#বিদ্যুৎনামা
লোডশেডিং কি, কেন হয়, তৎক্ষনাৎ এড়ানো সম্ভব কিনা। বাংলাদেশে পাওয়ার প্লান্ট গুলোর মোট ইনস্টল ক্যাপাসিটি চাহিদার থেকে বেশী থাকার পরেও কেন লোডশেডিং। জানুন!
#বিঃদ্রঃ তবে এর সাথে আরো কিছু বিষয় আছে। যেটা হলো টোটাল গ্রিড সিস্টেমকে আপগ্রেডেশন করা। যেটার জন্য আরো কিছু বছর সময় লাগবে। দিনকে দিন গ্রিড সিস্টেম উন্নত হচ্ছে।
Video credit:- School of Engineering BD
Family of EEE
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Family of EEE, Education, Comilla.
18/02/2022
বিদ্যুৎ বিলের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া নিয়ে কনফিউশন দূর করুন।
ডিমান্ড চার্জ কি, কারা নির্ধারন করেঃ
যখন কোন একজন গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে মিটারের জন্য আবেদন করে, তখন উক্ত গ্রাহকের ব্যবহার সীমা কতটুকু হবে, তা উল্লেখ করে তাকে ফর্মে অঙ্গীকার/স্বাক্ষর দিতে হয়। যেমন, কোন গ্রাহক যদি বলে তার ২ কিঃওঃ (কিলোওয়াট) লাগবে। তার মানে উক্ত গ্রাহকের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহার সীমা ২কিঃওঃ। এই ২ কিঃ ওঃ হলো তার চুক্তিবদ্ধ লোড। এই সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের সীমা বা চুক্তিবদ্ধ লোডের উপর যে চার্জ ধার্য করা হয় তাকেই ডিমান্ড চার্জ বলা হয়।
গ্রাহকের সেই চুক্তিবদ্ধ লোড সরবরাহ করার জন্য বিদ্যুৎ বিতরণকারী সকল প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মালামাল সহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে উক্ত গ্রাহকের সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে। যেমন, ট্রান্সফরমার, খুঁটি, তার ইত্যাদি। এসব যন্ত্রপাতি ও মালামালের টাকা যেমন সরকার বহন করে, তেমনি ডিমান্ড চার্জের মাধ্যমে এই টাকা সরকার আবার ফেরতও নেয়।
ডিমান্ড চার্জ কেউ চাইলে নিজের ইচ্ছামত ধার্য করতে পারে না। ইহা নির্ধারণ করে দেয় সরকারি সংস্থা Bangladesh Energy Regulatory Commotion (BERC). বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বেচা, কেনা, উৎপাদন, বিতরন, জরিমানা, ভর্তুকি, বিলের রেট, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট সব কিছু নির্ধারণ করে দেয় এই BERC.
যেমন- আবাসিক, সেচ-কৃষি কাজের গ্রাহকদের জন্য ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াট ৩০ টাকা, বানিজ্যিক বিপণনের জন্য ৬০ টাকা ইত্যাদি ধার্য করে দিয়েছে BERC. উক্ত ডিমান্ড চার্জ ও ব্যবহৃত বিদ্যুৎ খরচের উপরই মোট বিল হিসাব করা হয়। এই টাকা সরকারি রাজস্ব খাতে জমা হয়। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই টাকার মালিক না।
মিটার ভাড়া কি ও কেনঃ
পল্লী বিদ্যুৎ বেশিরভাগই গ্রামীণ মানুষকে বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে থাকে। যাদের অধিকাংশ সচ্ছল না। একটি ১ ফেইজ মিটারের দাম ১২০০/১৫০০ টাকা। অনেক গ্রাহকের উক্ত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার মতো সাধ্য নাই। তাই ১০ টাকা মাস প্রতি নিয়ে থাকে। একটি মিটারের আয়ু সচরাচর ১০ বছর।তাহলে ১০ বছর x ১২ মাস x ১০ টাকা = ১২০০ টাকা। তবে মিটার বেশিরভাগই ১০ বছরের আগেই নষ্ট হয়ে যায়।এমনকি ১০ দিন কিংবা ১ মাসেও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন গ্রাহককে বিনামূল্যে পুনরায় নতুন মিটার দেওয়া হয়। প্রতি মাসে ১০ টাকা গ্রাহক স্বার্থেই করা হয়, যাতে গ্রাহক সুবিধা পায়। কিন্তু, কোন গ্রাহক যদি নিজে মিটার কিনে নেয়, তবে তাকে মিটার ভাড়া দিতে হয় না। এক্ষেত্রে যদি মিটার নষ্ট হয়ে যায় তবে গ্রাহককে আবার টাকা দিয়ে কিনতে হবে।
১০ বছর পরেও কি মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে? উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ। কারণ, ১ মাস পরেও যদি কোন গ্রাহকের মিটার নষ্ট হয়, তখন যেহেতু কোন টাকা নেওয়া হয় না, তাই ১০ বছর পরেও যদি মিটার ভালো থাকে, মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে।
আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৪.৩৬৭৯ টাকা রেটে বিদ্যুৎ ক্রয় করে থাকে। কিন্তু, গ্রামের আবাসিক গ্রাহকদেরকে ০-৭৫ ইউনিটের দাম নিচ্ছে ৪.১৯ টাকা রেটে। পল্লী বিদ্যুতায়নের আওতায় মোট গ্রাহক ২ কোটি ৮২ লক্ষ। ৭৫ ইউনিটের নিচে ব্যবহারকারী গ্রাহক রয়েছে প্রায় ২ কোটি। এই বিরাট সংখ্যক গ্রাহকদেরকে ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দামে বিদ্যুৎ দিচ্ছে তাদের সুবিধার জন্য।
সঠিক তথ্য জানুন, সঠিক তথ্য জানিয়ে দিন অন্যদের। বিদ্যুৎ বিলের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া নিয়ে কনফিউশন দূর করুন।
#সংগ্রহীত
কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের নিয়োগ বিধি এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে আবেদনের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হলোঃ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ০৪ বছর মেয়াদী নূন্যতম প্রথম শ্রেণির বা সমমানের সিজিপিএ-তে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ৷
এখানে, প্রথম শ্রেণির সমমানের সিজিপিএ হলো নূন্যতম সিজিপিএ ৩.০০ (৪.০০ এর মধ্যে)
অর্থাৎ যাদের সিজিপিএ ৩.০০ এর সমান বা তার বেশি, শুধুমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন।
এবার প্রশ্ন হলো, কোন টেকনোলজি থেকে পাশ করে কোন কোন পদে বা কোন পদে কোন কোন টেকনোলজির পাশকৃত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর হলোঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পিএসসিতে পাঠানো ২৬ জুন ও ২৭ জুলাই, ২০২১ তারিখে তথ্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা বিষয়ক ব্যাখ্যানুযায়ী নিম্নোক্ত সুনির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
কেননা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি তা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যেঃ
