Arfat's Daybook

Arfat's Daybook ভালো চিন্তাভাবনা মানুষকে তার পরিচিতি বহন করতে সহায়তা করে

28/05/2026

নরমাল পানিতে পিঁপড়া পড়লে পুরো প্লাসের পানিটাই ফেলে দেওয়া হয়। অথচ সরবতে পিঁপড়া থাকলে শুধুমাত্র পিঁপড়া টাকে চামচ দিয়ে তুলে ফেলে দেওয়া হয়।
নীতিকথা, মূল্যবোধ সবটা শুধু বই পুস্তকেই থাকে।
বাস্তবে আমরা সবাই লো/ভী।
শুধুমাত্র সুযোগের অভাবে সৎ।

27/05/2026

কুরবানি

বাবার সামর্থ্য নেই পশু কিনে কুরবানি করার। ইদ এলে বাবা আম্মার জন্য শাড়ি কেনেন। আমাদের জন্য জামা, জুতা কেনেন। বাবাকে কখনো নতুন কিছু কিনতে দেখি না।
সমাজ বাবাকে গরিব বলে টিটকারি করে। বাবা কুরবানি দেন না।
আচ্ছা, বাবা যে যৌবন থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত নিজের সাধ-আহ্লাদ ত্যাগ করে এসেছেন-এ ত্যাগও কি কুরবানি নয়?

21/05/2026

যখনই কারো বৃদ্ধ বাবাকে দেখি, যখন দেখি বয়সের ভারে কোনো এক বাবার শরীর নুয়ে পড়েছে, লাঠি হাতে হাঁটতে গিয়েও কোনো এক বাবার শরীর কাঁপে, গলা থেকে উচ্চারণ করা শব্দটা স্পষ্ট নয়। তখন নিজের বাবার কথা মনে হয়, মনে হলেই মনটা ডুকরে ওঠে। বাবা-বাবা বলে চিৎকার করে ডাকতে ইচ্ছে হয়, বুকে জড়িয়ে নিতে ইচ্ছে হয়।

ব্যস্ততাযাচ্ছে! যেভাবে চেয়েছি সেভাবে জীবন না চললেও, কেটে যাচ্ছে। কত স্বপ্নই দেখেছি; কোনো স্বপ্ন পূরণ না হলেও, বড়ো হওয়ার ...
20/05/2026

ব্যস্ততা
যাচ্ছে! যেভাবে চেয়েছি সেভাবে জীবন না চললেও, কেটে যাচ্ছে। কত স্বপ্নই দেখেছি; কোনো স্বপ্ন পূরণ না হলেও, বড়ো হওয়ার স্বপ্ন খুব তাড়াতাড়িই পূরণ হয়েছে।

এত দায়িত্ব আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে যে আর কোনো দিকে তাকাতেই পারি না। দায়িত্ব মনে করিয়ে দেয় স্বপ্ন দেখার বয়স পেড়িয়ে গেছে।

জীবনের কাছে বেশি কিছু চাওয়া ছিল না। শুধু শান্তি টাই আমি সবসময় চেয়েছি। জীবন আমাকে শান্তি তো দিলই না, যতটা শান্তি চেয়েছি তার দ্বিগুণ ব্যস্ততা দিয়েছে। জীবনটা তো এমন হওয়ার কথা ছিল না।

19/05/2026

**শৈশব**

ছোটোবেলা সারাক্ষণ বড়োদের দেখে আফসোস করতাম। যখন যেখানে ইচ্ছে চলে যেতে পারে। রাত গভীর করে বাড়ি ফিরলেও কেউ কিছু বলে না। বড়ো হলে সবকিছুতেই সুযোগ-সুবিধা অন্যরকম।

কবে যে বড়ো হবো আর একটা অদ্ভুত জীবন কাটাবো। ইচ্ছেমতো টাকা কামাব, তারপর সেই টাকায় দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াব; নদী, সমুদ্র, পাহাড়, সবকিছু খুব কাছ থেকে দেখব। এই আফসোস নিয়ে প্রতিটা রাত ঘুমাতে যেতাম।

এরপর একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি বেশ বড়ো হয়ে গেছি। কিন্তু বড়ো হয়ে দেখি এই জগৎ একেবারেই ভিন্ন। কেউ কারো দিকে তাকিয়ে নেই। কারো মনমতো চাকরি হচ্ছে না; না হচ্ছে ব্যবসা আর না এমন কোনো প্রতিভা আছে যা দিয়ে জীবন গড়ব।

আর যখন চেষ্টা ও ধৈর্যের শেষ সীমায় গিয়ে কর্মজীবন হয় মনমতো—তখন আর সময় নেই। পিছু ফিরে দেখি সেই ছোটোবেলা কবেই হারিয়ে গেছে। বড়ো হয়ে কত কীই না করব ভেবেছিলাম। আর এখন? কাজ ছাড়া কিছুই করার নেই।

