13/08/2024
বেবীদের ম্যচিং ড্রেস।
Hallo Baby-নিউবর্ন বেবীদের সকল প্রকার আইটেম নিয়ে কাজ করে।
13/08/2024
বেবীদের ম্যচিং ড্রেস।
👉🚫আপনি কি জানেন? নিম্নমানের জিনিস ব্যবহার করার ফলে আপনার আদরের সোনামনির শরীরে চর্ম রোগ হতে পারে?❓🚫
👉🚫বাজারের নিম্নমানের জিনিস কিনে আপনার সোনামনির ক্ষতি ডেকে আনছেন না তো?❓
✅আপনি নিশ্চয়ই আপনার সোনামনিকে সুস্থ রাখতে চান!♥️
🤶আমি একজন মা আমার বেবির সুরক্ষার জন্য সব সময় কোয়ালিটিফুল জিনিস ব্যবহার করি। তাই আমরা আপনার বেবির সুরক্ষার জন্যও নিয়ে এসেছি কোয়ালিটিফুল জিনিস ইনশাল্লাহ ।💯
✅আপনি আপনার বেবির জন্য উন্নত মানের জিনিস খুঁজছেন কিন্তু কারো উপর আস্থা রাখতে পারছেন না? আপনি চাইলে আমি আপনাকে হেল্প করতে পারি।💯
✅আপনার বেবির সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই আমরা আপনার বেবির জন্য ৯টি প্রয়োজনীয় আইটেম( ১৮ পিচ) দিয়ে সাঁজিয়েছি একটি আকর্ষণীয় প্যাকেজ।💯
✅আমাদের প্যাকেজে যা যা থাকছে---
১) প্রিন্ট কাঁথা -----------১টি।
২) নেপি----------------২টি।
৩) বাথ টাওয়েল---------১টি।
৪) ইউরিন ম্যাট ---------১টি।
৫) নিমা ----------------২টি।
৬) ওয়াশেবল ডায়াপার--১টি।
৭) রুমাল সেট-----------১টি।
৮) কটন বাড বক্স--------১টি।
৯) বিব-------------------১টি।
✅আপনি আমাদের এই প্যাকেজটি একবার অর্ডার করে দেখতে পারেন। হাতে পাওয়ার পর ডেলিভারি ম্যান থাকা অবস্থায় প্যাকেটটি খুলে দেখে পেমেন্ট করতে পারবেন। পছন্দ না হলে সাথে সাথে রিটার্ন করতে পারবেন।
✅আমাদের বিশ্বাস প্যাকেজটির প্রত্যেকটি জিনিস অবশ্যই আপনার পছন্দ হবে। আপনাদের বিশ্বাস অর্জন করায় আমাদের মূল লক্ষ্য।
✅আপনার যে মূল্যবান সময় নষ্ট করে কেনাকাটা করবেন, সেই সময়টা আপনার বেবির সাথে কাটান।
👉আমাদের এই প্যাকেজটি অর্ডার করতে কল করুন- 01627955990 এই নাম্বারে অথবা ইনবক্স করুন।
👉অর্ডার করার দায়িত্ব আপনার। আর আপনার আদরের সোনামণির জন্য প্যাকেজটি আপনার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।
পরবর্তীতে আমাদের পেইজ "Hallo Baby" খুঁজে পেতে পেইজটিতে Like & Share শেয়ার করুন।
18/01/2024
আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের হ্যাপি কাস্টমার রিভিউ।
❤️ আপনার সন্তানের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে💯% ।
👉আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য ভালো মানের জিনিস খুজছেন❓
👉 সময়ের অভাবে বাহিরে বের হতে পারছেন না❓
⚠⚠ আপনি নিম্নমানের জিনিস আপনার বেবীর জন্য ব্যবহার করলে বেবীর শরীরে বিভিন্ন রকম চর্ম রোগ হতে পারে। তাই ছোট্ট বেবির ব্যবহারের জিনিস হতে হবে💯% কোয়ালিটি ফুল।⚠⚠
👉 আপনার বেবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ৮ টি আইটেম দিয়ে আমরা সাঁজিয়েছি একটি আকর্ষনীয় প্যাকেজ। প্যাকেজে যা যা থাকছে----
১) প্রিন্ট কাঁথা—---------৪ টি
২) নঁকশি কাঁথা—------২ টি
৩) ইউরিন ম্যাট —---- ১ টি
৪)বেবী কেয়ার কিট—-- ১ টি
৫) 3 in 1 ক্যাপ সেট—- ১ টি
৬) ওয়াশেবল ডায়াপার- ১ টি
৭) বাথ টাওয়েল—-------১ টি
৮) বিব—------------- - ২ টি
👉 ১০০% কোয়ালিটির নিশ্চয়তা পাবেন।
👉 এই প্যাকেজ ছাড়াও আমাদের কাছে পাবেন বেবীদের প্রয়োজনীয় সকল আইটেম।
✅ আপনি হাতে পেয়ে দেখে পেমেন্ট করতে পারবেন।
✅অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ইনবক্স করুন।
অথবা- কল করুন 👉:01627955990 এবং 01845367121 এই নাম্বারে।
👉 পরবর্তীতে আমাদের পেইজের কালেকশন দেখতে আমাদের👉 Hallo Baby পেইজ ভিজিট করুন অথবা আমাদের পেইজ খুঁজে পেতে লাইক এবং শেয়ার করুন।
❤️ আপনি কি আপনার আদরের ছোট্ট বেবীর জন্য কোয়ালিটিফুল জিনিস খুঁজছেন?❓
👉কোয়ালিটিফুল জিনিস বেবীদের জন্য কেন প্রয়োজন ❓
👉 আপনি কি একজন ব্যস্ত বাবা-মা ❓
⚠⚠ বাজারের সস্তা জিনিস আপনার বেবীর জন্য ব্যবহার করা মোটেও উচিত নয়। তাই ছোট্ট বেবির ব্যবহারের কাঁথা হতে হবে💯 কোয়ালিটি ফুল।⚠⚠
👉 আপনার বেবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ৮ টি আইটেম দিয়ে আমরা সাঁজিয়েছি অত্যন্ত দরকারী এই প্যাকেজটি। প্যাকেজে রয়েছে----
১) প্রিন্ট কাঁথা —------২ টি
২) ক্যাপ টাওয়েল —- ১ টি
৩) ইউরিন ম্যাট—--– ১ টি
৪) বেবী কেয়ার কিট - ১ টি
৫) 3 in 1ক্যাপ সেট–-১ টি
৬) বাথ টাওয়েল—---- ১টি
৭) রুমাল সেট—----- ১ টি
৮) ন্যাপি—-----------২ টি
👉 ১০০% কোয়ালিটির নিশ্চয়তা পাবেন।
👉 প্যাকেজটি অর্ডার করার দায়িত্ব আপনার- আর হোম ডেলিভারীর মাধ্যমে আপনার বাসায় পৌছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।
✅ আপনি পন্য হাতে পেয়ে দেখে পেমেন্ট করতে পারবেন।
✅অর্ডার করতে কল করুন- 01627955990 এবং 01845367121 এই নাম্বারে।
অথবা, আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ইনবক্স করুন।
👉 পরবর্তীতে আমাদের পেইজের কালেকশন দেখতে Hallo Baby পেইজটি ভিজিট করুন।
এবং আমাদের Hallo Baby পেইজটি খুঁজে পেতে লাইক এবং শেয়ার করুন।
16/01/2024
❤️ আপনার সন্তানের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে ।
👉আপনি কি আপনার সন্তানের জন্য ভালো মানের জিনিস খুজছেন❓
👉 সময়ের অভাবে বাহিরে বের হতে পারছেন না❓
⚠⚠ আপনি নিম্নমানের জিনিস আপনার বেবীর জন্য ব্যবহার করলে বেবীর শরীরে বিভিন্ন রকম চর্ম রোগ হতে পারে। তাই ছোট্ট বেবির ব্যবহারের জিনিস হতে হবে💯 কোয়ালিটি ফুল।⚠⚠
👉 আপনার বেবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ৩ টি আইটেম দিয়ে আমরা সাঁজিয়েছি একটি আকর্ষনীয় প্যাকেজ। প্যাকেজে যা যা থাকছে----
১) প্রিন্ট কাঁথা - --–১০ টি
২) নঁকশি কাঁথা—---১ টি
৩) ইউরিন ম্যাট — ১ টি
👉 ১০০% কোয়ালিটির নিশ্চয়তা পাবেন।
👉 এই প্যাকেজ ছাড়াও আমাদের কাছে পাবেন বেবীদের প্রয়োজনীয় সকল আইটেম।
✅ আপনি হাতে পেয়ে দেখে পেমেন্ট করতে পারবেন।
✅অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ইনবক্স করুন।
অথবা- কল করুন :01627955990 এবং 01845367121 এই নাম্বারে।
👉 পরবর্তীতে আমাদের পেইজের কালেকশন দেখতে আমাদের Hallo Baby পেইজ ভিজিট করুন অথবা আমাদের পেইজ খুঁজে পেতে লাইক এবং শেয়ার করুন।
👉♥️ ছোট্ট সোনামণিকে নিয়ে বাবা মায়ের চিন্তার শেষ থাকে না। তার মধ্যে একটা প্রধান চিন্তা হচ্ছে বেবির জন্য ভালো মানের ডায়াপার কোনটা❓
