Moheshkhali Model High School

Moheshkhali Model High School

Share

This page is Moheshkhali Model High School Offical Fan page.

10/07/2025

INSTITUTE NAME: Maheshkhali Model High School
ZILLA: Cox's Bazar (23)
THANA: Maheshkhali (238)
Examinees: 264
Passed: 180
Pass Percentage: 68.18%
GPA 5 Achievers: 4

Photos from Moheshkhali Model High School's post 20/12/2021

মহেশখালী মডেল হাইস্কুলে ২০২২ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লটারির ড্রয়ের ফলাফল দেওয়া হল।আগামী ৩১/১২/২০২১ এর মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ছাত্রছাত্রী/ তাদের অভিভাবকদেরকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক
মহেশখালী মডেল হাইস্কুল।

এবার স্কুলের সব শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে 25/11/2020

এই বছর সব ক্লাসের ভর্তি পরীক্ষা হবে লটারির মাধ্যমে। - শিক্ষামন্ত্রী

এবার স্কুলের সব শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় প্রথম শ্রেণির মতো সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষা.....

26/10/2020

পিছিয়ে যাচ্ছে আগামী এসএসসি পরীক্ষা !

করোনার কারণে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষাও পেছাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সিলেবাস এখনও শেষ করা যায়নি। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শুরু করার সম্ভাবনা একদমই কম বলছে শিক্ষা বোর্ড।

Photos 06/12/2015

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন ২০১৬

Photos from Moheshkhali Model High School's post 29/01/2015

মহেশখালি আদর্শ উচচ বিদ্যালেয়র
এস, এস, সি ২০১৫ ইং ব্যাচের
বিদায় সম্পন্ন। অনুষ্টানের খন্ড
চিত্র ,,,,,,.

10/11/2014

জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল
হোসেন ইন্তেকাল করেছেন
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি র
আজ সোমবার বেলা আড়াইটার
দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের
(এনআইসিভিডি) চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এনআইসিভিডির পরিচালক আবদুল্লাহ আল
সাফী মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন,
‘মাইনুল হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত
হয়ে গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হন।
তাঁর ডায়াবেটিস ছিল মারাত্মক অনিয়ন্ত্রিত। রক্তচাপও ছিল খুব কম।
হাসপাতালে পৌঁছানোর
সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হলেও
তাঁকে বাঁচানো গেল না। আজ
বেলা আড়াইটার
দিকে তিনি মারা যান।’ পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে বাসস
জানায়, তাঁর মরদেহ বারডেম
হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
বিদেশ থেকে তাঁর বোন ও
মেয়ে ফিরে এলে দাফনের
বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। ২৩ বছর আগে স্ত্রীর
সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের এই নকশাকারের
অকালমৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল
হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। লোকচক্ষুর
অন্তরালে থাকা একুশে পদকপ্রাপ্ত এ
স্থপতির জন্ম ১৯৫২ সালের ৫ মে মু
ন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ির
দামপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা মুজিবুল
হক ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে ইতিহাস পড়াতেন। জাতীয় স্মৃতিসৌধের এ স্থপতি ১৯৭০
সালে ভর্তি হন বাংলাদেশ প্রকৌশল
বিশ্ববিদ্যালয়ের
স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগে। থাকতেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে।
১৯৭৬ সালে তিনি প্রথম শ্রেণীতে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক
ডিগ্রি লাভ করেন। ওই বছরেরই
এপ্রিলে ইএএইচ কনসালটেন্ট
লিমিটেডে জুনিয়র
স্থপতি হিসেবে যোগদান করেন। কয়েক
মাস পর চাকরি ছেড়ে একই বছরের আগস্টে যোগ দেন ‘বাংলাদেশ
কনসালট্যান্ট লিমিটেড’-এ। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের
গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ
শহীদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের
পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এরপর
নকশা আহ্বান করা হয়। তখন ২৬ বছরের তরুণ স্থপতি মাইনুল ইসলাম স্মৃতিসৌধের
নকশা জমা দেন। প্রায় ১৭-১৮ জন
প্রতিযোগীর ৫৭টি নকশার মধ্যে তাঁর
প্রণীত নকশা গৃহীত হয় এবং তাঁর
করা নকশা অনুসারেই ঢাকার
অদূরে সাভারে নির্মিত হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ২০০৬ সালের মার্চে প্রথম
আলোকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে স্তম্ভটির আকার অমন
কেন? কী অর্থ তার—জানতে চাইলে এই
স্থপতি চমৎকার
ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘চারদিকে প্রচণ্ড চাপ। সেই চাপে কিছু
একটা উঠে যাচ্ছে।’ ‘জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটা খাঁজের
মানে জানতে চাইলে বলেছিলেন,
‘বায়ান্ন থেকে একাত্তর পর্যন্ত
সাতটা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
সবচেয়ে নিচের খাঁজটা বায়ান্ন,
সবচেয়ে উঁচুটা একাত্তর...।’ কথায় কথায় তিনি আরও বলেছিলেন,
স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পর কারা যেন
বেনামি চিঠি দিয়ে তাঁকে খুন
করতে চেয়েছিল। তারপর পত্রিকায়
ইচ্ছা করে তার নাম ভুল লেখা হয়েছিল।
নকশার সম্মানী বাবদ ২ লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল, তার আয়কর
ধরা হয়েছিল ৫০ শতাংশ, মানে ১ লাখ।
পরে রাজস্ব বোর্ডের কমিশনার ধরে-
টরে ২০ হাজার টাকা আয়কর
দিয়েছিলেন। ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট
এরশাদ যখন জাতীয় স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন
করেন, সে অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ
করা হয়নি। রাষ্ট্রীয়
ভিআইপিরা চলে যাওয়ার পর
তিনি সেখানে গিয়ে জনতার কাতারে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন।

