11/08/2024
https://www.facebook.com/100004132565296/posts/2845991668881891/?app=fbl
Joger-khil, Muradnagar, comilla
ছেলেটি আজও মেয়েটির জন্য অপেক্ষা করে
গিফটগুলা ফেরত পাওয়ার আশায়
"তুমি যাকে মন থেকে ভালোবাসো। তাকে চোখ বুঝে মনে করও দেখবে সে সত্যি তোমার সামনে এসে দাড়াবে।
পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ অনুভূতি হচ্ছে-
যার জন্য ভালো নেই,
সেই যখন এসে জিজ্ঞেস করে-
ভালো আছো??
যে চলে যেতে
চায়,
তাকে চলে যেতে
দাও,!
দরকার হলে
একটা
CNG ভাড়া করে
দাও... unsure ইমোটিকন
এক রাজার এক চাকর ছিল। চাকরটা সবসময় যে কোন অবস্থাতেই রাজাকে বলত, "রাজা মশাই, কখনো মন খারাপ করবেন না। কেননা আল্লাহ যা করেন তার সবকিছুই নিখুঁত ও সঠিক।
একবার তারা শিকারে যেয়ে নিজেরাই এক হিংস্র প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলো। রাজার চাকর সেই প্রাণীকে মারতে পারলেও, ততক্ষণে রাজা তার একটা আঙুল খুইয়ে বসেছেন।
রাগে-যন্ত্রণায়-ক্ষোভে রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠে, "আল্লাহ যদি ভালোই হবে তাহলে আজকে শিকারে এসে আমার আঙুল হারাতে হতো না।
চাকর বলল, "এতকিছুর পরও আমি শুধু আপনাকে এটাই বলব, আল্লাহ সবসময়ই ভালো ও সঠিক কাজর করেন; কোনো ভুল করেন না।
চাকরের এই কথায় আরও ত্যক্ত হয়ে রাজা তাকে জেলে পাঠানোর হুকুম দিলেন।
এরপর একদিন রাজা আবার শিকারে বের হলেন। এবার তিনি একদল বন্য মানুষের হাতে বন্দি হলেন। এরা তাদের দেবদেবির উদ্দেশ্যে মানুষকে বলি দিত। বলি দিতে যেয়ে তারা দেখল যে, রাজার একটা আঙুল নেই। তারা এমন বিকলাঙ্গ কাউকে তাদের দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে রাজি হলো না। তাই তারা রাজাকে ছেড়ে দিল।
প্রাসাদে ফিরে এসে তিনি তার সেই পুরোনো চাকরকে মুক্ত করে দেওয়ার হুকুম দিলেন। চাকরকে এনে বললেন, "ভাই, আল্লাহ আসলেই ভালো। আমি আজ প্রায় মরতেই বসেছিলাম। কিন্তু আঙুল না-থাকার কারণে প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে পেরেছি।
"তবে আমার একটা প্রশ্ন আছে। আল্লাহ ভালো, এটা তো বুঝলাম। কিন্তু তাহলে তিনি আমাকে দিয়ে তোমাকে জেলে পুরলেন কেন?
চাকর বলল, "রাজামশাই, আমি যদি আজ আপনার সাথে থাকতাম, তাহলে আপনার বদলে আজ আমি কোরবান হয়ে যেতাম। আপনার আঙুল ছিল না, কিন্তু আমার তো ছিল। কাজেই আল্লাহ যা করেন সেটাই সঠিক, তিনি কখনো কোনো ভুল করেন না।
জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট নিয়ে আমাদের শত অভিযোগ। আমরা ভুলে যাই কোন কিছুই আপনা-আপনি হয় না, বরং সবকিছুর পেছনেই একটি নির্দিষ্ট কারণ আছে।
আল্লাহই ভালো জানেন তিনি কেন এই কথাগুলো আপনাকে পড়ার সুযোগ করে দিলেন আজকে। তাই অন্যদেরকেও এই কথাগুলো শোনার সুযোগ করে দিন।
প্রত্যেকটা কাজের পেছনেই কারণ রয়েছে: যা ঘটে সেটা আমাদের ভালোর জন্যই
যাকে তুমি ছেড়ে দিবা,তাকে একবারে ছেড়েই দাও.খুব সোজা বাংলায় তাকে বলে দাও.তুমি চলে যাও তোমার দরকার নেই,দিনের পর দিন একটা মানুষ কে একটু একটু করে IGNORE করার কোন মানে হয় না ভদ্রতা বজায় রাখতে গিয়ে তিলে তিলে কাউকে কষ্ট দেয়াটা খুবই বাজে কাজ তার চেয়ে বরং অভদ্র হয়ে সাপ্টা বলে দাও ঝুলিয়ে রেখোনা,একটা মানুষ টানা ফোন দিয়েই যাচ্চে তোমাকে সকাল বিকাল তুমি দেখেও না দেখার ভান করে ফোনটা বিছানায় ফেলে রাখছো,রিং বেজে যাচ্চে মেসেজ আসছে সপ্তা খানেক পর যখন মুখোমুখি দেখা হলো খুব ভালমানুষি করে আমি মাজে অসুস্থ ছিলাম তাই ফোনও মেসেজ দেখিনী সরি মানুষটা ভরসা পেল তোমাকে কাছের মানুষ ভেবে বসে আছে।তুমিতো কাছের মানুষ না দূরে দূরে থেকে কাছের মানুষ হওয়ার অভিনয় করছো ঠিকনা একদম ঠিকনা যদি পাশে না থাকো তাহলে মিথ্যা আশা দিওনা তুমি নিজেও জানোনা তুমি একজন ঠান্ডা মাথার খুনি,মিথ্যে আশা দিয়ে অপেক্ষায় রেখে বিন্দু বিন্দু মিথ্যে এক্সপেকটেশন জমতে দিয়ে একসময় সেই এক্সপেকটেশন এর সমুদ্রে তাকে ডুবিয়ে মারার কোন অধিকার তোমার নেই।এমন একটা দিন আসবে সেদিন তুমি ও অন্য কারো পিছে ছুটবে.সো তোমার বেলায় ও একি অবস্থা হবে.
