১০ বছর ধরে সিভিল মামলা চলমান, তাও ক্রিমিনাল লইয়ারের হাতে।
১০ বছর পর যখন মামলা সিভিল লইয়ারের হাতে আসলো, সিভিল লইয়ার ১৮ পৃষ্ঠার সংশোধনী দিয়ে বসলো,
জজ সাহেব জিজ্ঞেস করতেছেন, এতো বছর আগে যে এডভোকেট মামলা পরিচালনা করলো, ওনি করছে টা কি?
আপনাকে এতো পৃষ্ঠা সংশোধনী দিতে হলো।
সিভিল লইয়ার চুপ।
পরিশেষে ১০০০ টাকা Cost এ সংশোধনী মঞ্জুর করা হলো।
আপনার হলো জ্বর আপনি ঔষধ খাচ্ছেন মাথা ব্যথার, তা হলে কি কাজ হবে বলেন।
Bangladesh Legal Solution and Consultancy - BLSC
আইন সম্পর্কে মানুষ কে সচেতন করা!
14/06/2023
টিন সার্টিফিকেট বাতিলের জন্য আবেদন পত্রের নমুনা:-
নতুন কর আইন ২০২৩ (খসড়া) অনুসারে টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর রিটার্ণ নূন্যতম ২০০০ টাকা জমা দিতে হবে। না দিলে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা হবে।
৫টি শর্তে টিন বাতিল করতে পারবেন, যেমন:-
১. করদাতা মারা গেলে।
২. যদি কর যোগ্য আয় না থাকে।
৩. নন রেসিডেন্ট বিদেশী নাগরিক যার বাংলাদেশে কোন স্থায়ী ভিত্তি নেই।
৪. বিশেষ কোন কারণে টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করে থাকলে ও বর্তমানে করযোগ্য কোন আয় না থাকলে ও বাতিল করা যাবে।
৫. ৬৫ বছরের উর্ধ্বে মহিলা ও পুরুষগণ যদি তার করযোগ্য আয় না থাকে (পূর্বে করযোগ্য আয় ছিল বর্তমানে নেই) চাইলেই তারা টিন বাতিল করতে পারবেন।
টিন সার্টিফিকেট বাতিলের জন্য আবেদন পত্রের নমুনা:-
বরাবর.
উপ কর কমিশনার/ কমিশনার
কর অঞ্চল, ০০ (যার যেই অঞ্চল)
ঢাকা।
বিষয়: টিন নাম্বার বাতিল করার জন্য আবেদন প্রসঙ্গে।
মহোদয়,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে. আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী জমি ক্রয়ের জন্য বছর তিনেক আগে টিন সার্টিফিকেট (TIN Certificate) করেছিলাম। আমি আমার একটি ডোবা জমি বিক্রি করে বসতবাড়ি করার জন্য আরেকটি জমি ক্রয় করে বাড়ি তৈরি করি। দীর্ঘদিন ধরে আমার আয় না থাকা শর্তে ও গত তিন বছর ধরে জিরো রিটার্ণ দাখিল করে আসছি (কপি সংযুক্ত)। বর্তমানে আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমি টিআইএন নম্বর ১২৩৪৫৬৭৮৯০ বন্ধ করতে ইচ্ছুক।
অতএব, আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমার টিন সার্টিফিকেট খানি বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় মর্জি হয়।
সংযুক্তি বর্ননামতে..
১. আবেদন কপি।
২. টিন সার্টিফিকেটের কপি।
৩. পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ণের রশিদ/প্রত্যয়ণপত্র।
৪. জাতীয় পরিচপত্রের ফটোকপি।
বিনীত নিবেদক,
-----------
নাম...
স্বাক্ষর..
