02/05/2026
إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
গভীর শোকের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের মাদরাসার সম্মানিত পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি হুজুর (প্রকাশ ওসমান হুজুর)-এর শ্রদ্ধেয় পিতা জনাব আনোয়ার হোসাইন সাহেব গত মধ্যরাতে ইন্তেকাল করেছেন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বড় পাতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।
মাদরাসার শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলে এ শোকাবহ সংবাদে গভীরভাবে শোকাহত। আমরা মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আল্লাহ তাআলা মরহুমকে ক্ষমা করুন, কবরের আজাব মাফ করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। আমীন।
08/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ্
অত্র মাদরাসার ২০তম শবিনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন।
শবিনা তেলাওয়াতকরীরা হলো-
🟢 ৪৩. আব্দুর রহমান
পিতা: মাওলানা হাফেজ নুরুল ইসলাম
ঠিকানা : জুমছড়ি, পিএমখালী, সদর, কক্সবাজার।
🟢 ৪৪. মো: শুয়াইব উদ্দীন মিসবাহ
পিতা: মৃত গিয়াস উদ্দিন
ঠিকানা: হলদিয়া পালং , উখিয়া, কক্সবাজার।
🟩 আজকের শবিনার তত্ত্বাবধায়ক হলেন-
১.হজরত মাওলানা হাফেজ আব্দুর রহিম রাহী।
২. হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম।
💐প্রারম্ভে ও শেষান্তে হিসেবে উপস্থিত হন-
শবিনা খতম তেলাওয়াতকারীদের আত্মীয় স্বজন ও মাদরাসার মুহিব্বিন এলাকার মুরব্বিগণ এবং মাদরাসার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয়গণ।
🌺 সভাপতিত্ব করেন : অত্র মাদরাসার শ্রদ্ধেয় পরিচালক, মাওলানা মোহাম্মদ ওসমান গণি হাফি:( ওসমান হুজুর)
মহান আল্লাহ তাদেরকে হাফেজে কুরআন হিসেবে কবুল করুক। আমীন!
#ঝিলংজা
#খরুলিয়া
#পি.এম খালী।
#কক্সবাজার
01/01/2026
আলহামদুলিল্লাহ।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই বিতরণ করা হলো।
সংশ্লিষ্ট পরিশ্রমী শিক্ষকদেরকে প্রতি অত্যাধিক শুকরিয়া।
21/12/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্।
অত্র মা'আরিফুল কুরআন মাদরাসা। এর শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরী ও অভিভাবকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের মাদরাসায় যেহেতু হিফয বিভাগে আসন ভিত্তিক শিক্ষার্থী নেওয়া হয়, তাই খুব তাড়াতাড়ি আসন পূর্ণ হয়ে যায়।
আপনারা যারা আপনার বাচ্চাকে হিফয বিভাগে ভর্তি করাবেন বলে নিয়ত করে আছেন, শীঘ্রই মাদরাসায় এসে যোগাযোগ করে আপনার বাচ্চার আসন নিশ্চিত করার জন্য বলা হচ্ছে।
ধন্যবাদ।
#ঝিলংজা
#খরুলিয়া
21/12/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্।
#ঝিলংজা
#কক্সবাজার
05/12/2025
আজই চলছে অত্র মাদরাসার ১৯ তম শবিনা অনুষ্ঠান।
শবিনা তেলাওয়াতকরীরা হলো-
🟢 ৩৯. জাহেদুল ইসলাম জিহাদ
পিতা: করিম বখ্স
ঠিকানা : পূর্ব মুকৃতারকুল,খরুলিয়া, ঝিলংজা, কক্সবাজার।
🟢 ৪০. ইফতিখার জাহান
পিতা: নজরুল ইসলাম
ঠিকানা: দরগাহ পাড়া, খরুলিয়া,ঝিলংজা, কক্সবাজার।
🟢 ৪১. মুহাম্মদ ইব্রাহিম
পিতা: লিয়াকত আলী
ঠিকানা : পাতলী, পিএমখালী, সদর, কক্সবাজার।
🟢 ৪২. মুহাম্মদ মূসা
পিতা: মমতাজ আহমদ
ঠিকানা : বেপারি পাড়া, খরুলিয়া, ঝিলংজা, কক্সবাজার।
🟩 আজকের শবিনার তত্ত্বাবধায়ক হলেন-
১.হজরত মাওলানা হাফেজ আব্দুর রহিম রাহী।
২. হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম।
💐প্রারম্ভে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন-
শবিনা খতম তেলাওয়াতকারীদের আত্মীয় স্বজন।
মহান আল্লাহ তাদেরকে হাফেজে কুরআন হিসেবে কবুল করুক। আমীন!
