বর্তমান সময়ের সোনার হরিণ আসছে....
FBIT School
FBIT School হচ্ছে www.fbitschool.com এর অফিসিয়াল পেইজ। FBIT School আইটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
04/04/2024
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন
পার্ট-১ | (ফ্রিল্যান্সিং কি, কেন?)
ফ্রিল্যান্সিং কি?
ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো মুক্ত পেশা বা ব্যবসায়।
* কোন নির্দিষ্ট ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে, কোন নির্দিষ্ট টাইম, স্থান, ডেসকোড না মেনে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ/সার্ভিস করে দেওয়াকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। (এমন কাজ/সার্ভিস যেটা অনলাইনে করা যায়)
ডিকশনারি অনুযায়ীঃ
*কোন একটি কোম্পানিতে/প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত হওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা।
* বাড়িতে বসে কাজ করা, ইত্যাদি।
সহজ কথায়: কোন ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/কোম্পানি/এজেন্সির যে কাজ/সার্ভিস সরাসরি কোন দোকানে/বাজারে/শহরে বসে করা যায়। আবার চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে করা যায়। নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে অনলাইনে সেই কাজ/সাভিস করে দেওয়াকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।
যে কাজ করে তাকে ফ্রিল্যান্সার/সেলার বলে,
কাজ কে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং বলে,
যারা করায় তাদের কে বায়ার বলে।
ফ্রিল্যান্সিং কোন স্বপ্ন নয়, বরং কঠিন বাস্তবতা।
ফ্রিল্যান্সিং একটি সাধারণ পেশা বা ব্যবসায় ও বলা চলে (সাধারণ চাকুরী বা ব্যবসায় এর মতো)
ফ্রিল্যান্সিং কেন করে?
* বায়াররা কেন সরাসরি নিজের নিকটবর্তী দোকানে/বাজারে/শহরে কাজ না করিয়ে ফ্রিল্যান্সার দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়?
অথবা,
* পৃথিবীতে এত পেশা থাকতে ফ্রিল্যান্সিং পেশা কেন এত জনপ্রিয় হলো?
এর পেছনে ৪ টি কারণ রয়েছে:
১/ সময় সাশ্রয়ের জন্য
২/ অর্থ সাশ্রয়ের জন্য
৩/ অভিজ্ঞ ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি দিয়ে কাজ করানোর জন্য
৪/ সহজ লভ্যতার জন্য
এবার আসুন এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি।
১/ সময় সাশ্রয়ের জন্য
ফ্রিল্যান্সিং পেশা অল্প সময়ে জন্য প্রিয় হওয়ার প্রথম কারণ, সময় সাশ্রয়।
ফ্রিল্যান্সারদের বেশিরভাগ বায়ার উন্নত দেশের ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/কোম্পানি/এজেন্সি গুলো।
কোন একটা কাজ/সার্ভিসের জন্য আমরা সাধারণত নিকটবর্তী দোকানে/বাজারে/শহরে যাই
তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিয়ে সে কাজ/সার্ভিস টা করিয়ে নিই।
কিন্তু উন্নত দেশের বায়ারদের হাতে তেমন সময় থাকে না।
তাই তারা ঘরে/অফিসে/প্রতিষ্ঠানে বসে
অথবা অবসর সময়ে অনলাইনে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম/সোসাল মিডিয়া/অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সার দিয়ে করিয়ে নেয়।
এতে বায়ারদের অনেক সময় সাশ্রয় হয়।
২/ অর্থ সাশ্রয়ের জন্য
বায়ারদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম গুলো এত জনপ্রিয় হওয়ার ২য় কারণ, অর্থ সাশ্রয়।
আগেই বলেছি ফ্রিল্যান্সারদের বায়ার বেশিরভাগ উন্নত দেশের ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/কোম্পানি/এজেন্সি গুলো গুলো।
আর উন্নত দেশের নাগরিকদের জীবন যাত্রার মানও অনেক উন্নত।
তাই তাদের কে আয় ও করতে হয় বেশি এবং ব্যয় করতে হয় হিসেব করে বা বেশি।
তাই কোন কাজ/সার্ভিস সেই দেশের কোন ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/কোম্পানি/এজেন্সি দিয়ে সরাসরি করাতে চাইলে অনেক বেশি ব্যয় হয়।
আবার ফ্রিল্যান্সিং প্লার্টফর্ম গুলোতে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার/সেলার আমাদের মতো মধ্যম আয়ের দেশ ও স্বল্পোন্নত দেশের ব্যাক্তি/এজেন্সি গুলো।
তাই বায়াররা একই কাজ/সার্ভিস বেশি চার্জ দিয়ে নিজ দেশের ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি গুলো দিয়ে না করিয়ে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম ব্যবহার করে আমাদের মতো মধ্যম আয়ের দেশ বা স্বল্পোন্নত দেশের ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেয়।
