Sure-Fire Trading School

Sure-Fire Trading School

Share

When you first start FX trading, it might seem like a bit of information overload.There is so much opportunity to build your career and more earn.

17/05/2026
14/05/2026

"Gold prices inch higher with Trump-Xi meeting in focus"

https://in.investing.com/news/commodities-news/gold-steady-ahead-of-trumpxi-talks-oildriven-inflation-concerns-weigh-5404886

প্রদত্ত প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওপর উভয়মুখী (বাড়তি এবং কমতি) প্রভাব কাজ করছে। তবে বর্তমানে দাম কমার বা স্থিতিশীল থাকার চাপই বেশি শক্তিশালী মনে হচ্ছে।
​সহজভাবে বোঝার জন্য পয়েন্টগুলো নিচে দেওয়া হলো:
​১. কেন দাম কমতে পারে (নেতিবাচক প্রভাব):
​উচ্চ সুদের হার: যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও দীর্ঘ সময় বেশি রাখতে পারে। সুদের হার বেশি থাকলে মানুষ স্বর্ণের বদলে ব্যাংকে বা বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী হয়, ফলে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম কমে।
​শক্তিশালী ডলার: মার্কিন ডলারের মান বাড়লে অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে স্বর্ণ কেনা দামী হয়ে যায়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়।
​ভারতের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি: ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় স্বর্ণ আমদানিকারক দেশ। সেখানে শুল্ক ৬% থেকে বাড়িয়ে ১৫% করায় দেশটিতে স্বর্ণের চাহিদা কমবে, যা বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
​বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা: ট্রাম্প ও শি জিনপিং-এর বৈঠকের পর যদি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত হয়, তবে বাজারে অনিশ্চয়তা কমবে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের কদর তখন কমে আসবে।
​২. কেন দাম বাড়তে পারে (ইতিবাচক প্রভাব):
​ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা স্বর্ণের দামকে ধরে রাখতে সাহায্য করছে। যুদ্ধ বা অস্থিরতার সময় মানুষ নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ কিনে রাখে।
​জ্বালানি তেলের দাম: তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরে থাকলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। এই উচ্চ মূল্যস্ফীতি থেকে বাঁচতে বিনিয়োগকারীরা অনেক সময় স্বর্ণ কিনে থাকেন।
​সারসংক্ষেপ:
​প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম খুব দ্রুত বাড়ার সম্ভাবনা কম। যদিও যুদ্ধ বা সংঘাতের কারণে দাম কিছুটা সাপোর্ট পাচ্ছে, কিন্তু আমেরিকার উচ্চ সুদের হার এবং ভারতের শুল্ক বৃদ্ধির মতো বড় কারণগুলো স্বর্ণের দামকে নিচের দিকে টেনে ধরছে।
​বিনিয়োগকারীরা এখন মূলত পর্যবেক্ষণ করছেন (Wait and watch) যে ট্রাম্প-শি বৈঠক থেকে কোনো বড় সমাধান আসে কি না এবং ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার নিয়ে চূড়ান্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

@

13/05/2026

📊 𝑴𝒖𝒍𝒕𝒊-𝑪𝒐𝒏𝒇𝒍𝒖𝒆𝒏𝒄𝒆 𝑺𝒕𝒓𝒂𝒕𝒆𝒈𝒚
​ট্রেডিংয়ে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো কেবল একটি ইন্ডিকেটরের ওপর নির্ভর না করে একাধিক কনফার্মেশন বা Confluence খুঁজে বের করা। শেয়ার করা ইমেজটিতে আমি এমনই একটি শক্তিশালী সেটআপ ব্যবহার করছি।
​এই স্ট্র্যাটেজির মূল স্তম্ভগুলো কী কী?

​ 𝐅𝐢𝐛𝐨𝐧𝐚𝐜𝐜𝐢 𝐆𝐨𝐥𝐝𝐞𝐧 𝐙𝐨𝐧𝐞: এখানে Fibonacci-র ৫০% থেকে ৬১.৮% লেভেলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যখন প্রাইস এই জোনে আসে, তখন রিভার্সাল বা ট্রেন্ড কন্টিনিউশনের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

​𝐒𝐮𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭 & 𝐑𝐞𝐬𝐢𝐬𝐭𝐚𝐧𝐜𝐞 (𝐒 & 𝐑): চার্টে S1, S2 এবং R1, R2 লেভেলগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত। এগুলো আমাদের এন্ট্রি এবং এক্সিট পয়েন্ট ঠিক করতে সাহায্য করে।