অনলাইনে আবেদনের সময় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাবলীর শেষে সংযুক্ত তালিকায় প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে বর্ণিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী ডিপ্লোমার বিষয় নির্বাচন করে তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়কোড দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। তালিকায় বহির্ভূত কোন বিষয়ে অর্জিত ডিপ্লোমাধারী প্রার্থী আবেদন করলে প্রার্থী বাছাই ও সুপারিশের যেকোনো পর্যায়ে তার প্রার্থীতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
তালিকায় বর্ণিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী এক বা একাধিক পদে আবেদন করা যাবে৷ তবে প্রতিটি পদের জন্য আলাদা আলাদা রেজিষ্ট্রেশন ফি জমা দিতে হবে।
এবার দেখা যাক তালিকা অনুযায়ী আপনার অর্জিত ডিপ্লোমা ডিগ্রি দিয়ে কোন কোন পদে আবেদন করতে পারবেন?
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন সিভিল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল) - ১৬৬ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৪,১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রিক্যাল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেক্ট্রিক্যাল) - ১৩৩ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (জেনারেল ইলেক্ট্রিক্যাল ওয়ার্কস) - ৩১০ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৫ ও ১৩৩ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেকানিক্যাল) - ৯০ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন) - ১৬৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেশিন অপারেশন বেসিকস) - ১৩২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৬, ১৩৮ ও ১৪৪ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স) - ১৫৫ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (জেনারেল ইলেক্ট্রনিক্স) - ১২১ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৭ ও ১৩৫ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) - ২০৩ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ডাটা টেলিকমিউনিকেশন এন্ড নেটওয়ার্কিং) - ০৫ জন (Polytechnic)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি) - ০৫ জন (Polytechnic)
৪। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস) - ২৫৯ জন (TSC)
৫। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) - ৭৭ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৮, ১১৮, ১১৯, ১৩৪ ও ১৪৫ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন রেফ্রিজারেটর এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (রেফ্রিজারেটর এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং) - ৭২ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (রেফ্রিজারেটর এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং) - ১০৩ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১০৯ ও ১৩৭ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন এনভায়রনমেন্টাল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (এনভায়রনমেন্টাল) - ৪২ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১০, ১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ফুড টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ফুড) - ৪৮ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১১ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (টেলিকমিউনিকেশন) - ১৯ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১১২ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রোমেডিক্যাল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেক্ট্রোমেডিক্যাল) - ৩৯ জন (Polytechnic)
২৷ জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (জেনারেল ইলেক্ট্রনিক্স) - ১২১ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৩ ও ১৩৫ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (আর্কিটেকচার এন্ড ইন্টেরিয়র ডিজাইন) - ৪৬ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৪ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন কন্সট্রাকশন টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কন্সট্রাকশন) - ২৫ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৫,১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন মেকাট্রনিক্স টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেকাট্রনিক্স) - ২৪ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেশিন অপারেশন বেসিকস) - ১৩২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৬ ও ১৪৪ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট) - ২০ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেশিন অপারেশন বেসিকস) - ১৩২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৭ ও ১৪৪ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ডাটা টেলিকমিউনিকেশন এন্ড নেটওয়ার্কিং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ডাটা টেলিকমিউনিকেশন এন্ড নেটওয়ার্কিং) - ০৫ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস) - ২৫৯ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) - ৭৭ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৮, ১৩৪ ও ১৪৫ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি) - ০৫ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস) - ২৫৯ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) - ৭৭ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১১৯, ১৩৪ ও ১৪৫ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন ইন্সট্রুমেন্টশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইন্সট্রুমেন্টশন এন্ড প্রসেস কন্ট্রোল) - ১৯ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২০ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন মাইনিং এন্ড মাইন সার্ভে টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মাইনিং এন্ড মাইন