28/06/2024
HSC routine 2024
Solution of HSC logic part 1 & 2
28/06/2024
HSC routine 2024
অধ্যায় ৪ :
বিধেয়ক
প্রথম পত্র
#প্রশ্ন ১। বিধেয়ক কাকে বলে?
উত্তর : সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদের সাথে বিধেয় পদের যে সম্পর্ক থাকে তাকে বিধেয়ক বলে।
#প্রশ্ন ২। বিধেয়ক কত প্রকার?
উত্তর : বিধেয়ক পাঁচ প্রকার।
#প্রশ্ন ৩। বিধেয়ক কী?
উত্তর : কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে যেসকল সম্পর্ক হতে পারে, সেসব সম্পর্ককে বিধেয়ক বলে ।
#প্রশ্ন ৪। বিধেয় কী?
উত্তর : কোনো জাতি বা শ্রেণিবাচক বিধেয় পদ বিশিষ্ট কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে যেসব সম্পর্ক থাকতে পারে,সে সম্পর্কসমূহকে বিধেয়ক বলে ।
#প্রশ্ন ৫। জাতি কী?
উত্তর : যদি কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যে দুটি শ্রেণিবাচক পদের মধ্যেএমন সম্পর্ক থাকে যে, এদের একটির ব্যক্ত্যর্থ অন্যটির ব্যক্ত্যর্থ থেকে বেশি এবং বেশি ব্যক্ত্যর্থপূর্ণ পদটি কম ব্যক্ত্যর্থপূর্ণ পদটিকে অন্তর্ভুক্তকরে তাহলে বেশি ব্যক্ত্যর্থপূর্ণ পদটিকে কম ব্যক্ত্যর্থপূর্ণ পদটিকে তুলনায় জাতি বলে ।
#প্রশ্ন ৬। এরিস্টটলের মতে বিধেয়ক কত প্রকার?উত্তর : এরিস্টটলের মতে বিধেয়ক চার প্রকার।
#প্রশ্ন ৭। বিভেদক লক্ষণ কী?
উত্তর : বিভেদক লক্ষণ হলো কোনো জাতি বা শ্রেণির অপরিহার্য গুণ যা ঐ জাতি বা শ্রেণিকে সমজাতীয় অন্যান্য জাতি বা শ্রেণি থেকে পৃথক করে ।
#প্রশ্ন ৮। কোন যুক্তিবিদের মতে বিষয়ক ৪ প্রকার?
উত্তর : যুক্তিবিদ এরিস্টটলের মতে বিধেয়ক ৪ প্রকার ।
#প্রশ্ন ৯। জাত্যর্থ কাকে বলে?
উত্তর : জাত্যর্থ হলো কোনো পদের গুণের দিক। গুণগত দিক থেকেকোনো একটি পদ যেসব আবশ্যিক ও সাধারণ গুণকে বোঝায় ওই গুণকে পদের জাত্যর্থ বলে ।
#প্রশ্ন ১০। উদ্দেশ্য ও বিধেয়কের পাঁচ ধরনের সম্পর্কের কথা কে মনে করতেন?
উত্তর : উদ্দেশ্য ও বিধেয়কের পাঁচ ধরনের সম্পর্কের কথা মনে করতেন পরফিরি।
#প্রশ্ন ১১। “সকল মানুষ হয় জীব'-বিধেয় এখানে কী?
উত্তর : 'সকল মানুষ হয় জীব'-বিধেয় এখানে জাতি ।
#প্রশ্ন ১২। 'কিছু প্রাণী হয় মানুষ'-বিধেয় এখানে কী?
উত্তর : 'কিছু প্রাণী হয় মানুষ'-বিধেয় এখানে উপজাতি ।
#প্রশ্ন ১৩। 'সকল মানুষ হয় বিবেক বুদ্ধিসম্পন্ন'- বিধেয় এখানে কী?
উত্তর : 'সকল মানুষ হয় বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন'-বিধেয় এখানে লক্ষণ ।
#প্রশ্ন ১৪ । জাতি ও উপজাতির মধ্যে কয়টি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
উত্তর : জাতি ও উপজাতির মধ্যে চারটি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় ।
#প্রশ্ন ১৫। জাতি ও উপজাতির বৈশিষ্ট্য কয়টি?উত্তর : জাতি ও উপজাতির বৈশিষ্ট্য ছয়টি।
#প্রশ্ন ১৬। পরমতম জাতি কাকে বলে?
