Geo & History Facts

Geo & History Facts Here you will find interesting facts about geography and history.

প্রায় ৬২২ মিটার গভীর বা ২০০ তলা বিল্ডিং এর সমান জিয়াওজাই তিয়ানকেং, যা "স্বর্গীয় গহ্বর" নামে পরিচিত, চীনের ফেংজিয়ে কা...
25/07/2026

প্রায় ৬২২ মিটার গভীর বা ২০০ তলা বিল্ডিং এর সমান জিয়াওজাই তিয়ানকেং, যা "স্বর্গীয় গহ্বর" নামে পরিচিত, চীনের ফেংজিয়ে কাউন্টিতে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম গভীরতম প্রাকৃতিক সিংকহোল, যার গভীরতা প্রায় ৬৬২ মিটার। ভূগর্ভস্থ নদীর দীর্ঘকালীন ক্ষয়ের ফলে চুনাপাথরের গুহা ধসে পড়ে এই বিশাল কার্স্ট গর্তটি সৃষ্টি হয়েছে, এবং এর ভেতরে গড়ে উঠেছে একটি অনন্য বাস্তুতন্ত্র, যা একে পর্যটক ও গবেষকদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

24/07/2026

ইণ্ডিয়া ওসমান হাদিকে খু*ন করিয়েছে। অথচ ওসমান হাদির আদর্শ দিল্লিতে পৌছে গেছে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ শ্লোগানে উত্তল দিল্লি। শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না।

এক শাউয়ার নাতি স্ট্যাটাস দিসে আর প্রচুর শাউয়ার নিতে এইটাকে শেয়ার দিতেসে।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ একটা উর্দু শ্লোগান।

এর জনপ্রিয়তা বা প্রসার ঘটে অখণ্ড ভারতের বামপন্থীদের মাধ্যমে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, আজাদি এসব মুলত ভারতীয় শ্লোগান এবং সেই বৃটিশ আমল থেকে চলসে।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ ভারতে পৌছে যাওয়ার কিছু নাই। এইটা সেখানেই ছিলো।।
লেখাঃ Ekjon Ghunepuka

নকশী কাঁথার মাঠ কৃষক এর অনন্য শিল্প 🌿🇧🇩© Mahat Hasan
24/07/2026

নকশী কাঁথার মাঠ কৃষক এর অনন্য শিল্প 🌿🇧🇩
© Mahat Hasan

নৈসর্গিক সুনামগঞ্জ। ছবিঃ Din Mohammad Sadik
24/07/2026

নৈসর্গিক সুনামগঞ্জ।
ছবিঃ Din Mohammad Sadik

ভারতে চলমান আন্দোলনে কতজন গুলিবিদ্ধ হইছে; কতজন মারা গেছে? কতজন গুম হয়েছে? প্রায় শূন্য। কিছু লাঠিপেটা হয়েছে; গ্রেফতার হয়ে...
23/07/2026

ভারতে চলমান আন্দোলনে কতজন গুলিবিদ্ধ হইছে; কতজন মারা গেছে? কতজন গুম হয়েছে? প্রায় শূন্য।

কিছু লাঠিপেটা হয়েছে; গ্রেফতার হয়েছে। তাতেই ক্রিকেট বিশ্বের মহাতারকা Sachin Tendulkar ছাত্রদের ন্যায্য দাীর সাথে এক কথায় সংহতি জানিয়েছেন।

একেই বলে লিজেন্ড।

অপরদিকে আমাদের দেশে প্রায় লাখো তরুন গুলিবিদ্ধ হইছে। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হইছে।

গ্রেফতারের সংখ্যা আর নাই বলি। সারা বাংলাদেশেকে ওরা কারাগার বানিয়ে ফেলেছিলো।

এতোকিছুর পরও সাকিব; মাশরাফিরা শেষ দিন পর্যন্ত সৈরাচারের পদলেহন করেছে। তামিম ইকবাল তো মাশরাফিদের সাথে গনভবনে গিয়ে সৈরাচারকে টিকিয়ে রাখার জন্য গোপন মিটিং পর্যন্ত করেছে।