👉💔 আপনি নিম্নমানের ওয়াশেবল ডায়াপার আপনার বেবির জন্য ব্যবহার করলে বেবির শরীরে র্যাশ বা বিভিন্ন রকম চর্মরোগ হতে পারে। তাই বেবির ওয়াশেবল ডায়াপার হতে হবে ভালো কোয়ালিটির, সফট এবং আরামদায়ক । 💯
👉 💯আমাদের কাছে পাচ্ছেন অরিজিনাল চায়না ওয়াশেবল ডায়াপার।💯
👉🚼 ০ থেকে ১৮ মাসের বাচ্চা নিমিষেই ব্যবহার করতে পারবে।😂
👉 প্রতিটি ডায়াপারের সাথে অধিক পানি শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ লেয়ারের ২ টি প্যাড থাকবে। ♥️
👉 One Time Diaper এর জন্য ব্যয় করা অনেক বাবা- মায়ের খুব কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে। তাই একই ডায়াপার দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়-
বিধায় বার বার কেনার ঝামেলা নাই এবং খরচ সাশ্রয়ী হয়।🎈
👉 এই ওয়াশেবল ডায়াপার পেতে আমাদের Hallo Baby পেইজে ইনবক্স করুন অথবা সরাসরি কল করুন-👉 ০১৬২৭৯৫৫৯৯০/ ০১৮৪৫-৩৬৭১২১ এই নাম্বারে।
👉 আমাদের প্রোডাক্ট কালেকশন দেখতে👉 Hallo Baby পেইজটি ভিজিট করুন এবং পরবর্তীতে আমাদের পেইজ👉 Hallo Baby খুঁজে পেতে লাইক এবং শেয়ার করুন।
⏩ নবজাতকের বেড়ে উঠার দ্বিতীয় মাস :
শিশুর জন্মের প্রথম মাস থেকে দ্বিতীয় মাসে তেমন কোন পার্থক্য দেখতে পাবেন না। সব লক্ষণ প্রায় একই রকম। শিশুরা সাধারণত দুই মাস বয়স থেকে একটিভ হতে শুরু করে এবং নড়াচড়া করতে শুরু করে। হবু মা থেকে শুরু করে যারা মা হয়েছেন, সবারই কিছু বেসিক জিনিস জানা উচিত।
আপনার বাচ্চার যদি কোন সমস্যা না হয়, তবে আপনি চিন্তিত হবেন না। মনে রাখবেন তাদের এখনো বিকাশ ঘটছে ও পরিবেশের সাথে অভিযোজন হচ্ছে। আজ আলোচনা করব- দুই মাস বয়সী শিশুদের যত্ন, ওজন, উচ্চতা ও টিকাসহ নানা বিষয় নিয়ে।
তাহলে চলুন শুরু করা যাক --
➡️ঘুম :
দ্বিতীয় মাসের শিশু ঘন ঘন খাবে আর ঘুমাবে। তবে একটানা ঘুমাবে না। দিনে ১৪ - ১৭ ঘন্টা ঘুমাবে। তবে সময়ের তারতম্য হতে পারে। এ সময় ঘুমানোর আগে আসতে আসতে কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেমন ঘুম পাড়ানি গান শোনাতে পারেন। কাপড় বদলে দিতে পারেন। ঘুমানোর আগে তার সাথে কথা বলুন। আদর করুন। রুম লাইট বন্ধ করে দিন। সে যাতে বুঝতে পারে, তার ঘুমানোর সময় হয়েছে।
➡️খাওয়া :
শুরু থেকে আপনার শিশুকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসে উৎসাহ দেওয়া জরুরী। আপনার শিশু যদি ক্ষুধার্ত হয়, তাহলে তা বোঝানোর জন্য শিশু কাঁদবে। তাই নিশ্চিত থাকুন শিশুকে খাওয়াতে হবে। আপনার বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে ক্ষুধার সময় পরিবর্তন হতে পারে এবং সেই সাথে তার ক্ষুধারও পরিবর্তন হবে। তবে ২ মাস বয়সী বাচ্চা শিশুকে দুই ঘন্টা পর পর খাওয়াতে হবে।
➡️মল-মূত্র ত্যাগ :
দ্বিতীয় মাসে শিশু ৬ বারের বেশি প্রস্রাব করবে। তাছাড়া শিশুর মল প্রথম দিকে ঘন ও গাঢ় সবুজ ও আস্তে আস্তে হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। বুকের দুধ খাওয়া বাচ্চা প্রায় ৭ দিন পর্যন্ত মূল ত্যাগ না করে থাকতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যদি তার পেট শক্ত থাকে বা তাকে অসন্তুষ্ট মনে হয়, তবে তার কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
➡️ডায়াপার :