উত্তর : যে পদের ব্যক্ত্যর্থ এতই বড় যে তার চেয়ে ব্যাপকতর ব্যক্ত্যর্থযুক্ত আর কোনো পদ হতে পারে না তাকে পরমতম জাতি বলে ।
#প্রশ্ন ১৭। উপজাতিগত উপলক্ষণ কাকে বলে?উত্তর : যে উপলক্ষণ কোনো পদের বিভেদক লক্ষণ হতে অনুমিত হয়,তাকে উপজাতিগত উপলক্ষণ বলা হয়।
#প্রশ্ন ১৮। বিভেদকে লক্ষণ ও উপলক্ষণের মধ্যে কয়টি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
উত্তর : বিভেদক লক্ষণ ও উপলক্ষণের মধ্যে তিনটি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
#প্রশ্ন ১৯। দর্শনশাস্ত্রে অবান্তর লক্ষণ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কে?
উত্তর : দর্শনশাস্ত্রে অবান্তর লক্ষণ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন মহামতি এরিস্টটল ।
#প্রশ্ন ২০ । অবান্তর লক্ষণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উত্তর : অবান্তর লক্ষণকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
ক.বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ ও
খ. অবিচ্ছেদ্য আবান্তর লক্ষণ ।
#প্রশ্ন ২১। ব্যক্তিগত বা ব্যক্তিবাচক অবিযোজ্য অবান্তর লক্ষণ কাকে বলে?
উত্তর : যে অবান্তর লক্ষণ কোনো ব্যক্তিবিশেষের সাথে সবসময় জড়িতথাকে তাকে ব্যক্তিগত অবিযোজ্য অবান্তর লক্ষণ বলে ।
24/06/2024
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
#সিলেট_বিভাগের ৮ জুলাই -২০২৪ খ্রি. পর্যন্ত স্থগিত।
অধ্যায় ৩
যুক্তির উপাদান
প্রথম পত্র
#প্রশ্ন ১। পদ কী?
#প্রশ্ন ২। যুক্তিবাক্য কী?
#প্রশ্ন ৩ : পদের ব্যাপাতা কী?
#প্রশ্ন ৪। একটি যুক্তিবাক্যের কয়টি অংশ?
#প্রশ্ন ৫। পদের ব্যক্ত্যর্থ কাকে বলে?
#প্রশ্ন ৬। শব্দ কত প্রকার?
#প্রশ্ন ৭। পদ কাকে বলে?
#প্রশ্ন ৮। যুক্তি কী?
#প্রশ্ন ৯। অবধারণ কী?
#প্রশ্ন ১০। পদের উৎপত্তিগত অর্থ কী?
#প্রশ্ন ১১। সম্বন্ধ অনুসারে পদ্ম কত প্রকার?
#প্রশ্ন ১২। একটি যুক্তিবাক্যের অংশ কয়টি ও কী কী?
#প্রশ্ন ১৩। হায়! হায়! কী ধরনের শব্দ?
#প্রশ্ন ১৪। সরল পদ কাকে বলে?
#প্রশ্ন ১৫। Terminus শব্দের অর্থ কী?
#প্রশ্ন ১৬। যুক্তিবিদ্যার শব্দ প্রধানত কয় প্রকার?
#প্রশ্ন ১৭। পদের ব্যাপ্যতার কয়টি নিয়ম রয়েছে?
#প্রশ্ন ১৮। যু্ক্তিবাক্য কাকে বলে?
#প্রশ্ন ১৯। জাতার্থক পদ বলতে কী বুঝ?
#প্রশ্ন ২০। যুক্তিবিদ্যার ব্যাপ্যতার সূত্রটি কে আবিষ্কার করেছেন?
অধ্যায় ৩
যুক্তির উপাদান
প্রথম পত্র
#প্রশ্ন ১। পদ কী?
উত্তর : যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বধের হিসেবে ব্যবহারযোগ্য শব্দকে পদ বলে
#প্রশ্ন ২। যুক্তিবাক্য কী?
উত্তর : দুটি পদের মধ্যে স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিজ্ঞাপক লিখিত বা"মৌখিক বিবৃতিকে যুক্তিবাক্য বলে।
#প্রশ্ন ৩ : পদের ব্যাপ্যতা কী?
