Muslim Speaker

Muslim Speaker

Share

সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে,বানোয়াট আকীদা-সুন্নীয়তের নামে ভন্ডামী এবং তাওহীদের নামে সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে

17/02/2024

সেই জিন্দাপীর
----------------------

সম্রাট আওরঙ্গজেব টানা ৪৯ বছর ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল তার রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত। প্রজার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৮০ লক্ষ।

আওরঙ্গজেব বছরে রাজস্ব আদায় করতেন ৪৫০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার। ঐ সময়ে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন চতুর্দশ লুই। লুই এর চেয়ে আওরঙ্গজেব এর রাজ্যে দশগুণ বেশি রাজস্ব আদায় হত। তাঁর অধীনে ভারতবর্ষের অর্থনীতি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। ১৭০০ সালে তিনি ভারতবর্ষের অর্থনীতিকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করেন। ভারতবর্ষের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ। আওরঙ্গজেবের ভারতবর্ষ তখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী সাম্রাজ্যে পরিণত হয়েছিল । তিনি বাদশাহ আলমগীর নামেও পরিচিত ছিলেন । ফতোয়া-ই-আলমগীর নামের শরিয়া আইন ও ইসলামী অর্থনীতির প্রবর্তন করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তিনি।

সম্রাট আওরঙ্গজেব কোরআনের হাফেজ ছিলেন । তিনি সুন্নি মুসলমান হিসেবে অত্যন্ত সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন । তিনি নিজের জন্য রাজকোষ থেকে কোন অর্থ গ্রহণ করতেন না। নিজ হাতে টুপি সেলাই ও কোরআন শরীফ নকল করে যে উপার্জন করতেন তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন এ সম্রাট। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় নিজ সন্তানকে দিয়ে শিক্ষক বা শিক্ষাগুরুকে সম্মান দেখানোর এক অনন্য নজির স্থাপন করে গেছেন । সৎ, যোগ্য এবং ধার্মিক সম্রাট হিসেবে প্রজাদের শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন তিনি । প্রজারা তাঁকে 'জিন্দাপীর' বলতেন।

১৭০৭ সাল। তখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান আওরঙ্গজেব। তাঁর বয়স ৮৮ বছর। এই বয়সে নিজের সম্পত্তির একটা উইল তৈরী করলেন। মৃত্যুর পরে উইলে দেখা গেল- তাঁর কাছে ১৪ রুপি আর নিজ হাতে বোনা কিছু টুপি আছে। এগুলো বিক্রি করে তাঁর জানাযা আর দাফনে খরচ করতে বলেছেন। আর সারাজীবন পবিত্র কুরআন শরীফ নকল করে ৩০০ রূপি জমিয়েছেন - এই টাকাগুলো গরীবদের মাঝে দান করে দিতে বলেছেন।

দরবার আর রাজকোষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল- উইলের বাইরে সম্রাটের কোথাও কোনো সম্পদ নেই।

সংগৃহিত।

08/02/2024

মাশাআল্লাহ 💝
NaatSharif ゚viral

18/10/2023

আমি ফি/লি/স্তি/নি শিশু!
আমরা বংশ পরম্পরায় কা_ফি'রদের মাইর খেয়ে আসছি
শুধু রাসূলূল্লাহর উম্মত হওয়ার কারণে, ইসলামকে বুকে ধারণ করার কারণে।
আমরা অনেকে জন্মের পর পরই মা-বাবার কুল হারায়, আমাদের সামনে আমাদের ভাইদের গু*লি করে হ/ত্যা করা হয়... বোনদের জি*ম্মি করে নিয়ে যায় 😭😪
আকাশ কাঁপানো চিৎকারে হাহাকার করি....
কেউ আমাদের পাশে দাঁড়ায় না ।

মুসলিম বিশ্ব আজ শুধু শান্তিকামীর ভূমিকায়, সুন্দর সুন্দর বক্তব্য দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে নিচ্ছে,
কেউ কেউ ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে, কয়েকটা ভিডিও আপলোড করে নিজেকে নিজে মো"জাহিদ ভেবে নিচ্ছে।
আর আমরা দিনের পর দিন নরকের যন্ত্রণায় ছটফট করছি,
বীরের জাতি হয়ে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্মের মানুষ হয়ে দিন দিন
রক্তশূন্য হচ্ছি, কা*ফে*রের পায়ের আঘাতে জর্জরিত হয়ে তাদের পায়ের তলায় কালিমা পড়ে পৃথিবীকে বিদায় জানাচ্ছি।

মুহাম্মদ (সা:) থাকলে তিনি হয়তো আমাদের এভাবে কা*ফে*রদের হাতে ছেড়ে দিতেন না।
হয়তো সাহাবিদের নিয়ে যুদ্ধ করে আমাদের বাঁচিয়ে বুকে জড়িয়ে নিতেন - আশ্রয় দিতেন।
🆓🆓🆓
তোমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যথার্থ উম্মত হতে পেরেছ তো?

পারবে কি কখনো⁉️

তিনি সেই মহান হৃদয়ের মানব ছিলেন যিনি একটা গোলামকেও জা*লিমের হাতে ছেড়ে দিতেন না।
নিজের জীবন, পরবর্তী অসুবিধা, সেনা সংখ্যা নিয়ে ভাবতেন না।
📌তোমরা কার উম্মত আসলে❗
কোন ধর্মের মধ্যে তোমরা আছ⁉️

আবু বক্কর সিদ্দিক, ওমর, ওসমান, আলী - হামজা (রা:)
এরা কি জিহাদের ডাক পড়লে রাস্ট্র, সমাজ, পরিবার - প্রতিকূলতা - পরবর্তী বিপদ এসবের কিছু ভাবত⁉️
তারা সঠিক সময়ের অপেক্ষা করত❓

🙏তোমরা আমাদের রক্তের মূল্য দিচ্ছ না কেন?!

আমরা তো আজানের সাথে - কালিমা বুকে নিয়ে বড় হয়েছি।

আমাদের প্রতি জুলুম তো আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা....

আমাদের শরীরে এক একটা আঘাত তো তোমাদের গালে চড়....!

📌তাহলে তোমরা আল্লাহর সৈনিক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড় না কেন⁉️
📌তাহলে তোমরা আল্লাহর সৈনিক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড় না কেন⁉️
📌তাহলে তোমরা আল্লাহর সৈনিক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড় না কেন⁉️

এভাবে আর কত❗

🙏📌তারা আমাদের বাঁচতে দিচ্ছে না.....
অনেক দিন ধরে অনাহারে...📍
খোদার দেয়া একটা রুটি আজ পাইছিলাম 😭😭

দেখ না!
আমি পুরোটা খেতে পারিনি ,
ওঁরা আমাকে জীবনের শেষ আহারটাও করতে দিল না ।
তার আগেই দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিল ।

তোমরা মাহফিল- সেমিনার ,রক্ত ঝরা - অগ্নি ঝরা বক্তব্য , শোক প্রকাশ , মায়া কান্না, ফেইসবুক প্রতিবাদ , মৌখিক জিহাদ (দায়িত্ব এড়াতে বলে ফেলা) ক্রিকেট, ফুটবল,কনসার্ট, জাতীয়তাবাদ, ভোগবাদীতা, কথিত ক্যারিয়ায়ের নেশায় মাতাল না হয়ে পড়লে আমরা পুরোটা খেতে পারতাম।
হাসিমুখে উচ্চস্বরে কালিমা পড়ে পড়ে শহীদ হতে পারতাম ।

📌থাকো তোমরা ভোগ বিলাসিতা নিয়ে !
আমরা জান্নাতে চললাম।
.......................................
আর তোমাদের শেষ পরিণতি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

Writer:
✍️ হাফেজ সোলতান মুহাম্মদ সাইফুল/

Muslim Speaker

17/10/2023

আল্লাহু আকবার।
আল্লাহ এদের কত ঈমানী শক্তি দিয়েছে দেখুন।
জাতির সূর্যসন্তান, তোমার কপালে একটা চুমা দিতে মন চাই 😭🥲

14/10/2023

বোঝার ক্ষমতা থাকলে বুঝে নিন!😭🥲😪

13/10/2023
10/10/2023

পাখির মতো উড়িয়ে দিচ্ছে ই/স/রা/ইলের ✈️🛩️🚡🚁
দোয়া করেন সবাই

06/10/2023

🔴 পাবলিকের কোটি টাকা ব্যায় করে ___ মসজিদে দামী টাইলস, এসি, দামী ঝাড়বাতি লাগিয়ে কী লাভ যদি নামাজ শেষে মেইন গেটে তালা মেরে দেন?