​ 𝐅𝐚𝐢𝐫 𝐕𝐚𝐥𝐮𝐞 𝐆𝐚𝐩 (𝐅𝐕𝐆): এটি মূলত Smart Money Concepts (SMC)-এর একটি অংশ। মার্কেটের ইনব্যালেন্স বা অসামঞ্জস্যতাগুলো পূরণ হওয়ার জন্য প্রাইস প্রায়ই এই লেভেলে ফিরে আসে।
​𝐏𝐢𝐯𝐨𝐭 𝐏𝐨𝐢𝐧𝐭 (𝐏𝐏): মাঝের নীল লাইনটি পিভট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে, যা মার্কেটের ট্রেন্ডের দিক নির্দেশ করে। যা দিনের গড় প্রাইস রেঞ্জ বুঝতে সাহায্য করে।

​𝐌𝐨𝐯𝐢𝐧𝐠 𝐀𝐯𝐞𝐫𝐚𝐠𝐞 & 𝐑𝐒𝐈: অরেঞ্জ কালারের মুভিং এভারেজ এবং নিচের RSI ইন্ডিকেটরটি মার্কেটের মোমেন্টাম এবং ওভারবট/ওভারসোল্ড কন্ডিশন বুঝতে সাহায্য করছে।

​কেন এই সেটআপটি কার্যকর?
​যখন কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রাইস লেভেলে Fibonacci Golden Zone, একটি শক্তিশালী Support এবং RSI সিগন্যাল একসাথে মিলে যায়, তখন সেই ট্রেডটির সফল হওয়ার সম্ভাবনা (Probability) সাধারণ ট্রেডের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
​মার্কেট অ্যানালাইসিস এবং সঠিক রিস্ক ম্যানেজমেন্টই হলো দীর্ঘমেয়াদী সফলতার আসল গোপন সূত্র।

02/05/2026

বাইনারি ট্রেডিং এবং ফরেক্স ট্রেডিংয়ের মধ্যে মূল পার্থক্যগুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো।

*১. বাইনারি বনাম ফরেক্স ট্রেডিং: মূল ধারণা*
​ফরেক্স ট্রেডিং (Forex): এটি হলো বৈদেশিক মুদ্রার বাজার। এখানে একটি মুদ্রার বিপরীতে অন্যটি কেনা বা বেচা হয় (যেমন: EUR/USD)। আপনার লাভ নির্ভর করে প্রাইস কতটুকু মুভ করল তার ওপর। আপনি যতক্ষণ খুশি ট্রেড ধরে রাখতে পারেন।
​বাইনারি ট্রেডিং (Binary): এটি মূলত 'হ্যাঁ' অথবা 'না' এর ওপর ভিত্তি করে চলে। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (যেমন ১ মিনিট বা ৫ মিনিট) প্রাইস আপনার নির্ধারিত লেভেলের উপরে বা নিচে থাকবে কিনা—তা প্রেডিক্ট করতে হয়। এখানে লাভ বা লস ফিক্সড।

*২. ওটিসি (OTC) মার্কেট কি?*
​OTC এর পূর্ণরূপ হলো Over-The-Counter। সাধারণ মার্কেট (যেমন ফরেক্স) যখন শনি ও রবিবার বন্ধ থাকে, তখন ব্রোকাররা তাদের নিজস্ব অ্যালগরিদম বা ডাটা ব্যবহার করে একটি কৃত্রিম মার্কেট চালায়, একেই OTC বলে। এটি কোনো কেন্দ্রীয় এক্সচেঞ্জ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, তাই এই মার্কেটে রিস্ক অনেক বেশি থাকে।
*৩. সুবিধা ও অসুবিধা (Advantages & Disadvantages)*

➤​ফরেক্স ট্রেডিং:
​সুবিধা: দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। মার্কেট অনেক স্বচ্ছ এবং বড় বড় ব্যাংক এখানে কাজ করে।
​অসুবিধা: শিখতে অনেক সময় লাগে এবং প্রফিট করতে ধৈর্য দরকার।

➤​বাইনারি ট্রেডিং:
​সুবিধা: খুব দ্রুত (মিনিটের মধ্যে) রেজাল্ট পাওয়া যায় এবং ইন্টারফেস খুব সহজ।
​অসুবিধা: এটি অনেকটা জুয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে ব্রোকারদের কারসাজি করার সুযোগ থাকে এবং লং টার্মে প্রফিটেবল হওয়া খুব কঠিন।