সাকিব; মাশরাফি; তামিমরা সিমপ্লি স্বার্থপর খেলোয়াড়। তারা কখনোই লিজেন্ড হতে পারবে না।
লেখাঃ Mahfuzul Hasan

বিষয়টা কি এমন হতে না পারে যে চুপ্পুর এই রাষ্ট্রপতিগিরি হাসিনার ভালো লাগতেছে না। নিজে পালায় আছে দেশে পা রাখতে পারতেছে না ...
23/07/2026

বিষয়টা কি এমন হতে না পারে যে চুপ্পুর এই রাষ্ট্রপতিগিরি হাসিনার ভালো লাগতেছে না। নিজে পালায় আছে দেশে পা রাখতে পারতেছে না কিন্তু চুপ্পু শান্তিতে আছে এজন্য হাসিনা চুপ্পুর সাথে যোগাযোগ করে ইচ্ছে করেই তা ফাঁস করে দিছে চুপ্পুরে চিপায় ফেলার জন্য? হাসিনা যে লেভেলের ফাত্রা মহিলা এ কাজ অসম্ভব না তার জন্য!

রাষ্ট্রপতি তো পদত্যাগ করলেন! এবার যদি রনি স্যারকে......
23/07/2026

রাষ্ট্রপতি তো পদত্যাগ করলেন! এবার যদি রনি স্যারকে......

একজনে বলছিল, জামাতের ব্যাংক আছে, হসপিটাল আছে, কোচিং সেন্টারও আছে; কিন্তু হোটেল-রিসোর্ট নাই - এটাই হচ্ছে মূল সমস্যা।এমপি ...
23/07/2026

একজনে বলছিল, জামাতের ব্যাংক আছে, হসপিটাল আছে, কোচিং সেন্টারও আছে; কিন্তু হোটেল-রিসোর্ট নাই - এটাই হচ্ছে মূল সমস্যা।

এমপি সাহেবের আরও একটা ভিডিও বের হওয়ার পর মনে হচ্ছে, আসলেই সত্য। নিজস্ব হোটেল-রিসোর্ট থাকলে এভাবে বাইরের হোটেলে গিয়ে সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়া লাগতো না।

জামায়াত কর্মীদের উচিত দলে দলে হোটেল-রিসোর্টের ব্যবসায় ইনভেস্ট করা। এইসব ব্যাপারে যত বেশি স্বনির্ভর হওয়া যায়, ততই নিরাপদ। স্যরি।
Mozammel Hossain Toha

23/07/2026

লেখাঃ Ershad Nabil Khan
"ভারতে চলমান ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে আমার দুই নোক্তা"

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগে বাধ্য করা নরেন্দ্র মোদির জন্য কেবল একজন মন্ত্রীর পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়; এটি বিজেপির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব, সাংগঠনিক সংস্কৃতি এবং মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্যেরও একটি পরীক্ষা।

ধর্মেন্দ্র প্রধান মোদি যুগের একজন প্রান্তিক বা সাময়িক মুখ নন। ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি মন্ত্রিসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তারও আগে তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার মতো বিজেপির আদর্শিক ও সাংগঠনিক ভিত্তি থেকে উঠে আসা নেতা। অর্থাৎ তিনি নির্বাচনী সুবিধার কারণে দলে আসা কোনো রাজনৈতিক আমদানিকৃত মুখ নন; বরং দীর্ঘ সাংগঠনিক বিনিয়োগে গড়ে ওঠা ক্যাডার নেতৃত্বের প্রতীক।

সেই সঙ্গে তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারও উল্লেখযোগ্য। ধর্মেন্দ্র'র বাবা দেবেন্দ্র প্রধান অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ফলে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে বিজেপির রাজনৈতিক বিনিয়োগ বহুস্তরীয়।

