05/12/2019
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত সরকারি/বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০২০ সনের ছুটির তালিকা
It is one of the Old & Big College in Comilla District.
............লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য............
• শতভাগ সাফল্য অর্জন
• মেধাবীদের A+ নিশ্চিতকরন
• ক্রীড়া ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে সৃজনশীলতার বিকাশ
• এস.এস.সি'র তুলনায় এইচ.এস.সি তে জিপিএ বৃদ্ধি
• নৈতিকতা ও মুল্যবোধসম্পন্ন আলোকিত মানুষ তৈরি
• শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতার যথাযথ
05/12/2019
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত সরকারি/বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০২০ সনের ছুটির তালিকা
25/07/2018
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ইচ্ছুদের জন্য....
19/07/2018
২০১৮ সনের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকলকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। যারা কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন করতে পারোনি তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
19/07/2018
বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য রইল প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন...........
BUSINESS STUDIES: PASSED=84; NOT PASSED=7;
HUMANITIES: PASSED=89; NOT PASSED=126;
SCIENCE: PASSED=66; GPA5=1
08/07/2018
09/06/2018
#দুনিয়া_কাঁপানো_৮_জন_হার্ভার্ড_ড্রপআউটের_গল্প
ভার্সিটিতে ড্রপ আউট হলে আমরা মনে করি সে মেধাবী নয় কিংবা নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হল টপ ১০০ বিলিয়নিয়ারের অনেকেই ইউনিভার্সিটির ড্রপ আউট কিংবা ভার্সিটির গন্ডীতে পা পর্যন্ত দেয়নি। আজ আমরা পৃথিবীর সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কিছু ড্রপ আউটদের সম্পর্কে জানবো যারা তাদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পেতে হার্ভাডের পড়াশোনা শেষ হবার আগেই তা ছেড়ে দেন। অবশ্য তাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের সফলতার দরুন এত বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন যে, হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ তাদের ডেকে এনে সম্মানসূচক স্নাতক/ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে।
#বিল_গেটস
হার্ভার্ডের ড্রপ আউটদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ব্যক্তি যে বিল গেটস এতে কোন সন্দেহ নাই। কারন তিনিই বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি। তিনি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টেমের জনক। বিভিন্ন সেবামূলক কাজে এখন পর্যন্ত ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন। ২০০৭ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বিল গেটসকে সম্মানসূচক স্নাতক ডিগ্রী প্রধান করে।
মোট সম্পত্তির পরিমাণঃ 89.2 Billion USD
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৯৭৫-১৯৭৭
#মার্ক_জাকারবার্গ
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করে আলোচনায় আসেন হার্ভার্ডের ড্রপ আউট এই Youngest Billionaire। জাকারবার্গ এখন পৃথিবীর পঞ্চম সেরা ধনী। জাকারবার্গ তার প্রতিষ্ঠিত Chan Zuckerberg Initiative ফাউন্ডেশনে ফেসবুকের ৯৯% শেয়ার দান করেন, যা শিক্ষা ও সাস্ব্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করছে। ২০১৭ সালে হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ তাকেও সম্মানসূচক স্নাতক ডিগ্রী প্রদান করে।
মোট সম্পত্তির পরিমাণঃ 71.5 Billion USD
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ২০০২-২০০৪
#ম্যাট_ডেমন
বিখ্যাত মার্কিন অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার ম্যাট ডেমন হার্ভার্ডে শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় তার প্রথম মুভি জেরোনিমোঃ অ্যান আমেরিকান লিজেন্ড এ অভিনয় শুরু করেন এবং ঐ বছই হার্ভার্ড ছেড়ে দেন। এরপর অভিনয় জগতে পুরোপুরি মনোনিবেশ করে খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি অস্কারসহ প্রায় ২৭টি পুরষ্কার পেয়েছেন এবং সর্বকালের সেরা ২৫ জন অভিনেতার তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। ‘গুড উইল হান্টিং’ সিনেমাটির জন্য তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ২০১৩ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ তাকে ‘হার্ভার্ড আর্টস’ মেডেল পুরষ্কারে ভূষিত করে।
মোট সম্পত্তির পরিমাণঃ 160 million USD
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৯৮৮-১৯৯২