সার্ভে) - ০৪ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (মেশিন অপারেশন বেসিকস) - ১৩২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১২১ ও ১৪৪ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং) - ০৩ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (এ্যাপারেল ম্যানুফেকচারিং ) - ১১৫ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১২২ ও ১৪০ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন সিরামিকস টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিরামিকস) - ০৯ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২৩ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন গ্লাস টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (গ্লাস) - ০৪ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২৪ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন পাওয়ার টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (পাওয়ার) - ৫০ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ফার্ম মেশিনারী ) - ৫৭ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটো মোবাইল এন্ড অটো ইলেক্ট্রিক্যাল বেসিকস ) - ১৭৬ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২৫, ১৩৬ ও ১৩৯ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন অটোমোবাইল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটোমোবাইল) - ১২ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ফার্ম মেশিনারী ) - ৫৭ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (অটো মোবাইল এন্ড অটো ইলেক্ট্রিক্যাল বেসিকস ) - ১৭৬ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২৬, ১৩৬ ও ১৩৯ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন কেমিক্যাল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কেমিক্যাল) - ০৬ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১২৭ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন আর্কিটেকচার টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (আর্কিটেকচার) - ১০ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১২৮,১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন সার্ভেয়িং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সার্ভেয়িং) - ০৭ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১২৯,১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন সিভিল উড টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল উড) - ০২ জন (Polytechnic)
২। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (সিভিল কন্সট্রাকশন এন্ড সেইফটি ) - ২৫৫ জন (TSC)
৩। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্লাম্বিং এন্ড পাইপ পিটিং ) - ৭২ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১৩০,১৪১ ও ১৪৬ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন গ্রাফিকস ডিজাইন টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (গ্রাফিকস) - ০৪ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১৩২ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন প্রিন্টিং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (প্রিন্টিং) - ০৫ জন (Polytechnic)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর ১৩৩ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন শীপ বিল্ডিং টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন) - ১৬৫ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১৩৮ নং ]
🔳 পাশ করেছেনঃ ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল টেকনোলজি
আবেদন করতে পারবেনঃ
১। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (টেক্সটাইল ) - ১১৫ জন (TSC)
[ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নম্বর যথাক্রমে ১৪০
সংগ্রিত
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষঃ(সম্ভাব্য প্রশ্ন প্যাটার্ণ)
পরীক্ষার ভেনুঃ ২০১৯ সালে MCQ পরীক্ষা বিএফ শাহীন কলেজ কর্তৃপক্ষ নিয়ে ছিল,লিখিত পরীক্ষা MIST কর্তৃপক্ষ নিয়ে ছিল৷
২০২০ সালের MCQ+Written বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে অনুষ্ঠিত হয়েছিল৷
পরীক্ষার ধরণঃ প্রথমে MCQ 80/100 মার্কসের হবে, MCQ পরীক্ষার রেজাল্ট পরীক্ষার দিনে-ই দিয়ে দেয়৷ পরের দিন লিখিত পরীক্ষা হয়,লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট অতিদ্রুত-ই দেয়৷ ভাইভার যেদিন হয় সেই দিনে-ই তারা চূড়ান্ত ভাবে মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা ওয়েভ সাইটে দিয়ে দেন৷ চূড়ান্ত ভাবে মনোনীত(নিয়োগের জন্য) প্রার্থীদের কর্তৃপক্ষ মেডিকেল রিপোর্ট করায় অতপরঃ জয়েনিং ডেট দেয়৷ উল্লেখ্য জয়েনিং ডেট হতে ১/২ মাস সময় লাগে৷
MCQ পরীক্ষা সম্পর্কেঃ MCQ প্রশ্ন ২০১৯ সালে ফিজিক্স+রসায়ন+উচ্চতর গণিত+সাধারণ জ্ঞান দিয়েছিল!পরীক্ষা কেউ ভাল দিতে পেরে ছিলেন না! খুব কম মার্কসে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষা MIST এ হয়েছিল৷ পরবর্তীতে(২০২০ সালের নিয়োগে) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নিজেরা MCQ+ Written নিয়ে ছিলেন৷
কর্তৃপক্ষ MCQ+Written এ অনেক সহজ প্রশ্ন করেন, সাধারণ জ্ঞান+জেনারেল ম্যাথ+বাংলা+ইংরেজী থেকে ৫০/৬০ মার্কস থাকে৷ বাকি ৫০/৪০ মার্কস ডিপার্টমেন্ট বেইজ সহজ সহজ বেসিক প্রশ্ন করা হয়৷
লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ডিপার্টমেন্টের বেসিক কিছু ম্যাথ+ডিপার্টমেন্ট থিওরী+জেনারেল ম্যাথ+সাধারণ জ্ঞান(লিখিত) থেকে ৮০/১০০ মার্কসের প্রশ্ন করা হয়৷উল্লেখ্য MCQ+Written পরীক্ষায় কোন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেয় না!
পরীক্ষার ভেনু যদি এয়ারপোর্ট এলাকার আশে-পাশে হয় তাহলে ধরে নিবেন কর্তৃপক্ষ নিজেরা-ই পরীক্ষার আয়োজন করছেন৷ মোট কথা আপনারা নিজেরা নিজেদের নন ডিপার্টমেন্ট+ডিপার্টমেন্টের সিলেবাস ভাল ভাবে শেষ করুন৷ পরীক্ষা কে/কারা নিবেন সেটি নিয়ে ভেবে অহেতুক টেনশন করার দরকার নাই!
বেসামরিক বিমান এর জবটা অনেক বেশী সন্মানের ও শান্তির চাকরি৷ বেতন+অন্যান্য সুবিধা সরকারি বিধি মোতাবেক পাবেন৷এবার যেহেতু EnT & PT ডিপার্টমেন্ট থাকছে সুতরাং তারাও চাকরির সুযোগ পাবেন৷
#সংগৃহীত
20/05/2021
▶️
🟥 Civil Aviation Authority of Bangladesh
🟥 পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ।
🟥 আবেদন ফিঃ ৫৬০/-
🟥 আবেদন শুরুঃ ২৩/০৫/২০২১ ।
🟥 আবেদন শেষঃ ২০/০৬ /২০২১ ।
🟥আবেদন করতে পারবে সিভিল/ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/মেকানিক্যাল/পাওয়ার/কম্পিউটার/টেলিকমিউনিকেশন।
🟥 সিভিল=২৬ জন।
🟥 ইলেকট্রিক্যাল/পাওয়ার/ইলেকট্রনিক /মেকানিক্যাল=৩০ জন।
🟥 প্রযুক্তি সহকারী
ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/কম্পিউটার /টেলিকমনিকেশন/কমিনিউকেশন =১৪ জন
🟥 http://caab.teletalk.com.bd/
17/05/2021
#চলমান_নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি_সমুহ
🟥 Civil Aviation Authority of Bangladesh
🟥 পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ।
🟥 আবেদন ফিঃ ৫৬০/-
🟥 আবেদন শুরুঃ ২৩/০৫/২০২১ ।
🟥 আবেদন শেষঃ ২০/০৬ /২০২১ ।
🟥আবেদন করতে পারবে সিভিল/ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/মেকানিক্যাল/পাওয়ার/কম্পিউটার/টেলিকমিউনিকেশন।
🟥 সিভিল=২৬ জন।
🟥 ইলেকট্রিক্যাল/পাওয়ার/ইলেকট্রনিক /মেকানিক্যাল=৩০ জন।
🟥 প্রযুক্তি সহকারী
ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/কম্পিউটার /টেলিকমনিকেশন/কমিনিউকেশন =১৪ জন
🟥 http://caab.teletalk.com.bd/
🟥 গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড(GTCL)
👉উপ-সহকারী প্রকৌশলী মেকানিক্যাল - ১৩ জন
👉উপসহকারী প্রকৌশলী কম্পিউটার- ০২ জন
👉উপসহকারী প্রকৌশলী ইলেকট্রিক্যাল- ১১ জন
👉উপসহকারী প্রকৌশলী পুর - ০৪ জন
👉আবেদন ফি - ৫০০ টাকা
#আবেদনের_সময়সীমা - ২৫/০৫/২১ থেকে ১৮/০৬/২১ পর্যন্ত.
🟥 বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।
পদ: উপ সহকারী প্রকৌশলী সিভিল-০৪
ইলেক্ট্রিক্যাল -০৩
আবেদন শুরুঃ ১৫/০৪/২০২১।
আবেদন শেষঃ ২০/০৫/২০২১।
আবেদন ফিঃ ৪০০ টাকা
আবেদন লিংকঃ http://bepza.teletalk.com.bd/home.php
🟥 বাংলাদেশ_কেমিক্যাল_ইন্ডাস্ট্রিজ_কর্পোরেশন.
#উপসহকারী_প্রকৌশলী
#সিভিল_১৫
#ইলেক্ট্রিক্যাল_৬৭
#মেকানিক্যাল_৬৭
#কেমিক্যাল_৬০
আবেদন ফিঃ ৫০০টাকা
আবেদন শুরু - ০৬-০৫-২০২১ইং
আবেদন শেষ - ০৩-০৬-২০২১ইং
আবেদনের লিংক www.bcic.gov.bd
বিঃদ্রঃ👇
অভিজ্ঞতা ছাড়া রিটেন দিতে পারলেও ভাইবা নিবে না।
কারণঃ ভাইবার পূর্বে ডকুমেন্টস জমা দিতে হয়।
বিগত নিয়োগগুলো পরীক্ষার ভেন্যুঃ বুয়েট ছিলো।
🟥 বাংলাদেশ ব্যাংক।
অফিসার(পুরকৌশল-০৬ টি, তড়িৎকৌশল-১৪ টি, যন্ত্রকৌশল- ০৮ টি)
আবেদনের শুরু তারিখঃ
২৭/০৪/২০২১ইং
আবেদনের শেষ তারিখঃ ৩১/০৫/২০২১ইং
আবেদন ফি লাগবে না(ফ্রী)
চাকরি আবেদনের বয়স👇
প্রার্থীর বয়স ২৭-০৪-২০২১ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে । তবে মুক্তিযোদ্ধা /শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর ।
আবেদনের নিয়ম👇
আগ্রহী প্রার্থীরা https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/joblist.php ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র পূরণ করে আগামী ৩১-০৫-২০২১ তারিখ পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন।
🟥 বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
#উপসহকারী_প্রকৌশলী-৩ জন(পুরকৌশল, যন্ত্র কৌশল বা বিদ্যুৎ কৌশল)
#আবেদন_ফি-১১২ টাকা
#আবেদনের সময়সীমা-১১-০৫-২০২১ হতে ৩১-০৫-২০২১
#আবেদন_লিংক http:bwmri.teletalk.com.bd
03/05/2021
#নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তি
🔳 উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( কেমিক্যাল ) - ৬০ জন
📖 Diploma in Chemical Technology
🔳 উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( যান্ত্রিক) - ৬৭ জন
📖 Diploma in Mechanical Technology
🔳 উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( বিদ্যুৎ ) - ৬৭ জন
📖 Diploma in Electrical Technology
🔳 উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পুর) - ১৫ জন
📖 Diploma in Civil Technology
💵আবেদন ফি - ৫০০ টাকা 💰
#আবেদনের_সময়সীমা - ০৬/০৫/২১ থেকে ০৩/০৬/২১ পর্যন্ত
তোমার CV টা দিও।
দেখি কি করতে পারি।😎
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় মিথ্যা আশ্বাস😥
Important question => Job Viva for EEE
1. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র
যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি
কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ
উপকেন্দ্র বলে।
2. পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC)
যে লাইনের মাধ্যমে পাওয়ার স্টেশন, সাব-স্টেশন, রিসিভিং
স্টেশনে নিজস্ব জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
টেলিফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় তাকে পাওয়ার লাইন
ক্যারিয়ার (PLC) বলে।
3. Q-ফ্যাক্টর
AC সার্কিটে সিরিজ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের L
অথবা C এর আড়াআড়িতে ভোল্টেজ প্রয়োগকৃত
ভোল্টেজের তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
রেজোন্যান্সের কারনে সৃষ্ট এই ভোল্টেজ বেড়ে
যাওয়াকে সিরিজ রেজোনেন্ট সার্কিটের Q-ফ্যাক্টর
(Quality Factor) বলে।
4. পাওয়ার ফ্যাক্টর
পাওয়ার ফ্যাক্টরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে
পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের
অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1
পর্যন্ত।
5. লোড ফ্যাক্টর
গড় লোড এবং সর্বোচ্চ চাহিদার অনুপাতকে লোড
ফ্যাক্টর
বলে। Load Factor = Average load/Max. Demand or Peak
load. এর মান ১ এর নিচে হয়।
6. প্লান্ট ফ্যাক্টর
কোন পাওয়ার প্লান্টের গড় লোড এবং নির্ধারিত রেটেড
ক্যাপাসিটির অনুপাতকে প্লান্ট ফ্যাক্টর বলে।
Plant Factor = Average load/ Rated capacity of the plant
7. ডিমান্ড ফ্যাক্টর
প্লান্টের সর্বোচ্চ চাহিদা এবং সংযুক্ত লোডের
অনুপাতকে
ডিমান্ড ফ্যাক্টর বলে। Demand Factor = Max. Demand/
Connected Load.
8. ফরম ফ্যাক্টর
ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor): কোন সাইন ওয়েভের
কার্যকরী মান (RMS value) এবং গড় মান (Average Value) এর
অনপাতকে ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Kf
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.11
9. পিক ফ্যাক্টর
পিক ফ্যাক্টর (Peak Factor): কোন সাইন ওয়েভের সরবচ্চ
মান (Max. value) এবং কার্যকরী মান (RMS value) এর
অনপাতকে পিক ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Ka
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.41
10. স্কিন ইফেক্ট
AC বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার
সময়
সে পরিবাহির ভিতরে প্রবেশ না করে উহার সারফেস দিয়ে
প্রবাহিত হতে চেস্টা করে, এটাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
এই স্কিন ইফেক্ট এর ফলে লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি
পায়
যার ফলে লাইন লসও বেড়ে যায়।
11. করোনা ইফেক্ট
যখন দুইটি কন্ডাক্টর এর স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশি
অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়িতে AC ভোল্টেজ
প্রয়োগ করে ধিরে ধিরে বাড়ানো হয় তখন একটি পর্যায়
আসে। এই বিশেষ পর্যায় কন্ডাক্টরের চারপাশে বাতাস
ইলেক্ট্রস্ট্যাটিক স্ট্রেস হয়ে আয়নিত হয় এবং বাতাসের
ইন্সুলেশন স্ট্রেংথ ভেঙ্গে যায়। এই অবস্থায়
কন্ডাক্টরের চারপাশে জিম জিম শব্দসহ হালকা অনুজ্জ্বল
বেগুনী রস্মি দেখা যায় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয়, এই
অবস্থাটিকে করোনা নামে পরিচিত।
12. প্রক্সিমিটি ইফেক্ট
সমান্তরাল দুইটি পরিবাহীর কারেন্ট যদি পরস্পর বিপরীতমুখী
হয়, তাহলে উভয় পরিবাহীর নিকটবর্তী অংশে কারেন্ট
ডেনসিটি বেড়ে যায়। আবার একমুখী কারেন্ট হলে
দূরবর্তী অংশে কারেন্ট ডেনসিটি বেড়ে যায়। এ
ঘটনাকে
প্রক্সিমিটি ইফেক্ট বলে। ইহার প্রভাবে অসম কারেন্ট
প্রবাহিত হয়, লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায় এবং সেলফ
রিয়াক্ট্যান্স এর মান কমে যায়।
13. ফ্যারান্টি ইফেক্ট
মিডিয়াম বা লং ট্রান্সমিশন লাইনে ওপেন সার্কিট বা লোড শুন্য
অবস্থায় কিংবা অল্প লোডে চলার সময় প্রেরন প্রান্ত
অপেক্ষা গ্রহন প্রান্তের ভোল্টেজের মান বেশি
হতে
দেখা দেয়। এই ঘটনা বা phenomenon কে ফেরান্টি
ইফেক্ট বলে।
টপিকঃ ডিসি মোটর
ডি.সি মোটর ঃ০১
প্রশ্ন ০১) ডি.সি মোটর কী?
উত্তরঃ ডি.সি মোটর এক প্রকার ডি.সি মেশিন, যা বিদ্যুৎ
শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
প্রশ্ন ০২) ব্যাক ই. এম. এফ কী?
