16/10/2022
#অনুধাবনমূলক
অধ্যায় ১ : যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি
প্রশ্ন ১। যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের সেরা বিজ্ঞান বলার কারণগুলো, নিচে দেওয়া হলো-
১. বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা তার অন্তর্ভুক্ত পদগুলোকে সংজ্ঞায়িত এবং বিভাজন করে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বিজ্ঞানই যৌক্তিক সংজ্ঞা এবং বিভাগের নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য হয়।
২. মানব মস্তিষ্কের কাজ করার কেবলমাত্র দুটি পদ্ধতিই আছে। যার একটি 'আরোহী এবং অন্যটি অবরোহী পদ্ধতি। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা যুক্তিবিদ্যার নিয়মাবলি অনুসরণ করে চলে ।
উপরিউক্ত কারণ সাপেক্ষে যুক্তিবিদ্যাকে সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ২। যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
উত্তর : চিন্তার আকার নিয়ে আলোচনা করার কারণে যুক্তিবিদ্যা একটি আকারগত বিজ্ঞান। কারণ যে বিশিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে আমাদের চিন্তাপ্রক্রিয়া আবর্তিত হয় তাকে বলে চিন্তার আকার। আর যুক্তিবিদ্যা চিন্তার আকার নিয়ে আলোচনা করে বলে যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয় । তবে কোনো কোনো যুক্তিবিদ মনে করেন যুক্তিবিদ্যার আলোচনায় চিন্তার আকার ও উপাদান উভয়ই বর্তমান ।
প্রশ্ন ৩। কলা বলতে কী বোঝ?
উত্তর : ‘কলা কথাটি সাধারণত দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। কলাবিদ্যা কথাটি এক অর্থে দক্ষতা, পারদর্শিতা ইত্যাদি বোঝায়। অন্য অর্থে কলা বলতে কোনো বিশেষ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়। কেউ কেউ কলাবিদ্যাকে প্রথম অর্থে গ্রহণ করেন, আবার কেউ কেউ কলাবিদ্যাকে দ্বিতীয় অর্থে গ্রহণ করেন। কলাবিদ্যা জ্ঞানকে বাস্তবক্ষেত্রে সার্বিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করার কাজে লাগানোর রীতিনীতি শিক্ষা দেয়।
প্রশ্ন ৪ । যুক্তিবিদ্যা কি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। কোনো আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করা যে বিজ্ঞানের কাজ তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করে ।"আর যুক্তিবিদ্যার এ আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ। সত্যের আদর্শ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তি পদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং এ নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নিরূপণ করে । তাই যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান ।
প্রশ্ন ৫। যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তবজীবনে কীভাবে সহায়তা করে?
উত্তর : বাস্তবজীবনে যুক্তিবিদ্যা বিভিন্ন দিক থেকে আমাদের সহায়তা করে । যুক্তিবিদ্যার বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্যকরণের জ্ঞান আমাদের বাস্তবজীবনে ভুল যুক্তি প্রয়োগরোধে সহায়তা করে। ভুল যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। বৈধ যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক জ্ঞানলাভ করতে পারি। যুক্তিবিদ্যা আমাদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যা এক প্রকার মানসিক
ব্যায়াম। এ ব্যায়াম মানুষকে শুদ্ধ চিন্তার অভ্যাস গঠনে বিশেষভাবে সহায়তা করে। এভাবে যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তবজীবনে বিভিন্ন দিক থেকে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ৬ ৷ কলাবিদ্যাকে কেন প্রায়োগিক বিদ্যা বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : সাধারণত কলাবিদ্যা বলতে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝায়। আবার কলা বলতে কোনো বিশেষ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়। অর্থাৎ, কলাবিদ্যা হচ্ছে এমন কিছু কলাকৌশল যা বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়। তাই কলাবিদ্যাকে প্রায়োগিক বিদ্যা বলা হয়।
প্রশ্ন ৭। যুক্তিবিদ্যা বলতে কী বোঝ?
উত্তর : অবৈধ ন্যায় বা যুক্তি থেকে বৈধ ন্যায় বা যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি ও নীতিসমূহের একটি বিশিষ্ট' বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা। তাই যুক্তিবিদ্যা হলো এমন একটি বিজ্ঞান যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির
পার্থক্য নির্ণয় করে এবং বৈধ যুক্তির প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে।
প্রশ্ন ৮। Logic-এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ইংরেজি Logic শব্দের বাংলা অর্থ হলো যুক্তিবিদ্যা। ইংরেজি Logic শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ Logos থেকে যার অর্থ হলো চিন্তা, ভাষা বা শব্দ। তাই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে যুক্তিবিদ্যা বলতে ভাষায়
প্রকাশিত যৌক্তিক চিন্তার বিজ্ঞানকে বোঝায়।
প্রশ্ন ৯ । এরিস্টটলকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয় কেন?