এতে অনেক বেশি অর্থের সাশ্রয় হয়।
অন্যদিকে আমাদের কাছে এসে উন্নত দেশের কারেন্সি গুলো কনভার্ট/এক্সচেঞ্জ হয়ে ভালো একটা পরিমাণ হয়ে যায়।
তাই আমাদের পক্ষেও অল্প পরিমাণ অর্থ হলেও আমাদের পুষিয়ে যায়।
৩/ অভিজ্ঞ ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য
বায়ারদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম গুলো দিন দিন জনপ্রিয় হওয়ার ৩য় কারণ, অভিজ্ঞ ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি দিয়ে সহজেই কাজ করানো যায়।
শুধু যে উন্নত দেশেরই বায়াররা যে সবসময় ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সার দিয়ে কাজ করায় ব্যপার টা এমন নয়। অনুন্নত, স্বল্পোন্নত বা মধ্যম আয়ের দেশ /উন্নয়নশীল দেশের বায়াররা ফ্রিল্যান্সার দিয়ে কাজ করিয়ে থাকে।
কারণ অনেক সময় কোন কাজ/সার্ভিসের জন্য নিকটবর্তী দোকানে/বাজারে/শহরে অভিজ্ঞ লোক পাওয়া যায় না তাই অভিজ্ঞ লোকের অভাবে বাধ্য হয়েই বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সার দিয়ে করাতে হয়।
আর উন্নত দেশের বায়াররা তো আছেই, কেননা তাদের কাজ ও একেবারে লো-কোয়ালিটির হলে হয়না। খুব এক্সপার্ট লোক ছাড়া তাদের কাজ/সার্ভিস/ গুলোতে পরিপূর্ণতা আসে না।
আর ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর মুলত তাদের জন্য যাদের কোন একটা বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আছে বা সেই বিষয়ে যথেষ্ট এক্সপার্ট।
কিন্তু সে কোন একটা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আন্ডারে চাকুরী করতে চাচ্ছে না।
বরং,ফিল্যান্সিং প্লার্টফর্ম/সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের স্বাধীন মতো সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানের জন্য সেই কাজ/সার্ভিস টি দেওয়া ও অতিরিক্ত আয় করা।
৪/ সহজ লভ্যতার জন্য
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর/ পেশা টি বায়ার ও ফ্রিল্যান্সারদের নিকট সমানভাবে দিন দিন জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ সহজ লভ্যতা।
বায়াররা চাইলে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শুধু কয়েকটা ক্লিক করার মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের অভিজ্ঞ ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান/এজেন্সি দিয়ে যে কোন কাজ/সার্ভিস করিয়ে নিতে পারে। ব্যপারটা খুবই সহজ।
অন্যদিগে ফ্রিল্যান্সাররা চাইলে নিজের স্বাধীন মতো নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শুধু একটি প্রোফাইল খুলে ও নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কীত বিবরনী ও ডোমো কাজের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসে অপর প্রান্তের সেই কাজ/সার্ভিস টি করে অর্থ উপার্জন করতে পারে।
এটাও অনেকটা সহজেই বলা যায়।
ধারণা করা হয় এ জন্যই ফ্রিল্যান্সিং পেশা দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ও ছড়িয়ে পরছে।
এতটুকু পড়রার পর নিশ্চয় আপনার ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বেসিক ধারণা হয়েছে।
আর ফ্রিল্যান্সিং যেহেতু শুধু দক্ষতা ও অভিজ্ঞতর খেলা, তাই আগামী পর্বে জানতে পারবেন কি কি প্রফেশনাল স্কিল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এব কিভাবে করে।
বিঃদ্রঃ
আমাদের দেশের কিছু অসাধু তাবিজ (কোর্স) বিক্রেতা ও কিছু অর্থলোভী অসাধু সাংবাদিকেরা সামান্য কয়টা টাকার জন্য সেই তাবিজ (কোর্স) বিক্রেতার দালালি করতে গিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কে অনেক রং চং মাখিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করে।
এতে নতুন যারা এ সেক্টরে আসতে চায় তারা অনেক ভুল ধারণা নিয়ে সেই তাবিজ (কোর্স) বিক্রেতার খপ্পরে পরে সর্বস্ব হারিয়ে শেষ মেষ ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে গালি দিয়ে চলে যায়।
29/03/2024
একটি ফুল ফোটার আগেই ঝরে যায়,,
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যারা এসে শুরুতেই ধোকা খান তাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন বিষয়ক ব্লগ আসছে..............