উত্তর : যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত একটি পদ কখনো তার আংশিক আবার কখনো পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ করে এরূপ প্রকাশভঙ্গির ওপর যে ধারণাপ্রতিষ্ঠিত তাকেই পদের ব্যাপ্যতা বলে।
#প্রশ্ন ৪। একটি যুক্তিবাক্যের কয়টি অংশ?
উত্তর : একটি যুক্তিবাক্যের তিনটি অংশ
#প্রশ্ন ৫। পদের ব্যক্ত্যর্থ কাকে বলে?
উত্তর : কোনো একটি পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুসমূহের ওপর প্রযোজ্য হয় তাকে ঐ পদের ব্যক্ত্যর্থ বলে।
#প্রশ্ন ৬। শব্দ কত প্রকার?
উত্তর : শব্দ তিন প্রকার ।
#প্রশ্ন ৭। পদ কাকে বলে?
উত্তর : যেসব শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা হতে পারে সেসব শব্দ বা শব্দসমষ্টিকে পদ বলে।
#প্রশ্ন ৮। যুক্তি কী?
উত্তর ; অনুমানের ভাষায় প্রকাশিত রূপই যুক্তি
#প্রশ্ন ৯। অবধারণ কী?
উত্তর : দুটি ধারণার মধ্যে স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিমূলক মানসিক অবস্থাকে অবধারণ বলে ।
#প্রশ্ন ১০। পদের উৎপত্তিগত অর্থ কী?
উত্তর : উৎপত্তিগত অর্থে পদ বলতে বোঝায় যা যুক্তিবাক্যের দুই প্রান্তে অবস্থান করে।
#প্রশ্ন ১১। সম্বন্ধ অনুসারে পদ্ম কত প্রকার?
উত্তর : সম্বন্ধ অনুসারে পদ দুই প্রকার।
#প্রশ্ন ১২। একটি যুক্তিবাক্যের অংশ কয়টি ও কী কী?
উত্তর : একটি যুক্তিবাক্যে তিনটি অংশ থাকে।
যথা- উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয়।
#প্রশ্ন ১৩। হায়! হায়! কী ধরনের শব্দ?
উত্তর : 'হায়! হায়!' পদ নিরপেক্ষ শব্দ।
#প্রশ্ন ১৪। সরল পদ কাকে বলে?
উত্তর : যে পদ একটি মাত্র শব্দ দ্বারা সাধিত হয় তাকে সরল পদ বলে।
#প্রশ্ন ১৫। Terminus শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : Terminus শব্দের অর্থ সীমা বা প্রান্ত।
#প্রশ্ন ১৬। যুক্তিবিদ্যার শব্দ প্রধানত কয় প্রকার?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যায় শব্দ প্রধানত তিন প্রকার।
#প্রশ্ন ১৭। পদের ব্যাপ্যতার কয়টি নিয়ম রয়েছে? উত্তর : পদের ব্যাপাতার দুটি নিয়ম আছে।
#প্রশ্ন ১৮। যু্ক্তিবাক্য কাকে বলে?
উত্তর : দুটি পদের মধ্যে স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিজ্ঞাপক কোনো সম্পর্কের লিখিত বা মৌখিক বিবৃতিকে যুক্তিবিদ্যা বলে।
#প্রশ্ন ১৯। জাতার্থক পদ বলতে কী বুঝ?
উত্তর : যে পদের ব্যস্তার্থ ও জাত্যর্থ উভয়ই আছে তাকে জাতার্থক পদ বলে।
#প্রশ্ন ২০। যুক্তিবিদ্যার ব্যাপ্যতার সূত্রটি কে আবিষ্কার করেছেন?
উত্তর : সুইনবার্ণ (Swinburn)
অধ্যায় ১ :
যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি
প্রথম পত্র
#প্রশ্ন ১। কলা ক?
উত্তর : যে শাস্ত্র জীবন পরিচালনের কলাকৌশল সম্পর্কে শিক্ষা প্রদান করে তাকে কলা বলে ।
#প্রশ্ন ২। যুক্তিবিদ্যা কাকে বলে?
|উত্তর : অবৈধ ন্যায় বা যুক্তি থেকে বৈধ ন্যায় বা যুক্তিকে পৃথক করারপদ্ধতি ও নীতিসমূহের একটি বিশিষ্ট বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা ।
#প্রশ্ন ৩। 'Logic' শব্দটি কোন ভাষা হতে উৎপত্তি?