প্রতিবার ডায়পার চেঞ্জ করার পর ভালোভাবে প্রাইভেট পার্ট ক্লিন করে নিন। গরমে ডায়পার তুলনামূলক কম ব্যবহার করতে হবে। কারণ ডায়পার অনেক সময় শিশুদের অস্বস্তির কারণ হতে পারে। ডায়পার পরানোর পর র্যাশ বের হলে র্যাশ প্রতিরোধ্য ক্রিম ব্যবহার করুন।
➡️কান্না :
আপনার বাচ্চা যদি কলিক বেবি হয়, তাহলে রাতে নির্দিষ্ট সময়ে কান্না করবে। শুধু তাই নয় বাচ্চারা কোন প্রকার অস্বস্তি বা পেটে ব্যথা হলেও কান্না করতে পারে। তাই যখনই সে কান্নাকাটি করবে তখনই তাকে আদর করে বা গান শুনিয়ে অথবা কোলে নিয়ে ঘুরতে থাকুন, যাতে সে কান্না ভুলে থাকতে পারে।
➡️টিকা :
সংক্রামক ব্যাধি থেকে রক্ষা পেতে সব শিশুকেই টিকা দিতে হবে। শিশুর বয়স 42 দিন বা ৬ সপ্তাহ হ, এ সময় তাকে ঠিক মতো টিকা দিতে হবে। ৬ সপ্তাহে শিশুকে ২ফোঁটা পোলিও টিকা খাওয়াতে হবে। এটি মুখে খাওয়ার টিকা, যা ওপিভি নামে পরিচিত। বাম পায়ে দিতে হবে পেন্টা ইনজেকশন। যা ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, হেপাটাইটিস, ও ইনফ্লুয়েঞ্জা - এর পাঁচ রোগের সম্মিলিত টিকা। নিউমোনিয়ার টিকা যা পিসিভি ইনজেকশন নামে পরিচিত। এটি শিশুর ডান পায়ে দিতে হবে। ডান হাতে আইপিভি টিকা দিতে হবে। ৬ সপ্তাহের টিকা দেয়ার পরে শিশুর জ্বর আসতে পারে। টিকা দেওয়ার পর অনেক বাচ্চার ডায়রিয়া হতে পারে।
➡️ওজন ও উচ্চতা :
নবজাতকের জন্মের সময় ওজন হল ২.৬-৪.৫ কেজি, ২য় মাসে শিশু প্রায় ১ কেজি ওজন বাড়ে। ২য় মাসে একজন ছেলে শিশুর ওজন ৯.৯ পাউন্ড বা ৪.৫ কেজি ও একজন মেয়ে শিশুর ওজন ৯.০৪ পাউন্ড বা ৪.১কেজি পর্যন্ত বাড়ে।
তাছাড়া একজন ছেলে শিশুর গড় উচ্চতা হয় ২১.৫ ইঞ্চি ও মেয়ে শিশুর গড় উচ্চতা হয় ২২.৫ ইঞ্চি। তাই নিয়মিত ভাবে তার ওজন ও উচ্চতার পরিমাপ করবেন এবং তা সঠিক ও স্বাভাবিক কিনা লক্ষ্য রাখবেন।
➡️শিশুর বিকাশ :
দ্বিতীয় মাসে আপনার শিশুর স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হতে শুরু করে। তখনই সে মা সহ কাছের মানুষদের ভালোভাবে লক্ষ্য করতে থাকে। শিশুর অনুভূতি শক্তি ক্রমাগত তীক্ষ্ণ হতে থাকার দরুন গন্ধের মাধ্যমে মা ও কাছের মানুষদের সনাক্ত করতে পারে। মনে রাখা দরকার যে, বাহ্যিক উদ্দীপনা, যেমন জোরদার আওয়াজ তাদের কাছে খুবই ভীতিকর হতে পারে। তাই ঘরের ভেতরে আওয়াজের মাত্রা যতটা সম্ভব কম রাখা দরকার। যত তার দৃষ্টি শক্তি উন্নতি হবে, তত তার চারপাশের বস্তু ও ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ সাধনের উন্নতি হবে। একটা খেলনা দিয়ে শিশুকে খেলার জন্য উৎসাহিত করার চেষ্টা করুন। দুই মাস বয়সে আপনি আপনার শিশুকে কিছু নরম কাপড়ের পুতুল এবং ঝুনঝুনি খেলনার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেন।
➡️কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা :
শিশুর দ্বিতীয় মাসে কিছু বিষয় মা সহ অভিভাবকদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। যেসব লক্ষণ থাকলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিতে হবে। যেমন -
✅ বুকের দুধ টেনে না খাওয়া
✅চলন্ত বস্তুর দিকে দৃষ্টি না দেওয়া
✅ হাত যদি মুখের কাছে না আনতে পারে
✅ শিশুর শরীর দুর্বল ও নিস্তেজ থাকা