#ঝিলংজা
#খরুলিয়া
#পি.এম খালী।
#কক্সবাজার
29/08/2025
ঈমান ভঙ্গের কারন দশ টি কারন ।
১/আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা
(সুরা মায়েদা: ৭২)
২/মুশরিক-কাফেরদের কাফের মনে না করা।সুরা নিসা: ১৪)
৩/নবীজি (স.)-এর ফায়সালার তুলনায় অন্য কারও ফয়সালাকে উত্তম মনে করা।(সুরা নিসা: ৬০)
৪/মুহাম্মদ (স.)-এর আনিত কোনো বিধানকে অপছন্দ করা।(সুরা নিসা: ৬৫)
৫/দীনের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা।
(সুরা তওবা: ৬৫-৬৬)
৬/জাদু করা ।
(সুরা বাকারা: ১০২)
৭/মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা।
(সুরা তাওবা: ২৩)
৮/কাউকে দীন-শরিয়তের ঊর্ধ্বে মনে করা।(সুরা মায়েদা: ৩)
৯/দীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।
(সুরা সাজদাহ: ২২)
১০/নিজের ও আল্লাহর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নির্ধারণ করা
‘তারা আল্লাহকে ছাড়া যার ইবাদত করে তা তাদের ক্ষতিও করতে পারে না, উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, এরা আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী। বলুন, তোমরা কি আল্লাহকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর এমন কিছুর সংবাদ দিচ্ছ, যা তিনি জানেন না? তিনি মহান, পবিত্র এবং তারা যাকে শরিক করে তা হতে তিনি ঊর্ধ্বে।’ (সুরা ইউনুস: ১৮)
‘জেনে রাখ, অবিমিশ্র আনুগত্য আল্লাহরই প্রাপ্য। যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, “আমরা তো এদের পূজা এজন্যই করি যে, এরা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে নিয়ে যাবে।” তারা যে বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ করছে আল্লাহ তার ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যাবাদী ও কাফের আল্লাহ তাকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।’ (সুরা জুমার: ৩)
28/08/2025
ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলত:
1. আল্লাহর জিম্মায় থাকা:
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়, অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
2. জান্নাতে প্রবেশ:
যে ব্যক্তি ফজরের ও আসরের নামাজ আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
3. মুনাফিকের তালিকা থেকে মুক্তি:
ফজরের নামাজ মুনাফিকের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। যে ব্যক্তি এই নামাজ আদায় করে, সে মুনাফিকের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যায়।
4. ফেরেশতাদের সাক্ষাৎ:
ফজরের সালাত আদায়কারীকে ফেরেশতারা দেখেন, যা একটি বিশেষ পুরস্কার।
5. অর্ধরাত ইবাদতের সওয়াব:
ফজরের জামাতের নামাজ আদায় করলে সারা রাত ইবাদতের সওয়াব লাভ করা যায়।
6. উত্তম দিনযাপন:
সকালে ফজরের নামাজ আদায় করলে শরীর ও মন উজ্জীবিত হয়, যা একটি উত্তম ও সতেজ দিনযাপনে সাহায্য করে।
7. জাহান্নাম থেকে মুক্তি:
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুটি শীতল সময়ে (ফজর ও আসর) নামাজ আদায় করবে, সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে।
8. পূর্ণ নূরের সুসংবাদ:
ফজরের নামাজ আদায়কারী মুমিনরা কেয়ামতের দিন পূর্ণ নূরের সুসংবাদ পাবে।
9. অফুরন্ত কল্যাণ ও বরকত:
ফজরের নামাজ মুমিনের জন্য অফুরন্ত কল্যাণ ও বরকতের দ্বার খুলে দেয়।
10. আল্লাহর প্রতিশ্রুত নিরাপত্তা:
ফজরের নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাআলা সারাদিনের জন্য ওই ব্যক্তিকে তার হেফাযত ও নিরাপত্তা দান করেন।
15/08/2025
হাদিসে বর্ণিত ছোট ১০ দরুদ
নবীজির প্রতি দরুদ অনেক বরকতময় একটি আমল। যা সবসময় সর্বাবস্থায় করা যায়। তবে, বিশেষ কিছু সময়ে দরুদ পড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে হাদিসে। যেমন- দোয়ার শুরুতে, জুমার দিন, আজানের পর, মসজিদে প্রবেশের সময় এবং বের হওয়ার সময়, নবীজির নাম শুনলে, নবীজির নাম লেখার সময় সাথে দরুদও লেখা, অজুর পরে দরুদ, তাওবা-ইস্তেগফারের পরে দরুদ ইত্যাদি। হাদিসে বর্ণিত দরুদ ও সালামের শব্দ-বাক্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া আমাদের কর্তব্য। এখানে হাদিসের আলোকে ছোট আকারের দশটি দরুদ তুলে ধরা হলো।
হাদিসে বর্ণিত ছোট দরুদ শরিফ