উত্তর : 'Logic' শব্দটি গ্রিক ভাষা হতে উৎপত্তি লাভ করেছে।
#প্রশ্ন ৪। যুক্তিবিদ্যার জনক কে?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার জনক এরিস্টটল।
#প্রশ্ন ৫। 'Logos' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : 'Logos' শব্দের অর্থ চিন্তা, শব্দ বা ভাষা।
#প্রশ্ন ৬। যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের বিজ্ঞান?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
#প্রশ্ন ৭। নন্দনতত্ত্ব কী?
উত্তর : নন্দনতত্ত্ব দর্শনের এমন একটি শাখা যা সৌন্দর্য, শিল্প এবং রসবোধ-রুচিবোধ নিয়ে আলোচনা করে এবং সুন্দরের প্রশংসা করে।
#প্রশ্ন ৮। যুক্তিবিদ্যার সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা কে দিয়েছেন?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা দিয়েছেন আই এম কপি (I.M. Copi)।
#প্রশ্ন ৯। 'Norm' অর্থ কী?
উত্তর : 'Norm' অর্থ আদর্শ।
#প্রশ্ন ১০। চিন্তা কী?
উত্তর : চিন্তা একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রিয়া।
#প্রশ্ন ১১। জ্যামিতি কী?
উত্তর : পরিমাপ বিদ্যাকে জ্যামিতি বলে।
#প্রশ্ন ১২। দার্শনিক যুক্তির ক্ষেত্রে প্লেটো কয়টি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন?
উত্তর : দার্শনিক যুক্তির ক্ষেত্রে প্লেটো তিনটি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন।
#প্রশ্ন ১৩। স্টোয়িক মতবাদের তিনটি বিশেষ অবদান কী কী?
উত্তর : স্টোয়িক মতবাদের তিনটি বিশেষ অবদান হলো- ১. ক্রিয়া পদ্ধতিবিশ্লেষণ, ২. বস্তুগত শর্ত সাপেক্ষতা তত্ত্ব, ৩. অর্থ ও সত্যের বিশ্লেষণ।
#প্রশ্ন ১৪। অনভীক্ষিকী যুক্তিবিদ্যার গোড়াপত্তন করেন কে?
উত্তর : অনভীক্ষিকী যুক্তিবিদ্যার গোড়াপত্তন করেন মেধাতিথি গৌতম।
#প্রশ্ন ১৫। নব্য আবিসিয়ান যুক্তিবিদ্যার সূচনা করেন কে?
উত্তর : নব্য অ্যাবিসিয়ান যুক্তিবিদ্যার সূচনা করেন নাসির আস-দ্বিন-আল-তুসি।
#প্রশ্ন ১৬। আরব যুক্তিবিদ্যায় সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ 'শা'র আল-তাকনিলফি'ল মানতাক কে রচনা করেন?
উত্তর: আরব যুক্তিবিদ্যায় সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ 'শা'র আল-তাকমিল ফি'লমানতার রচনা করেন ফায়েন আল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমিন আল-শারওয়ানি ।
#প্রশ্ন ১৭। John lock তাঁর যুক্তিবিদ্যা চর্চায় নতুন মাত্রা সংযোজনকরেন কীভাবে?
উত্তর : John Lock তাঁর 'An Essay Concerning Human Understanding'গ্রন্থের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যা চর্চায় নতুন মাত্রা সংযোজন করেন।
#প্রশ্ন ১৮। যুক্তিবিদ্যা যুক্তিপদ্ধতি সম্বন্ধীয় কলাবিদ্যা ও বিজ্ঞান'- কে বলেছেন?
উত্তর : 'যুক্তিবিদ্যা যুক্তিপদ্ধতি সম্বন্ধীয় কলাবিদ্যা ও বিজ্ঞান'-বলেছেন যুক্তিবিদ হোয়েটলি ।
#প্রশ্ন ১৯। যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞায় যুক্তিবিদ টমসন কী বলেছেন?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞায় যুক্তিবিদ টমসন বলেছেন, “যুক্তিবিদ্যা হচ্ছেচিন্তার নিয়মাবলির বিজ্ঞান।”
#প্রশ্ন ২০। বিজ্ঞান কী?