➡️কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
✅ ২য় মাসে আপনার শিশু আপনার চোখের দিকে কিছু একটু একটু ফোকাস করতে পারবে। কোন খেলনা বা চলমান বস্তুকে অনুসরণ করতে পারবে।
✅ এসময় নবজাতক শক্ত করে হাতের মুট বন্ধ করতে পারে। হাতে কিছু দিলে সে চেপে ধরে রাখতে পারবে। বিশেষ করে মায়ের চুল পেলে শক্ত করে চেপে ধরতে পারবে। তাই এ সময় আপনার চুল সামলে রাখুন।
✅ এ সময় তার মুভমেন্ট আগের চাইতে বেড়ে যাবে।
✅ দুই মাস বয়সের সময় শিশু দিনে ঘুমাবে রাতে জেগে থাকবে।
✅ এ সময় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। বেশি বেশি বুকের দুধ দিতে হবে।
✅ আপনার ঘরে যেন কোনো ধারালো কোণা অথবা শিশুকে আঘাত দেওয়ার মত কিছু না থাকে।
✅ আপনার বাচ্চার কাছাকাছি কোনো ছোটখাটো জিনিস রাখবেন না কারণ সেগুলো সে মুখে পুরে দিতে পারে।
✅এই পর্যায়ে কোন পশু পাখিকে আপনার বাচ্চার মুখের কাছে আসতে দিবেন না কারণ তাদের থেকে এলার্জি এর সম্ভাবনা থাকতে পারে।
✅ লক্ষ্য রাখবেন যেন বাচ্চাটি মেজের ওপর ভালোভাবে হাত পা ছাড়াতে পারে।যাতে তার শরীরের পেশিগুলোর ব্যায়াম হয় এবং সে তাড়াতাড়ি হামাগুড়ি দিতে পারে।
✅ তার সমস্ত টিকাকরণের রেকর্ড রাখুন পরে এই তথ্যগুলি আপনার প্রয়োজন হবে।
কখনোই আপনার শিশুকে একলা রাখবেন না। প্রয়োজনে একটি শিশু মনিটর ব্যবহার করুন।
➡️শেষকথা :
শিশুর দ্বিতীয় মাসে মা-বাবা আরো একটু পারদর্শী হয়ে ওঠেন। এ সময়ে শিশু নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে শুরু করে। সেই সাথে শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটাও অব্যাহত থাকে। শিশু ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
(পোস্টটি ভালো লাগলে- লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে সাথেই থাকুন)
04/01/2024
আলহামদু লিল্লাহ । আমাদের শুভাকাঙ্খী কাস্টমার। এভাবেই আমাদের কাস্টমারদের ভালো মানের প্রোডাক্ট দিয়ে সেবা দিয়ে যেতে চাই। সবাই দোয়া করবেন।
❤️ আপনি কি আপনার ছোট্ট সোনামনির জন্য উন্নত মানের ব্যবহারের প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজছেন?❓
👉 যেরকম টি চাচ্ছেন সেরকম টি পাচ্ছেন না? ❓
👉 সময়ের অভাবে বাহিরে বের হতে পারছেন না? ❓
⚠⚠ আপনি নিম্নমানের জিনিস আপনার বেবীর জন্য ব্যবহার করলে বেবীর শরীরে চর্ম রোগ হতে পারে। তাই ছোট্ট বেবির ব্যবহারের জিনিস হতে হবে💯 কোয়ালিটি ফুল।⚠⚠
👉 তাই আপনার বেবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ১০ টি আইটেম দিয়ে আমরা সাঁজিয়েছি একটি সুন্দর প্যাকেজ। প্যাকেজে যা যা থাকছে----
১) ওয়াশেবল ডায়াপার - ১ টি,
২) ইউরিন ম্যাট - ১ টি,
৩) বেবী কেয়ার কিট সেট - ১ টি,
৪) রুমাল সেট - ১ টি,
৫) ক্যাপ টাওয়েল - ১ টি,
৬) বাথ টাওয়েল - ১ টি
৭) বিব বা লুলদানী-২টি
👉 ১০০% কোয়ালিটি নিশ্চয়তা পাবেন।
👉 এইটা শুধু একটা প্যাকেজ না- আপনার শিশুর প্রয়োজনীয় অনেক সমস্যার সমাধান পেয়ে যাচ্ছেন আমাদের এক প্যাকেজে।
✅ আপনি হাতে পেয়ে দেখে পেমেন্ট করতে পারবেন।
✅অর্ডার করতে মেসেজ করুন বা পেইজে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার ইনবক্স করুন।