04/01/2024
একটি আদর্শ লোগোর ৫ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে
অথবা, কোন Shape/ symbol/ text/ image/ illustration এর সমন্বিত ব্যবহার লোগো হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে
সেই শর্ত বা বৈশিষ্ট্য গুলো হলো:
01. Simple/ Simplicity
02. Scalable
03. Memorable/ Impactful
04. Versatile
05. Relevant
এবার আসুন বিস্তারিত জানি,,,,
1. Simple/ Simplicity:
Logo Design অবশ্যই Simple হতে হবে, যাতে যে কোন শ্রেণির মানুষ দেখা মাত্রই সহজে চিনতে পারে এবং বুঝতে পারে।
সিনিয়র ডিজাইনারদের মতে:
“লোগো ডিজাইন এমন ভাবে করা উচিৎ, যে কেহ দেখা মাত্রই যেন মনে করে, এটা তো আমি দুই মিনিটেই তৈরি করতে পারবো”
কেন Simple হতে হবে?
আমরা জানি,
Logo Design হলো Brand Identity এর অন্যতম প্রধান উপাদান।
অথবা, Brand এর Face বা চেহারা।
কোন একটি ব্রেন্ড বা ব্রেন্ডের প্রোডাক্ট/সার্ভিস যাতে সর্বশ্রেণির মানুষ অতি সহজেই চিনতে পারে এবং মনে রাখতে পারে, এ জন্য Identity/ Face বা চেহারা হিসেবে Logo ব্যবহৃত হয়।
আর কোন একটি Brand প্রতিষ্ঠিত হয় সমগ্র পৃথিবীতে বা কোন একটি নির্দিষ্ট দেশে বা এরিয়াতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য।
তাই আমরা যদি সমগ্র পৃথিবী বা কোন একটি নির্দিষ্ট দেশ বা এরিয়ার কথা চিন্তা করি বা কোন একটা নির্দিষ্ট ভূখন্ড এর কথা চিন্তা করি, তাহলে আমরা দেখতে পাই সেখানে ১০০% মানুষ অক্ষর জ্ঞান সমৃদ্ধ নয়।
অল্প সংখ্যক হলেও অক্ষর জ্ঞানহীন বা অক্ষর জ্ঞান কম এমন মানুষ রয়েছে। তাছাড়া বাচ্চারা তো রয়েছেই।
ঐ শ্রেণির মানুষ গুলো যেহেতু অক্ষর জ্ঞানহীন বা অক্ষর জ্ঞান কম এমন, তাই তারা Logo তে যত কিছুই লিখা থাকুক না কেন বা ব্রেন্ডের নাম পড়ে পড়ে মনে রাখতে পারবে না।
তাই Logo এমন Simple হওয়া উচিৎ যাতে সর্বশ্রেণীর মানুষ সেটা দেখা মাত্রই চিনতে পারে, বুঝতে পারে, মনে রাখতে পারে। চাই তার অক্ষর জ্ঞান থাকুক বা না থাকুক।
অথবা,
Logo Design এমন হওয়া উচিৎ:
”যে কোন দেশের, যে কোন ভাষার , ভাষা গত প্রতিবন্ধকতা থাকলে ও , সেই দেশের বা ভাষার, যে কোন শ্রেণির মানুষ Logo টি দেখা মাত্রই যেন চিনতে পারে, বুঝতে পারে, মনে রাখতে পারে। তাই লোগোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো Simple বা Simplicity”
আমরা বিশ্বের বড় বড় ব্রেন্ডের লোগো গুলো দেখে আসি..........( ছবিতে রয়েছে)
আমরা পৃথিবীর বিখ্যাত বড় বড় কোম্পানিগুলোর Logo গুলোর দিগে যদি তাকাই, তাহলে আমরা এটা দেখতে পাই যে সবগুলো লোগোই Simple.