​📊 ফরেক্স নাকি বাইনারি? কোনটিতে আপনার ক্যারিয়ার গড়বেন?
​অনেকেই আমরা ট্রেডিং শুরু করতে চাই কিন্তু ফরেক্স এবং বাইনারি ট্রেডিংয়ের পার্থক্য বুঝি না। চলুন এক নজরে দেখে নেই:
​✅ ফরেক্স ট্রেডিং (Forex):
এটি মূলত মুদ্রার মান পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে। এখানে আপনি নিজের ইচ্ছামতো ট্রেড ক্লোজ করতে পারেন। প্রপারলি শিখতে পারলে এটি একটি রিয়েল ইনকাম সোর্স।
​✅ *বাইনারি ট্রেডিং (Binary):*
এটি সময়ের খেলা! ১ বা ৫ মিনিটে দাম বাড়বে না কমবে—তার ওপর বাজি ধরা। প্রফিট দ্রুত হলেও এতে লসের ঝুঁকি ১০০%।
​⚠️ *OTC মার্কেট কী?*
শনি ও রবিবার যখন মেইন মার্কেট বন্ধ থাকে, তখন ব্রোকাররা OTC মার্কেট চালু রাখে। মনে রাখবেন, OTC মার্কেট পুরোপুরি ব্রোকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাই এখানে ট্রেড করা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
​💡 *পরামর্শ:*
আপনি যদি ট্রেডিংকে পেশা হিসেবে নিতে চান, তবে ফরেক্স এবং প্রাইস অ্যাকশন শেখার ওপর গুরুত্ব দিন। শর্টকাট ইনকামের পেছনে না ছুটে সঠিক নলেজ নিয়ে মার্কেটে নামুন।

31/03/2026

ট্রেডিং কি শুধুই চার্ট রিডিং আর টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস? দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি— না!
​আমি বুঝতে পেরেছি যে ট্রেডিং আসলে ৩০% স্কিল আর ৭০% নিজের মস্তিষ্কের সাথে যুদ্ধ। আমরা অনেক সময় লস করি শুধু নলেজের অভাবে নয়, বরং আমাদের ব্রেইনের কিছু বায়োলজিক্যাল ফাংশনের কারণে। একে বলা হয় "Trader's Trap"।
​আপনারা যারা ট্রেডিং করছেন, তাদের জন্য আমার নিজের উপলব্ধি থেকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস শেয়ার করছি:

​১. লস কেন হয়? (The Biological Reason)
​আমাদের মস্তিষ্কের একটা অংশ আছে যাকে বলে 'লিম্বিক সিস্টেম'। এটা আমাদের ভয় আর লোভ নিয়ন্ত্রণ করে। যখনই আমরা লস করি, ব্রেইনে Cortisol (মানসিক চাপের হরমোন) বেড়ে যায়। তখন আমাদের বুদ্ধি (Prefrontal Cortex) কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং আমরা রাগের মাথায় 'Revenge Trading' করে আরও বড় লস করে ফেলি।

​২. আমার সমাধান: ৩টি গোল্ডেন রুল 💫
​আমি নিজে এই নিয়মগুলো ফলো করার চেষ্টা করি যা আমাকে অনেক হেল্প করছে:
​ট্রেডিং শুরুর আগে ৫ মিনিট শান্ত হয়ে শ্বাস নিন: এটা শুনতে সিম্পল মনে হলেও, এটি আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে এবং ভুল সিদ্ধান্ত (Impulse decision) নেওয়া কমায়।
​প্ল্যান লিখে রাখুন: মার্কেট খোলার আগেই আপনার এন্ট্রি এবং এক্সিট পয়েন্ট ডায়েরিতে লিখে ফেলুন। যখন স্ক্রিনের সামনে থাকবেন, তখন মাথা গরম হতে পারে, কিন্তু কাগজ আপনাকে সঠিক পথে রাখবে।
​বিরতি নেওয়ার অভ্যাস: টানা ২ দিন ভালো প্রফিট হলে ৩ নম্বর দিনে ট্রেড থেকে বিরতি দিন। আবার যদি একদিন বড় লস হয়, তবে সাথে সাথে ল্যাপটপ বন্ধ করুন এবং পরের দিন আর ট্রেড করবেন না। আপনার ব্রেইনকে রিকভার করার সময় দিন।