30/04/2023
ফৌজদারী কার্যবিধি ধারা ১৬৫ পুলিশ অফিসার কর্তৃক তল্লাশিঃ
ক) যখনই থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা পুলিশ অফিসার তদন্তের সময় যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করে যে, যেই অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য তিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়াছেন, সেই অপারধের তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস, তিনি যেই থানার ভারপ্রাপ্ত অথবা তিনি যেই থানার সহিত সংযুক্ত, সেই থানার কোন স্থানে পাওয়া যাইবে এবং তাহার উক্ত অফিসার তাহার মতে অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাইবে না, তখন উক্ত অফিসার তাহার উক্তরূপ বিশ্বাসের কারণ ও যেই জিনিসের তল্লাশি করা হইবে, যথাসম্ভব উহার বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত থানার যেকোন স্থান তাহা তল্লাশি করিবেন অথবা তল্লাশি করাইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, যেই সকল বস্তু ব্যাংকরাস বুকস এভিডেসন্স অ্যাক্ট ১৮৯১ (১৮৯১ সালের ১৮ নম্বর আইন) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ব্যাংক বা ব্যাংকারের হেফাজতে আছে এবং যাহা কোন ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সহিত যুক্ত কিংবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সহিত যুক্ত কোন বিষয় সংবাদ প্রকাশ করিতে পারে ঔ সমস্ত বস্তু সম্পর্কে কোন অফিসার তল্লাশি করিবেন না করাইবেন না। কিন্তু দায়রা জজের লিখিত পূর্বানুমতি লইয়া দন্ডবিধির ৪০৩, ৪০৬, ৪০৮, ৪০৯, ৪২১ হইতে ৪২৪ করা চলিবে এবং হাইকোর্ট বিভাগের লিখিত পূর্বানমতি লইয়া অন্য মামলায় তল্লাশি করা যাইবে।
খ) পুলিশ অফিসার (১) উপধারা অনুসারে কার্য করিবার সময় সম্ভব হইলে ব্যত্তিগতভাবে তল্লাশি পরিচালনা করিবেন।
গ) যদি তিনি নিজে তল্লাশি পরিচালনা করিতে অসমর্থন হন এবং তল্লাশি করিতে পরিচালনার জন্য উপযুক্ত অন্য কোন ব্যক্তি সেই সময় উপস্থিত না থাকেন, তাহা হইলে তিনি উহার কারণে লিপিবদ্ধ করিয়া তাহার অধঃস্তন কোন অফিসারকে তল্লাশি করিতে বলিবেন এবং তল্লাশির স্থান ও যথাসম্ভব তল্লাশির জিনিসের বিষয় উল্লেখ করিয়া উক্ত অধঃস্তন অফিসারকে একটি লিখিত আদেশ অর্পণ করবেন এবং অতঃপর উক্ত অধঃস্তন অফিসার এইরূপ জিনিসের জন্য উক্ত স্থান তল্লাশি করিতে পারেন।
ঘ) তল্লাশি পরোয়ানা সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের এবং ১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি- সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারা অনুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
ঙ) উপরোক্ত (১) উপধারা বা (৩) উপধারা অনুসারে প্রণীত দলিলের কোন নকল অবিলম্বে উক্ত অপরাধ আমলে লইবার ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটএর নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং তল্লাশিকৃত স্থানের মালিক বা দখলকার আবেদন করিলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাহাকে উহার উপর নকল প্রদান করিবেন।
~আব্দুল্লাহ আল মামুন।
Founder Admin BLSC
বিচার প্রশাসনের আধুনিকায়ানই বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে পারে
27/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ❝ রিটার্ন দাখিলের সময় ❞
🔰 রিটার্ন দাখিলের সময় ঃ
১. স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে Tax Day (কর দিবস) এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। ২০২২-২০২৩ করবর্ষের জন্য ৩০ নভেম্বর ২০২২ তারিখ হচ্ছে কর দিবস , অর্থাৎ রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ।
একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ১ জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৩ তারিখের মধ্যে ২০২২-২০২৩ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করবেন ।
২. কোন ব্যক্তি যিনি পূর্বে কখনই রিটার্ন দাখিল করেননি তার জন্য ৩০ জুন ২০২২ তারিখে সমাপ্ত আয়বর্ষের জন্য করবর্ষ এর সর্বশেষ দিন অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৩ হচ্ছে করদিবস ।
৩. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব না হলে করদাতা রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য নির্ধারিত ফরমে উপযুক্ত কারণ উল্লেখপূর্বক উপ - কর কমিশনারের কাছে সময়ের আবেদন করতে পারেন ।
সময় মঞ্জুর হলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে সাধারণ অথবা সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.nbr.gov.bd থেকে সময় বৃদ্ধির আবেদন ফরম download করা যায় ।
8 . নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করা হলে উপ-কর কমিশনার বিলম্ব সুদ ( delay interest ) আরোপ করবেন।
তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা করদাতার জন্য সুবিধাজনক ।
নির্দিষ্ট সময়ে কর প্রদান করুন এবং দেশকে সমৃদ্ধি পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযৌগিতা করুন।
Admin post
26/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ❝ রিটার্ন ফরম কোথায় পাওয়া যায় ❞
রিটার্ন ফরম কোথায় পাওয়া যাবে -
• সকল আয়কর অফিসে আয়কর রিটার্ন ফরম পাওয়া যাবে ।
• একজন করদাতা সারা বছর বিনামূল্যে আয়কর অফিস থেকে রিটার্ন ফরম সংগ্রহ করতে পারেন ।
• জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েব সাইট থেকেও রিটার্ন ফরম download করা যাবে। তবে লিখতে হবে
❝ https://nbr.gov.bd/form/income-tax/eng ❞
• রিটার্ন ফরমের ফটোকপিও গ্রহণযোগ্য হবে।
নিয়মিত আয়কর প্রদান করুন এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে চলুন
Admin Post
23/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ❝যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে ❞
🔰 যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে -
২১ . পাঁচ লক্ষাধিক টাকার পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী হিসাব খোলায় ;
২২. দশ লক্ষাধিক টাকার ক্রেডিট ব্যালেন্স সম্পন্ন ব্যাংক হিসাব খোলা ও বহাল রাখতে ;
২৩. পাঁচ লক্ষাধিক টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে ;
২৪. পৌরসভা , উপজেলা , সিটি কর্পোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে ;
২৫. মটরযান , স্পেস / স্থান , বাসস্থান অথবা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক এক্টিভিটিজে অংশগ্রহণ করতে ;
২৬. উৎপাদন কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক বা তত্বাবধানকারী অবস্থানে কর্মরত ব্যক্তির বেতন - ভাতাদি প্রপ্তিতে ;
২৭. সরকার অথবা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ , কর্পোরেশন , সত্ত্বা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোন আইন , আদেশ বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোন কর্তৃপক্ষ , কর্পোরেশন , সত্ত্বা বা ইউনিটের কর্মচারীর ১৬,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ মূল বেতন প্রাপ্তিতে ;
২৮ . মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে এবং মোবাইল ফোনের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন , ফি বা অন্য কোন অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ;
২৯ . অ্যাডভাইজরি বা কনসালটেন্সি সার্ভিস , ক্যাটারিং সার্ভিস , ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস , জনবল সরবরাহ , নিরাপত্তা সরবরাহ সেবা বাবদ নিবাসী কর্তৃক কোন কোম্পানি হতে কোন অর্থ প্রাপ্তিতে ;
৩০. মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার বা এমপিও ভূক্তির মাধ্যমে সরকারের নিকট হতে মাসিক ১৬,০০০ টাকার ঊর্ধে কোন অর্থ প্রাপ্তিতে ;
৩২. বীমা কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট নিবন্ধন বা নবায়নে ;
৩৩. দ্বি - চক্র বা ত্রি - চক্র মোটরযান ব্যতীত অন্যান্য মোটরযানের নিবন্ধন , মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে ;
৩৪. এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিওতে বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থায় বিদেশি অনুদান ছাড়ে ;
৩৫. বাংলাদেশে অবস্থিত ভোক্তাদের নিকট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা বিক্রয়ে ;
৩৬. কোম্পানি আইন , ১৯৯৪ ( ১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন ) এবং Societies Registration Act , 1860 ( Act No. XXI of 1860 ) এর অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ লাভের আবেদনের ক্ষেত্রে
৩৭. পণ্য সবরাহ , চুক্তি সম্পাদন বা সেবা সরবরাহের উদ্দ্যেশে নিবাসী কর্তৃক টেন্ডার ডকুমেন্টস্ দাখিল কালে ;
৩৮. পণ্য আমদানি বা রপ্তানির উদ্দ্যেশে বিল অব এন্ট্রি দাখিল কালে ;
৩৯. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( রাজউক ) , চিটাগাং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( সিডিএ ) , খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( কেডিএ ) , রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( আরডিএ ) অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের নিমিত্ত ভবন নির্মাণের নকশা দাখিল কালে ।
এই সব বিষয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি যে আয়কর রিটার্ন ফরম এর মধ্যমে কর প্রদান করেন সরকারকে সেই প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে।
Admin post
23/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ❝যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে ❞
🔰 যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে ঃ
১. কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে ৫ লক্ষাধিক টাকার ঋণ গ্রহণ কালে।
২. কোন কোম্পানির পরিচালক বা স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হতে হলে।
৩. আমদানি নিবন্ধন সনদ ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
৪ . সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে।
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন পেতে।
৬ . সাধারণ বীমার তালিকাভূক্ত সার্ভেয়র হতে এবং লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে।
৭. সিটি কর্পোরেশন , জেলা সদরের পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় ১০ লক্ষাধিক টাকার জমি , বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয় বা হস্তান্তর বা বায়নামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করতে।
৮. ক্রেডিট কার্ড প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