যে কোন ব্যক্তি Logo গুলো দেখামাত্রই সহজে চিনতে পারবে এবং বুঝতে পারে এবং মনে রাখতে পারে। তাই Logo Design অবশ্যই Simple হতে হবে।
Logo Design কে Simple করার জন্য যে যে বিষয় গুলো ফলো করতে হবে,
*Try to use Basic Shapes (বেসিক সেইপ ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে)
*Try to Finish 8-12 Anchor Point (মাত্র ৮-১২ এঙ্কর পয়েন্টে করার চেষ্টা করতে হবে)
*Try to minimalist (মিনিমাল করার চেষ্টা করতে হবে)
*Try to Follow the Grid System (গ্রিড সিসটেম ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে)
এবার আসেন এগুলো বিস্তারিত জানি.....
* Try to use Basic Shapes
Logo Design কে Simple করার জন্য Basic Shapes: Circle Triangle, Rectangle and Square ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
(অবশ্যই Shapes Psychology অনুযায়ী)
* Try to Finish 8-12 Anchor Point
Logo Design কে Simple করার জন্য মাত্র ৮-১২ এঙ্কর পয়েন্টে লোগো ডিজাইন টি শেষ করার চেষ্টা করতে হবে। (বিশেষ করে লোগোর মূল Shape টি)
* Try to Minimalist
Logo Design Complex হওয়া উচিৎ নয়। চেষ্টা করতে হবে যতটা Simple করা যায়।
এ জন্য Minimalist করার চেষ্টা করতে হবে । এতে লোগো টি Neat and clean দেখাবে। এবং সহজেই যে কেহ বুঝতে পারবে।
বিশেষ করে মর্ডান লোগো অবশ্যই Minimalist করতে হবে।
* Try to Follow the Grid System
Logo Design কে Simple করার জন্য Grid System ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।এতে লোগো টি Minimalist বা Neat and Clean দেখাবে। এবং সহজেই যে কেহ বুঝতে পারবে।
(Grid System সম্পর্কে জানতে Google করতে পারেন)
2. Scalable:
Logo Design এর ক্ষেত্রে Scalable বলতে যেটা বোঝায় তা হলো:
Logo Design এমন ভাবে করতে হবে, Logo টি কাজের প্রয়োজনে যত ছোট-বড় করা হোক না কেন, লোগোর মূল ম্যাসেজ বা মূল বিষয়/সেইপ টি স্পষ্ট বুঝা যাবে। ছোট-বড় হওয়ার কারণে কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না।
বিশেষ করে বলা হয়ে থাকে Favicon Size ( 16*16 Pixel ) এ কোন Logo কে কনভার্ট করা হলেও লোগোর যে মূল ম্যাসেজ, সেটাতে কোন প্রভাব পড়বে না। এত ছোট করার পরও লোগোর মূল ম্যাসেজ/ আকৃতি ঠিক থাকবে। তাকেই Scalable বলে।
3. Memorable/Impactful:
Logo Design এর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো Memorable/ Impactful.
Memorable/ Impactful মানে হলো:
Logo Design এমন ভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে এটি দেখা মাত্রই মনে রাখা যায় বা মনে রাখার মতো হতে হবে। লোগোর অন্যতম একটি উদ্দেশ্যই থাকে এটি।
অনেক সিনিয়র ডিজাইনারদের মতে:
”যে Logo দেখার মাত্র ১- ৩০ সেকেন্ড পর সেটা মনে রাখা যায় বা মনে রাখার মতো হয়, সেটাই Memorable/ Impactful Logo”
আর যেটা মনে রাখা যায়না বা মনে রাখার মতো না হয়, তাহলে সেটি প্রফেশনাল মানের লোগো নয়। সেটির দ্বারা লোগোর মূল উদ্দেশ্য হাসিল হবে না।
তাই লোগো অবশ্যই Memorable/ Impactful হতে হবে।
4. Versatile/Flexible/Multipurpose:
Logo Design এর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো Versatile/ Flaxible/ Multipurpose.
Versatile/ Flaxible/ Multipurpose মানে হলো:
”Logo Design টি ব্যবহারের প্রয়োজনে যে কোন স্থানে, যে কোন কালারে স্থানান্তর/রুপান্তর করা হোক না কেন, লোগোটি দেখতে সুন্দর লাগবে এবং লোগোর মূল ম্যাসেজ/বিষয় টি স্পষ্ট বুঝা যাবে।”
এ জন্য Logo Design করার সময় কয়েকটি কালার ভেরিয়েন্টে করতে হবে।
বিশেষ করে লোগোর মূল কালার ছাড়াও এটাকে বিভিন্ন কালারে স্থানান্তর/রুপান্তর করতে হবে, অন্তত সাদা-কালো ভার্সনে স্থানান্তর/রুপান্তর করে দেখতে হবে মূল ম্যাসেজ/বিষয়টি ফুটে উঠছে কিনা।
অনেক লোগো ডিজাইনার, লোগো ডিজাইন করার সময় এ বিষয়টা খেয়াল রাখে না বিধায়, লোগো ডিজাইন টি ডিভাইসে/ওয়েব ভার্সনে ভালো দেখা গেলেও প্রিন্ট দিতে গেলে অথবা বিভিন্ন ভেরিয়েশনে ব্যবহার করতে গেলে ফুটে উঠে না।
এ জন্য
Logo Design করার সময় ক্লাইন্ট এর বিজনেস সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।
ক্লাইন্ট লোগোটি বা Brand Identity টি কোন কাজে ব্যবহার করবে ?
কোথায় ব্যবহার করবে ?
যদি প্রিন্ট ও ওয়েব দুই জায়গায় ব্যবহার করা হয় তাহলে এমন ভাবে করতে হবে যাতে দুই জায়গাই ফুটে উঠে সে অনুযায়ী করতে হবে।
তাই লোগো ডিজাইন করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, লোগো টি যেন অবশ্যই Versatile/ Flaxible/ Multipurpose হয়।
5. Relevant:
Logo Design এর সর্বশেষ বৈশিষ্ট্য হলো Relevant.
Relevant মানে হলো:
”Logo Design টি এমন হতে হবে, যাতে Brand এর মূল ম্যাসেজ/ ধরণ/ সার্ভিস/ প্রতিনিধিত্ব টি লোগোতে প্রতিফল ঘটে”
তার মানে এই না যে, সরাসরি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস রিলেডেট সেইপ দিয়ে সরাসরি লোগো ডিজাইন করা। এ জন্য কিছু কৌশল রয়েছে।
Relevant করার জন্য যে যে বিষয় গুলো প্রয়োজন হয়:
*Shapes Psychology অনুযায়ী Logo Design তৈরি করতে হবে।
*Color Psychology অনুযায়ী Logo Design তৈরি করতে হবে।
*উপযুক্ত টাইপোগ্রাফি ব্যবহার করতে হবে।
*Negative Space ব্যবহার করার মাধ্যমে
*Effect/ Shadow ব্যবহার করার মাধ্যমে
এ বিষয় গুলো ফলো করে লোগো ডিজাইন করলে আপনার লোগোটি অবশ্যই Relevant হবে।
এ ৫টি বিষয় মাথায় রেখে Logo Design করলে আপনার লোগোটি অবশ্যই ইউনিক এবং সুন্দর প্রফেশনাল মানের হবে।
লেখক ও গবেষক
--------------
মোঃ ইউসুফ
প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার
(লোগো ডিজাইনার)
Contact and Follow
E-mail: [email protected]
Facebook: https://www.facebook.com/mdyousuffb2
Twitter: https://twitter.com/mdyousuffb
Linkedin: https://www.linkedin.com/in/mdyousuffb/
Behance: https://www.behance.net/mdyousuffb
Dribbble: https://dribbble.com/mdyousuffb
Instagram: https://www.instagram.com/mdyousuffb/
যে কোন সমস্যায় গ্রুপে পোস্ট করুণ: FBIT School
পেইজে মেসেজ দিতে পারেন: FBIT School
03/01/2024
২য় প্রশ্ন: আপনার মতে একটি আদর্শ লোগো কি কি বৈশিষ্ট্য থাকা উচিৎ?
02/01/2024
লোগো ডিজাইন কি ?
