29/11/2024
একটি নিখোঁজ সংবাদ :
বাসার মাস্টার
মাধাইয়া বাজার ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, গ্রাম বাঙ্গুরি, উপজেলা দেবিদ্বার, জেলা কুমিল্লা। কয়েকদিন হল ব্রেনস্ট্রোক কারার কারণে তাঁর স্মৃতিশক্তি কম । তাই কখন কি করে ও কোথায় যায় অনেকসময় খেয়াল রাখতে পারেনা।
আজ সকালে বাড়ি থেকে বের হাওয়ার পর তাঁকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা,
যদি কেউ তাকে দেখে বা পেয়ে থাকেন দয়া করে নিচের মোবাইল নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করবেন।
01601295554
01994154510
01/08/2021
সিদ্দিকুর রহমান স্যার আমাদের মাঝে আর ফিরে আসবেন না।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
12/11/2020
মাধাইয়া বাজার ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয় (স্থাপিত: 1943) আপনার/আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, পার্শ্বের জমি দখল করে দোকান/বাড়ি নির্মাণ চলছে। দীর্ঘদিন ধরেই জবরদখল চলছে ! চলছে লুটপাটের ব্যবস্থাপনা। JSC/SSC ফলাফলেও বিপর্যস্ত । চলছে নীতিমালার পরিপন্থী পাঠদান কার্যক্রম! দুঃখজনক হলেও সত্য যে অভিভাবকগণ মূর্খ/পঞ্চম শ্রেণি পাশ ব্যক্তিদের শাসক নির্বাচন করছে! তাই সচেতন হই এবং বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষার্থে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সহযোগিতা কামনা করছি ।
23/10/2019
A/C Title: Madhaiya Bazar Sadim High School.
A/C no: 1083619000052
Bank Asia ltd
Cumilla Br, Cumilla.
Head office Routing no: 070270602
Mob: 01305928067
Bangladesh.
19/08/2019
শিক্ষামূলক পোস্ট: ফেসবুকে আমরা কি শেয়ার করব? এই পেজের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পেজে অনেক সিনিয়র সদস্য আছেন, দয়াকরে শিক্ষামূলক পোস্ট টা অন্য ভাবে কেউ নিবেন না। আমরা মোটামুটি সবাই ফেসবুক চালাই। ফেসবুকে সবাই কম বেশি,কিছু না কিছু শেয়ার করি।আসুন আমরা ফেসবুকে কি কি জিনিস শেয়ার করব কি কি জিনিস শেয়ার করব না এ সম্পর্কে একটু আলোচনা করি। সূত্র:ফেসবুকে কোন জিনিস শেয়ার করার সময় যে জিনিসটা আমরা লক্ষ্য রাখব সেটা হল সূত্র, বিশ্বস্ত কোন সূত্র না হলে ওই সংবাদ আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না, আমি বিশ্বস্ত সূত্র বলতে বুঝাচ্ছি সংবাদপত্র ও টিভি মাধ্যম বা কোন রাজনৈতিক ব্যক্তির সূত্র। এই ক্ষেত্রে খুব সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। সংবাদপত্র বলতে প্রথম আলো,যুগান্তর,নয়া দিগন্ত,আমাদের সময়, ইনকিলাব,ইত্বেফাক, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ অবজারভার সহ আরও এমন কয়েকটি সংবাদপত্রকে সূত্র হিসাবে নিতে পারি,তার বাহিরে নামে-বেনামে যে বিভিন্ন সংবাদপত্রের সূত্রে সংবাদ প্রকাশিত হয় ফেসবুকে,দয়া করে এপব সূত্রের সংবাদ শেয়ার করা থেকে আমরা বিরত থাকব। আর টিভি মাধ্যম বলতে যে বড় বড় টিভি চ্যানেল গুলো আছে ওই গুলার কথা বলছি,অনেক সময় দেখা যায় এই টিভি গুলোর নামে ভুয়া পেজ খুলে সংবাদ প্রচার করা হয়,তাই টিভি মিডিয়ার নাম দিয়ে যে সংবাদ গুলো ফেসবুকে আসে,ওই গুলো শেয়ার না করাই ভালো। ১. প্রথমত থাকে পারিবারিক জিনিস, যেসব পারিবারিক জিনিস অন্যের কাছে প্রকাশ করলে আমাদের সমস্যা হবে মনে হয়, ওই সব জিনিস আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না। বিশেষ করে ছবি, আমাদের স্ত্রী,ছোট বোন,ভাবিসহ অল্প বয়সী আত্মীয়দের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করার সময় একটু বিবেচনা করে শেয়ার করব।২. রাজনৈতিক বিষয়:ফেসবুকে মোটামুটি সব রাজনৈতিক মতাদর্শের লোক আছেন, কাজেই রাজনৈতিক এমন কোন মতামত বা মতাদর্শ আমরা শেয়ার করব না যাতে ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক লোকেরা মনে আঘাত পায় বা কোন হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও আমরা সভাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখার চেষ্টা করব। ৩. ধর্মীয় বিষয়: বলা যায় এটা সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়, আমরা ধর্মটা যেভাবে লালন করি আর অন্য কোন বিষয় ওইভাবে মনে হয় লালন করি না,কাজেই ধর্মীয় অনুভূতি আমাদেরকে যতটা আহত করে বা আনন্দ দেয় আর অন্য কোন অনুভূতি আমাদেরকে ততটা আহত করে না বা আনন্দ দেয় না। কাজেই ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিষয় গুলো আমরা ফেসবুকে শেয়ার করবো না। বিশেষ করে কেউ ধর্ম পরিবর্তন করেছে, বা অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করেছে, এসব সংবাদ ও ফেসবুকে ছড়িয়ে না দেওয়াই ভালো, কাজেই ক্ষেত্রে শোক সংবাদ শেয়ার না করাই ভালো। ৪:গুজব: ফেসবুকে কোন জিনিস শেয়ার করার সময় লক্ষ রাখবো যেন কোন গুজব না হয়। সাম্প্রতিক সময়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানোর কারণে অনেককে প্রাণ পর্যন্ত দিতে হয়েছে। কাছেই যাচাই-বাছাই না করে,আমাদের কাছে কোন খবর আসলেই আমরা তা শেয়ার করব না। ৫: মৃত্যু সংবাদ: বিশেষ করে মৃত্যুর সংবাদ খুব সতর্কতার সাথে শেয়ার করতে হবে, কারণ কিছুদিন আগে আমাদের নায়ক রাজ্জাক মারা গেছেন, উনি মৃত্যুর আগে কয়েকবার সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল যে উনি মারা গেছেন,তারপর আরেক সাংবাদিক উনার নাম মনে নেই উনার ব্যাপারে ভালো ভালো পত্রিকায় আসছিল যে উনি মারা গেছেন, পরে জানা গেছে যে উনি মারা যাননি। তাই বাংলাদেশের আলোচিত ব্যক্তিবর্গের মৃত্যু সংবাদ এর ক্ষেত্রে অপেক্ষা করে খুব বিশ্বস্ত সূত্র ছাড়া আমরা শেয়ার করতে যাব না। সবাইকে ধন্যবাদ।
29/11/2018
অভিনন্দন 1350 জন Active Liker @ "Madhaia Bazar Sadim High school" page
01/10/2018
আবিদ মাহমুদ এর পোস্ট থেকে
---------------------=====------------
পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন
" মাধাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়" অত্র প্রতিষ্ঠানটি কতোটুকু স্বনামধন্য সেই সম্পর্কে আমরা কম বেশি সবাই কিছুনা কিছু অবগত আছি।
উল্লেখ্য যে বর্তমান পেক্ষাপটে যেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর তুলনায় নিয়মিত ভালো রেজাল্ট করার প্রত্যয় নিয়ে লড়ে যাচ্ছে,
সেখানে অত্র বিদ্যালয় পরে আসে স্কুলকমিটির সদস্য পদের লড়াই নিয়ে
যা বর্তমান পরিস্থিতিতে এসে আমাদের কাছে খুবই দুঃখ জনক বলেই মনে হয়।
প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং উন্নয়ন করার জন্য স্কুলকমিটির প্রয়োজন রয়েছে,
কিন্তু আমরা যদি আসল উদ্দেশ্য থেকে সরে এসে নিজের আর্থিক উদ্দেশ্য হাসিল করি তাহলে সব কিছু বেহেশতে যাবে যা আমাদের আসল উদ্দেশ্যে কে শিথিল করে ফেলবে
আমরা যেই ভাবে মৌমাছি মতো প্রতিষ্ঠানটিকে
গিলে খাবার চেষ্টা করছি তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর
আমি এই পোস্ট টির মাধ্যমে ঐসব লোকদের উদ্দেশ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানটির ব্যপারে কয়েকটি হৃদয় মর্মস্পর্শীয় ইতিহাস সরণ করিয়ে দিতে চাই,,,,
যারা আজ ভুলে গেছে এই প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্নের কথা।
যারা ভুলে গেছে এই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে আমাদের পূর্বপুরুষদের অক্লান্ত শ্রম,ত্যাগ আর ঘামের কথা।
সরণ করিয়ে দিতে চাই তাঁদের, যাদের নাকে ঐসব মানুষীদের রক্ত আর ঘামের গন্ধ এখনো পৌঁছায়নি।
সেই লোকদের কানের কাছে গিয়ে চিৎকার দিয়ে বলতে চাই, মহান ব্যক্তিদের হাতে গড়া এই প্রতিষ্ঠান কারো ব্যবসায়ীক কর্মযজ্ঞের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটি করলে এমন কিছু নিস্বার্থবান মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়, যারা এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনার স্বার্থে নিজেদের সম্প্রতি দান করেছেন, কাঁধে ধানের বস্তা নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়িয়েছেন,এক মুঠো ধানের আশায়,,,,,,
আজকে আমরা তাঁদের কয়জন কেই বা মনে রাখতে পেরেছি?