১.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ،وَّأَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আনজিলহুল মাক্বআদাল মুক্বাররাবা ঈনদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ।’ অর্থ: হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং কেয়ামত দিবসে তাঁকে সমাসীন করুন আপনার নৈকট্যপ্রাপ্ত আসনে।’ (আলমুজামুল কাবির, তবারানি: ৪৪৮০; মুসনাদে আহমদ: ১৬৯৯১; ফাদলুস সালাত: ৫৫; মুসনাদে বাজজার: ২৩১৫; মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: ১৭২৫৯)
২.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ، وَصَلِّ عَلٰى الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ،وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রাসূলিকা, ওয়াসাল্লি আলাল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাত ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমাত।’ অর্থ: হে আল্লাহ! রহমত বর্ষণ করুন আপনার বান্দা ও রাসুল মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি এবং সকল মুমিন ও মুসলিম নর-নারীর প্রতি।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৩; আলআদাবুল মুফরাদ: ৬৪০; মুসতাদরাকে হাকেম: ৭৩৫২)
৩.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّسَلِّمْ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়াসাল্লিম।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।’
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজজাক: ১৬৬৪; মুসনাদে আহমদ: ২৬৪১৬; জামে তিরমিজি: ৩১৪)
৪.
اَلسَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهٗ
উচ্চারণ: ‘আসসালামু আলাইকা আয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।’ অর্থ: ‘আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে নবী! এবং বর্ষিত হোক আল্লাহর রহমত ও বরকত।’ (সহিহ বুখারি: ৮৩১)
৫.
صَلَّى اللهُ عَلَى النَّبِيِّ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ: ‘সাল্লাল্লাহু আলান্নাবিয়্যি মুহাম্মাদিন।’
অর্থ: ‘আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন নবী মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি। (সুনানে নাসায়ি: ১৭৪৬)
৬.
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ صَلَوَاتِكَ وَبَرَكَاتِكَ عَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا جَعَلْتَهَا عَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মাজআল সালাতিকা ওয়াবারাকাতিকা আলা আ-লে মুহাম্মাদিন কামা জাআলতাহা আলা আ-লে ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।’
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার রহমত ও বরকত দান করুন মুহাম্মদ (স.)-এর পরিবারবর্গকে, যেরকম দান করেছেন ইবরাহিম (আ.)-এর পরিবারবর্গকে। আপনি নিঃসন্দেহে অতি প্রশংসিত, মহিয়ান।’
(মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা: ৮৭২৬; ফাদলুস সালাত: ৬৫)
৭.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম আলা মুহাম্মাদিন ওয়াআলা আ-লে মুহাম্মাদ।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি রহমত ও প্রশান্তি অবতীর্ণ করুন মুহাম্মদ (স.)-এর উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর।’
(আলআযকার নাববি, পৃ. ১৭৭; আলকাউলুল বাদি’, পৃ. ৪০০,সালিহ লিলআমাল)
৮.
صَلّى اللهُ عَلٰى النَّبِيِّ وَسَلَّمَ
উচ্চারণ: ‘সাল্লাল্লাহু আলান্নাবিয়্যি ওয়াসাল্লাম।’ অর্থ: ‘রহমত ও শান্তি অবতীর্ণ হোক নবীজির ওপর।’ (নাতাইজুল আফকার, ইবনে হাজার: ১/২৮৩, সহিহ)
৯.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى آلِ إِبْرَاهِيْمَ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীম, আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহীম।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ (স.)-এর উপর রহমত নাজিল করুন, যেমন রহমত নাজিল করেছেন ইবরাহিম (আ.)-এর পরিবারবর্গের উপর।’
(সুনানে কুবরা, নাসায়ি: ৯৭৯৬; জিলাউল আফ্হাম, পৃ. ১০২ (১১১) (সহিহ)
১০.
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি উম্মী নবী মুহাম্মদ (স.)-এর উপর রহমত বর্ষণ করুন।’
(আততারগিব ওয়াত তারহিব, কিওয়ামুস সুন্নাহ: ১৬৫৪; জিলাউল আফ্হাম, পৃ. ৮৮ (৮২); আলকাউলুল বাদি’, পৃ. ৩৭৯ (সহিহ)