পরিবার। হুজুরের পরিবারে প্রথম কন্যা সন্তান হয় নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে নিজ বাড়িতেই। ২য় সন্তান ডেলিভারির সময় প্রসব বেদনা বেশী হওয়ার কারণে হুজুরের স্ত্রীকে পার্শ্ববর্তী একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। ২য় সন্তানটিও নরমাল ডেলিভারিতে হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ডাক্তার হুজুরের স্ত্রীকে ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন আলট্রা করিয়েছে কিনা। তিনি উত্তরে "না" বলল। সাধারণত হুজুররা আলট্রা করায়না,এটা করা উচিত ও না তাই করায়না। আল্লাহ যে সন্তান দান করেন তাতেই খুশি।
ঘটনা শুরু হয় এখান থেকেই। তখন ডাক্তার বাইরে এসে হুজুরকে বলেন আপনার স্ত্রীকে আলট্রা করানো লাগবে,না হয় আমরা বাচ্চার পজিশন বুঝতে পারছিনা। তখন হুজুর ভাবলেন সামান্য আলট্রায় তো, রাজি হয়ে গেলেন। ডাক্তারের প্রতি বিশ্বাস ছিল হুজুরের। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার যে,যে-কোন মানুষ ডাক্তারের প্রতি বিশ্বাস রাখে,এবং ডাক্তারী পেশায় হচ্ছে একটি বিশ্বস্ত পেশা। তারপর আলট্রা করানো হলো,কিন্তু রেজাল্ট হুজুরের পরিবারকে জানায়নি,জানতে চায়লে ডাক্তার বলেন বলা যাবেনা,
এটা আমাদের কাজের সুবিধার্থে করানো হয়েছে। যায় হোক হুজুরের পরিবার স্বাভাবিকভাবেই নিল বিষয়টা।
এখন আসি মূল পয়েন্টে, আসলে আলট্রা করানোর উদ্দেশ্য ছিল ছেলে নাকি মেয়ে সেটা দেখা। কারণ হচ্ছে হুজুরের স্ত্রীকে যে কক্ষে রাখা হয়েছে,তার পাশেই আরেকজন ডেলিভারি রুগী সুয়ে ছিল। সেই মহিলার ৩টি কন্যা সন্তান, ৪র্থ সন্তানটিও কন্যা হতে চলেছে। তাই সেই দম্পতি ডাক্তারের সাথে ৪লক্ষ টাকার বিনিময়ে একটি চুক্তি করে,যে তাদেরকে একটি পুত্র সন্তান দেওয়া হবে,আর তাদের কন্যা সন্তানটি অন্য কাউকে দিয়ে দিবে। এদিকে হুজুরের স্ত্রীর প্রসব বেদনা বেড়ে গেলে ডাক্তার একটি ইনজেকশন দেয়,যার কারণে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার যে সম্ভাবনা ছিল সেটা বন্ধ হয়ে যায়,হুজুরের স্ত্রীকে নতুন করে ডেলিভারী ডেইট দেওয়া হয় আরো ২দিন পর,তাও নরমাল নয় সিজার করাতে হবে বলে। কারণ ২দিন পর পাশের সীটের সেই মহিলারও সিজার হবে।
২দিন পর উভয় জনের সিজারের কাজ সম্পন্ন হলো,হুজুরের স্ত্রী অজ্ঞান থাকা অবস্থায় ডাক্তার হুজুরের পুত্র সন্তানটি ঐ মহিলাকে দিল,আর সেই মহিলার কন্যা সন্তানটি হুজুরের স্ত্রীকে দেখালো। মুটামুটি সুস্থ হয়ে বাসায় চলে আসে উভয় দম্পতি। হুজুর বলেন যখন তিনি কন্যা সন্তানটিকে প্রথম দেখেন তখন হুজুরের ভালো লাগেনি,কেনো জানি নিজের সন্তান মনে হচ্ছিলনা। সন্তানের প্রতি যে মায়া কাজ করে সেটা হচ্ছেনা। যায়হোক তারপরও আল্লাহর হুকুম মেনে নিয়েছেন। বাসায় আসার পর শুরু হলো নতুন গল্প,হুজুরের স্ত্রী অনেক চেষ্টার পরও তাকে দুধপান করাতে পারছেননা। অপরদিকে হুজুরের পুত্র সন্তানটিও ঐ মহিলার স্তনে নাকি মুখ দিচ্ছেননা। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন রাতে কন্যা সন্তানটি পা নাড়াতে গিয়ে হুজুরের স্ত্রীর পেটে আঘাত লাগে,তাতে সিজারের সেলাই খুলে গিয়ে সেলায় কাঁচা হয়ে যায়,পরদিন সকালে হুজুরের স্ত্রীকে সেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন হুজুর খেয়াল করল,একজন মহিলা নার্স হুজুরের পরিবারকে দেখে দৌড়ে একটা কক্ষে গিয়ে কাকে যেনো কল দিচ্ছিল। মূলত নার্সটি কল দিচ্ছিল ঐ মহিলাকে যিনি অলরেডি হাসপাতালে বলে গিয়েছেন যে,হুজুরের পরিবার আসলে যেনো তাকে কল দেওয়া হয়।
কিছুক্ষণ পরই হুজুর দেখতে পেলো, সেই মহিলাটি তার স্বামীসহ একটি পাইজারো গাড়ী নিয়ে হাসপাতালে আসে। ডাক্তারের সাথে অনেক কথাবার্তা বলে,,ডাক্তারের চেহারা মলিন হয়ে যায়। কারণ হচ্ছে ঐ মহিলা সেই পুত্র সন্তানটি রাখতে চাচ্ছেননা,কারণ সে দুধ পান করছেনা,এভাবে চলতে থাকলে বাচ্চাটি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই মহিলাটি ভাবল হুজুরের পরিবারকে সন্তানটি দিয়ে দিবে তার কন্যা সন্তানকে ফিরিয়ে নিবে। তখন ডাক্তার বলে,আপনি যদি এই কাজ করেন তাহলে আমরা সবাই ফেঁসে যাব, পুরো হাসপাতালটি বিপদের সম্মুখীন হবে। ডাক্তার ভয় পাচ্ছিলেন যদি হুজুর মামলা করে তাহলে তো সব শেষ। এসব কান্ড হুজুর দূর থেকেই দেখছিলেন,কিন্তু কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেননা।
মহিলাটি ডাক্তারের কথা শুনতে নারাজ,যা হওয়ার হবে বাচ্চা ফিরিয়ে দিবে,পরে ডাক্তার হুজুরকে তার কক্ষে ডাকল,হুজুর যাওয়ার সাথেসাথে ডাক্তার হুজুরের পায়ে ধরে ক্ষমা চায়তে লাগল,বলছিল আমরা অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছি,আমাদের ক্ষমা করে দেন। হুজুর তখনও কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেননা, পরে ঐ মহিলাটি সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলেন হুজুরকে,হুজুরের কোলে পুত্র সন্তানটি তুলে দিয়ে কান্না করে করে বলেন,ভাইয়া,এই নেন আপনার সন্তান, আজ পর্যন্ত একবারের জন্যও সে আমার স্তনে মুখ দেয়নি,তায় ভয় পেয়ে আমি আপনাদের সন্তান ফেরত দিতে এসেছি। আমাদের ক্ষমা করে দেন। ততক্ষণে হুজুরের সন্দেহ বাস্তব হলো, ডাক্তার হুজুরকে আর্থিকভাবে দূ্র্বল দেখে ১ লক্ষ টাকা দিতে চায়লো,যেনো ঘটনাটি কাউকে শেয়ার না করে,আর মামলা না করে। ততক্ষণে হুজুরের স্ত্রী পুরো ঘটনাটি শুনে ফেলেন,নেককার স্ত্রী তার পুত্র সন্তানকে পেয়ে খুশিতে আত্বহারা হয়ে পড়লেন,সন্তানও তার মাকে পেয়ে সাথে সাথে দুধপান করেন। আলহামদুলিল্লাহ।