28/10/2014

ড.আতিউর রহমান : রাখাল থেকে বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর 'কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা!!
সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন
উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না। শোধ
হবার নয়!!' চোখ দুটো ভিজে গেলো !আতিউর
রহমানকে আমি বারকয়েক ইন্টার ভিউ করেছি।
তিনি খোলামেলা আড্ডায় একদিন তার জীবন সংগ্রামের কথা ভাসাভাসা বলেছিলেন
বটে কিন্তু তা এতো গভীর ছিলো না । স্যালুট
মিঃ গভর্নর ! ড.আতিউর রহমান : রাখাল থেকে বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নর নিউজ এজেন্সি টোয়েন্টিফোর ডেস্ক,ঢাকা-
দেশবরেণ্য অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্ণর ড.আতিউর রহমানের
ছেলেবেলা কেটেছে গরু-ছাগল চড়িয়ে! সেখান
থেকে আজকের অবস্থানে পৌছাতে তাঁকে অনেক
ত্যাগ স্বীকার ও সংগ্রাম করতে হয়েছে। প্রিয় নিউজ এজেন্সির পাঠক আসুন সেই
কাহিনী শুনি তাঁর নিজের-ই মুখে:--- আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক
অজপাড়াগাঁয়ে । ১৪ কিলোমিটার দূরের
শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে ।
পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস
ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন । আমার
বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন । কোন
রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।
আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিল মোটামুটি ।
কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই
দেননি । দাদার
বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-
মা থাকতাম । মা তাঁর বাবার
বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ
পেয়েছিলেন । তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়
। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু
কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো । দারিদ্র্য কি জিনিস,
তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি-খাবার
নেই, পরনের কাপড় নেই, কি এক অবস্থা!!
আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন । তাঁর
কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি । তারপর
বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই । কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব
যে,আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম,তখন আর
পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ
থাকলো না । বড় ভাই আরো আগে স্কুল
ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন । আমাকেও
লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো। আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাঁসি ছিল ।
আমি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত
ওগুলো মাঠে চড়াতাম।
বিকেল বেলা গাভীর দুধ
নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম ।
এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোন রকমে দিন কাটছিল । কিছুদিন
চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট
টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই ।
প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত
দোকানে বসতাম ।
পড়াশোনা তো বন্ধই,আদৌ কি করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না।
এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল
মাঠে নাটক হবে । স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার
গায়ে দেয়ার মতো কোন জামা নেই ।
খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের
সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি । স্কুলে পৌছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক!
চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ।
আমার মনে হলো,আমিতো আর সবার মতোই
হতে পারতাম । সিদ্ধান্ত
নিলাম,আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।
নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম,আমি কি আবার
স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার
ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য
কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের
মনে ধরলো । তিনি বললেন,ঠিক আছে কাল
হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো। পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম । বড় ভাই
আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড়
করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন ।
আমি বাইরে দাড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বললেন
আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের
সুযোগটুকু দেওয়া হয় । কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন,
সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয়!
স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল।
যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম,স্যার
ের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল । তবু
বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগার করলেন ।
পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি ।
বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের
ছুটি দিতে হবে । আমি আর এখানে থাকবো না ।
কারণ ঘরে খাবার নেই,পরনে কাপড় নেই-
আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
মা বললেন, কোথায় যাবি? বললাম, আমার
এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্ট
বয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো । ওর মায়ের
সঙ্গে আমার পরিচয় আছে । যে ক’দিন
কথা বলেছি,তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে । আমার বিশ্বাস,
আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।
দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম । সব
কিছু খুলে বলতেই
খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন । আমার
খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন । নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই
হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক
কথা মনে পড়ে যায় ,জেদ কাজ করে মনে;
আরো ভালোকরে পড়াশোনা করি।
যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো । আমি এক-
একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আতœবিশ্বাসও
বেড়ে যাচ্ছে । ফল প্রকাশের দিন
আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম
হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন । আমি লক্ষ্য
করলাম , পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন
দ্বিধান্বিত । আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন । তারপর ফল ঘোষনা করলেন
। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই
আনন্দে কেঁদে ফেললেন । শুধু আমি নির্বিকার-
যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।
বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ।
আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভংগিতে হেঁটে আসছি । আর পিছনে এক দল
ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে,
স্লোগান দিচ্ছে ।
সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল! আমার নিরক্ষক
বাবা, যারঁ কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা-
তিনিও আনন্দে আতœাহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে।যখন
শুনলেন আমি ওপরের ক্লাসে উঠেছি, নতুন বই
লাগবে, পরদিনই ঘরের
খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২টাকায়
বিক্রি করে দিল। তারপর
আমাকে নিয়ে জামালপুর গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরী থেকে নতুন বই কিনলাম।
আমার জীবনযাত্রা এখন সর্ম্পূন বদলে গেছে।
আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ
করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি।
ফয়েজ মৌলবী স্যার আমাকে তারঁ সন্তানের মত
দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর,যত্ন, আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চম শ্রেনীতে উঠলাম।
এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাশ
মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তারঁ
বাড়ীতে আমার আশ্রয় জুটলো।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত
জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের
কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-
ভালবাসা পেতাম।
আমি যখন সপ্তম শ্রেনীতে পেরিয়ে অষ্টম
শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন
কোথেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকে দেখালেন। ওটা ছিল
ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন।
যথাসময়ে ফরম পূরণ করে পাঠালাম।
এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর
রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের
ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এই
ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক
আতাউর আছে। ওর নামটা একটু
আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর
করে দিলাম।
আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম।
নির্ধারিত দিনে চাচার
সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার
জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া।
গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ। এত এত
ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি। আমার মনে হলো, না আসাটাই
ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। ভাবলাম
হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম,
আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত
পরীক্ষার জন্য
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে। সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার
একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো।
শেষে স্কুলের কানাই লাল বিশ্বাসের
ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট
যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনার ঢাকার
উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার
কাছে দাড়িঁয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার?
ঠিক মতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম
যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।
পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট
কলেজের এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আচঁ করে ফেললেন। পরম
øেহে আমাকে বসালেন। মুহুর্তের
মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার
মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই।
পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায়
চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজীতে কী-সব আলাপ করলেন।
আমি সবটা না বুঝলেও আচঁ করতে পারলাম যে,
আমাকে তাদেঁর পছন্দ হয়েছে।
তবে তারাঁ কিছুুই বললেন না। পরদিন
ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম।
যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারন আমি ধরে নিয়েছি আমার চান্স হবে না।
হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো।
আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি।
মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০
টাকা দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার
পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙ্গে গেল। যেখানে আমার পরিবারের
তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই,
আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি,
সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর
কথা চিন্তাও করা যায় না!
এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সবর হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার)
খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদের
কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন,
তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ
পেয়েও পড়তে পারবে না? কিন্তু তাদের
অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল না। তারাঁ বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড়
করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়।
দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।
আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই
ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম।
তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন
সহকর্মী আর
আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন।
সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুুুরলেন।
সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন।
সবাই সাধ্যমতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০
টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই
সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ
বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন
পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন। প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার
আমাকে দেখতে এলেন। আমি সব কিছু
খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার
আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিনমাস
পর ক্যাডেট থেকে চলে যেতে হবে। সব
শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিয়ে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির
ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর
পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে ৫ম স্থান
অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের
মুকুট যোগ হলো। আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের
অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার
এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন
যাকে যতটা পারি, সাধ্যমত সাহায্য
সহযোগিতা করি। কিন্তু সেই যে হাট
থেকে তোলা ১৫০ টাকা!! সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই
ঋণ শোধ হবে না। শোধ হবার নয়!!