উত্তর : বিজ্ঞান হচ্ছে প্রকৃতির একটি বিশেষ বিভাগ সম্পর্কে সুশৃঙ্খলও সুনিশ্চিত জ্ঞান।
#প্রশ্ন ২১। যুক্তিবিদ স্কোটাস যুক্তিবিদ্যাকে কী বলেছেন?উত্তর : যুক্তিবিদ স্কোটাস যুক্তিবিদ্যাকে বলেছেন, সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞানও সব কলাবিদ্যার কলাবিদ্যা।
#প্রশ্ন ২২। কে যুক্তিবিদ্যাকে শুধুই কলাবিদ্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
উত্তর : যুক্তিবিদ অলড্রিচ যুক্তিবিদ্যাকে শুধুই কলাবিদ্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন
#যুক্তিবিদ্যা_দ্বিতীয়পত্রের_এ_অধ্যায়ের_সমস্যা_গুলো_কমেন্টে_উল্লেখ_করুন।
প্রথম অধ্যায়:
যৌক্তিক সংজ্ঞা:
★যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রাসঙ্গিকতা ও প্রকৃতি
★সংজ্ঞা ও বর্ণনা
★যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়মাবলি
★যৌক্তিক সংজ্ঞার নিয়ম লঙ্ঘনজনিত অনুপপত্তি
★যৌক্তিক সংজ্ঞার সীমা
★যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা
★ব্যবহারিক কাজ
★এ অধ্যায়ের প্রধান প্রধান শব্দভিত্তিক সারসংক্ষেপ
★সৃজনশীল জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তর
★অনুশীলনী
দেখে নাও কত মার্কস পেলে এ+ পাবে।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০২২ সালের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা হবে ৪৫, ৫৫ এবং ৫০ নম্বরে।
❌পরীক্ষা হবে না যে বিষয়-
★তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
✅৪৫ নম্বরে যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে
★যে সকল বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা আছে।
✅৫৫ নম্বরে যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে-
★ যে সকল বিষয়ে ব্যবহারিক নেই।
✅৫০ নম্বরের যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে-
★ইংরেজি প্রথম পত্র
★ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র
★ বাংলা ২য় পত্র
🔵৪৫ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৩৬ নম্বর,
A ৩১.৫ নম্বর,
A- ২৭ নম্বর,
B ২২.৫ নম্বর,
C ১৮ নম্বর,
D ১৫ নম্বর পেতে হবে
🔵৫০ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৪০ নম্বর,
A ৩৫ নম্বর,
A- ৩০ নম্বর,
B ২৫ নম্বর,
C ২০ নম্বর,
D ১৬ নম্বর পেতে হবে।
🔵৫৫ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৪৪ নম্বর,
A ৩৮.৫ নম্বর,
A- ৩৩ নম্বর,
B ২৭.৫ নম্বর,
C ২২ নম্বর,
D ১৯ নম্বর পেতে হবে
সবার জন্য শুভকামনা রইল।
#অনুধাবনমূলক
অধ্যায় ১ : যুক্তিবিদ্যা পরিচিতি
প্রশ্ন ১। যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের সেরা বিজ্ঞান বলার কারণগুলো, নিচে দেওয়া হলো-
১. বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা তার অন্তর্ভুক্ত পদগুলোকে সংজ্ঞায়িত এবং বিভাজন করে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বিজ্ঞানই যৌক্তিক সংজ্ঞা এবং বিভাগের নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য হয়।
২. মানব মস্তিষ্কের কাজ করার কেবলমাত্র দুটি পদ্ধতিই আছে। যার একটি 'আরোহী এবং অন্যটি অবরোহী পদ্ধতি। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা যুক্তিবিদ্যার নিয়মাবলি অনুসরণ করে চলে ।
উপরিউক্ত কারণ সাপেক্ষে যুক্তিবিদ্যাকে সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ২। যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
উত্তর : চিন্তার আকার নিয়ে আলোচনা করার কারণে যুক্তিবিদ্যা একটি আকারগত বিজ্ঞান। কারণ যে বিশিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে আমাদের চিন্তাপ্রক্রিয়া আবর্তিত হয় তাকে বলে চিন্তার আকার। আর যুক্তিবিদ্যা চিন্তার আকার নিয়ে আলোচনা করে বলে যুক্তিবিদ্যাকে আকারগত বিজ্ঞান বলা হয় । তবে কোনো কোনো যুক্তিবিদ মনে করেন যুক্তিবিদ্যার আলোচনায় চিন্তার আকার ও উপাদান উভয়ই বর্তমান ।
প্রশ্ন ৩। কলা বলতে কী বোঝ?
