03/09/2024
প্রিয় ভাইও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম।
একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।আমি বিগত সময়ে ৫টি বছর শিক্ষকতা করেছি।ঐই সময়ে আমার সকল শিক্ষার্থীদের আমার সন্তানের মতো মনে হতো।মাঝে মাঝে আমি শিক্ষার্থীদের আব্বু-আম্মু বলে ডাকতাম। কখনো মনে হতো না যে একজন আমার শত্রুর ছেলে বা মেয়ে। সবাইকে সমান চোখে দেখেছি। অনেকে দুর্বল শিক্ষার্থী থাকে। নয়তো পরিবার পড়ার জন্যে কোনো চাপ প্রয়োগ করতো না কিংবা তারা কথা শুনতো না।তাদের বুঝ দিতাম।
প্রিয় ভাইও বোনেরা,
আপনারা হয়তো জানেন না,আমি গত কয়েকমাস হচ্ছে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দিয়ে শিক্ষকতা পেশার ইতি টানছি।আমার বিদায়ের সময়ে সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীরা খুব সুন্দরভাবে আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে বিদায় জানিয়ে ছিলো। অনেক গিফট উপহার দিয়ে ছিলো।যদি আমার শিক্ষার্থীদের মনে পড়ে, আমি স্মৃতি বা গিফট গুলো দেখি(তাদের গিফট সাজানো আছে)।
প্রিয় ভাইও বোনেরা,
একজন শিক্ষক বিদায় নেওয়ার পরে, ওনাদের সকল শিক্ষার্থীদের কথা খুব বেশি মনে পড়ে।হয়তো বুঝতে দেয়না।শিক্ষার্থীদের সফলতা দেখলেই গর্ব হয়।
একজন শিক্ষক মা-বাবার সমতুল্য।
প্যাসিস্ট সরকারের পরিবর্তনে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হয়েছে। আপনারা সকলে অবগত আছেন। মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়।সবাই ভুল করে।কিংবা লোভের বর্ষবর্তি হয়ে অন্যায় করে।সকল অন্যায়ের একদিন না একদিন বিচার হবে।হয় পৃথিবীতে নয়তো আখিরাতে।আপনারা সরকার কে শান্তিপূর্ণ ভাবে সহযোগিতা করুন।
তাই, প্রিয় শিক্ষার্থী ও সম্মানিত অভিভাবকদের বলছি।প্রিয় শিক্ষার্থী ভাইও বোনেরা আপনারা এমন কোনো কাজ করবেন না যেন এই কাজে আপনাদের শিক্ষক মনে কষ্ট পান এবং প্রিয় সম্মানিত অভিভাবকদের বলছি আপনারা, আপনাদের ছেলেমেয়েদের এমন কোনো কাজ করতে দিবেন না যেন, বড়দের কিংবা শিক্ষকদের মনে কষ্ট পান বা অবমাননা হয়।
ধন্যবাদ সকলকে।
লেখকঃ মোহাম্মদ শামীম
সাবেক সহকারী শিক্ষক
পানিরছড়া আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা।