08/06/2026
জনাব মোহাম্মদ আবদুল হক (প্রফেসর রামু) — সমাজসেবী, শিক্ষা দেশপ্রেমিক ও অনন্য নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব
পশ্চিম গোয়ালিয়া পালং এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জনাব মোহাম্মদ আবদুল হক, যিনি প্রায় সবাইকে প্রফেসর রামু নামে সাদরে অভিহিত করে থাকেন, আমাদের এলাকার এক অদ্বিতীয় দায়িত্বশীল, মানবিক ও দূরদর্শী নেতা। সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ ও শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকা এই গুণীজন তাঁর পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং মানবিক গুণাবলীর কারণে শিক্ষার্থীবৃন্দ ও এলাকাবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। তিনি শুধু এক সফল শিক্ষক বা প্রশাসক নন—একজন সমাজকর্মী, মেন্টর ও উন্নয়নের স্থায়ী অনুঘটকও বটে।
শিক্ষা ও জনকল্যাণে অজস্র অবদান
জনাব হক দীর্ঘকাল ধরে শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে নিবেদিত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে বহু শিক্ষাব্যবস্থা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি তহবিল সংগ্রহ, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষাবৃত্তি স্থাপন এবং ছেলেমেয়েদের শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান—এসব কাজ ধারাবাহিকভাবে করেছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষাজীবনে সুদৃঢ় ভিত্তি পেয়েছে এবং আজ তারা দেশের বিভিন্ন পেশায় সম্মানজনক অবস্থান দখল করে রেখেছেন।
ন্যায়পরায়ণ ও সহমর্মী মানবিকতা
জনাব হক সবসময় ন্যায় ও সততার পক্ষে ছিলেন। তিনি দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা দিয়ে সমাজে মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ ছেড়ে তিনি অগণ্য মানুষকে সুযোগ করে দিয়েছেন—চাকরির উৎসাহ, শিক্ষাগত পরামর্শ, ও সামাজিক সংযোগ দেওয়ার মাধ্যমে অনেকের জীবন বদলে দিয়েছেন। এলাকাবাসী তাকে স্নেহভরে ‘রাহেব’ ও ‘পথপ্রদর্শক’ হিসেবেও সম্বোধন করেন।
সংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় তাঁর দক্ষতা ও আন্তরিকতা অনবদ্য। স্কুলের কার্যক্রম, অভিভাবক-শিক্ষক সম্পর্ক, ছাত্রদের শৃঙ্খলা ও মানোন্নয়ন—এসব ক্ষেত্রে তিনি সর্বদা সিদ্ধান্তমূলক ও সমন্বয়কারী ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে স্কুলটি অনেক সামাজিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে। তিনি স্থানীয় উন্নয়ন ও সহযোগিতায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী, স্থানীয় প্রতিনিধি ও প্রতিষ্ঠানকে একসাথে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
ব্যক্তিগত গুণাবলি ও সম্মান
শান্ত—সহমর্মী, শিক্ষানুরাগী ও পরিশ্রমী— এমন গুণাবলীর অধিকারী জনাব হক। শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সহবাসীরা তাঁকে মানুষিক সৌন্দর্য ও আন্তরিকতার প্রতীক হিসেবে দেখে থাকেন। বহুবার তাঁকে সম্মাননা ও প্রশংসা জানানো হয়েছে, কিন্তু তিনি সবসময় নম্রতা বজায় রেখেছেন এবং কাজ করেই নিজের কৃতিত্ব প্রমাণ করে গেছেন।
বর্তমান পরিস্থিতি ও আমাদের প্রার্থনা
দরিদ্র ও শ্রমিক এলাকায় সেবার পূর্বভাগে থাকা এই মহীয়সী ব্যক্তিটি বর্তমানে আকস্মিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা আমরা সকলেই প্রত্যাশা করি। এই সময়টাতে আমাদের সাধারণ প্রার্থনা ও সহমর্মিতা তাঁর পরিবারের কাছে শক্তি হিসেবে পৌঁছাবে—আমরা কামনা করি তিনি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে পুনরায় আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন, যেন তাঁর মধুর উপদেশ, শক্তিশালী নেতৃত্ব ও কোমল মমতা আবারও আমাদের জীবনকে আলোকিত করে তুলতে পারে।