উত্তর : ‘কলা কথাটি সাধারণত দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। কলাবিদ্যা কথাটি এক অর্থে দক্ষতা, পারদর্শিতা ইত্যাদি বোঝায়। অন্য অর্থে কলা বলতে কোনো বিশেষ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়। কেউ কেউ কলাবিদ্যাকে প্রথম অর্থে গ্রহণ করেন, আবার কেউ কেউ কলাবিদ্যাকে দ্বিতীয় অর্থে গ্রহণ করেন। কলাবিদ্যা জ্ঞানকে বাস্তবক্ষেত্রে সার্বিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করার কাজে লাগানোর রীতিনীতি শিক্ষা দেয়।
প্রশ্ন ৪ । যুক্তিবিদ্যা কি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান। কোনো আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করা যে বিজ্ঞানের কাজ তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করে ।"আর যুক্তিবিদ্যার এ আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ। সত্যের আদর্শ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তি পদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং এ নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নিরূপণ করে । তাই যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান ।
প্রশ্ন ৫। যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তবজীবনে কীভাবে সহায়তা করে?
উত্তর : বাস্তবজীবনে যুক্তিবিদ্যা বিভিন্ন দিক থেকে আমাদের সহায়তা করে । যুক্তিবিদ্যার বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্যকরণের জ্ঞান আমাদের বাস্তবজীবনে ভুল যুক্তি প্রয়োগরোধে সহায়তা করে। ভুল যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। বৈধ যুক্তি প্রদানের মাধ্যমে আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক জ্ঞানলাভ করতে পারি। যুক্তিবিদ্যা আমাদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যা এক প্রকার মানসিক
ব্যায়াম। এ ব্যায়াম মানুষকে শুদ্ধ চিন্তার অভ্যাস গঠনে বিশেষভাবে সহায়তা করে। এভাবে যুক্তিবিদ্যা আমাদের বাস্তবজীবনে বিভিন্ন দিক থেকে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ৬ ৷ কলাবিদ্যাকে কেন প্রায়োগিক বিদ্যা বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : সাধারণত কলাবিদ্যা বলতে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝায়। আবার কলা বলতে কোনো বিশেষ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করার কলাকৌশলকে বোঝায়। অর্থাৎ, কলাবিদ্যা হচ্ছে এমন কিছু কলাকৌশল যা বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়। তাই কলাবিদ্যাকে প্রায়োগিক বিদ্যা বলা হয়।
প্রশ্ন ৭। যুক্তিবিদ্যা বলতে কী বোঝ?
উত্তর : অবৈধ ন্যায় বা যুক্তি থেকে বৈধ ন্যায় বা যুক্তিকে পৃথক করার পদ্ধতি ও নীতিসমূহের একটি বিশিষ্ট' বিদ্যা হলো যুক্তিবিদ্যা। তাই যুক্তিবিদ্যা হলো এমন একটি বিজ্ঞান যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির
পার্থক্য নির্ণয় করে এবং বৈধ যুক্তির প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে।
প্রশ্ন ৮। Logic-এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : ইংরেজি Logic শব্দের বাংলা অর্থ হলো যুক্তিবিদ্যা। ইংরেজি Logic শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ Logos থেকে যার অর্থ হলো চিন্তা, ভাষা বা শব্দ। তাই ব্যুৎপত্তিগত অর্থে যুক্তিবিদ্যা বলতে ভাষায়
প্রকাশিত যৌক্তিক চিন্তার বিজ্ঞানকে বোঝায়।
প্রশ্ন ৯ । এরিস্টটলকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয় কেন?
উত্তর : গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল যুক্তিবিদ্যার পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন । যুক্তিবিদ্যা নিয়ে এরিস্টটলের পূর্বেও অনেকে
আলোচনা করেছেন। অনেক চিন্তাবিদ যুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। কিন্তু 'যুক্তি' নিয়ে আলাদা একটি পঠন-পাঠন বা বিদ্যার সূচনা হয় এরিস্টটলের মাধ্যমে। তাই এরিস্টটলকে যুক্তিবিদ্যার জনক বলা হয় ।
প্রশ্ন ১০। যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের অনুমান নিয়ে আলোচনা করে?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো যুক্তি। আর অনুমানের ভাষায় প্রকাশিত রূপই হলো যুক্তি। যেহেতু যুক্তিবিদ্যা যুক্তি নিয়ে আলোচনা করে তাই আমরা বলতে পারি যুক্তিবিদ্যা ভাষায় প্রকাশিত
অনুমান নিয়ে আলোচনা করে।
প্রশ্ন ১১। নীতিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যা বলা হয় কেনো?
