24/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ।
আজ হৃদয়টা এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে আছে। আমার বড় সন্তান তাহসিনুল করিম (আলভি) তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের প্রথম পদক্ষেপ রাখল আল-আরাফাহ মডেল একাডেমিতে। একজন বাবা হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় প্রার্থনা—আল্লাহ তাকে ইলমে নাফে দান করুন, চরিত্রে সৌন্দর্য দিন, আর তাকে এমন মানুষ বানান যার জ্ঞান মানুষের উপকারে আসে। নবীজি (সঃ) বলেছেন, “যখন মানুষ মারা যায়, তার আমল বন্ধ হয়ে যায়—তিনটি ছাড়া… উপকারী জ্ঞান…”—এই হাদিস মনে রেখেই আমি তার জন্য জ্ঞানের পথে বরকত কামনা করি।
আজকের দিনটা শুধু তার শুরু নয়, আমার স্মৃতির দরজাও খুলে দিল। ১৯৯৯ সালে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব এম. এ. মন্জুর স্যারের হাত ধরে যখন এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে, তখন আমিও ছিলাম সেই প্রথম ব্যাচের একজন কচি শিক্ষার্থী। ছোট্ট পরিসর, সীমিত সামর্থ্য, কিন্তু স্বপ্ন ছিল বিশাল। আমরা তখন বুঝিনি—একটি প্রদীপ জ্বালানো হচ্ছে, যা একদিন এই এলাকার শিক্ষার আকাশ আলোকিত করবে।
সময় সত্যিই আশ্চর্য কারিগর। হাঁটি হাঁটি পা পা করে যে প্রতিষ্ঠানটির শুরু, আজ সেটি শুধু একটি স্কুল নয়—একটি আস্থা, একটি পরিচয়, একটি ব্র্যান্ড। বাংলা সাহিত্যের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে—“বীজে ছিল যে সম্ভাবনা, বৃক্ষে আজ তার মহিমা।” আর ইংরেজি কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের সেই চিরন্তন অনুভূতি মনে পড়ে—“The child is father of the man.” আজ ছেলেকে দেখে যেন নিজের শৈশবকেই নতুন করে দেখতে পাচ্ছি।
সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল যখন আলভির গায়ে আমার ছোটবেলার সেই স্কুল ইউনিফর্মটি দেখলাম। সময় যেন এক বৃত্ত হয়ে গেল—গতকাল আর আজ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। বুকের ভেতর গর্ব, কৃতজ্ঞতা আর নীরব আবেগ একসাথে ভিড় করল। মনে হলো, স্মৃতিরা কখনো হারায় না; তারা প্রজন্ম বদলে আবার ফিরে আসে।
হে আল্লাহ, তুমি আমার সন্তানকে দ্বীনের আলো ও দুনিয়ার জ্ঞান—উভয়ের সৌন্দর্যে আলোকিত করো। তাকে আদব, আখলাক ও আমলের সৌন্দর্যে উত্তম বানাও। আর এই প্রতিষ্ঠানকে কবুল করো—যেন এটি যুগের পর যুগ জ্ঞানের বাতিঘর হয়ে থাকে।
সবার কাছে দোয়া
16/11/2025
ধিক্কার! শিক্ষক মানবতা লাঞ্ছিত ও নিহত
শিক্ষক সমাজের প্রতি চরম অবহেলা ও অমানবিকতার যন্ত্রণাদায়ক প্রতিচ্ছবি হিসেবে যখন আমাদের বুক ফেটে বেরিয়ে আসে এই নির্মম সত্য—"মরলে সহকারী শিক্ষক মরেছে; মানুষ তো মরেনি"—তখন কেবল শোক নয়, সর্বাঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র ঘৃণা ও বিদ্রোহ। এই ঘৃণার আগুন সেই কাঠামোর প্রতি, যা একজন জ্ঞানদাতা মানুষকেও তার প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করে। গত ০৮/১১/২০২৫ ইং তারিখে বিকেলে ১০ম গ্রেড এর সমাবেশে গ্রেনেড সাউন্ডে অসুস্থ হয়ে জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর আজ ১৬/১১/২০২৫ ইং সকাল ১০.০০ ঘটিকায় মিরপুর অলক হাসপাতালের আইসিইউতে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন শহিদ শিক্ষক জনাব ফাতেমা আক্তার ম্যাডাম। যে দেশে শিক্ষক তাঁর ন্যায্য অধিকারের দাবিতে সমাবেশে গিয়েও জীবন হারানোর ঝুঁকিতে থাকেন, সেই ব্যবস্থার প্রতি আমাদের তীব্র ধিক্কার! ফাতেমা ম্যাডামের এই মর্মন্তুদ মৃত্যু প্রমাণ করে, যেখানে শিক্ষকের জীবনের নিরাপত্তা নেই, সেখানে শিক্ষার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। তাঁর আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি আমরা প্রতিজ্ঞা করছি—এই ক্ষোভ ও প্রতিবাদ আমাদের ন্যায্য মর্যাদা ও নিরাপত্তা আদায়ের সংগ্রামে এক নতুন শক্তি যোগাবে। এই অমানবিকতার অবসান চাই, শিক্ষকের মর্যাদা চাই!