উত্তরঃ ব্যাক ই. এম.এফ হচ্ছে মোটরের আর্মেচারে
উৎপন্ন বিপরীত তড়িৎ চালক বল,যা আর্মেচারে প্রবাহিত
কারেন্টকে তথা সরবরাহ লাইনের ভোল্টেজ কে বাধা
দেয়।
প্রশ্ন ০৩) টর্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ টর্ক বলতে কোন ক্রিয়াশীল বলের মোমেন্ট
কে বুঝায়,, যা কোন বস্তুকে ঘুরায়।
প্রশ্ন ০৪) ডি.সি মোটর কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ ডিসি মোটর তিন প্রকারঃ
১)সিরিজ মোটর
২) শান্ট মোটর
৩) কম্পাউন্ড মোটর।
প্রশ্ন ০৫) ডি.সি মোটরের গতি নিয়ন্ত্রন করা যায়?
উত্তরঃ ১) ওয়ারড - লেওনাড পদ্ধতি ।
২) বুস্টার এর সাহায্যে আর্মেচারে তড়িৎ চাপ নিয়ন্ত্রন।
৩) ফিল্ড ডাইভারটার পদ্ধতি।
প্রশ্ন ০৬) ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ
কেন?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ
হয় কারন শুরুতে চৌম্বক পোলের ফ্লাক্স বৃদ্ধি পায়,, ফলে
আর্মেচারে কারেন্ট বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন ০৭) ডি.সি মোটর এ স্টারটিং এর বেলায়,, স্টারটার
ব্যাবহার এর প্র্যোজনীয়তা ব্যাখা কর?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটর এর আর্মেচারে স্থির থাকায়
এতে কোন ব্যাক ই. এম.এফ থাকে না। ফলে এই ভারী
আর্মেচারে কে ঘুরানোর জন্য নরমাল অবস্থাতে যে
কারেন্ট প্রয়োজন,, তার চেয়ে ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি
কারেন্ট দরকার হয়,, যা সরবরাহ লাইন এবং এর সাথে সংযুক্ত
অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও কয়েলের জন্য বিপদজনক এমনকি
মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই নিরাপদে মোটর চালু
রাখার জন্য স্টারটার ব্যাবহার করা হয়।
এ .সি জেনারেটর এর বেসিক প্রশ্নাবলি -০১
প্রশ্ন ০১ঃঅল্টানেটর বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ অল্টারনেটরকে এ সি জেনারেটর বলে।
এটি এমন একটি ডিভাইস , যার মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তি কে
ইলেকট্রিকাল
শক্তি তে রুপান্তর করে।
প্রশ্ন ০২ঃ ভোল্টেজ রেগুলেশন কখন ধনাত্মক হয়?
উত্তরঃ রেজিস্টিভ এবং ইন্ডাক্টীভ লোডের সময় ধনাত্মক
হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ০৩ঃ এক্সাইটার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উৎস হতে ডি সি সাপ্লাই ফিল্ডের ওয়াইন্ডিং দেয়া
থাকে, তাকে এক্সাইটার বলে।
প্রশ্ন ০৪ঃ কয়েল পিচ কী?
উত্তরঃ অল্টারনেটোর এর আম্রেচার ওয়াইন্ডিং এ একটি
কয়েলের , দুই পাশের মধ্যকার অংশকে কয়েল পিচ বলা
হয়।
প্রশ্ন ০৫ঃ পাইলট এক্সাইটার বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ বড় বড় অল্টারনেটর এর মূল এক্সাইটর কে
উত্তেজিত করতে
আরেকটি ছোট এক্সাইটার ব্যাবহার করা হয় ,
তাকে পাইলট এক্সাইটার বলে।
প্রশ্ন ০৬ঃ অল্টারনেটর কে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা
হয় কেন?
উত্তরঃঅল্টারনেটোরকে সবসময় সিনক্রোনাস
গতিবেগে, ঘুরিয়ে ভোল্টেজ প্রডিউস করা হয় বলে,
একে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা হয়।
প্রশ্ন ০৭ঃ নন -স্যালিয়ান্ট পোল রোটর কোথায় ব্যাবহার
করা হয়?
উত্তরঃ যে সকল অল্টারনেটোর এর গতিবেগ খুব
বেশী অথবা যে সকল মেশিনে সরাসরি বাস্পীয় বা
গ্যাসচালিত টারবাইন দিয়ে চালানো হয় সে সকল অল্টারনেটর
এ ধরনের রোটর ব্যাবহার করা হয়।
প্রশ্ন ০৮ঃ ফুল পিচ ওয়াইন্ডীং বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ যে ওয়াইন্ডীং এর কয়েল স্প্যান ১৮০ ডিগ্রী
ইলেট্রিকাল পোল পিচের সমান সে ওয়েন্ডিং কে ফুল
পিচ ওয়াইন্ডিং বলে।
প্রশ্ন ০৯ঃ পোল পিচ কী?
উত্তরঃ পাশাপাশি দুটি N ও S পোলের কেন্দ্রীয় দূরবরতি
অংশ কে পোল পিচ বলা হয়।
প্রশ্ন ১০ঃ অল্টারনেটর এর প্রধান লস কোনগুলি?