#ডাস্টিন_মোসকোভিতজ
ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের বন্ধু ডাস্টিন মোসকোভিতজ। তারা একই সাথে হার্ভার্ড ত্যাগ করেন। ফেসবুকে তার 2.34% শেয়ার রয়েছে এবং উক্ত শেয়ারের উপর ভিত্তি করে তিনি ২০১২ সালে ২৮ বছরেই বিলিয়নিয়ার হয়ে যান। উল্লেখ্য যে , ২০০৮ সালে তিনি ফেসবুক কোম্পানী হতে পদত্যাগ করেন। ঐবছরই তিনি ASANA নামে একটি ওয়েব ও মোবাইল এপ্লিকেশন কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন। ডাস্টিন Good Ventures নামে একটি চ্যারিটি ফাউন্ডেশনেরও প্রতিষ্ঠাতা ।
মোট সম্পত্তির পরিমাণঃ 13.7 Billion USD
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ২০০২-২০০৪
#এডুইন_হার্বাট_ল্যান্ড
মার্কিন বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক ডক্টর এডুইন এইচ. ল্যান্ড পোলারয়েড ক্যামেরা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। ১৯২৭ সালে তিনি হার্ভার্ডে অধ্যয়নরত (রসায়ন বিভাগে) অবস্থায় পোলারয়েড ক্যামেরা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা কার্যে সুবিধার্থে তাকে হার্ভার্ড ত্যাগ করে নিউইয়র্কে চলে যেতে হয়। পরে তিনি পোলারয়েড কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি Presidential Medal of Freedom (বিরল সম্মননা) পুরষ্কারসহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন। এছাড়াও ১৯৫৭ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে।
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৯২৭-১৯২৮
#জেমস_ব্লেক
জেমস ব্লেক নামে বিখ্যাত দুইজন ব্যক্তিত্ব আছেন। একজন মিউজিসিয়ান আর একজন টেনিস খেলোয়াড়। আর হার্ভার্ডের ড্রপ আউট হলেন টেনিস খেলোয়াড় জেমস ব্লেক। তিনি হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালে A.D Club এর সদস্য ছিলেন এবং তখনই টেনিস খেলায় চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন। দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করার পর তিনি হার্ভার্ড ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি টেনিস খেলায় মনোনিবেশ করেন। ব্লেক 2006 Tennis Masters Cup এ ফাইনালে এবং বেইজিং অলিম্পিকে সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত খেলে আলোচিত হন। ক্যারিয়ারে তার সর্বোচ্চ র্যাংকিং ছিল ৪ । তার আত্মজীবনী Breaking Back: How I Lost Everything and Won Back My life নিউইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার লিস্টে স্থান পেয়েছিলো। এছাড়াও তিনি The James Blake Foundation নামে একটি চ্যারিটি ফাউন্ডেশন খুলেন। এটি ক্যান্সার গবেষণায় এবং অন্যান্য গবেষণা কার্যে অনেক অনুদান দিয়ে থাকে।
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৯৯৯-২০০১
#গেব_নিউওয়েল
এই কম্পিউটার প্রোগ্রামার হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালীন সময়ে মাইক্রোসফট কোম্পানীতে যোগ দেন। সেখানে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রোডিউসার হিসেবে টানা ১৩ বছর কাজ করেন। গেব নিউওয়েল ভিডিও গেম তৈরির জন্য বিখ্যাত। এরপর মাইক্রোসফট ছেড়ে Valve Corporation প্রতিষ্ঠা করেন।
মোট সম্পত্তির পরিমাণঃ 5.5 Billion USD
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৯৮০-১৯৮৩
#উইলিয়াম_রান্ডলফ_হেরস্ট
হেরস্ট হলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সংবাদপত্র প্রকাশক। তিনি নিউজপেপার আইকন হিসেবে পরিচিত। তার নির্মিত বাড়ি Hearst Castle (১৪০০ কোটি টাকা মূল্যের)কে যুক্তরাষ্ট্র সরকার National Historic Landmarkহিসেবে ঘোষণা করে। তার উত্তরসুরিরা ( Patty Hearst ) এখনো যুক্তরাষ্ট্রের নামীদামী ব্যক্তিত্ব এবং বিলিয়নিয়ার। হেরস্টের নির্মিত Hearst Communications এর বর্তমান বার্ষিক আয় 10.8 Billion USD এবং এটি এখন হেরস্টের উত্তরসুরিদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। হেরস্ট দুইবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৮৮১ সালে হেরস্ট হার্ভার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন কিন্তু প্রফেসরকে নিয়ে কৌতুক করা, বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিযোগে তিনি হার্ভার্ড হতে বহিষ্কৃত হন।
হার্ভার্ডে অধ্যয়নকালঃ ১৮৮১-১৮৮৫ এর আগেই বহিষ্কৃত