৯. চিকিৎসক , দন্ত চিকিৎসক , আইনজীবী , চার্টার্ড একাউন্টেন্ট , কষ্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট , প্রকৌশলী , স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসেবে বা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
১০ . The Muslim Marriages and Divorces ( Registration ) Act , 1974 ( LII of 1974 ) এর অধীন নিকাহ্ রেজিস্ট্রার হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
১১. ট্রেড বা পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
১২. ড্রাগ লাইসেন্স , ফায়ার লাইসেন্স , পরিবেশ ছাড়পত্র , বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রাপ্তি ও নবায়নে।
১৩. যেকোন এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি এবং বহাল রাখতে।
১৪ . লঞ্চ , স্টিমার , মাছ ধরার ট্রলার , কার্গো , কোস্টার , কার্গো ও ডাম্ব বার্জসহ যেকোন প্রকারের ভাড়ায় চালিত নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
১৫. পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ইট উৎপাদনের অনুমতি প্রাপ্তি ও নবায়নে।
১৬. সিটি কর্পোরেশন , জেলা সদর বা পৌরসভায় অবস্থিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিশু বা পোষ্য ভর্তিতে।
১৭. সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি বা বহাল রাখতে।
১৮. কোম্পানির এজেন্সী বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
১৯. আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তি ও বহাল রাখতে।
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলায়।
এই সব বিষয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি যে আয়কর রিটার্ন ফরম এর মধ্যমে কর প্রদান করেন সরকারকে সেই প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে।
Admin post
22/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু হলো -
❝ যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে ❞
🔰 যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে ঃ
• করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলে।
আয়কর মুক্ত সীমা অতিক্রম বলতে, যেমন -
★ স্বাভাবিক ব্যক্তি ৩,০০০০০ টাকার বেশি আয় করলে
★ মহিলা, তৃতীয় লিঙ্গ, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব কোন ব্যক্তি ৩৫০,০০০ টাকা বেশি আয় করলে
★ গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধ ৪৭৫,০০০ টাকার বেশি আয় করলে
★ প্রতিবন্ধী ৪৫০,০০০ টাকা বেশি আয় করলে,
তারা প্রত্যকের আয়কর মুক্ত সীমা অতিক্রম করেছে।
সকল কে আয় কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
• আয় বর্ষের পূর্ববর্তী তিন বছরের যে কোন বছর করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকে বা তার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে।
• ফার্মের অংশীদার হলে।
• কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার কর্মচারী হলে।
• সরকার অথবা সরকারের কোন কর্তৃপক্ষ , কর্পোরেশন , সত্ত্বা বা ইউনিটের বা প্রচলিত কোন আইন , আদেশ বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোন কর্তৃপক্ষ , কর্পোরেশন , সত্ত্বা বা ইউনিটের কর্মচারী হয়ে ১৬,০০০ টাকা বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ মূল বেতন আহরণ করলে।
• কোন ব্যবসায় বা পেশায় যেকোন নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে বেতনভোগী কর্মী হলে।
• কর অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত হারে করযোগ্য আয় থাকলে।
• মোটর গাড়ির মালিক হলে।
• সিটি কর্পোরেশন , পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোন ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা করলে।
• মূল্য সংযোজন কর আইনের অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ থাকলে।
• চিকিৎসক , দন্ত চিকিৎসক , আইনজীবী , চার্টার্ড একাউন্টেন্ট , কন্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট , প্রকৌশলী , স্থপতি অথবা সার্ভেয়ার হিসেবে বা সমজাতীয় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার নিবন্ধিত হলে।
• আয়কর পেশাজীবী হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে নিবন্ধিত হলে।
• কোন বণিক বা শিল্প বিষয়ক চেম্বার বা ব্যবসায়িক সংঘ বা সংস্থার সদস্য হলে।
• কোন পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের কোন পদে বা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হলে।
• সরকারি , আধা-সরকারি , স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা বা কোন স্থানীয় সরকারের কোন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করলে।
• কোন কোম্পানির বা কোন গ্রুপ অব কোম্পানিজের পরিচালনা পর্ষদে থাকলে।
• মটরযান , স্পেস / স্থান , বাসস্থান অথবা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক এক্টিভিটিজে অংশগ্রহণ করলে।
• লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মালিক হলে। এবং
• যে সকল ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে ।
এইসব ক্ষেত্রে অবশ্যই অবশ্যই আয়কর রিটার্ন দালিখ করতে হবে।
Admin Post
22/10/2022
আজকে আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ❝ আয়কর রিটার্ন ❞
যা যা আলোচনা করবো -
• আয়কর রিটার্ন কি?
