30/11/2025
★★★The kiss of life
★১৯৬৭ সাল। ফটোগ্রাফার রকো মরাবিতোর ক্যামেরা ধরেছিল এমন এক মুহূর্ত, যা ইতিহাসের মানবিকতার প্রতীক হয়ে আছে আজও।
হাই ভোল্টেজ লাইনে হাত ছোঁয়াতেই কর্মী র্যান্ডাল জি. চ্যাম্পিয়ন নিস্তেজ হয়ে ঝুলে পড়েন। মাটি থেকে প্রায় ৩০ ফুট ওপরে, কেবল একটি নিরাপত্তা বেল্টে ভর দিয়ে ঝুলে থাকা তার দেহটি তখন নিঃশ্বাসহীন—সম্পূর্ণ নিশ্চল।
কিন্তু তার সহকর্মী জে. ডি. থম্পসন এক সেকেন্ডও ভাবেননি।
বজ্রগতিতে খুঁটিতে উঠে গেছেন তিনি।এক হাতে র্যান্ডালের নিথর শরীর শক্ত করে ধরে, অন্যদিকে খোলা আকাশের বিপজ্জনক ঝুঁকি জেনেও তিনি ঝুলে পড়লেন।
তারপর মুখে মুখ লাগিয়ে দিতে লাগলেন কৃত্রিম শ্বাস।
মিনিট নয়—মাত্র কয়েক সেকেন্ড।
আর সেই কয়েক সেকেন্ডেই ফিরে এল র্যান্ডালের হৃদস্পন্দন।
★সেদিনের সেই অলৌকিক দৃশ্যের নামই হলো—“দ্য কিস অফ লাইফ”।
★একটি ছবি, যা দেখায় মানবিকতা কখনো কখনো বৈদ্যুতিক তারের চেয়েও শক্তিশালী।
এই গল্প মনে করিয়ে দেয়—
কখনো জীবনের আর মৃত্যুর ফারাকটা হয় মাত্র একটি নিঃশ্বাস,
একটি সাহসী সিদ্ধান্ত,আর একজন সত্যিকারের মানুষের উপস্থিতি।
যে হাত বাড়ায়, না ভেবে—না থেমে।