সুতরাং, যে কোন ব্যর্থতা, কিংবা পরাজয়ে ভেঙ্গে না পড়ে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছানোর জন্যে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিজেকে মানবিক গুণসম্পন্ন করে গড়ে তোলতে হবে। প্রতিভাবান, সফল ব্যক্তিদের কর্ম এবং জীবন সম্পর্কে অধ্যয়ন করে নিজকে আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যে কোন কঠিন কাজকে একটা বড় দায়িত্ব বা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে তার মোকাবিলা করতে হবে। নিজের ভিতরের সদ্বগুণাবলীর বিকাশ ঘটাতে হবে। ভালো কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে, এতে মানসিক প্রশান্তি আসবে। সৃষ্টিকর্তা সব মানুষকে সমান সক্ষমতা, সামর্থ্য দিয়ে সৃষ্টি করেননি। তাই নিজেকে ১০০০ ওয়াটের বাতির মতো আলোকিত না করতে পারলেও অন্তত ২ওয়াটের ডিম লাইটের ন্যায় গড়ে তুলুন। এতে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঝেও সবার ফোকাস আপনার প্রতি থাকবে।
19/01/2018
Khairuzzaman Chowdhury
প্রশ্ন: পরীক্ষায় নকল করার হুকুম (বিধান) কী?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর; আর সালাম (শান্তি) বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সঙ্গী-সাথীর উপর।
পরীক্ষায় নকল করাটা এক ধরনের প্রতারণা; আর প্রতারণার বিষয়টি সুস্পষ্ট এবং তার বিধানও স্পষ্ট; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“যে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” – (তিরমিযী, হাদিস নং- ১৩১৫); অতঃপর পরীক্ষায় নকল (প্রতারণা) করা অত্যন্ত বিপজ্জনক বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত; কারণ, তার ক্ষতির দিকটি সম্পদের ক্ষতি বা ঝুঁকির মত নয়, যার কারণে হাদিস বর্ণিত হয়েছে; বরং তার ভয়াবহতা আরও প্রকট, কেননা
-তা হচ্ছে গোটা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা; কারণ, যে ছাত্র নকল করে পাশ করেছে, তার মানে হল: সে যে সার্টিফিকেট (সনদ) অর্জন করেছে, তার মান অনুযায়ী সে একটি বড় ধরণের বলয় তৈরি করবে, অথচ বাস্তবে সে তার উপযুক্ত নয়; আর তখন এই বৃত্ত বা বলয়ের মধ্যে তার অবস্থান এমন হবে, যেই অবস্থানটি এই সার্টিফিকেট অর্জন করা ব্যতীত কোনো ব্যক্তির পক্ষে দখল করা সম্ভব নয়, ফলে সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হল;
-এই নকল প্রবণতার আরও একটি ক্ষতিকর দিক আছে, আর তা হল শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে; কারণ, যখন জাতির শিক্ষিত সমাজ পরীক্ষায় নকল বা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে পাশ করে বের হয়ে আসবে, তখন তাদের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অবস্থান হবে নড়বড়ে, শিক্ষা বিমুখ;
-অতঃপর (শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে) অন্যের উপর তাদের অবস্থান হবে রিক্তহস্ত; কারণ, এটা জানা কথা যে, যে ব্যক্তি পরীক্ষায় নকল করে পাশ করে, তার পক্ষে শিক্ষা দানের সময় ছাত্রদের প্রশ্নের জবাব দেয়া সম্ভব হয়ে উঠে না;
সুতরাং রাষ্ট্রের সাথে এই ধরনের প্রতারণা করা থেকে বিরত থাক, যা তুমি নিজেও কখনও পছন্দ করবে না; অতএব পরিদর্শক, পর্যবেক্ষক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে এই নকল প্রবণতা প্রতিরোধে নিরন্তর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে; কারণ, কোনো একজন যদি প্রতারণা করে, তবে সেই প্রতারক রাষ্ট্র বা সরকারের লক্ষ্যমাত্রা বিনষ্ট করবে এবং তার (রাষ্ট্রের) সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে; অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
“হে ঈমানদারগণ! জেনে-বুঝে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের খেয়ানত করো না এবং তোমাদের পরস্পরের আমানতেরও খেয়ানত করো না; আর জেনে রাখ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো এক পরীক্ষা। আর নিশ্চয় আল্লাহ, তাঁরই কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার। – (সূরা আল-আনাফাল: ২৭ ও ২৮)।
আর এই ব্যাপারে কোন এক বিষয় থেকে অপর কোন বিষয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই; সুতরাং উদাহরণস্বরূপ তাফসীর বিষয় ও ইংরেজি ভাষা বিষয়ে আমাদের নকল করার মধ্যে বিধানগত কোন পার্থক্য নেই; কারণ, এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ছাত্রের অগ্রগতি হওয়ার বিষয়টি বিন্যস্ত হয় সকল বিষয়ের উপর এবং তার উপরই নির্ভর করে ছাত্রকে সার্টিফিকেটের মত প্রমাণপত্র দেয়ার বিষয়টি; সুতরাং সবই প্রতারণা, আর সবই হারাম।
আর আমি যুবকদেরকে তাদের এই পর্যায়ের অধঃপতন হওয়ার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং তাদেরকে আহ্বান করছি, তারা যাতে যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে মর্যাদা লাভের ব্যাপারে প্রচণ্ড আগ্রহী হয়; ফলে এটা তাদের দীন ও দুনিয়ার ক্ষেত্রে তাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে।
শাইখ ইবনু ‘উসাইমীন
ফতোয়া ইসলামীয়া ( ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺇﺳﻼﻣﻴﺔ ): ৪ / ৩৩১
23/07/2017
এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন!