অথবা ফোন করুন : 01627955990 অথবা 01845367121 এই নাম্বারে।
👉 পরবর্তীতে আমাদের পেইজের কালেকশন দেখতে অথবা আমাদের পেইজ খুঁজে পেতে লাইক এবং শেয়ার করুন।
👶👶নবজাতকের বেড়ে উঠার প্রথম মাস 👶👶
#️⃣ প্রথম মাসে নবজাতকের ওজন ও উচ্চতা:
👉নবজাতকের গড় ওজন ৭.৫ পাউন্ড ( ৩.৪ কেজি )।
যদিও ৫.৮ - ১০ পাউন্ড ( ২.৬ - ৪.৫ কেজি ) পর্যন্ত ওজনকে
আদর্শ ধরা হয়।
👉নবজাতক ওজন যদি উল্লেখিত সীমা রেখার মধ্যে থাকে, তবে তার উচ্চতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি তার ওজন এর থেকে বেশি বা কম হয়, তবে আপনার চিকিৎসক নিশ্চয়ই তার সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য কিছু পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিতে পারেন। জন্মের পর প্রথম সপ্তাহে নবজাতকের ওজন- তার জন্ম ওজন বা বার্থ ওয়েটের প্রায় ১০ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। নবজাতকের শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এমন হয়। তবে পাঁচ দিনের মধ্যে আবার তার ওজন বাড়তে শুরু করবে। ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে নবজাতক পুনরায় তার ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়ের ওজন ফিরে পাবে। নবজাতকের জন্মকালীন ওজন ফিরে আসার পর, প্রথম ৪ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে ৪ থেকে ৭ আউন্স পর্যন্ত ওজন বাড়ে। মানে -
প্রতিমাসে ১ থেকে ২ পাউন্ড অর্থাৎ আধা কেজি থেকে এক কেজি পর্যন্ত ওজন বাড়া স্বাভাবিক। যদি নবজাতকের বয়স ২ সপ্তাহ হওয়ার পরেও বার্থ ওয়েট ফিরে না আসে বা আশানুরূপ ওজন ফেরত আসার পরেও যদি আবার বেশ অনেকটা কমে যায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারকে জানাতে হবে। প্রথম মাসে নবজাতক প্রতি দুই- তিন ঘন্টা অন্তর খেতে চায়। বুকের দুধ খাওয়া অধিকাংশ নবজাতক ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৮-১২ বার বা তারও বেশীবার খেতে পারে। নবজাতক যখন খাবার খাওয়ানোর ইঙ্গিত করে, তাকে বুকের দুধ দিন। যতক্ষণ সে খেতে চায়, ততক্ষণ খাওয়ান। সে প্রথম স্তনের দুধ খাওয়া থামিয়ে দিলে তার ঢেকর উঠান এবং দ্বিতীয় স্তনের দুধ খাওয়ান। এতে শিশু বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনার বুকের দুধের একটি ভালো সরবরাহ থাকা নিশ্চিত করবে।
#️⃣ The American Academy of Pediatrics ( AAP )
এর পরামর্শ মতে-
👉 নবজাতক যদি ৪ ঘন্টার বেশি ঘুমিয়ে থাকে, তবে জন্মের প্রথম দুই সপ্তাহ পর্যন্ত অথবা জন্মের পর তার হারিয়ে ফেলা ওজন আবার ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে খাওয়াতে হবে।
এ সময় পর্যাপ্ত দুধ না পেলে শিশুর ওজন বৃদ্ধি স্তিমিত হয়ে যেতে পারে।
👉প্রথম দুই সপ্তাহ নবজাতককে ঘুম থেকে জাগিয়ে খাওয়ানোর আরেকটি কারণ হলো- মায়ের বুকের দুধের সরবরাহ ঠিক রাখা। শিশুকে ঘন ঘন দুধ না খাওয়ালে বুকের দুধ কমে যেতে পারে।
👉 নবজাতক তার জন্মের ওজন ফিরে পাওয়ার পর এবং যদি ওজন স্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে সেক্ষেত্রে তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে না খাওয়ালে তেমন কোন সমস্যা নেই।