11/08/2014

নজরুলের শেষনিঃশ্বাসের ১১৭ নম্বর কেবিন
ঢাকার পিজি হাসপাতালের (এখন
বিএসএমএমইউ) পুরনো ভবনের দোতলার ১১৭
নম্বর কেবিনটিতে মৃত্যুর আগপর্যন্ত
চিকিত্সাধীন ছিলেন বাংলাদেশের
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এ কেবিনে প্রায় নিঃসঙ্গ অবস্থায়
কাটে কবির শেষ জীবনের এক বছর এক মাস
আট দিন। কেবিনটিতে চিকিত্সাধীন
থাকা অবস্থায় ঘটে ঐতিহাসিক
নানা ঘটনা। ১৯৭৬ সালের
জানুয়ারিতে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সম্মান জানায় সরকার।
ওই বছর জেনারেল জিয়াউর রহমানের
আগ্রহে প্রথমবারের মতো একুশে পদক চালু
করে নজরুলকে একুশে ফেব্রুয়ারিতে এ
পদকে ভূষিত করে সরকার। জিয়াউর রহমান
ওই কেবিনে গিয়ে নজরুলের হাতে একুশে পদক তুলে দেন। তখন জিয়াউর
রহমান ছিলেন উপ-প্রধান সামরিক আইন
প্রশাসক। ১৯৭৬ সালের ২৫ মে কবির
জন্মদিনে তাকে সেনাবাহিনীর পক্ষ
থেকে ‘আর্মি ক্রেস্ট’ উপহার দেয়া হয়।
কবির মৃত্যুসংবাদ শুনে শোকাতুর জনতা চোখে অশ্রু, বুকে গভীর শোকের কষ্ট
নিয়ে সেদিন ভিড় জমিয়েছিলেন ওই
হাসপাতালে। অযত্ন, অবহেলা আর
রাষ্ট্রের ক্ষমাহীন উদাসীনতার
কারণে বদলে যাচ্ছে জাতীয় কবির শেষ
জীবনের স্মৃতিচিহ্ন ওই কেবিন। কেবিনটি রক্ষণাবেক্ষণের কোনো উদ্যোগ
নেই। অন্যান্য দেশের জাতীয় কবির
স্মৃতিজড়িত সব স্থানকে সংরক্ষণের
আওতায় নেয়া হলেও এদেশে তা হয়নি।
পর্যটন করপোরেশনের পর্যটকদের জন্য
প্রকাশিত বইয়েও এ কেবিনের নাম, ছবি নেই। অথচ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের
স্মৃতিজড়িত স্থান, স্থাপনাগুলোকে দেখার
সুযোগ করে দিতে নজরুল ইনস্টিটিউটের
সহযোগিতায় বাংলাদেশ পর্যটন
করপোরেশন ‘নজরুল পর্যটন’ চালুর উদ্যোগ
নেয় ২০০৬ সালের ২১ জানুয়ারি। সরেজমিন গেলে দেখা যায়,
কেবিনটি এখন ব্যবহৃত হয় বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
(বিএসএমএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলরের
অতিথিদের জন্য চা-বিস্কুট রাখার কক্ষ
হিসেবে। কেবিনটি মূলত ভিসির পিয়নদের দখলে। কবির কোনো চিহ্নই সেখানে নেই।
নজরুল গবেষক, ভক্ত, পাঠকরা ওই কেবিন
সংরক্ষণের জন্য গত বিভিন্ন সরকারের
আমল
থেকে নানাভাবে দাবি জানিয়ে আসছেন।
কোনো সরকারই কেবিনটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়নি। নব্বইয়ের দশকের বিভিন্ন
বছরে নজরুল গবেষক আবদুল হাই শিকদার
বিটিভি’র ‘কথামালা’ শিরোনামের
ম্যাগাজিন
অনুষ্ঠানে কেবিনটি সংরক্ষণের
কথা তুলে ধরেন বিশিষ্টজনের মাধ্যমে। সে সময়ের সরকারও তা কানে নেয়নি।
বিএসএমএমইউ’র ভিসি অধ্যাপক ডা. প্রাণ
গোপাল দত্তের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলাপ
করলে তিনি বলেন, ‘কেবিনটি এখন
যে অবস্থাতেই থাকুক, সংরক্ষণ করা খুব
কঠিন কাজ নয়। তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে এজন্য আমরা একটি চিঠি পেলেই
হবে।’ তার মতে, ‘কেবিন সংরক্ষণের পর
দর্শনার্থী আসতে থাকলে হাসপাতালের
স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে। এটাও
তাই চিন্তা করতে হবে।’ তথ্য ও
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ‘নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত
কেবিনটি সংরক্ষণের
কোনো পরিকল্পনা নেই। ওই হাসপাতালের
যে কেবিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
তার বাবা শেখ লুত্ফর রহমান
চিকিত্সা নেন, সেই কেবিনগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ
নেয়া হচ্ছে।’ এ প্রসঙ্গে মতামত
জানতে তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম
আজাদকে গতকাল কয়েকবার ফোন করলেও
তিনি ধরেননি। তবে ডা. প্রাণ গোপাল
দত্ত জানান, ‘বঙ্গবন্ধু ও তার বাবা যে কেবিনে চিকিত্সাধীন ছিলেন,
সেগুলো সংরক্ষণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায়ও
আলোচনা হয়েছে।’ নজরুল ইনস্টিটিউটের
সাবেক নির্বাহী পরিচালক আবদুল হাই
শিকদার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জাতির চরম দুর্ভাগ্য যে, জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত
কেবিনটি এখনও সংরক্ষণের আওতায়
আনা হয়নি। বাংলাদেশে আবেগসর্বস্ব,
অনেক সময় যুক্তিবিবর্জিত ও
দায়িত্বজ্ঞানহীন নজরুলচর্চা হচ্ছে।
কেবিনটি সংক্ষরণ না করাও এর একটা প্রমাণ।’ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়,
‘বেতার-টিভিতে নজরুলের মৃত্যুসংবাদ
প্রচার হলে মানুষের স্বাভাবিক
জীবনযাত্রা যেন থেমে যায়। অসংখ্য
মানুষ ছুটে যান
পিজি হাসপাতালে কবিকে শেষবারের মতো দেখতে। কবিকে শেষ দেখার সুযোগ
দেয়ার জন্য বেলা এগারোটার দিকে লাশ
কেবিন থেকে বের করে হাসপাতালের
বহির্বিভাগের দোতলার মঞ্চে রাখা হয়।
জনতার বিবেচনায় জায়গাটি অপ্রতুল
হওয়ায় বেলা ২টার দিকে কবির লাশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক
কেন্দ্রের সামনে রাখা হয়। বিকাল
সাড়ে চারটায় রমনার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জানাজায় অংশ
নিতে লাখো মানুষের ঢল নামে।
রৌদ্রোজ্জ্বল শরতের বিকালে কবির দাফন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয়
মসজিদ প্রাঙ্গণে। কবির লাশ
কাঁধে নিয়েছিলেন ওই সময়ের
রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত
মোহাম্মদ সায়েম, সেনাবাহিনী প্রধান
লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান, নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল
এম এইচ খান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার
ভাইস মার্শাল এ জি মাহমুদ, বিডিআর
প্রধান মেজর জেনারেল গোলাম দস্তগীর।
কবিকে একুশবার তোপধ্বনির মধ্য
দিয়ে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। ওই সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ
সুর। ঘড়ির কাঁটা তখন ছিল বিকাল পাঁচটার