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্যে শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশন, নতুন আবেদন, যারা কোন প্রতিষ্ঠানে Selection পায়নি তাদের আবেদন পরিবর্তন (কলেজ সংযোজন/ বিয়োজন), ভর্তি নিশ্চায়ন বাতিলকৃতদের আবেদন এবং যারা ভর্তি নিশ্চায়ন করেনি- তাদের অনলাইনে আবেদন আগামী ১৭ জুন, ২০১৭ দুপুর ২ ঘটিকা থেকে ১৮ জুন, ২০১৭ রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।
ধন্যবাদ
টুকরো একটা ছোট্ট কাহিনী কিন্তু বিস্ময়কর, অনবদ্য একটা শিক্ষা রয়েছে:
আমেরিকার বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার থমাস আলভা এডিসনের কথা তো আমরা সকলেই জানি ।
যিনি ফোনোগ্রাফ থেকে মোশন পিকচার্স ক্যামেরা, ইলেকট্রিক লাইট বাল্ব ও বিদ্যুতের অত্যাধুনিক বহু প্রযুক্তির আবিস্কারক ।
সেই থমাস যখন ছোটবেলায় ইস্কুলে পড়ছে, তখন একদিন তার ইস্কুল টিচার তাকে একটি চিঠি দিয়ে বললেন "এই চিঠিটা তুমি তোমার মা কে গিয়ে দেবে, মা ছাড়া আর কাউকে দেবে না, আর তুমিও পড়বে না " ।
সেই কথামতো থমাস চিঠিটি নিয়ে এসে তার মায়ের হাতে দেয় । মা চিঠির কাগজটা খুলে জোরে জোরে চিঠিটা পড়তে থাকেন । মা তাকে পড়ে শোনান, চিঠিতে লেখা আছে "আপনার ছেলে খুব বিদ্যান, মেধাবী ও বুদ্ধিমান । ওকে ভালভাবে পড়ানোর কোনো শিক্ষক অথবা পরিকাঠামো আমাদের ইস্কুলে নেই । তাই আপনি ওকে অন্য কোনো ভালো ইস্কুলে ভর্তি করুন, অথবা আপনি নিজেই ওকে পড়ান " । চিঠি পড়া শেষ হলে থমাস দেখে মায়ের চোখে জল ।
এরপর বহু বছর কেটে গেছে । থমাস এখন বড়ো । শুধু বয়সে বড়োই নয়, প্রকৃত অর্থেই বড় । সে এখন স্যার থমাস আলভা এডিসন, পৃথিবী বিখ্যাত এক বিজ্ঞানী । সমাজ ও মানুষের জন্য তাঁর কত আবিস্কার । তাঁর ইনভেনশানের থিওরি স্কুল-কলেজে পড়ানো হয় । সেই থমাস একদিন তাঁর মায়ের ঘরে কাজ করতে করতে হঠাৎ খুঁজে পেলেন একটুকরো ভাঁজ করা কাগজ । চকিতেই মনে পড়ে তাঁর ছোটবেলার কথা l থমাস বুঝতে পারেন এটা তাঁর ছোটবেলার ইস্কুল থেকে টিচারের দেওয়া সেই চিঠিখানা । থমাস আস্তে আস্তে চিঠিটা পড়তে থাকেন । তাঁর চোখে তখন ঝরঝর করে জল পড়ছে ।
চিঠিতে লেখা ছিল " আপনার ছেলে স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন ও বোকা । ওর দ্বারা কোনো শিক্ষা, কোনো উন্নতি করা কোনোদিনই সম্ভব নয় । তাই ওকে আর ইস্কুলে পাঠাবেন না "
বিজ্ঞানী থমাস প্রতিদিন ডাইরী লিখতেন । তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ডাইরী পড়ে দেখা যায়, একটি পাতায় লিখে গেছেন --- " প্রত্যেক স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন ও বোকা ছেলের একটি মা থাকে, যে তাকে স্নেহ-মায়া-মমতা দিয়ে গড়ে, বিজ্ঞানী অথবা মানুষ করে তোলে..."
#খায়রুজ্জামান_চৌধুরী_মামুন