Logo Design হলো:
”কোন Brand/ Business/ Organization/ Institute কে ইউনিক/ সম্পূর্ণ আলাদাভাবে চেনার জন্য Shape/ symbol/ text/ image/ illustration এর সমন্বিত ব্যবহার কে Logo বলে”
Logo Design এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ:
Logo Design এর উৎপত্তি:
লোগোর ইতিহাস খুজতে হলে আমাদের কে প্রাচীন কালে ফিরে যেতে হবে। যখন মানুষ পারিবারিক ক্রেষ্ট, হায়ারোগ্লিফ এবং প্রতীকবাদ এ ব্যবহৃত হতো।
বিশেষ করে প্রাচীন রোমান সভ্যতার বিভিন্ন গোষ্ঠী বা ফ্যামিলি কে আলাদা ভাবে চেনার আংটির মধ্যে বিশেষ নকশা বা প্রতিক ব্যবহার করতো।
প্রাচীন লোগো গুলোর প্রাথমিক সংস্করণগুলো ধারণা করা হয় (আনুমানিক ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে) বিকশিত হয়েছিল, কারণ তখন দোকান এবং সরাইখানা গুলো নিজেরদের উপস্থাপন করার জন্য সাইনবোর্ড ব্যবহার করছিলো।
প্রথম আধুনিক লোগো ডিজাইন গুলো ১৯০০ এর দশকের গোড়ার দিকে তৈরি করা হয়েছিল এবং মুদ্রণ শিল্পের পাশাপাশি বিকশিত হয়েছিলো।
এছাড়া কৃষি ক্ষেত্রে লোগোর ব্যবহার দেখা যায়
প্রাচীন কাল থেকেই কৃষি ক্ষেত্রে Shape/ symbol/ text এর ব্যবহার বা Logo এর ব্যবহার হয়ে আসছে।
মানুষ যখন মাঠে গবাদি পশু চরাতো তখন হাজার হাজার গবাদী পশুর মাঝে নিজেদের পশু চেনার জন্য আলাদা একটি বিশেষ Shape/ symbol/ text/ অথবা Logo এর ব্যবহার করতো।
Logo Design এর ক্রমবিকাশ:
Logo Design এর ইতিহাস অনেক প্রাচীন। Logo Design এর ক্রমবিকাশ সম্পর্কে আমরা সংক্ষিপ্ত ভাবে জানবো।
বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন জিনিস কে আলাদা করে চিহ্নিত করার প্রয়োজনে লোগোর উৎপত্তি হয়েছে।
বিশেষ করে কৃষি বিপ্লবের পর গ্রেট ব্রিটেন, ইউরোপ মহাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যে যখন শিল্প বিপ্লব হয়, তখন বিভিন্ন কোম্পানি/ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে এবং ব্যাপক প্রচার-প্রসার হয় তখন একই ধরণের পণ্য/সার্ভিস ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি উৎপাদন করে আসছিলো। তখন যে পণ্য/সার্ভিস টি থেকে মানুষের ভালো অভিজ্ঞতা পেয়ে আসছিলো, সেটির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান/ ব্রেন্ড কে যেন মানুষ সহজেই মনে রাখতে পারে, সেই প্রয়োজনেই Logo Design ডিজাইন এর উৎপত্তি হয়েছে ও দিন দিন জনপ্রিয়তা পেয়ে আসছে।
বর্তমানে Logo বলতে Brand Identity বুঝায়।
বর্তমান তীব্র প্রতিযোগীতা মূলক বাজারে একটি ব্রেন্ড কে ইউনিক ভাবে চিহ্নিত করতে লোগোর বিকল্প নেই। কারণ
Logo Design হলো এমন একটি প্রতীক, যা Text এবং Image/Illustration এর সমন্বয়ে তৈরি হয়। যা একটি ব্যবসায় কে ইউনিক ভাবে/আলাদাভাবে চিহ্নিত করে।
একটি ভালো Logo কোম্পানি কি করে বা এর প্রোডাক্ট/সার্ভিস গুলো কি এবং এর ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রকাশ করে।
লোগো একটি ব্র্যান্ড কে প্রতিনিধিত্ব করে।
লোগো হল একটি কোম্পানির চেহারা বা ফেইস হিসেবে কাজ করে।
আমরা জানি Brand identity এর প্রধান উপাদান হলো Logo. অর্থাৎ একটি ব্র্যান্ড কে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য প্রধান উপাদান হলো Logo.
এক কথায় বলা যায় Logo হল একটি প্রতিষ্ঠানের Face চেহারা।
কোন Shape/ symbol/ text/ image/ illustration লোগো হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
সেগুলো হলো:
Simple
Scalable
Memorable/Impactful
Versatile
Relevant
এগুলো নিয়ে আমরা পরবর্তী ব্লগে বিস্তারিত জানবো।
Logo Design Category (লোগো ডিজাইনের প্রকারভেদ)
সাধারণত Logo Design কে ৭ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:-
Monogram (or letter mark) logos
Wordmark logos
Pictorial mark logos
Abstract logo marks
Mascot logos
The combination mark
The emblem
এগুলো নিয়ে আমরা পরবর্তী ব্লগে বিস্তারিত জানবো।
আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। পরবতী ব্লগ পড়ার আমন্ত্রন রইল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Goalmathan, Razapara, Sadar Dhakkgin, Comilla, Goalmathan, Razapara, Sadar Dhakkgin
Comilla
3500