18/05/2026

কবর
যে খাটে শুয়ে আছি; এত নরম, তবুও মাঝেমধ্যে পিঠ ব্যথা করে শুয়ে থাকতে থাকতে। ওপরে ফ্যান চলছে তবুও গরমের মাত্রা বাড়লেই ভাবি এসি লাগানো দরকার! এই গরম আর ভাল্লাগছে না।

একটু দেরিতে পৌঁছালেই ভাবি, নাহ বাইক একটা কিনতেই হবে। এভাবে জ্যাম ঠেলতে আর মন চাইছে না, খুবই বিরক্তিকর। কাপড়ে ছোট্ট একটা দাগ লাগলেই বলি এটা আর পড়া যাবে না। সেইম আরেকটা নিতে হবে।

সবকিছুরই বিকল্প খুঁজি, বিকল্প আছে। কিন্তু কবর? ঝড়বৃষ্টি, রোদ্দুর, এক মাসের ভয়ানক বন্যা, যাই হোক না কেন অবস্থান পরিবর্তনের সুযোগ নেই। সেই সাড়ে তিন হাত মাটির ঘর বরাদ্দ, এর কোনো বিকল্প নেই।

এই হাতে মাপা ঘরটাই চূড়ান্ত ঠিকানা, তবুও আমরা এমনভাবে বাঁচি যোন আমরা কখনোই বৃদ্ধ হবো না, আমাদের কোনো শেষ নেই। যেন পৃথিবীতে আমরা এসেছি শত বছরের জন্য।

28/03/2026

সমাপ্তি ❤️

রাত ১১ টা।বৃষ্টি পড়ছে।ফুটপাতে ভিজছে একজন ঘুমন্ত মহিলা। পাশে রাখা বাটিতে ভিজছে কিছু টাকা। ভিজছে দুটি শিশুও। ছোটটির বয়স আ...
22/02/2026

রাত ১১ টা।
বৃষ্টি পড়ছে।

ফুটপাতে ভিজছে একজন ঘুমন্ত মহিলা। পাশে রাখা বাটিতে ভিজছে কিছু টাকা। ভিজছে দুটি শিশুও। ছোটটির বয়স আনুমানিক এক, বড়টির চারের কাছাকাছি। মহিলার মুখ ওড়না দিয়ে ঢাকা। বড় বাচ্চাটি তাকে ধাক্কা দিচ্ছে আর মা মা বলে ডাকছে। আর ছোটটি গভীর ঘুমে। বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে তার শরীর, তবুও ঘুম ভাঙছে না। বড় বাচ্চাটির ডাকও যেন মহিলার কানে যাচ্ছে না।

এসব ভিক্ষাবৃত্তির কৌশল ভেবে আমি আমি চিল্লায়ে ডাকলাম। কিন্তু মহিলার কোনো সাড়াশব্দ নেই। আমার সাথে আমার স্ত্রী ছিল। ও মহিলার গায়ে ধাক্কা দিয়ে ডাক দিতেই সে হুড়মুড় করে উঠে বসল। টান দিয়ে ছোট বাচ্চাটিকে কোলে নিয়ে ওড়না দিয়ে শরীর মুছে দিচ্ছে আর বলছে, "কখন বৃষ্টি আসলো! আমি বুঝি নাই। আমার শরীরটা খারাপ। কোন সময় যে ঘুমিয়ে পড়ছি জানি না।"

আমি মহিলাকে রাস্তার বিপরীতে একটি বন্ধ দোকানের বারান্দা দেখিয়ে ওখানে যেতে বললাম। সে তার বাচ্চাদের নিয়ে দ্রুত ওখানে গেল। বৃষ্টি থাকায় আমরাও ওখানে গিয়ে দাঁড়ালাম।

কথা প্রসঙ্গে আমার স্ত্রী বড় বাচ্চাটিকে দেখিয়ে মহিলাকে বলল, "একে আমাকে দিয়ে দেন। ও আমার কাছে অনেক ভালো থাকবে। দিবেন?"
মহিলা সাথে সাথে জবাব দিল, "না না! আমি ওকে পড়াব। ওর বাবার মতো ও আমাকে ছেড়ে যাবে না।"

আমার চোখদুটো ভিজে উঠেছে। আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বললাম, "হে পরম করুণাময়, এদেরকে দেখিয়ে আমাদেরকে তুমি যা শেখাতে চাও তা আমরা কয়জনে শিখি? তুমি তাদেরকে ভালো রেখো।"

06/02/2026

আমি কারোর প্রিয় হতে পারিনি, তাই আমার শূন্যতা ও কেউ টের পাবে না।

Address

Cox's Bazar
4750

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arfat's Daybook posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Arfat's Daybook:

Shortcuts

Share

Category