👉 নবজাতকের বৃদ্ধি যদি কম থাকে বা কোন মেডিকেল কন্ডিশনের কারণে যদি অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন পড়ে, তবে তাকে জাগিয়ে খাওয়ানো গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিতে হবে।
👉অনেক মা এটি ভেবে চিন্তিত থাকেন যে, নবজাতক পরিমাণ মতো দুধ পাচ্ছে কিনা !
কারণ শিশু হয়তো কিছুক্ষণ পরে পরেই কাঁদছে। এটি খুবই স্বাভাবিক কারণ খাওয়ার ঘন্টা দুয়েকের মধ্যেই তার খাবার হজম হয়ে যায়।
👉কিছু কিছু জিনিস খেয়াল করলেই আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে, নবজাতক পরিমাণ মতো দুধ পাচ্ছে।
✅ বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের বুক নরম ও খালি বোধ হওয়া।
✅ শিশুর ত্বক উজ্জ্বল থাকা ।
✅ শরীরের কোনো অংশের চাপ দিলে তা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আসা।
✅ শিশুর ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া।
✅ দিনে ৬ থেকে ৮ বার মূত্র ত্যাগ করা।
👉জন্মের প্রথম মাসে নবজাতক ১৬ থেকে ২০ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটাতে পারে। তবে বেশির ভাগ নবজাতক সাধারণত একটানা ১ থেকে ৩ ঘন্টার বেশি ঘুমায় না । ঘুম শিশুদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই সময় তাদের মস্তিষ্ক ও শরীর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।
শুধু রাতের ঘুমই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত দিনে ভাঙ্গা ভাঙ্গা ঘুম তাদের ঘুমের অনেকটা চাহিদা পূরণ হবে।
👉নবজাতককে চিত করে শোয়ানোটাই সবথেকে নিরাপদ। কারণ এতে শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি SIDS ( সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম) এর রিক্স কমে যায়। কিন্তু সে যখন জেগে থাকে, তখন তাকে মাঝে মাঝে কিছুটা সময় উপুড় হয়ে থাকতে দিন। এতে ঘাড়ের মাংশপেশী শক্ত হয়।
👉
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ানো ইত্যাদি অভ্যাস করানোর জন্য আরও বেশ কয়েকটি মাস অপেক্ষা করুন। এই বয়সে তাকে তার নিজস্ব চাহিদা মত ঘুম, খাওয়ানো এবং মায়ের সান্নিধ্যে রাখুন।
👉দিনের বেলায় যখন সে সজাগ থাকে, তখন তার সাথে যত বেশি সম্ভব গল্প ও খেলাধুলা করুন। শিশুর রুম আলোকিত এবং উজ্জ্বল রাখুন। কিন্তু রাতের বেলা যখন সে জেগে যায়, তখন তার সাথে খেলাধুলা করবেন না, ঘরের আলো ও শব্দ কমিয়ে রাখুন এবং তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
এটি বাচ্চাকে দিন আর রাতের মাঝে পার্থক্য করতে সাহায্য করবে এবং সে বুঝতে পারবে রাত হল ঘুমানোর সময়। শিশুকে নিজ থেকে ঘুমিয়ে পড়ার সুযোগ দিন। তার মধ্যে যখন ঘুম ঘুম ভাব দেখবেন, তখন তার বিছানায় রেখে দিন যাতে করে সে নিজে থেকেই ঘুমিয়ে যায়।
এটি পরবর্তীতে শিশুর স্লীপ ট্রেনিং এ সাহায্য করবে।
👉প্রথম মাসে শিশুর কান্না:
👉সব নবজাতকই কান্না করে। এটাই বাস্তবতা। কান্নায় পৃথিবীতে তাদের জানান দেওয়ার একমাত্র উপায়। শিশু যখন কান্না শুরু করে, তখন তার কারন খুজে বের করুন। যেমন- খিদে লাগা ,ক্লান্ত লাগা, ভেজা ডায়াপরি,গ্যাসের সমস্যা ইত্যাদি।