ঘরে। নজরুল গেয়েছিলেন, ‘মসজিদেরই
পাশে আমায় কবর দিও ভাই’।
কবি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন মসজিদের
পাশেই। তথ্যমতে, ১৯৭৫ সালের ২২ জুলাই কবিকে ভর্তি করা হয় পিজি হাসপাতালে।
’৭৬ সালের ২৯ আগস্ট শেষনিঃশ্বাস
ত্যাগের আগপর্যন্ত কবি এখানেই
চিকিত্সাধীন ছিলেন। ’৭৬ সালের
আগস্টের শুরুতে কবির স্বাস্থ্যের
অবনতি ঘটতে থাকে। ২৭ আগস্ট শুক্রবার বিকাল থেকে কবির
শরীরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। ২৯
আগস্ট সকাল থেকে কবির
শরীরে তাপমাত্রা অস্বাভাবিক
রকমে বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তা ১০৫
ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়। তিনি ব্রঙ্কো- নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
কবিকে তখন অক্সিজেন দেয়া হয়।
সাকশনের সাহায্যে কবির ফুসফুস থেকে কফ
ও কাশি বের করার চেষ্টা চলে। শেষ
চেষ্টা হিসেবে কবির শরীর স্পঞ্জ
করানো হয়। চিকিত্সকদের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ
করে দিয়ে কবি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
’৭৬ সালের ২৯ আগস্ট রোববার সকাল
দশটা দশ মিনিটে। নজরুল ভারত
থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে আসেন ১৯৭২
সালের ২৪ মে। তখন থেকে কবি থাকতেন ঢাকার ধানমন্ডির ২৮ নম্বর সড়কের
কবি ভবনে (এখন নজরুল ইনস্টিটিউট)।
ঢাকায় কবির স্বাস্থ্যের
অনেকটা উন্নতি পরিলক্ষিত হয়। তার
চিকিত্সার তত্ত্বাবধানের জন্য
একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। অভিযোগ আছে, ধানমন্ডির
বাড়ি থেকে নজরুলকে হাসপাতালে আনা হয়
বাড়িটি দখলের অভিপ্রায়ে। চিকিত্সার
নাম করে হাসপাতালে কবিকে জোর
করে ভর্তি করা হয়। কেবিনের ক্ষুদ্র
পরিসরে কাটে কবির বাকি দিনগুলো। ’৭২ সালের ২৪ মে থেকে ’৭৫-এর ২২ জুলাই
পর্যন্ত কবি ছিলেন ধানমন্ডির
কবি ভবনে। এ বাড়ির সামনের
বাগানে কবি হাঁটতেন, ঘুরতেন। ওই
ভবনে তিনি ছিলেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়।
ভবনটিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত থাকত প্রতিদিন।

Photos 10/06/2014

একুশে পদক প্রাপ্ত প্রবীণ বাউল শিল্পী আব্দুল করিম শাহ্ আর নেই।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউল গানের এ শিল্পী দীর্ঘ দিন অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অ্যাজমা রোগে ভুগছেন। গত ২৪ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বউল সম্রাট সাইজি লালনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছড়িতে দিতে যারা জীবনভর সাধনা করেছেন তাদেরই একজন বাউল আব্দুল করিম শাহ। মহান এই সাধক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন একুশে পদক। হাজারো দর্শক, শ্রোতা ও ভক্তের মন জয় করেন তিনি।

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Moheshkhali
Cox's Bazar