22/01/2026
উপহার যখন আশীর্বাদ: ভালোবাসা, আস্থা ও পেশাগত দায়বদ্ধতার প্রতিচ্ছবি
খেজুরের গুড় ও কলাই বড়ি-এগুলো শুধু লোকজ খাবার নয়, বরং বিশ্বাস, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার নীরব ভাষা। চুয়াডাঙ্গার একটি আইনি বিষয়ে আমার সীমিত প্রচেষ্টায় সন্তুষ্ট হয়ে এক মক্কেলের মা ও ছোটভাই পরম মমতায় এই উপহার পাঠিয়েছেন। নিজেদের খেজুর গাছের রস দিয়ে তৈরি খাঁটি খেজুরের গুড় এবং মা ও স্ত্রীর হাতে যত্নে বানানো ঐতিহ্যবাহী কলাই বড়ি-সবকিছুতেই রয়েছে আন্তরিকতার ছোঁয়া। এই উপহার ব্যক্তিগত আনন্দের পাশাপাশি আমার পেশাগত দায়িত্ববোধকে আরও সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে পালনের অনুপ্রেরণা জোগায়। এমন বিশ্বাসই কাজের প্রকৃত স্বীকৃতি।
18/01/2026
দায়িত্বই অগ্রাধিকার!
আইনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে আজ ময়মনসিংহে অবস্থান। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ। সময়, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন।
11/01/2026
“২য় বিয়ে করতে ১ম স্ত্রীর অনুমতি লাগে না”
দ্বিতীয় বিয়ে শুধু ব্যক্তিগত ইচ্ছার বিষয় নয়; এটি আইন, ধর্ম ও সমাজের সঙ্গে যুক্ত একটি দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশের আইনে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং Arbitration Council-এর পূর্ব অনুমতি বাধ্যতামূলক। অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে শাস্তির বিধান রয়েছে।
সালিসি পরিষদ গঠন:
স্বামীকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করতে হয়। চেয়ারম্যান নিজে ও উভয় পক্ষের একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে সালিসি পরিষদ গঠন করেন। পরিষদ কারণ যাচাই করে অনুমতি দেবে বা দেবে না।
অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে শাস্তি:
➡️ ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা
➡️ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা
➡️ উভয় দণ্ড।
👉 দ্বিতীয় বিয়ে কোনো গোপন অধিকার নয়; এটি আইনি প্রক্রিয়া, নৈতিক দায়িত্ব ও সামাজিক সচেতনতার
11/01/2026
২য় বিয়ে করতে ১ম স্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন নেই : হাইকোর্ট
08/01/2026
আইনের শাসন শুধু কাগজে-কলমে নয়, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নই সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
কৃষি জমির উপরিভাগ কর্তন ও অবৈধ ভরাট বন্ধে সরকারের এই স্পষ্ট নির্দেশনা প্রমাণ করে-ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্যনিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এখনই কঠোর হতে হবে।
আইন মানা কোনো অপশন নয়, এটি বাধ্যবাধকতা।
জমি রক্ষা মানেই জীবন রক্ষা, রাষ্ট্র রক্ষা।
#আইনের_শাসন
#কৃষিজমি_রক্ষা
#সময়োপযোগী_পদক্ষেপ
#রাষ্ট্রীয়_দায়িত্ব
#ভবিষ্যৎ_প্রজন্ম
03/01/2026
০৪ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চসমুহ।
03/01/2026
রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ সংশোধিত হলো। এখন থেকে কবলার পাশাপাশি দান/হেবার ঘোষণা, দানপত্র দলিল উত্তরাধিকার সূত্রে করা যাবে।
উল্লেখযোগ্য
১) বায়না দলিল দাখিলের মেয়াদ ৩০ থেকে ৬০ দিন করা হয়েছে;
২) বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অফ এটর্নি দলিল বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের বরাবর দাখিলের মেয়াদ ছিল চার মাস। এখন ছয় মাস করা হয়েছে;
৩) কবলা দলিলের পাশাপাশি এবার দান/হেবার ঘোষণা ও দানপত্র দলিল উত্তরাধিকার সূত্রে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে;
৪) সরকারি ফিস আদায়ে সাব-রেজিস্ট্রারদের কে আরো দায়বদ্ধ করা হয়েছে;
৫) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ই-রেজিস্ট্রেশনের আইনগত প্রতিবন্ধকতা দূর হলো।
24/09/2025
আলহামদুলিল্লাহ!
আজ Legal Aid & Information Centre পরিবারের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আমাদের প্রধান, এডভোকেট রাসেল রফি, আইনজীবী হিসেবে তাঁর চতুর্থ বৎসর পূর্ণ করে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করেছেন।
এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু আইনী সেবা প্রদান এবং বার ও বেঞ্চের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সমন্বয় গড়ে তোলার মাধ্যমে একজন নিষ্ঠাবান আইনজীবী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে তিনি শিক্ষার ও অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন, যা আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুপ্রেরণা।
আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর নেতৃত্বে Legal Aid & Information Centre ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং ন্যায়বিচারের আলো ছড়িয়ে দেবে।
আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
20/09/2025
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করা হয়েছে। ফলে মামলা পরিচালনার সময় বাঁচবে এবং দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, জেলা আদালতগুলোতে যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ এবং জেলা জজ-এই তিন পর্যায়ের বিচারকগণকে একইসঙ্গে দেওয়ানি ও ফৌজদারি (দায়রা) মামলার বিচার করতে হয়।
একই বিচারকের ওপর এই দ্বৈত দায়িত্ব মামলাজট এবং বিচারিক দীর্ঘসূত্রতার একটি প্রধান কারণ।
দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে বর্তমানে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ এবং ফৌজদারি মামলা প্রায় ২৩ লাখ। ফৌজদারি মামলার সংখ্যা দেওয়ানি মামলার তুলনায় বেশি হওয়া সত্ত্বেও ফৌজদারি বিচারককে উভয় ধরনের মামলা পরিচালনা করতে হয়। এর ফলে, মামলা নিষ্পত্তির গতি হ্রাস পায় এবং মামলাজট বৃদ্ধি পায়।