একদম ছোট বেলার প্রেম গুলো অনেক মজার
হয়। তখন ছেলে মেয়ে গুলোর স্বপ্ন দেখার
একটা রোগ থাকে। ছোট বেলা বলতে ঐ
১৫-১৬-১৭ বছর বয়সে যেসব প্রেম হয়!
বন্ধুবান্ধবের কাছে তারা হয়ে যায় এলিয়েন
টাইপের। আর বড় কেউ জানলে তো কথাই নাই!
প্রিন্ট করা ছবির বই গুলোর কোণায় তারা একে
অপরের নামের প্রথম অক্ষর বা নামের উল্টা ভার্সন
লিখে রাখে। তারা হাত কাটাকাটি তো করতে পারেই
না!! তারা কদম ফুল চিনেও না! সাহস করে দেখা
করতে গেলেও যা হয় ছেলেটা রাস্তা পাড় হতে
ভয় পায়। পরিবারের কারো চোখে পড়ার ভয় তো
থাকেই! আবার ভালোবাসা টেনে ও নিয়ে যায় রাস্তা
টা পাড় করে।
মোটামোটি কয়েকবছর গেলে ছেলেটি
একদিন সহস্র আনন্দে মেয়েটি কে বলে,
জানো আমার ঠোট এর উপর মোচ উঠসে একটু
একটু। হায় পার্ট দেখে কে তার!
মেয়েটি সারাটাদিন শুধু সুযোগ খুজে কখন মা অথবা
বড় বোন এর মোবাইল টা খালি পাওয়া যায়! এক সময়
ছেলেটি শুরু করে চুরি করে সাইবার ক্যাফে তে
গিয়ে মেয়েটির সাথে চ্যাট করা! নিয়মের কথা
তো চিন্তায় ও আসে না! ধার ধাড়া তো অনেক
দূরে!
ছেলে অতি সাহসী হয়ে স্কুল পালিয়ে ও যেতে
পারে! মেয়েটি ছুটির সময় মা এর হাত ধরে স্কুল
থেকে বের হয়। কোণায় স্কুল পালানো
ছেলেটে লজ্জার হাসি মেখে দাঁড়িয়ে চলমান
পরী দেখে। প্রথম দেখার পর উড়ন্ত সে মন
আমি অন্তত বুঝি না।
তাদের ভালোবাসার সৌন্দর্য কোথায় জানো
তোমরা? সৌন্দর্য টা হলো নিয়মহীনতায়! তারা দিবস
গুলো চিনে না। সেসব দিবসে কোন পার্কে কি
হয় তারা জানে না! ছুটির দিন হলে তারা বাবা মা এর সাথে
ঐসব পার্কেই ঘুরতে যায়। এসে প্রিয়তম কে
বলে - আজকে বাম্পার কার চালাইসি!! পাইরেট শিপ এ
যা ভয় টা লাগসে!! তুমি থাকলে বুঝতা!
অথবা, আব্বু আজকে বলসে আর দুইবছর পর
আমাকে মোবাইল কিনে দিবে! তখন কিন্তু তোমার
সাথে সারাদিন কথা বলবো। কেমন?
কালে ভদ্রে মা যদি রুমে ফোন টা ভূলে রেখে
যায়! তাহলে কাজ হইসে! চিন্তায় আসে না সকালে
ব্যালেন্স ফাঁকা থাকলে কি অবস্থা হবে! প্রথম রাত
জেগে দেখা স্বপ্নে মেয়েটি বিয়ের পর
প্রতিদিন চকোলেট আনার ব্যাপার টা নিশ্চিত করেই
নিবে!
যদিও বেশিরভাগের শেষ পর্যন্ত দেখা ও হয় না।
টানা ফোনে কথাও বলা হয় না। দেখা ও হয় না। নিয়ম
গুলো ও শিখা হয় না। খাতার ভিতর নাম গুলো একদিন
ছেড়া পাতায় ঝালমুড়ির সাথে মিশে যায়।
এক সময় নাম টা ও মনে করতে কষ্ট হয়ে যায়।
তবে টিকে গেলে সফলতার উদাহরণ গুলো খুবই
সুন্দর হতো!
অবশ্য অবচেতন মন কখনো ডেকে উঠে বৃদ্ধ
বয়সে....।