এই কারণেই তাঁকে অপসারণের প্রশ্নটি কেবল প্রশাসনিক জবাবদিহির বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি দলীয় নেতৃত্বের শক্তি, স্থিতিশীলতা এবং সংকট মোকাবিলার কৌশল সম্পর্কেও একটি বার্তা বহন করবে।

গত এক দশকে বিজেপির অন্যতম বড় রাজনৈতিক সাফল্য কেবল ধারাবাহিক নির্বাচনী বিজয় নয়; বরং একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব প্রতিষ্ঠা করা। দলটি এমন একটি ধারণা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যে, তারা শুধু ক্ষমতাসীন নয়, বরং ক্ষমতার প্রায় অনিবার্য কেন্দ্র। এই ধারণা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জোটের সমীকরণ এবং দলবদলের রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। বহু আঞ্চলিক নেতা ও বিরোধী শিবিরের রাজনীতিকের আচরণে এই মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা গেছে।

রাজনীতিতে ক্ষমতার প্রকৃত ভিত্তি শুধু সাংবিধানিক কর্তৃত্ব নয়; ক্ষমতার প্রতি মানুষের বিশ্বাসও। যতদিন একটি দলকে অপ্রতিরোধ্য বলে মনে হয়, ততদিন সেই ধারণাই তার সবচেয়ে কার্যকর রাজনৈতিক সম্পদে পরিণত হয়। কিন্তু ইতিহাস দেখায়, এই ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আধিপত্য ভাঙতে সবসময় বড় ধরনের নির্বাচনী পরাজয় লাগে না; কখনও কখনও একটি প্রতীকী ঘটনাই সেই পরিবর্তনের সূচনা করে।

সেই প্রেক্ষাপটে, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে ধর্মেন্দ্র প্রধানের মতো একজন প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী নেতাকে জনচাপ বা রাজনৈতিক সংকটের কারণে পদত্যাগ করতে হয়, তাহলে সেটি কেবল একটি মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন হিসেবে দেখা হবে না। বিরোধী রাজনীতির একটি অংশ এটিকে বিজেপির অদম্য ভাবমূর্তিতে প্রথম দৃশ্যমান ফাটল হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করবে। এমন ব্যাখ্যা সঠিক বা ভুল কিনা সেটি ভিন্ন প্রশ্ন, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতায় উপলব্ধিও অনেক সময় বাস্তব শক্তির মতোই কার্যকর হয়ে ওঠে।

তবে সমানভাবে এটিও সত্য যে, শক্তিশালী রাজনৈতিক দলগুলো কখনও কখনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে স্বল্পমেয়াদি ক্ষতি মেনে নেয়।

সুতরাং ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে যে কোনো সিদ্ধান্তের তাৎপর্য নির্ভর করবে শুধু তিনি পদে থাকলেন কি না, তার ওপর নয় বরং সেই সিদ্ধান্তকে ভারতীয় রাজনীতি কিভাবে গ্রহণ করে এবং জনমনে তা কী ধরনের রাজনৈতিক বার্তা বহন করে তার উপরে নির্ভর করছে।

23/07/2026

অভূতপূর্ব ছাত্র-যুব আন্দোলনের জোয়ারে নরেন্দ্র মোদী সরকারের পা কাঁপতে শুরু করেছে। এতদিন পরে প্রধানমন্ত্রী মুখ খুললেন। উনি তো প্রেস মিট করতে পারেন না, ভয় পান। আজ সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন।

কিন্তু জল এখন বহুদূর গড়িয়ে গিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের উপর হওয়া ভয়াবহ নির্যাতনের বিচার চাইছেন৷ এই আন্দোলন আর কেবল প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সীমাবদ্ধ নেই, পরিণত হয়েছে মোদী সরকার বিরোধী গণআন্দোলনে।
লেখাঃ Arka Bhaduri

Address

Comilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Geo & History Facts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category