কিংবা, আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি???
সমাজের উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য তাঁদের রেখে যাওয়া সম্পদ গুলোকে আমরা কি ভাবে ব্যাবহার করছি???
আমরা সাধারণ মানুষ চাই যোগ্য ব্যক্তিরা আগামী 11তারিখ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে স্কুল এর উন্নয়ন মূলক কাজে অংশগ্রহণ করবে যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মডেল হয়ে থাকবে এবং আমাদের আসল উদ্দেশ্য সাধিত হবে
বি:দ্র: আমার পোস্ট ধারা কেউ যদি ব্যাক্তিগত ভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।
26/09/2018
মাধাইয়া বাজার ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আসন্ন।
অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে " অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করা শিক্ষকদের পরিচালক হবেন নাম দস্তখত না জানা ব্যক্তি।
কি বিদ্যা অর্জন করবে আপনার আদরের সন্তান?
শুধুমাত্র পুকুর, মাছ, মাঠ, আর টেবিল ব্যাঞ্চ তৈরির কাজ ছাড়া এদের কি করার ক্ষমতা আছে ?
আসুন আমরা এদের মধ্যে শুধুমাত্র শিক্ষিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনের জন্য ভোট দেই।
17/09/2018
মাধাইয়া বাজার ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের হামলা, ভাংচুর; শিক্ষক লাঞ্ছিত (সংবাদপত্র থেকে)
-----------------------------"""------------------
মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাসের বান্ধবীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ায় বহিরাগতদের হাতে মার খেতে হলো এক ছাত্রকে। বহিরাগতরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক কক্ষে ঢুকে মালামাল ভাংচুর করে। এসময় দুই শিক্ষক ও এক ছাত্রকে লাঞ্ছিত করে।
রবিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় উপজেলার মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম (১৬) চান্দিনার মাধাইয়া ইউনিয়নের আলিরটেক গ্রামের আবুল হোসেন এর ছেলে। সে মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মাসুদুজ্জামান জানান, সকাল ৯টায় শিক্ষার্থী আরিফ কোচিং ক্লাসে আসার সময় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বহিরাগত ৮-১০ যুবক তাকে এলোপাথারি মারধর করছিল। আমি তখন কোচিং এর ক্লাসে ছিলাম। তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি আমি জানতে পেরে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ছিদ্দিকুর রহমানকে সাথে নিয়ে আমরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে আমাদের ছাত্রকে উদ্ধার করে শিক্ষক কক্ষে নিয়ে আসি। কিছুক্ষণ পর বহিরাগতরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে শিক্ষক কক্ষে ঢুকে আরিফকে আবারও মারধর শুরু করে। এসময় আমরা বাঁধা দিলে আমাদেরও লাঞ্ছিত করে বহিরাগতরা। এসময় তারা আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটারসহ মালামাল ভাংচুর করে চলে যায়।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ছিদ্দিকুর রহমান জানান, আমরা ছেলেটিকে উদ্ধার করে শিক্ষক রুমে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে ওই দরজার সামনে আমরা দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু বহিরাগত বখাটেরা আমাদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দরজায় লাথি মেরে শিক্ষক কক্ষে প্রবেশ করে দ্বিতীয় বারের মত হামলা চালায়। এসময় আমরা আমাদের সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীকে বাঁচাতে গেলে সেখানে আমাদেরও লাঞ্ছিত করে তারা।
শিক্ষক ছিদ্দিকুর রহমান আরও জানান, পরবর্তীতে জানতে পাই একই শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে কোন একটি বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয় ছাত্র আরিফুল ইসলামের। এ ঘটনায় ছাত্রীর ভাই মাধাইয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কলেজ এর ছাত্র রুহুল আমিন দল-বল নিয়ে এ হামলা চালায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, আমি বিদ্যালয়ে আসার পর এ খবর শুনে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি আলাউদ্দিন আল আজাদ মমতাজ ও থানার অফিসার ইন-চার্জকে বিষয়টি জানাই। খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে রবিবারের জন্য বিদ্যালয় ছুটি ঘোষনা করেছি। সোমবার আমরা বিদ্যালয়ের জরুরী মিটিং আহবান করেছি। মিটিংয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শামছুল ইসলাম জানান, মূলত ছাত্র-ছাত্রীর প্রেম ঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সোমবার সভা আহবান করে এর সুষ্ঠু সমাধান করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।