29/07/2017
শালী মারা যাওয়ার পর তার চারপাশে বসে অন্যরা কুরআন তেলোয়াৎ করছে।
এমন সময় তার দুলাভাই দাবি করল: আমি আমার শ্যালিকা কে শেষ গোসলটা করাইতে চাই!
এ কথা অন্য মানুষ শুনার পর ,ফতোয়া কত প্রকার কি কি সব বুঝিয়ে দিলো, দুলাভাইয়ের সব সহ্য করতে হলো!
একজনে খুব গরম হয়ে বলছে: শ্যালিকাকে তো স্পর্ষ করায় জায়েজ নেই, তুই আবার গোসল করাইতে চাস???
এবার দুলাভাই বলতেছে; আমার শ্যালী যখন জীবিত ছিলো, তখন কত হাত চাপে ধরছে ৫০০ টাকার জন্য, গলা চেপে ধরছে মেলায় যাওয়ার জন্য, আমার মটর সাইকেলের পিছনে উঠার জন্য কত কি না করেছে! এসব জায়েজ ছিলো আর মরার পরেই নাজায়েজ হয়ে গেল! তাইনা?? এতদিন আপনাদের ফতোয়া কোথায় ছিলো??
অথচ, মৃত্যু অবস্থা থেকে দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় তাকে তার দুলাভাইয়ের সামনে পর্দা করার কথা ছিলো।
কতটুকু তার সীমারেখা ছিল তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে সীমা নির্ধাররণ করে দিয়েছিলেন।
সূরা নূরের ৩১ নম্বারে বলেনঃ-
"ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের গুপ্তাঙ্গের হেফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত: প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাদি, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পাদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।”
১/দুনিয়া থাকা অবস্থায় তার জন্য পর্দা করা ফরজ ছিলো । আজ যদি আপনি তাকে ৫ টুকরা নয় ১০ টুকরা কাপড় দিয়েও ঢেকে দেন তাতে ও কোন কাজে আসবে না! আসবে না!.....
২/ আর কুরআন জীবিত মানুষের জন্য নাজিল হয়েছে অথচ মানুষ মারা গেলে কুরআন পড়া হয়! মরা মানুষ কুরআনের কি বুঝবে? আর কিইবা মানবে?
যদি জীবনে কুরআন না মানে, মরার পর কুরআন তাবিজ বানিয়ে কবরে পাঠিয়ে দিলেও কোন কাজেই আসবেনা !! আসবেনা!!....
* আমাদের সমাজে আজ বড়ই অদ্ভুত!!
দুনিয়ার জীবন চলতে তাকে পর্দা না করিয়ে আমরা করাই মৃত্যুর পর তার লাসকে
* আর কুরআন জীবিত ব্যক্তিকে আমলের জন্য না শুনায়ে শুনাই তার মৃত্যুর পর।
আল্লাহ রাব্বুল আললামীন আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন।
আমিন।
কপি পোষ্ট