উত্তর : যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে । যুক্তিবিদ্যা আদর্শের ভিত্তিতে বিষয়বস্তুর মান নির্ধারণ করে। আর যুক্তিবিদ্যার এ আদর্শ হলো সত্যের আদর্শ।
সত্যের আদর্শ অনুযায়ী যুক্তিবিদ্যা বৈধ যুক্তির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে এবং সেই নিয়মাবলির আলোকে সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে। তাই যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান।
প্রশ্ন ১২। “যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে বোধশক্তির যেসব ক্রিয়াপদ্ধতি সাক্ষ্য বিচারের জন্য অপরিহার্য তাদের বিজ্ঞান, জ্ঞাত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হবার পদ্ধতি এবং সহায়ক অন্যান্য বুদ্ধিমূলক ক্রিয়াসমূহ তাদের উভ বিজ্ঞান।”- উক্তিটি কার?
উত্তর : “যুক্তিবিদ্যা হচ্ছে বোধশক্তির যেসব ক্রিয়াপদ্ধতি সাক্ষ্যবিচারের জন্য অপরিহার্য তাদের বিজ্ঞান, জ্ঞান সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে উপনীত হবার পদ্ধতি এবং সহায়ক অন্যান্য বুদ্ধিমূলক ক্রিয়াসমূহ
তাদের উভয়ের বিজ্ঞান।"- উক্তিটি যুক্তিবিদ মিলের।
প্রশ্ন ১৩। যুক্তিবিদ্যার ধারণা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Logic-এর উৎপত্তি হয়েছে গ্রিক শব্দ Logike থেকে। Logike' শব্দটি আবার গ্রিক Logos শব্দের বিশেষণ। Logos শব্দের অর্থ হলো চিন্তা বা ভাষা। আমরা জানি যে,
চিন্তার সাথে ভাষার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। আমাদের মনের চিন্তাধারাকে আমরা সব সময়েই ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করি। এমন কি ভাষা ছাড়া আমরা চিন্তা পর্যন্ত করতে পারি না। সুতরাং উৎপত্তিগত অর্থের দিক
থেকে বলা যায় যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তার বিজ্ঞান। চিন্তার মাধ্যমেই আমরা জ্ঞান অর্জন করি। সঠিক জ্ঞান পেতে হলে চিন্তার মধ্যে
ভাষার সঠিক ব্যবহারও প্রয়োজন। সুতরাং চিন্তার বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা সঠিক ভাষার ব্যবহার দ্বারা সঠিক জ্ঞান অর্জন করার পথ নির্দেশ করে।
প্রশ্ন ১৪ । যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞান না কলা?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যার স্বতন্ত্র আলোচ্য বিষয় আছে এবং নিজস্ব পদ্ধতি আছে তাই এটি বিজ্ঞান। যুক্তিবিদ্যার স্বতন্ত্র আলোচ্য বিষয় হলো, অনুমান এবং নিজস্ব পদ্ধতি যুক্তি। আবার যুক্তিবিদ্যা যুক্তি গঠনের
কলা— কৌশল সম্পর্কে শিক্ষা দেয় তাই এটি কলা। এ থেকে বলা যায়
যুক্তিবিদ্যা কলা ও বিজ্ঞান উভয়ই।
প্রশ্ন ১৫। সব বিজ্ঞানের বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যাকে অভিহিত করা হয় কেনো?
