19/08/2019
শিক্ষামূলক পোস্ট: ফেসবুকে আমরা কি শেয়ার করব? এই পেজের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পেজে অনেক সিনিয়র সদস্য আছেন, দয়াকরে শিক্ষামূলক পোস্ট টা অন্য ভাবে কেউ নিবেন না। আমরা মোটামুটি সবাই ফেসবুক চালাই। ফেসবুকে সবাই কম বেশি,কিছু না কিছু শেয়ার করি।আসুন আমরা ফেসবুকে কি কি জিনিস শেয়ার করব কি কি জিনিস শেয়ার করব না এ সম্পর্কে একটু আলোচনা করি। সূত্র:ফেসবুকে কোন জিনিস শেয়ার করার সময় যে জিনিসটা আমরা লক্ষ্য রাখব সেটা হল সূত্র, বিশ্বস্ত কোন সূত্র না হলে ওই সংবাদ আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না, আমি বিশ্বস্ত সূত্র বলতে বুঝাচ্ছি সংবাদপত্র ও টিভি মাধ্যম বা কোন রাজনৈতিক ব্যক্তির সূত্র। এই ক্ষেত্রে খুব সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। সংবাদপত্র বলতে প্রথম আলো,যুগান্তর,নয়া দিগন্ত,আমাদের সময়, ইনকিলাব,ইত্বেফাক, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ অবজারভার সহ আরও এমন কয়েকটি সংবাদপত্রকে সূত্র হিসাবে নিতে পারি,তার বাহিরে নামে-বেনামে যে বিভিন্ন সংবাদপত্রের সূত্রে সংবাদ প্রকাশিত হয় ফেসবুকে,দয়া করে এপব সূত্রের সংবাদ শেয়ার করা থেকে আমরা বিরত থাকব। আর টিভি মাধ্যম বলতে যে বড় বড় টিভি চ্যানেল গুলো আছে ওই গুলার কথা বলছি,অনেক সময় দেখা যায় এই টিভি গুলোর নামে ভুয়া পেজ খুলে সংবাদ প্রচার করা হয়,তাই টিভি মিডিয়ার নাম দিয়ে যে সংবাদ গুলো ফেসবুকে আসে,ওই গুলো শেয়ার না করাই ভালো। ১. প্রথমত থাকে পারিবারিক জিনিস, যেসব পারিবারিক জিনিস অন্যের কাছে প্রকাশ করলে আমাদের সমস্যা হবে মনে হয়, ওই সব জিনিস আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না। বিশেষ করে ছবি, আমাদের স্ত্রী,ছোট বোন,ভাবিসহ অল্প বয়সী আত্মীয়দের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করার সময় একটু বিবেচনা করে শেয়ার করব।২. রাজনৈতিক বিষয়:ফেসবুকে মোটামুটি সব রাজনৈতিক মতাদর্শের লোক আছেন, কাজেই রাজনৈতিক এমন কোন মতামত বা মতাদর্শ আমরা শেয়ার করব না যাতে ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক লোকেরা মনে আঘাত পায় বা কোন হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও আমরা সভাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখার চেষ্টা করব। ৩. ধর্মীয় বিষয়: বলা যায় এটা সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়, আমরা ধর্মটা যেভাবে লালন করি আর অন্য কোন বিষয় ওইভাবে মনে হয় লালন করি না,কাজেই ধর্মীয় অনুভূতি আমাদেরকে যতটা আহত করে বা আনন্দ দেয় আর অন্য কোন অনুভূতি আমাদেরকে ততটা আহত করে না বা আনন্দ দেয় না। কাজেই ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিষয় গুলো আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না। বিশেষ করে কেউ ধর্ম পরিবর্তন করেছে, বা অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করেছে, এসব সংবাদ ও ফেসবুকে ছড়িয়ে না দেওয়াই ভালো, কাজেই ক্ষেত্রে শোক সংবাদ শেয়ার না করাই ভালো। ৪:গুজব: ফেসবুকে কোন জিনিস শেয়ার করার সময় লক্ষ রাখবো যেন কোন গুজব না হয়। সাম্প্রতিক সময়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানোর কারণে অনেককে প্রাণ পর্যন্ত দিতে হয়েছে। কাছেই যাচাই-বাছাই না করে,আমাদের কাছে কোন খবর আসলেই আমরা তা শেয়ার করব না। ৫: মৃত্যু সংবাদ: বিশেষ করে মৃত্যুর সংবাদ খুব সতর্কতার সাথে শেয়ার করতে হবে, কারণ কিছুদিন আগে আমাদের নায়ক রাজ্জাক মারা গেছেন, উনি মৃত্যুর আগে কয়েকবার সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল যে উনি মারা গেছেন,তারপর আরেক সাংবাদিক উনার নাম মনে নেই উনার ব্যাপারে ভালো ভালো পত্রিকায় আসছিল যে উনি মারা গেছেন, পরে জানা গেছে যে উনি মারা যাননি। তাই বাংলাদেশের আলোচিত ব্যক্তিবর্গের মৃত্যু সংবাদ এর ক্ষেত্রে অপেক্ষা করে খুব বিশ্বস্ত সূত্র ছাড়া আমরা শেয়ার করতে যাব না। সবাইকে ধন্যবাদ।