24/10/2025
এই ছবিটা শুধু একটা টেবিল না—এটা বাংলাদেশের বাস্তবতার এক নিরাবরণ প্রতিচ্ছবি। একপাশে আছে সেই মানুষগুলো, যারা মাসে পাঁচ হাজার টাকায় টিকে থাকার লড়াই করে—ভাড়া, খাবার, ওষুধ, সন্তানদের স্কুল ফি—সব কিছুর চাপ তাদের শ্বাসরোধ করে। অন্যদিকে আছে এমন এক শ্রেণি, যাদের মাসিক আয় কোটি টাকায় গোনা হয়; তারা একদিনে যত খরচ করে, তাতে গরিব পরিবারের মাস নয়, বছর চলে যায়।
এই বৈষম্য শুধু টাকায় নয়—জীবনযাত্রা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এমনকি স্বপ্ন দেখার সাহসেও পার্থক্য তৈরি করেছে। শহরের উঁচু দালানগুলোর ঝলমলে কাচের জানালায় প্রতিদিন প্রতিফলিত হয় সেই অসম সমাজ, যেখানে কেউ পেট ভরে খায়, আর কেউ খালি পেটে ঘুমায়।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের গল্প বলছে, কিন্তু এই গল্পের ভেতরেও চাপা কান্না আছে—ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে, গরিবরা বেঁচে থাকার সংগ্রামে ডুবে যাচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হবে, যখন এই ফারাক কমবে, যখন ‘মিসকিন’ আর ‘ধনী’—এই দুটি শব্দ এক দেশের একই আকাশের নিচে এত দূরে থাকবে না।
This image is not merely a chart—it is an unfiltered reflection of the harsh reality of Bangladesh. On one side stand those who struggle to survive on five thousand taka a month, carrying the unbearable weight of rent, food, medicine, and school fees for their children; on the other side live those whose monthly income is counted in crores, spending in a single day what could sustain a poor family for an entire year.
The inequality here stretches far beyond money—it shapes lifestyles, access to education and healthcare, and even the very capacity to dream. In the glittering glass walls of the city’s skyscrapers, one can see the daily reflection of a divided society where some dine lavishly while others fall asleep hungry.
Although Bangladesh speaks proudly of progress and development, behind that story lies a quiet cry—the rich continue to rise higher while the poor sink deeper into survival. True development will only begin when this distance begins to close, when the words “poor” and “rich” no longer stand worlds apart under the same sky.
18/10/2025
🌱 জিপিএ নয়, প্রকৃত শিক্ষা চাই | 🎓 True Education Over GPA
একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার স্যার! 👏
আজকের সমাজে “জিপিএ ফাইভ” যেন শিক্ষার মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিন্তু বাস্তব জীবনে সফলতার মানদণ্ড হলো সততা, দক্ষতা ও পরিশ্রম — কোনো সংখ্যাগত অর্জন নয়।
সহজে পাওয়া নম্বর দেয় সাময়িক আনন্দ, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা আসে কষ্ট ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে।
যত কম পরিশ্রমে সফলতা আসবে, তত দ্রুত বাস্তব জীবনের চোরাবালিতে হারিয়ে যাবে।
জিপিএ ফাইভ না পেলেও হতাশ নয় — সেটাই হতে পারে তোমার টার্নিং পয়েন্ট!
সময় এসেছে মোবাইল সরিয়ে রেখে, পড়ার টেবিলে ফিরে আসার।
সফলতা জিপিএ-তে নয় — প্রচেষ্টার বাস্তব প্রতিফলনে। 🌿
---
🌿 True Education Over GPA
Dr. Chowdhury Rafiqul Abarar sir made the right and timely decision! 👏
In today’s world, “GPA-5” has become the ultimate goal of education —
but true success lies in honesty, skill, and hard work, not in numbers.
Grades earned easily bring temporary joy, but real learning grows through struggle and perseverance.
The less effort behind success, the quicker it sinks into the quicksand of real life.
Even if you didn’t get GPA-5 — don’t lose hope; this might be your turning point!
Step away from distractions and return to your study table.
Success isn’t in your GPA — it’s in the true reflection of your effort. 🌱
#সততার_শিক্ষা
#ন্যায্য_মূল্যায়ন