আপনার সঙ্গে কিছু ঘটে তবেই কি আপনি ফিরে
যাবেন আপনার প্রভুর দিকে? নিজেকে একবার
জিজ্ঞেস করুন। হয়তো আপনার একটি গাড়ি
দুর্ঘটনা হবে আর সেই ঘটনার মাধ্যমে আপনি
আল্লাহর দিকে ফিরে যাবেন। হয়তো আপনি
আপনার সম্পদ হারাবেন বা এমন এক মুসিবতের
মুখে পড়বেন যে আপনার জীবনের সুখ কেড়ে
নেবে। আর তখনই আপনি রবের কাছে আশ্রয়
চাইবেন। হয়তো যেদিন আপনি হারাবেন
পরিবারের কাউকে যাকে আপনি খুব ভালোবাসতেন
যখন আপনার হৃদয় বেদনায় ভরে যাবে ঠিক
তখনই কেবল আপনি আল্লাহর কাছে ফিরে যাবেন।
কিন্তু কেন আমরা কেবল আমাদের প্রভুকে
স্মরণ করব কিছু হারানোর পর? আসলে সমস্যাটা
এখানেই। তার দেওয়া নিয়ামতের কারণে আমরা
আল্লাহকে ভুলে যাই। আর তখন সেই নিয়ামত
আমাদের থেকে কেড়ে নেওয়া হয় তখনই কেবল
আমরা স্মরণ করি তাকে যিনি আমাদের এই
নিয়ামত শুরু থেকেই দিয়েছিলেন। আমাদের
সবসময় মনে রাখা উচিত যা কিছু আমরা
পেয়েছি সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর সবসময়
তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত তার প্রতিটি
নিয়ামতের জন্য।
Quran-Majid
Read Holy Quran Online in Arabic, Bangla and English Language
23/09/2025
আল্লাহর সৃষ্টি নিখুঁত অতুলনীয় সীমাহীন 💬🗨️🌳
"আল্লাহর অস্তিত্ব"
এটি একটি মহান ও চিরন্তন প্রশ্ন, যা মানুষ যুগে যুগে চিন্তা করেছে। এটি একটি বিশ্বাস, একটি দার্শনিক প্রশ্ন, এবং অনেকের জন্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধি।
---
🌙 ইসলাম ধর্মে আল্লাহর অস্তিত্ব:
✨ কুরআন বলছে:
> "তিনি আল্লাহ, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন..."
— (সূরা আনআম 6:101)
> "তোমাদের রব কি যথেষ্ট নন? নিশ্চয়ই তিনি সব কিছুর উপর রক্ষক।"
— (সূরা হা-মীম আস-সাজদাহ 41:53)
➡️ ইসলামে, আল্লাহ হচ্ছেন একমাত্র, অদৃশ্য, নিরাকার, সর্বশক্তিমান স্রষ্টা, যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং পরিচালনা করছেন।
---
🧠 দার্শনিক যুক্তি দিয়ে আল্লাহর অস্তিত্ব:
১. কারণ ও কার্য (Cosmological Argument):
সব কিছুর একটি কারণ আছে।
পৃথিবী, মহাবিশ্ব, জীবন – এসব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে।
তাহলে, একটি "অসৃষ্ট স্রষ্টা" থাকা চাই — যিনি নিজে সৃষ্টি নন, কিন্তু সবকিছুর স্রষ্টা।
➡️ তিনি হচ্ছেন আল্লাহ।
---
২. নকশা তত্ত্ব (Design Argument):
জীবজগতে ও মহাবিশ্বে অগণিত নিখুঁত বিন্যাস ও জটিলতা আছে (যেমন: DNA, চোখ, সৌরজগৎ)।
এটি কাকতালীয় বা অজান্তে হতে পারে না। ➡️ এর পেছনে থাকতে হয় একজন বুদ্ধিমান নকশাকারী — অর্থাৎ আল্লাহ।
---
৩. নৈতিকতা তত্ত্ব (Moral Argument):
মানবজাতি ভালোমন্দ জানে, ন্যায়-অন্যায় বুঝে।
এই নৈতিক জ্ঞান কোথা থেকে আসে? ➡️ একটি উচ্চতর নৈতিক উৎস (ঈশ্বর) না থাকলে এটি ব্যাখ্যা করা কঠিন।
---
৪. ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা:
অনেক মানুষ তাঁদের জীবনে প্রার্থনা, দুঃখ, আনন্দ বা বিপদের সময়ে আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করেন।
এসব অভিজ্ঞতা বিজ্ঞানে পরিমাপযোগ্য না হলেও, মানুষের জন্য গভীর বাস্তবতা।
---
❓ তাহলে কি বিজ্ঞান আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারে?
বিজ্ঞান পরীক্ষাযোগ্য জিনিস নিয়ে কাজ করে — যেমন বস্তু, শক্তি, পদার্থ।
আল্লাহ হলেন অধিবাস্তব (transcendent) — তিনি পদার্থগত জগতের বাইরে, তাই বিজ্ঞানে সরাসরি প্রমাণযোগ্য নন।
> ✨ যেমন আপনি ভালোবাসা "ছুঁতে" পারেন না, কিন্তু আপনি তা "অনুভব" করেন।
তেমনি, আল্লাহর অস্তিত্বও অনুভব, যুক্তি ও বিশ্বাসের সমন্বয়।
---
🕊️ নাস্তিকদের দৃষ্টিভঙ্গি:
অনেকে বলেন: “যা দেখা যায় না, তা বিশ্বাস করি না।”
তবে তারা নিজেরাই অনেক অদৃশ্য জিনিসে বিশ্বাস করে:
মস্তিষ্কের "চেতনা", ভালোবাসা, মহাবিশ্বের শুরু ইত্যাদি — যেগুলো প্রমাণ করা কঠিন।
---
✅ উপসংহার:
> আল্লাহর অস্তিত্ব একটি বিশুদ্ধ বিশ্বাসের বিষয়, যা যুক্তি, অনুভব এবং হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করা যায়।
যারা বিশ্বাস করে, তাদের জন্য তিনি আছেন।
যারা খুঁজে পেতে চায়, তাদের জন্য কুরআন, সৃষ্টি ও বিবেক উন্মুক্ত।
যারা অস্বীকার করে, তাদের জন্য আল্লাহ বলেন:
> “তারা কি নিজের প্রতি খেয়াল করে না? আমি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি যথাযথভাবে।”
— (সূরা রূম 30:8)
এক বিদ্যান ব্যক্তি ছিলেন। নিজ দেশের একজন
দরবেশের মত এই মানুষটি ছিলেন দানবীর যিনি
প্রচুর দান করতেন । তিনি সদাগরদের কাছ থেকে
প্রচুর অর্থ ধার করতেন। ধার করার সমস্ত
টাকা তিনি সৎকর্মে ব্যয় করতেন আল্লাহর
উপর তার ভরসা ছিল। আল্লাহ তাকে প্রচুর ধন
সমৃদ্ধি দিয়েছিলেন আর সেসব দিয়েই তিনি
তার ঋণ শোধ করতেন। তার কখনো কোন সমস্যা
হয়নি। একদিন তিনি অসুস্থ হয়ে মৃত্যু
সজ্জায় পড়লেন কঠিন অসুখ হয়েছিল তার।
লোকে তাকে দেখতেই তার বাড়িতে এলো কিন্তু
এর মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই ছিল তার
পাওনাদারেরা। সত্যি বলতে তারা আসলে তাদের
ঋণের শোধ চাইতেই এসে এসেছিলেন। তারা
নিজেদের মধ্যে কথা বলাবলি করছিল যে মৃত্যু
সজ্জায় থাকা লোকটির কাছ থেকে তারা টাকা
চাইতে পারছে না। সেই দরবেশ লোকটি তাদের কথা
শুনছিল। তার কাছে আমি এত পাই তার কাছে আমি
অত পাই এসব কে শোধ করবে কি করে হবে। সব
পরিস্থিতি দেখে সেই দরবেশ ভীষণ কষ্ট পেলেন
তিনি ভাবলেন একজন ভালো
মানুষকে হারানোর দুঃখের চাইতে একজন
আল্লাহর হাবিবকে হারানোর দুঃখের চাইতে
তাদের কাছে টাকাই বড়। সেই সময় পাশ দিয়ে
একটি শিশু যাচ্ছিল। সে ছিল মিষ্টির কারিগর
এবং হালুয়া বিক্রি করছিল । শিশুটি যখন পাশ
দিয়ে গেল তিনি তার শিষ্যদের বললেন ওই
শিশুটিকে ডাকো। তারা শিশুটিকে ডাকলো। তিনি
বললেন তোমার মিষ্টিগুলো সবাইকে দাও তখন
শিশুটি সবার হাতেই কিছু মিষ্টি দিল। সবাই
সেটা খেল স্বাভাবিকভাবে সবগুলো মিষ্টি শেষ
হয়ে গেল । মিষ্টিগুলো শেষ হওয়াতেই বালকটি
ভীষণ খুশি হলো মিষ্টি বিক্রি করতে তাকে আর
দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হলো না । সে ভাবলো তার
মালিকের কাছে পুরো দিনের বিক্রি নিয়ে
ফিরতে পারবে। সে দরবেশ লোকটির কাছে মিষ্টির
টাকা চাইলো তখন সে বলল আমার কাছে কোন টাকা
নেই । বালকটি ভীষণ অবাক হলো কোন টাকা নেই
আবার কেমন কথা। টাকা কোথায় আমি তো সব
মিষ্টি দিয়ে দিলাম সবাই খেয়েও ফেলেছে।
দরবেশ বললেন কোন টাকা নেই তুমি যাও। তিনি
একথা বলতেই বালকটি কাঁদতে শুরু করল। এই
সময় সওদাগরেরাও গজগজ করতে শুরু করল তার
কাছে কোন টাকা নেই আবার এই বালকটির কাছ
থেকেও সে সব টাকা নিয়ে নিল আমাদের সাথেও
এমনটাই করেছেন। বালকটি কাঁদতে শুরু করার পর
লোকজন আরো ক্ষেপে উঠলো তাদের ক্ষেপে উঠতে
দেখে বালকটি তার ট্রে মেঝেতে আছড়ে ফেলে
বলল আমি আমার মালিককে কি জবাব দেবো। আমার
সব হালুয়া শেষ হয়ে গেছে সে আমায়
জিজ্ঞেস করবে ওগুলো কি করেছো তিনি আমায়
আরো কত কথা শোনাবেন। বালকটির কান্নায়
পরিবেশ ভারী হয়ে উঠলো। ঠিক তখনই দরজায়
কারো ঠোকা পড়লো । তারা দরজা খুলে দিল কে
ওখানে দরবেশ প্রশ্ন করল কে ওখানে। এক লোক
ভেতরে এসে বলল একজন মুসলিম আপনাকে এই
যাকাত পাঠিয়েছেন। দরবেশের কাছে লোকগুলোর
কত টাকা পাওনা ছিল হালুয়া গুলো সহ 4000
লিরা। তিনি
বললেন সবাইকে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দাও ওই
বালকটির পাওনা বুঝিয়ে দাও। তিনি সবাইকে
বললেন এবার বিদায় দাও। তারা বলল কি করেছি
আমরা। আমার এক মহান আলেমকে অসম্মান করেছ।
যখন তাদের সবার অনুশোচনা হলো তখন দরবেশ
তাদের বললেন তো এর থেকে তোমরা কি শিখলে। এই
টাকা আমার কাছে এমনিতেই আসতো এটা পূর্ব
নির্ধারিত। আল্লাহ এই নেয়ামত আমাদের জন্য
রেখেছিলেন শুধু সময়টা একটু পিছিয়ে
গিয়েছিল। আরো বেশ কিছু সময় বাকি ছিল যখন
তোমরা আমার ঋণ নিয়ে আলোচনা করলে। যখন আমার
বিরুদ্ধে কথা বললে তোমরা যাতে কুৎসা বা
গীবত করতে না পারো এই শিশুটি আমাকে রক্ষা
করল। আমি বালকটির কাছ থেকে মিষ্টি কিনলাম
যখন টাকা দিতে পারিনি সে কাঁদতে শুরু করল।
এই শিশুর কান্নায় অর্থের যোগান আরো দ্রুত
হয়ে গেল আর একেবারে ঠিক সময় এসে পৌঁছালো।
তোমাদের অর্থ তোমাদের দিলাম এবার বিদায়
দাও আর আমিও তোমাদের থেকে বিদায় নিই। ঠিক
যেভাবে শিশুটির কান্না আল্লাহর রহমতকে আরো
তরান্বিত করেছিল। ইসরায়েলের অত্যাচার নিপীড়ন
ঠিক একইভাবে আল্লাহর আজাব কে এগিয়ে আনে
তাই আজকে গাঁজায় এই শিশুদের কান্না এই
বাচ্চাদের কান্না শাহাদাত বরণকারীদের
কান্না এইসবই আল্লাহর আজাবকে আরো দ্রুততর
করে তুলবে। তারা মানুষকে যত বেশি অত্যাচার
করবে তাদের ধ্বংস তত দ্রুত ঘনিয়ে আসবে
এবং ইনশাল্লাহ অতি শীঘ্রই আমরা দেখব যে
ইসরাইল রাষ্ট্র এতসব অত্যাচারের পর টিকে
থাকতে ব্যর্থ হয়েছে। যেমনটা আল্লাহতালা
পবিত্র কুরআনে বলেছেন তারা প্রথমবার
সীমালঙ্ঘন করেছে দ্বিতীয়বারও সীমালঙ্ঘন
করেছে তৃতীয়বারও করেছে।
যদি তোমরা আবারও সীমালঙ্ঘন করো আমি তোমাদের ধ্বংস করব। (১৭:৮)।
নিশ্চয় সারা পৃথিবী জুড়ে সীমালঙ্ঘন করছে
যার পেছনে ইসরাইলিরা রয়েছে এবং গাজার
নিরস্ত নিরপরাধ মানুষেরা তার মূল্য দিয়ে
চলেছে। আমি আশা করি এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস
করি অতি শীঘ্রই ইসরাইল রাষ্ট্রের উপর এক
ভয়ঙ্কর দুর্যোগ ঘনিয়ে আসবে এবং ইসরাইল
রাষ্ট্র ভেঙে পড়বে। আল্লাহ আমাদের সেই দিন
দেখার তৌফিক দান করুন।
Source:Towards eternity channel
আল্লাহ্ শ্রেষ্ট পরিকল্পনাকারী
An-Naml 27:82
And when the word [i.e., decree] befalls them, We will bring forth for them a creature from the earth speaking to them, [saying] that the people were, of Our verses, not certain [in faith].
An-Najm ৫৩:৫-১৮
(5) তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিধর,
(6) প্রজ্ঞার অধিকারী*। অতঃপর সে স্থির হয়েছিল,
* জিবরীল।
(7) তখন সে ঊর্ধ্ব দিগন্তে।
(8) তারপর সে নিকটবর্তী হল, অতঃপর আরো কাছে এল।
(9) তখন সে নৈকট্য ছিল দু’ ধনুকের পরিমাণ, অথবা তারও কম।
(10) অতঃপর তিনি তাঁর বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন।
(11) সে যা দেখেছে, অন্তকরণ সে সম্পর্কে মিথ্যা বলেনি।
(12) সে যা দেখেছে, সে সম্পর্কে তোমরা কি তার সাথে বিতর্ক করবে?
(13) আর সে তো তাকে* আরেকবার** দেখেছিল।
* জিবরীলকে।
(14) সিদরাতুল মুনতাহার* নিকট।
* সিদরাতুল মুনতাহা হল সপ্তম আকাশে আরশের ডান দিকে একটি কুল জাতীয় বৃক্ষ, সকল সৃষ্টির জ্ঞানের সীমার শেষ প্রান্ত। তারপর কি আছে, একমাত্র আল্লাহই জানেন।
(15) যার কাছে জান্নাতুল মা’ওয়া* অবস্থিত।
* ফেরেশতা, শহীদদের রূহ ও মুত্তাকীদের অবস্থানস্থল।
(16) যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল।
(17) তার দৃষ্টি এদিক-সেদিক যায়নি এবং সীমাও অতিক্রম করেনি।
(18) নিশ্চয় সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ থেকে দেখেছে।
(5) Taught to him by one intense in strength [i.e., Gabriel] -
(6) One of soundness.[1] And he rose to [his] true form[2]
(7) While he was in the higher [part of the] horizon.[1]
(8) Then he approached and descended
(9) And was at a distance of two bow lengths or nearer.
(10) And he revealed to His Servant[1] what he revealed [i.e., conveyed].
(11) The heart[1] did not lie [about] what it saw.
(12) So will you dispute with him over what he saw?
(13) And he certainly saw him in another descent[1]
(14) At the Lote Tree of the Utmost Boundary -
(15) Near it is the Garden of Refuge [i.e., Paradise] -
(16) When there covered the Lote Tree that which covered [it].[1]
(17) The sight [of the Prophet (ﷺ)] did not swerve, nor did it transgress [its limit].
(18) He certainly saw of the greatest signs of his Lord.
Al-An'am ৬:১
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَجَعَلَ الظُّلُمٰتِ وَالنُّوْرَ ؕ ثُمَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِرَبِّهِمْ يَعْدِلُوْنَ
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীন এবং সৃষ্টি করেছেন অন্ধকার ও আলো। তারপর কাফিররা তাদের রবের সমতুল্য স্থির করে।
All praise is due। to Allāh, who created the heavens and the earth and made the darkness and the light. Then those who disbelieve equate [others] with their Lord.
কুরআন অ্যাপ পেতে: https://gtaf.org/apps/quran
An-Najm ৫৩:৩২
اَلَّذِيْنَ يَجْتَنِبُوْنَ كَبٰٓئِرَ الْاِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ اِلَّا اللَّمَمَ ؕ اِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الْمَغْفِرَةِ ؕ هُوَ اَعْلَمُ بِكُمْ اِذْ اَنْشَاَكُمْ مِّنَ الْاَرْضِ وَاِذْ اَنْتُمْ اَجِنَّةٌ فِيْ بُطُوْنِ اُمَّهٰتِكُمْ ۚ فَلَا تُزَكُّوْۤا اَنْفُسَكُمْ ؕ هُوَ اَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰي
Bangla - Bayaan Foundation
যারা ছোট খাট দোষ-ত্রুটি ছাড়া বড় বড় পাপ ও অশ্লীল কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকে, নিশ্চয় তোমার রব ক্ষমার ব্যাপারে উদার, তিনি তোমাদের ব্যাপারে সম্যক অবগত। যখন তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যখন তোমরা তোমাদের মাতৃগর্ভে ভ্রূণরূপে ছিলে। কাজেই তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না। কে তাকওয়া অবলম্বন করেছে, সে সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত।
English - Sahih International
Those who avoid the major sins and immoralities, only [committing] slight ones. Indeed, your Lord is vast in forgiveness. He was most knowing of you when He produced you from the earth and when you were fetuses in the wombs of your mothers. So do not claim yourselves to be pure; He is most knowing of who fears Him.
Copy paste from : https://gtaf.org/apps/quranp
12/06/2024
From 1966 onward Coca-Cola has been a staunch supporter of Israel.[47] According to the Israeli Consulate in Atlanta "The Consulate and Coca-Cola share a strong relationship and the firm is one of Israel's close trading partners."[34]
In 1997 the Government of Israel Economic Mission honored Coca-Cola at the Israel Trade Award Dinner for its continued support of Israel for the last 30 years and for "refusing to abide by the Arab League economic boycott of Israel. For decades, this cost Coca-Cola the opportunity to sell its products in Arab countries." [48] [ In contrast Pepsi abided by the Arab League boycott of Israel which ended in May 1991, after 1992 Pepsi is also trading in Israel - see [49] ]
Close ties to American-Israel Chamber of Commerce
Coca Cola has always been very closely linked to the American-Israel Chamber of Commerce (AICC). The AICC's mission statement is to boost the Israeli economy by fostering business relationships between Israel and the US (Southeast). Since its founding in 1992, AICC has been involved in completed transactions with Israel valued at more than $950 million.
Full story
http://www.inminds.com/boycott-coca-cola.html
No thanks! App for finding Complete list of Israleli products/services link
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.bashsoftware.boycott
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Chittagong