👉কান্না করলে দূরত্ব সাড়াদিন এবং শান্ত করার চেষ্টা করুন। এতে আপনাদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হবে। শিশুর কান্না অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এতে ব্রেনের ওপর চাপ পড়ে যা পরবর্তী জীবনে তার মানসিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
👉প্রায় ১৫ থেকে ২০ ভাগ নবজাতক অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি কান্না করে। বাচ্চা যদি অনেক বেশি কান্না করে, যেমন- সাধারণত ৩ ঘন্টা বা তার চেয়ে বেশি সপ্তাহে তিন বা চার দিনের বেশি এবং কোন ব্যাখ্যা না থাকে- ধরে নিতে পারেন, বাচ্চার হয়তো কলিক সমস্যা আছে। কোন কারণ ছাড়া- একজন সুস্থ বাচ্চার অতিরিক্ত কান্নাকাটিকে সাধারণত কলিক বলে।
👉জন্মের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কলিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কলিক কি কারনে হয় তা এখনও পরিপূর্ণভাবে জানা যায়নি। তবে গ্যাসের সমস্যা, হজমের সমস্যা, রিফ্লাক্স বা পরিবেশগত কোনো কারণে কলিক হতে পারে বলে মনে করা হয় । কলিক কোন রাগ নয়, তবে কলিক শিশুদের বাবা-মায়ের প্রয়োজনের অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিতে হয়।
👉গ্রোথ স্পার্টের সময় শিশুর বিকাশ অন্য যেকোনো স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি হয়। গ্রোথ স্পার্টের সময় শিশুর ওজন কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। খানিকটা লম্বাও হতে পারে। এমনকি মাথার পরিধিও কিছুটা বাড়তে পারে। এতে শিশুর জন্মের প্রথম বছরে বেশ কয়েক বার গ্রোথ স্পার্ট হতে পারে।
👉শুধুমাত্র প্রথম মাসেই কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ পর পর এটি হতে পারে। তবে এরপর সময়ের এই ব্যবধান বাড়তে থাকে।
👉জন্মের পর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহে আপনি তার গ্রোথ স্পার্ট খেয়াল করতে পারেন।
গ্রোথ স্পার্ট বা দ্রুত বর্ধনের অন্যতম লক্ষণ হল- এই সময় শিশু অনেক বেশি ক্ষুধার্ত থাকে। অন্য সময় প্রতিদিন তিন- চার ঘণ্টা পরপর খেলেও এসময় তারা প্রতিদিন দেড়-দুই ঘন্টা অন্তর অন্তরই ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে। আবার তার ঘুমের রুটিনেও বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় শিশু অন্য সময়ের তুলনায় বেশি খিটখিটে আচরণ বা অস্থিরতা প্রদর্শন করতে পারে।
👉গ্রোথ স্পার্ট চলাকালীন সময়ে শিশু ঘন ঘন মায়ের দুধ খেতে চাওয়ার ব্যাপারটি মায়েদের কাছে ক্লান্তিকর। এতে কোন সন্দেহ নাই। তবে এটি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণত নবজাতকের ক্ষেত্রে গ্রোথ স্পার্ট কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে আসে। তবে দিন কয়েকের মধেই যদি শিশু পূর্বের রুটিনে ফিরে না আসে-খাওয়া, ঘুম ইত্যাদি নিয়ে যদি তখনও সমস্যা হয়, তখন বিষয়টি চিন্তার কারণ হতে পারে। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখতে হবে শিশু জ্বর বমি বা অন্য কোন সমস্যায় ভুগছে কিনা। এগুলো কিন্তু গ্রোথ স্পার্টের সময় হওয়ার কথা নয়। তাই এসব সময়ে ডাক্তারকে জানানো প্রয়োজন।
(ধৈর্য্য ধরে লেখাটা সম্পূর্ণ পড়ার জন্য ধন্যবাদ)