উত্তরঃ ১)রোটেশনাল লস।
২) এক্সাইটেরর এর লস।
৩)স্ট্রে লোড লস।
৪) ইলেক্ট্রিকাল লস।
24/01/2021
27/08/2020
#ইলেকট্রিক্যাল সাব-স্টেশনের পাওয়ার ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম সম্পর্কে আজ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর জানবো।
সকলেই জন্য #প্রয়োজন।
প্রশ্নঃ প্রাইমারি ট্রান্সমিশন কি?
উৎপাদন কেন্দ্রের প্রেরণ প্রান্ত থেকে রিসিভিং প্রান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ অতি উচ্চ ভোল্টেজ লাইনকে প্রাইমারি ট্রান্সমিশন (লাইন) বলা হয়। প্রাইমারি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ 110KV, 132KV, 230KV, 400KV পর্যন্ত বা আরও বেশি হতে পারে।
প্রশ্নঃ সেকেন্ডারি ট্রান্সমিশন কি?
রিসিভিং স্টেশন থেকে সাব- স্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ উচ্চ ভোল্টেজ লাইনকে সেকেন্ডারি ট্রান্সমিশন (লাইন) বলা হয়। সেকেন্ডারি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ 33KV, 66KV হতে পারে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে প্রাইমারি ডিস্ট্রিবিউশন ভোল্টেজ কত?
11KV, 6.6KV, 3.3KV ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ সেকেন্ডারি ডিস্ট্রিবিউশন কি?
যে পদ্ধতিতে ১১কেভি প্রাইমারি ডিস্ট্রিবিউশন লাইন হতে শহর বা লোকালয়ে বা কারখানা এলাকায় অবস্থিত ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমারে ভোল্টেজ কমিয়ে 400 V অথবা 230 V সিস্টেমে বিভিন্ন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার বেবস্থা করা হয় তাকে সেকেন্ডারি ডিস্ট্রিবিউশন বলা হয়।
প্রশ্নঃ ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন এর জন্য সর্বাপেক্ষা ভাল পদ্ধতি কি ?
সর্বাপেক্ষা ভাল পদ্ধতি হল উৎপাদন ও বিতরণের জন্য AC ব্যবস্থা এবং ট্রান্সমিশন এর জন্য DC ব্যবস্থা।
প্রশ্নঃ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বচ্চো ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ কত?
400kV (বিবিয়ানা- কালিয়াকৈর )
প্রশ্নঃ ফিডার কি?
জনবহুল এলাকা, কারখানা বা আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার লক্ষে উচ্চ ভোল্টেজ উপকেন্দ্র বা গ্রিড উপকেন্দ্র হতে বিভিন্ন লোড সেন্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদানের জন্য যে untapped লাইন নির্মাণ করা হয় তাকে ফিডার বলে।
প্রশ্নঃ ফিডার ও ডিস্ট্রিবিউটরের মূল তফাৎ কি?
জেনারেটিং স্টেশনের সহিত সংযোগ সাধনকারী মোটা পরিবাহীকে ফিডার বলে, যার কোন ট্যাঁপিং থাকেনা। পক্ষান্তরে গ্রাহকের সার্ভিস মেইনের সহিত সংযোগ সাধনকারী ট্যাঁপিং যুক্ত পরিবাহীকে ডিস্ট্রিবিউটর বলে, যার সমস্ত দৈর্ঘ্য বরাবর কারেন্টের মান বিভিন্ন হয়।
প্রশ্নঃ ডিস্ট্রিবিউটর ও ফিডার এর মাঝে পার্থক্য কি?
সার্ভিস মেইন অপেক্ষাকৃত চিকন ক্যাবল বিশেষ যার মাধ্যমে গ্রাহকদের পাওয়ার সরবরাহ করা হয়। এটি ডিস্ট্রিবিউটরের সহিত সংযোগ থাকে। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটর সরাসরি ফিডারের সহিত সংযোগ থাকে।
প্রশ্নঃ উচ্চ ভোল্টেজ পাওয়ার ট্রান্সমিশনের সুবিধা কি?
সুবিধাগুলো নিন্মরুপঃ
1) লাইন লস কম হয়।
2) ট্রান্সমিশন দক্ষতা বৃদ্ধি পায়
3) লাইনের ভোল্টেজ ড্রপ কম হয়
4) রেগুলেশন উন্নত হয়।
5) কম আয়তনের পরিবাহী লাগে।
6) পাওয়ার ট্রান্সমিশন ব্যয় কম হয়।
প্রশ্নঃ ফ্রিকুয়েন্সি উঠানামার শতকরা হার কত?
ফ্রিকুয়েন্সি উঠানামা 2.5% এর মধ্যে থাকা উচিত।
প্রশ্নঃ ডিস্ট্রিবিউটরের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ ভোল্টেজ ড্রপের হার কত?
ডিস্ট্রিবিউটরের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ ভোল্টেজ ড্রপের হার 6%
প্রশ্নঃ সিস্টেম লস কি?
উৎপাদন কেন্দ্রের নিজস্ব ব্যবহার সহ যন্ত্রপাতির অপচয়, পরিবহন তারের রেজিসটেন্স জনিত অপচয় এবং অন্যান্য কারিগরি-অকারিগরি অপচয়ের কারনে সামগ্রিক ভাবে যে বৈদ্যুতিক পাওয়ার অপচয় হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।
প্রশ্নঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে সিস্টেমে কি অশুবিধা হয়?
পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে অনেক বেশি আয়তনের পরিবাহীর প্রয়জন হয়, লাইন লস বৃদ্ধি পাওয়ায় সিস্টেমের দক্ষতা কমে যায় , প্রাথমিক খরচ বেড়ে যায় তাই পার ইউনিট কষ্ট বেশি হয়।
প্রশ্নঃ অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
পাওয়ার ফ্যাক্টর যে মানে উন্নিত করলে বাৎসরিক সরবচ্চ সাশ্রয় হয়, উক্ত পাওয়ার ফ্যাক্টরকে সর্বোত্তম পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
প্রশ্নঃ ওভার হেড লাইনের উপাদান কি কি?
ওভার হেড লাইনের উপাদান প্রধানত বার টি , যথাঃ
(১) সাপোর্ট (২) ক্রস-আরম ও ক্লাম্প (৩) ইনসুলেটর (৪) কন্ডাকটর (৫) গাই ও স্টে (৬) লাইটনিং এরেস্টর (৭) ফিউজ ও আইসুলেটিং সুইস (৮) অবিচ্ছিন্ন আর্থ তার (৯) গার্ড ওয়ার (১০) পাখি রক্ষক (১১) জাম্পার (১২) ভাইব্রেশন ড্যাম্পার
প্রশ্নঃ কোন ধরনের পোলে টানা ব্যাবহার করা হয়?
টার্মিনাল পোলে এবং এঙ্গেল পোলের দুদিকে টানের সমতা রক্ষার জন্য টানা বা stays ব্যাবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ “H” টাইপ পোল কোথায় ব্যাবহার করা হয়?
দীর্ঘ স্পান বিশিষ্ট (১৬০ মিটার পর্যন্ত) ১৩২ কেভি ট্রান্সমিশন লাইনে “H” টাইপ পোল ব্যাবহার করা হয়। লাইনের যে স্থানে সুইস গিয়ার বা ট্রান্সফরমার ব্যাবহার করার দরকার পড়ে সেখানে “H” টাইপ পোল ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ ট্রান্সমিশন লাইন আর্থ করা হয় কেন?
বজ্রপাতের ফলে অথবা অন্য কোন অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ইনসুলেশন ব্রেকডাউন হতে পারে। এই সম্ভাব্য দুর্ঘটনা থেকে লাইনকে রক্ষা করার জন্য ওভার হেড লাইনের শীর্ষে একটি অবিচ্চিন্ন আর্থ তার ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে অতিরিক্ত ভোল্টেজ মাটিতে ডিসচার্জ হতে পারে।
প্রশ্নঃ ক্রেডল গার্ড কোথায় এবং কেন ব্যবকার করা হয়?
ওভার হেড লাইনের তার – যেখানে রাস্তা , রেল লাইন কিম্বা বাড়ীর উপর দিয়ে টানা হয়, সেখানে নিরাপত্তার জন্য কেবলমাত্র এটি ব্যবহার করা হয়। তার ছিঁড়ে যাওয়ার পর তা যেন মাটিতে পরার সুযোগ না পায়, সে জন্য এ সব যায়গায় এই ক্রেডল গার্ড ব্যবহার করা হয়।
#সংগ্রহীত
📛ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কি?
প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে মানুষের সমস্যাবলী সমাধান এবং জীবনকে সহজ করার জন্য বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োগ। প্রকৌশলীগণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গণিত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করুনবার জন্য তাঁদের কল্পনাশক্তি, বিচারক্ষমতা এবং যুক্তিপ্রয়োগক্ষমতা ব্যবহার করেন। এর ফলাফল হচ্ছে উন্নততর নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু ও নিত্যব্যবহার্য কর্মপদ্ধতির আবির্ভাব যেটি প্রতিদিনের জীবনকে সহজ করে দেয়।
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হলে এইচএসসি (HSC) বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর যে কেবল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হলেই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্ভব।
তুলনামূলক কম সময়ে কোর্স সমাপ্তি আর কোর্স শেষে ন্যূনতম চাকরির নিশ্চয়তা থাকে এখানে। এ দুয়ে মিলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলের চাহিদা বর্তমানে শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে বেশি। চার বছর মেয়াদি এই কোর্সে ভর্তি হতে হয় এসএসসি বা মাধ্যমিকের পর। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে বিভিন্ন জেলা শহরে অবস্থিত সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাড়াও ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক, গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে চাইলে গণিত বা উচ্চতর গণিত বিষয়ে জিপিএ ৩.০০সহ কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এছাড়া বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য গণিতে জিপিএ ২.০০ পেলেই চলবে।
📛ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন?
বিশ্বের যে সব দেশ কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সেই সব দেশ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের কর্মধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশের সকল শ্রেণির শিক্ষিত জনগোষ্ঠী সমন্বিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে কারিগরি শিক্ষা।
যে প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয়: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত বিশেষায়িত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত শিক্ষাক্রমগুলো হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি, ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এসএসসি (ভোকেশনাল)। বোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদি শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। এর মধ্যে পুরনো ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ২০টি, যেগুলো পুরোপুরি সরকারি। নতুন রাজস্বভুক্ত ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৫টি, মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট ৪টি, প্রকল্পভুক্ত ১৮টি ও মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৩টি। এ ছাড়া ৬৪টি ‘টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ’ এবং ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। বেসরকারি পলিটেকনিকের সংখ্যা ৩৮৭টি।
📛যে বিষয়ে পড়তে পারেন:
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অধীনে সেমিস্টার ভিত্তিতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পড়ানো হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্সট্রমেন্টশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। এ বিষয়গুলোতে পড়ালেখা করে বসে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
তথ্যঃ ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Comilla
3519