উত্তর : গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল যুক্তিবিদ্যার পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন । যুক্তিবিদ্যা নিয়ে এরিস্টটলের পূর্বেও অনেকে
আলোচনা করেছেন। অনেক চিন্তাবিদ যুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। কিন্তু 'যুক্তি' নিয়ে আলাদা একটি পঠন-পাঠন বা বিদ্যার সূচনা হয় এরিস্টটলের মাধ্যমে। তাই এরিস্টটলকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয় ।
প্রশ্ন ১০। যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের অনুমান নিয়ে আলোচনা করে?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো যুক্তি। আর অনুমানের ভাষায় প্রকাশিত রূপই হলো যুক্তি। যেহেতু যুক্তিবিদ্যা যুক্তি নিয়ে আলোচনা করে তাই আমরা বলতে পারি যুক্তিবিদ্যা ভাষায় প্রকাশিত
অনুমান নিয়ে আলোচনা করে।
প্রশ্ন ১১। নীতিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যা বলা হয় কেনো?
উত্তর : যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে । যুক্তিবিদ্যা আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করে। আর যুক্তিবিদ্যার এ আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ।
সত্যের আদর্শ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং সেই নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে। তাই যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
প্রশ্ন ১২। “যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে বোধশক্তির যেসব ক্রিয়াপদ্ধতি সাক্ষ্য বিচারের জন্য অপরিহার্য তাদের বিজ্ঞান, জ্ঞাত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হবার পদ্ধতি এবং সহায়ক অন্যান্য বুদ্ধিমূলক ক্রিয়াসমূহ তাদের উভ বিজ্ঞান।”- উক্তিটি কার?
উত্তর : “যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে বোধশক্তির যেসব ক্রিয়াপদ্ধতি সাক্ষ্যবিচারের জন্য অপরিহার্য তাদের বিজ্ঞান, জ্ঞান সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হবার পদ্ধতি এবং সহায়ক অন্যান্য বুদ্ধিমূলক ক্রিয়াসমূহ
তাদের উভয়ের বিজ্ঞান।"- উক্তিটি যুক্তিবিদ মিলের।
প্রশ্ন ১৩। যুক্তিবিদ্যার ধারণা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Logic-এর উৎপত্তি হয়েছে গ্রিক শব্দ Logike থেকে। Logike' শব্দটি আবার গ্রিক Logos শব্দের বিশেষণ। Logos শব্দের অর্থ হলো চিন্তা বা ভাষা। আমরা জানি যে,
চিন্তার সাথে ভাষার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আমাদের মনের চিন্তাধারাকে আমরা সব সময়েই ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করি। এমন কি ভাষা ছাড়া আমরা চিন্তা পর্যন্ত করতে পারি না। সুতরাং উৎপত্তিগত অর্থের দিক
থেকে বলা যায় যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। চিন্তার মাধ্যমেই আমরা জ্ঞান অর্জন করি। সঠিক জ্ঞান পেতে হলে চিন্তার মধ্যে
ভাষার সঠিক ব্যবহারও প্রয়োজন। সুতরাং চিন্তার বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা সঠিক ভাষার ব্যবহার দ্বারা সঠিক জ্ঞান অর্জন করার পথ নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ১৪ । যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান না কলা?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার স্বতন্ত্র আলোচ্য বিষয় আছে এবং নিজস্ব পদ্ধতি আছে তাই এটি বিজ্ঞান। যুক্তিবিদ্যার স্বতন্ত্র আলোচ্য বিষয় হলো, অনুমান এবং নিজস্ব পদ্ধতি যুক্তি। আবার যুক্তিবিদ্যা যুক্তি গঠনের
কলা— কৌশল সম্পর্কে শিক্ষা দেয় তাই এটি কলা। এ থেকে বলা যায়
যুক্তিবিদ্যা কলা ও বিজ্ঞান উভয়ই।
প্রশ্ন ১৫। সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যাকে অভিহিত করা হয় কেনো?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয়। কেননা,যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সাধারণ ও ব্যাপক। যে নিয়মাবলি সব বিজ্ঞানেরই সাধারণ ভিত্তি যুক্তিবিদ্যা সেসব নিয়ে আলোচনা করে। প্রত্যেক বিজ্ঞানই তার ব্যবহৃত পদসমূহের সংজ্ঞা নির্ণয় করে তার বিষয়বস্তু শ্রেণিবিন্যাস করে এবং প্রাপ্ত বা লব্ধ উপাত্ত থেকে সিদ্ধান্ত অনুমান করে। শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমান সংক্রান্ত নিয়মাবলি সরবরাহ করে সে কারণে
আর যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল সংজ্ঞা, প্রতিটি বিজ্ঞানকেই যুক্তিবিদ্যার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই যুক্তিবিদ্যা সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান ।
প্রশ্ন ১৬ ৷ যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান, ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের মানদণ্ডে বিষয়বস্তুর মূল্য নির্ধারণ করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। অর্থাৎ আদর্শ বা মানদণ্ডের আলোকে ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত, অনুচিত ইত্যাদি
আদর্শগত প্রশ্নই আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের মূল বিষয়। প্রত্যেক আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানই নিজস্ব বিষয়বস্তু অনুমানের একটি বিশেষ আদর্শের নীতি স্থাপন করে এবং সেই আদর্শের মাপকাঠিতে বস্তু বা ঘটনার মূল্য
নিরূপণ করে। যুক্তিবিদ্যা 'সত্যের আদর্শ' অনুসারে মানুষের চিন্তার বৈধতা ও যথার্থতা প্রতিষ্ঠা করে। আর এ কারণেই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয় ।
প্রশ্ন ১৭। দৃষ্টান্তের সাহায্যে যুক্তির ধারণা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : জানা সত্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো অজানা বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করলে তা হয় অনুমান। আর অনুমান যখন ভাষায় প্রকাশ করা হয় তখন তা হয় যুক্তি। অনুমান একটি মানসিক বিষয়। কিন্তু ঐ মানসিক বিষয়টিকে ভাষায় প্রকাশ করলে তা যুক্তি হয় ।
প্রশ্ন ১৮ । যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়
কেন?
উত্তর : যে বিজ্ঞান আদর্শের ভিত্তিতে কোনোকিছুকে বিচার করে বা মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে বৈধ যুক্তি পদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে মূল্য নিরূপণ করে । আমরা কীভাবে চিন্তা করি বা অনুমান করি সেটি যুক্তিবিদ্যার কাজ নয়; বরং কীভাবে অনুমান করলে ভুল পরিহার বা বর্জন করা যায় এবং সত্যকে অর্জন করা যায় তাই যুক্তিবিদ্যার কাজ। যুক্তিবিদ্যা যেহেতু সত্যের আদর্শের ভিত্তিতে আর নিয়মাবলি আবিষ্কার করে বাস্তব ক্ষেত্রে মানুষের ‘সমাজ' ও ব্যবহারিক জীবনে। প্রয়োগ বা অনুশীলন করার শিক্ষা দেয়। তাই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ১৯ । চিন্তার প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : চিন্তা দ্বারা জ্ঞানবিষয়ক বিভিন্ন মানসিক প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ বিভিন্ন রকম মানসিক প্রক্রিয়া চিন্তার অন্তর্ভুক্ত। চিন্তার প্রকৃতি আলোচনা করলে দেখা যায় যে, এর মধ্যে যুক্তি বা
অনুমান আছে, কল্পনা আছে, সংবেদন আছে, প্রত্যক্ষণ আছে এবং স্মৃতিও চিন্তার অন্তর্ভুক্ত বিষয়। তাই চিন্তার মধ্যে অনুমান যুক্তিবিদ্যার সাথে সম্পর্কিত।
প্রশ্ন ২০। নব্য-ন্যায় নামক সম্প্রদায়ের বিকাশ লাভের বিষয়টি কীভাবে জানা যায়?
উত্তর : ষোড়শ শতকে পূর্ব ভারত ও বাংলায় নব্য-ন্যায় নামক একটি সম্প্রদায় বিকাশ লাভ করে যারা অনুমানের আকারগত বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁরা আধুনিক যুক্তিবিদ্যার কিছু তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
ঊনিশ শতকের কয়েকজন বিশ্বখ্যাত পাশ্চাত্য যুক্তিবিদ ভারতীয় যুক্তিবিদ্যার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চার্লস ব্যাবেজ, অগাস্টাস ডি মরগান ও জর্জ বুল ।
এ বিষয়টি জানা যায়, ড. বোসের কাছে লেখা জর্জ বকুলের স্ত্রী মেরি এভারেস্ট বুলের একটি চিঠির মাধ্যমে।