হুজুর চিন্তা করলেন এই সিজার করতে গিয়ে অনেক কর্জ করতে হয়েছে,টাকাটা নিলে হয়তো কর্জগুলো শোধ করা যেত। কিন্তু হুজুরের স্ত্রী হুজুরকে নিষেধ করেন ঐ ১ লক্ষ টাকা যেনো না নেয়,প্রয়োজনে আমার সোনা গহনা বিক্রি করে আপনি কর্জ শোধ করবেন,তাও এই টাকা নিবেননা। আমি হুজুরের স্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। টাকাগুলো নিলে তো হুজুর নিজেই সন্তান বিক্রির মত একটি জগন্য কাজে লিপ্ত হয়ে যেতেন। তাই তিনি ডাক্তারের অফারটিকে তিরস্কার করলেন। ততক্ষণে ঘটনাটি আশেপাশের মানুষেরা টের পায়,তখন অন্যান্য প্রাইভেট হাসপাতালের মানুষজন আসতে শুরু করেন,হুজুরকে বলেন আপনি আর আপনার স্ত্রী সাক্ষী হিসাবে থাকবেন,আমরা মামলা করব,এই হাসপাতাল যেনো বন্ধ হয়ে যায়।
তখন ঐ হাসপাতালের মালিক খবরটি পেয়ে হাসপাতালে আসে,আর হুজুরের কাছে ক্ষমা চায়। হুজুর ও আর চায়লেননা,মামলা করে এদিক সেদিক দৌড়াতে,হুজুরের স্ত্রীকেও জনসম্মুখে আসতে হতে পারে তাই হুজুরের পরিবার চুপ হয়ে গেলেন। তাছাড়া হুজুর মনে করেছিলেন,মামলা করলে জিবনের ঝুঁকিও বাড়তে পারে,কারণ হাসপাতালটি পরিচালনার পিছনে ক্ষমতাধর লোকজন আছেন। আর এভাবেই এত বড় একটি অন্যায় নিরবে ধামাচাপা খেয়ে গেলো। খবর নিয়ে দেখেছি,হাসপাতালটির নামে এমন আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে। হুজুরের অনুমতিক্রমে নাম ঠিকানা গোপন রেখে শুধুমাত্র ঘটনাটি শেয়ার করলাম আপনাদের।
আমি ঘটনাটি প্রকাশ করার একটিই কারণ- এখন থেকে কোন ডাক্তার নার্সকে বিশ্বাস করবেননা। ডেলিভারির দিন নিজ বাসায় নার্স এনে রাখতে পারলে ভালো হয়। হাসপাতালে নিতে হলেও সিজার কিংবা নর্মাল ডেলিভারির সময় সবকিছু আপনার নজরদারিতে রাখবেন,আর কোন ডাক্তার যেনো এমন জগন্য কাজ করতে না পারে। একটি ঘটনা হয়তো আমাদের সামনে প্রকাশ পেয়েছে,আমাদের অজান্তে কতশত এমন ঘটনা ঘঠে যাচ্ছে আল্লাহ পাক ভালো জানেন। তাই সবাই নিজের জায়গা থেকে সাবধান থাকবেন,পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে কাজ করবেন। আর কারো সন্তান যেনো পরিবর্তন না হয়।
পোষ্টটি সর্বোচ্চ শেয়ার করুন। প্রত্যেকের কাছে যেনো ঘটনাটি পৌঁছে যায়। আর কারো সন্তান যেনো পরিবর্তন না হয়।
পজেটিভ চিন্তাধারার মানুষগুলোই সুন্দর।
অন্যের ভালো দেখতে পারাটাও পারিবারিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত!
💙কোরআন🤍 মা রু ফ
২০২৪-২০২৫ বার্ষিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন পর্যালোচনা অনুষ্ঠান।
তানজিমুল উম্মাহ হিফজ মাদ্রাসা চট্রগ্রাম শাখা।
মাশা-আল্লাহ খুব সুন্দর একটি হামদে বারি তা'য়ালা।
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।