বারান্দাটাও পথচারীদের জন্য খোলা না রাখেন?

🔴 স্বামী স্ত্রী দুইজন কোনো কাজে বের হয়েছে এমন সময় নামাজের টাইমে স্বামী মসজিদে ঢুকে নামাজ পড়তেছে স্ত্রী বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে, কেমন লাগে দেখতে এই দৃশ্য?

মসজিদের এক কোনায় মহিলাদের জন্য নামাজ পড়ার জায়গা রাখা যায় না? অথবা একটু বিশ্রামাগার যাতে স্ত্রী,বাচ্চা, মেয়ে প্রয়োজনে অপেক্ষা করতে পারে?!

জানি মসজিদের জিনিসও আজকাল চুরি হয়ে থাকে তার জন্য একটা খাদেম ঝাক্
এসব বলে কী ফায়দা!
কোটি টাকার মসজিদে তো ইমামের বেতন ৫ হাজার দিতেই যত অজুহাত।

05/10/2023

আগের যুগে মানুষ আলেমগণের ওয়াজ শুনে হেদায়াত প্রাপ্ত হতো...!
এখন অনেক আলেমের ওয়াজ শুনে মানুষ তাদের জন্য হেদায়াতের দোয়া করে...!

04/10/2023

ইলম অর্জন না করে বুযুর্গ হওয়ার চেষ্টা করা
সবচেয়ে বড় গোমরাহী!

04/10/2023

ওয়াহাবী মতবাদের বিরুদ্ধে আফগানিস্থান এর ঘোষণা।
যা সব মুসলিম দেশে বাস্তবায়ন করা উচিত।

► সালাফিরা (ওয়াহাবী) মানুষকে কোনো মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাজার, ব্যবসা-বাণিজ্য কেন্দ্র, কোনো জনসমাগম স্থানে লা-মাযহাব ও সালাফিবাদের দিকে আহবান করতে পারবে না।

► যেহেতু সালাফীরা (ওয়াহাবী) তাদের দাওয়াত কাজ প্রচারের মাধ্যম হিসেবে কুরআন ও সুন্নাহকে মনগড়াভাবে বর্ণনা করে। সেহুতু তাদের উপরোক্ত জায়গাগুলোতে কুরআন ও সুন্নাহ শিক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। তাদেরকে খুৎবা প্রদান বা কোন মসজিদে ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে না।

► সালাফীদের (ওয়াহাবী) অন্য নাম ব্যবহার করেও কোনো ধরনের জমায়েত বা সম্মেলন করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

► আফগান জাতি হানাফী মাযহাবের অনুসারী। এই মাযহাবকে সম্মান করা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। যে কোন ব্যক্তি সাম্প্রদায়িকতার মাধ্যমে আফগানদের বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করলে তাকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।

► যে কোনো ব্যক্তি যদি একজন হানাফী হওয়ার অভিনয় করে উপরোক্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে এবং যদি একবার প্রমাণিত হয় সে ওয়াহাবিজম চর্চা করে তাহলে তাকে আমিরাতের আইন দ্বারা শাস্তি দেওয়া হবে।

► কবরে অতিরঞ্জিত ভক্তি থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক, যেন শরীয়তের সীমানা অতিক্রম না করে। কেউ যেন মাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা বা মওলিদের উৎসবের স্মরণে শরীয়তের সীমা অতিক্রম করা, কবরের সামনে সেজদা করা বা নারীদেরকে হিজাব ছাড়াই কবর জিয়ারত করার অনুমতি না দেয়া। উপোরিক্ত কাজগুলো থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক যাতে করে লা-মাযহাবীরা (সালাফী/ওয়াহাবী) সমাজের মধ্যে তাদের দাওয়াতকে প্রসারিত করার জন্য পথ বা উপায় না পায়।

Clarifying Light বাংলা

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Cox's Bazar
Cox's Bazar
৪৭১০