উত্তর : যুক্তিবিদ্যাকে সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা হয়। কেননা,যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সাধারণ ও ব্যাপক। যে নিয়মাবলি সব বিজ্ঞানেরই সাধারণ ভিত্তি যুক্তিবিদ্যা সেসব নিয়ে আলোচনা করে। প্রত্যেক বিজ্ঞানই তার ব্যবহৃত পদসমূহের সংজ্ঞা নির্ণয় করে তার বিষয়বস্তু শ্রেণিবিন্যাস করে এবং প্রাপ্ত বা লব্ধ উপাত্ত থেকে সিদ্ধান্ত অনুমান করে। শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমান সংক্রান্ত নিয়মাবলি সরবরাহ করে সে কারণে
আর যুক্তিবিদ্যা নির্ভুল সংজ্ঞা, প্রতিটি বিজ্ঞানকেই যুক্তিবিদ্যার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই যুক্তিবিদ্যা সকল বিজ্ঞানের বিজ্ঞান ।
প্রশ্ন ১৬ ৷ যুক্তিবিদ্যা আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান, ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : যে বিজ্ঞান কোনো আদর্শের মানদণ্ডে বিষয়বস্তুর মূল্য নির্ধারণ করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। অর্থাৎ আদর্শ বা মানদণ্ডের আলোকে ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত, অনুচিত ইত্যাদি
আদর্শগত প্রশ্নই আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের মূল বিষয়। প্রত্যেক আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানই নিজস্ব বিষয়বস্তু অনুমানের একটি বিশেষ আদর্শের নীতি স্থাপন করে এবং সেই আদর্শের মাপকাঠিতে বস্তু বা ঘটনার মূল্য
নিরূপণ করে। যুক্তিবিদ্যা 'সত্যের আদর্শ' অনুসারে মানুষের চিন্তার বৈধতা ও যথার্থতা প্রতিষ্ঠা করে। আর এ কারণেই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয় ।
প্রশ্ন ১৭। দৃষ্টান্তের সাহায্যে যুক্তির ধারণা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : জানা সত্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো অজানা বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করলে তা হয় অনুমান। আর অনুমান যখন ভাষায় প্রকাশ করা হয় তখন তা হয় যুক্তি। অনুমান একটি মানসিক বিষয়। কিন্তু ঐ মানসিক বিষয়টিকে ভাষায় প্রকাশ করলে তা যুক্তি হয় ।
প্রশ্ন ১৮ । যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়
কেন?
উত্তর : যে বিজ্ঞান আদর্শের ভিত্তিতে কোনোকিছুকে বিচার করে বা মূল্যায়ন করে তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যুক্তিবিদ্যা সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে বৈধ যুক্তি পদ্ধতির নিয়মাবলি আবিষ্কার করে মূল্য নিরূপণ করে । আমরা কীভাবে চিন্তা করি বা অনুমান করি সেটি যুক্তিবিদ্যার কাজ নয়; বরং কীভাবে অনুমান করলে ভুল পরিহার বা বর্জন করা যায় এবং সত্যকে অর্জন করা যায় তাই যুক্তিবিদ্যার কাজ। যুক্তিবিদ্যা যেহেতু সত্যের আদর্শের ভিত্তিতে আর নিয়মাবলি আবিষ্কার করে বাস্তব ক্ষেত্রে মানুষের ‘সমাজ' ও ব্যবহারিক জীবনে। প্রয়োগ বা অনুশীলন করার শিক্ষা দেয়। তাই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ১৯ । চিন্তার প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : চিন্তা দ্বারা জ্ঞানবিষয়ক বিভিন্ন মানসিক প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়ে থাকে। অর্থাৎ বিভিন্ন রকম মানসিক প্রক্রিয়া চিন্তার অন্তর্ভুক্ত। চিন্তার প্রকৃতি আলোচনা করলে দেখা যায় যে, এর মধ্যে যুক্তি বা
অনুমান আছে, কল্পনা আছে, সংবেদন আছে, প্রত্যক্ষণ আছে এবং স্মৃতিও চিন্তার অন্তর্ভুক্ত বিষয়। তাই চিন্তার মধ্যে অনুমান যুক্তিবিদ্যার সাথে সম্পর্কিত।
প্রশ্ন ২০। নব্য-ন্যায় নামক সম্প্রদায়ের বিকাশ লাভের বিষয়টি কীভাবে জানা যায়?
উত্তর : ষোড়শ শতকে পূর্ব ভারত ও বাংলায় নব্য-ন্যায় নামক একটি সম্প্রদায় বিকাশ লাভ করে যারা অনুমানের আকারগত বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁরা আধুনিক যুক্তিবিদ্যার কিছু তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
ঊনিশ শতকের কয়েকজন বিশ্বখ্যাত পাশ্চাত্য যুক্তিবিদ ভারতীয় যুক্তিবিদ্যার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চার্লস ব্যাবেজ, অগাস্টাস ডি মরগান ও জর্জ বুল ।
এ বিষয়টি জানা যায়, ড. বোসের কাছে লেখা জর্জ বকুলের স্ত্রী মেরি এভারেস্ট বুলের একটি চিঠির মাধ্যমে।