• আয়কর রিটার্ন কারা দাখিল করবেন?
• করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে যাদেরকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে?
🔰 আয়কর রিটার্ন ঃ
আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট একজন করদাতার বার্ষিক আয় , ব্যয় এবং সম্পদের তথ্যাবলী নির্ধারিত ফরমে উপস্থাপন করার মাধ্যম হচ্ছে আয়কর রিটার্ন।
আয়কর রিটার্ন ফরম এর কাঠামো আয়কর বিধি দ্বারা নির্দিষ্ট করা আছে ।
আয়কর আইন অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়।
🔰 আয়কর রিটার্ন কারা দাখিল করবেন ঃ
কারা আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন তা দুই ভাগে চিহ্নিত করা যায়। যথা :
• যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে, এবং
• যাদেরকে আবশ্যিকভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
🔰 করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে যাদেরকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে ঃ
• কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার আয় যদি বছরে ৩,০০,০০০ টাকার বেশি হয় ;
• তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা , মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার আয় যদি বছরে ৩,৫০,০০০ টাকার বেশি হয় ;
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় যদি বছরে ৪,৭৫,০০০ টাকার বেশি হয় ।
• প্রতিবন্ধী করদাতা ৪,৫০,০০০ টাকার বেশি হয়।
এই চার শ্রেণীর করতদাতার আয় যদি এর চাইতে কম হয় তাহলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে না।
যদি বেশি হয় তাহলে অবশ্যই অবশ্যই রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
Post
13/10/2022
আজকের আলোচনার বিষয় বস্তু হলো ❝ মানিলন্ডারিং এর অপরাধের শাস্তি নিয়ে ❞
পাঠ -২
🔰ধারা৬ ঃ তথ্য প্রকাশের দণ্ড
১) কোন ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে তদন্ত সম্পর্কিত কোন তথ্য বা প্রাসংগিক অন্য কোন তথ্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করবেন না।
২) এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা এজেন্ট কর্তৃক চাকুরীরত বা নিয়োগরত থাকা অবস্থায় কিংবা চাকুরী বা নিয়োগজনিত চুক্তি অবসায়নের পর তৎকর্তৃক সংগৃহীত, প্রাপ্ত, আহরিত, জ্ঞাত কোন তথ্য এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা প্রকাশ করা হতে বিরত থাকবেন।
৩) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লংঘন করলে তিনি অনধিক ২ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
🔰ধারা ৭ ঃ তদন্তে বাধা বা অসহযোগিতা, প্রতিবেদন প্রেরণে ব্যর্থতা বা তথ্য সরবরাহে বাধা দেওয়ার দণ্ড
১) কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন—
• কোন তদন্ত কার্যক্রমে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বাধা প্রদান করলে বা সহযোগিতা প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে; বা
• যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিরেকে যাচিত কোন প্রতিবেদন প্রেরণে বা তথ্য সরবরাহে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে;
তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবেন।
২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি অনধিক ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
🔰 ধারা ৮ ঃ মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড -
১) কোন ব্যক্তি জ্ঞাতসারে অর্থের উৎস বা নিজ পরিচিতি বা হিসাব ধারকের পরিচিতি সম্পর্কে বা কোন হিসাবের সুবিধাভোগী বা নমিনী সম্পর্কে কোনরূপ মিথ্যা তথ্য প্রদান করবেন না।
২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করলে তিনি অনধিক ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
Admin Post
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Cox's Bazar