​৩. কেন এটা জরুরি?
​ট্রেডিংয়ে টিকে থাকতে হলে শুধু টাকা নয়, নিজের মানসিক স্বাস্থ্যও ঠিক রাখা জরুরি। অতিরিক্ত চাপ নিলে ডিপ্রেশন বা এনজাইটি চলে আসতে পারে। মনে রাখবেন, মার্কেট কালকেও থাকবে, কিন্তু আপনার মানসিক শান্তি একবার চলে গেলে তা ফেরানো কঠিন।
​ট্রেডিংকে নেশা নয়, ডিসিপ্লিন হিসেবে নিন। শুভকামনা সবার জন্য! 📈🧠

21/03/2026

ক্যান্ডেলস্টিক চেনার সহজ উপায়: নাম মুখস্থ নয়, বুঝুন মার্কেট সাইকোলজি! 📊📉

শেয়ার বাজারে ট্রেডিং করার সময় আমরা অনেকেই ২০০-এর বেশি ক্যান্ডেলস্টিকের নাম মুখস্থ করতে গিয়ে হিমশিম খাই। কিন্তু আসলে নাম জানাটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো ক্যান্ডেলটি আপনাকে কী সিগন্যাল দিচ্ছে তা বোঝা! 💡
​আজকের টিউটোরিয়ালে আমরা শিখবো ৩টি সহজ পয়েন্টের মাধ্যমে কীভাবে যেকোনো ক্যান্ডেল ডিকোড (Decode) করতে হয়:
​১. বিজয়ী কে? (Winner Identification):
ক্যান্ডেলের বডি বা রঙ দেখুন। যদি গ্রিন (Green) হয়, তবে বায়াররা (Buyers) জিতেছে। আর রেড (Red) হলে সেলাররা (Sellers) শক্তিশালী।
​২. বিপরীত পক্ষ আছে কি? (Opposite Participant):
গ্রিন ক্যান্ডেলের উপরের উইক (Upper Wick) আমাদের জানায় সেলারদের উপস্থিতি। আর রেড ক্যান্ডেলের নিচের উইক (Lower Wick) জানায় সেখানে বায়াররা ঢুকছে কি না।
​৩. প্রভাব কতটা? (Impact Analysis):
উইক বা শ্যাডোটি যদি ক্যান্ডেলের মোট বডির অর্ধেক বা তার বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে বিপরীত পক্ষ বেশ শক্তিশালী এবং ট্রেন্ড যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে! ⚠️
​🖼️ উপরের ছবিতে ৪টি উদাহরণের ব্যাখ্যা:
​✅ Strong Bullish: কোনো উপরের উইক নেই, মানে বায়াররা ১০০% নিয়ন্ত্রণে।
✅ Strong Bearish: কোনো নিচের উইক নেই, মানে সেলাররা পুরো দাপটে আছে।
✅ Normal Bullish: ছোট উপরের উইক মানে সেলাররা সামান্য চেষ্টা করলেও বায়াররাই জয়ী।
✅ Normal Bearish: লম্বা নিচের উইক থাকলে বুঝবেন সেলাররা জিতলেও নিচে বায়াররা সক্রিয় হচ্ছে (Impactful)।
​নামের পেছনে না ছুটে ক্যান্ডেলের পেছনের এই লড়াইটা বুঝুন, ট্রেডিং অনেক সহজ হয়ে যাবে! 🚀
​📌 আপনার কি এই সিরিজের পরের পার্ট বা ভিডিও দরকার? কমেন্টে জানান! লাইক দিয়ে পাশেই থাকুন এবং শেয়ার করে অন্যদেরও শেখার সুযোগ করে দিন। 😊

27/08/2025

💹 সফল ট্রেডিংয়ের মূল চাবিকাঠি 💹

ট্রেডিং এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করলে কখনো সফল হওয়া যায় না। এখানে টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো discipline, focus এবং নিজের strategy-তে বিশ্বাস রাখা।

👉 Discipline ছাড়া ট্রেডিং অসম্পূর্ণ। অনেকেই আবেগের বশে হঠাৎ এন্ট্রি নেন বা লস হলে দ্বিগুণ রিস্ক নেন। এর ফলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। শৃঙ্খলা মানে হলো নির্ধারিত নিয়মে কাজ করা, সঠিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মানা এবং অপ্রয়োজনীয় ট্রেড না নেওয়া।

👉 Focus বা মনোযোগ ট্রেডারকে সঠিক পথে রাখে। চার্টে সিগন্যাল আছে কিনা সেটাই দেখা দরকার, অপ্রয়োজনীয় খবর বা অন্যের কথায় বিভ্রান্ত হওয়া নয়। ফোকাস থাকলে আপনি নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী ট্রেড করতে পারবেন।

👉 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের strategy-তে বিশ্বাস রাখা। অনেক ট্রেডার একদিন এক রকম, আরেকদিন অন্য রকম স্ট্রাটেজি ব্যবহার করেন। এতে কখনো স্থায়ী সাফল্য আসে না। সফল ট্রেডাররা জানেন যে প্রতিটি স্ট্রাটেজিরই ভালো-মন্দ সময় থাকে। তাই ধৈর্য ধরে সেটিতে আস্থা রাখা প্রয়োজন।

!!আরেকটু সহজ ভাবে বলি!!🔆⚜️

🔸 Discipline আপনাকে আবেগের ফাঁদ থেকে বাঁচাবে। মার্কেট যতই প্রলুব্ধ করুক, নিয়ম ভাঙলে ক্ষতি হবেই।
🔸 Focus আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট হতে দেবে না। যখন চার্টে মনোযোগ থাকে, তখন আপনি অন্যের কথা নয়—নিজের সিদ্ধান্তে চলতে শিখবেন।
🔸 আর সবচেয়ে বড় বিষয়, নিজের strategy-তে বিশ্বাস। প্রতিটি স্ট্রাটেজি সবসময় জেতাবে না, কিন্তু ধারাবাহিকভাবে মেনে চললে দীর্ঘমেয়াদে লাভ আপনাকেই খুঁজে নেবে।

👉 নতুন ট্রেডাররা অনেক সময় লস দেখে হতাশ হয়, স্ট্রাটেজি বারবার পাল্টায়, কিংবা আবেগের বশে ভুল করে। কিন্তু মনে রাখবেন—ট্রেডিংয়ে জেতা মানেই সব ট্রেডে প্রফিট করা নয়। জেতা মানে হলো ধৈর্য রাখা, শৃঙ্খলা মানা আর লং-টার্মে ব্যালেন্স গ্রো করা।

✅ নতুন ট্রেডার হোন বা পুরনো—যদি এই তিনটি বিষয়কে মেনে চলতে পারেন, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে লাভ ধরে রাখা এবং সত্যিকারের সফল ট্রেডার হওয়া সম্ভব।

19/08/2025

Journey of the Day 100$+
Date: 19.08.2025

17/08/2025

⚜️❇️ Exness-এ “2nd label verification” (দ্বিতীয় স্তরের যাচাই) অর্থাৎ আপনার Proof of Residence (POR) বা বাসস্থানের প্রমাণ জমা দিয়ে যাচাই সম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়া।

১. Proof of Identity (POI) — যদি আগে না করে থাকেন

যদি আপনি শুধুমাত্র POI দিয়ে যাচাই শুরু করে থাকেন, তখন POR-এর আগে আপনাকে POI প্রদান করতে হতে পারে:

মান্যতাপ্রাপ্ত সরকারি পরিচয়পত্র, যেমন: (যেকোনো একটি)

পাসপোর্ট

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

ড্রাইভিং লাইসেন্স

🗣️অবশ্যই থাকা উচিত:

ছবি যুক্ত

পুরো নাম, জন্ম তারিখ (১৮ বছরের উপরে)

বর্তমান/অব্যবহৃত পাসপোর্ট কিংবা NID—যেটা এখনও বৈধ থাকতে হবে.

দুই পাশ (যদি প্রযোজ্য)

ভাল গুণমান, কোনটা ঝাপসা বা ব্লার্ড না

২. Proof of Residence (POR):

এটাই হলো 2nd label—বাসস্থানের প্রমাণ, যা একই দেশ হতে হবে যেখানে আপনি Exness-এ রেজিস্টার করেছেন:

গ্রহণযোগ্য ডকুমেন্টস: (যেকোনো একটি)

প্রাসংগিক ইউনিটিওটি বিল (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট, ল্যান্ডলাইন)

ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সাম্প্রতিক)

স্থানীয় ট্যাক্স বিল

ব্যাংক থেকে রেফারেন্স লেটার (দেশের ভিতর)

🗣️অবশ্যই থাকা দরকার:

পূর্ণ নাম (POI-র নামের সাথে মিলবে)

ঠিকানা (POI-র নামের সাথে মিলবে)

ইস্যুর তারিখ (সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে ইস্যু হওয়া)

ছবিতে সব কোণ দৃশ্যমান

উচ্চ-মানের ইমেজ বা স্ক্যান

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Computer Market, Woalikhan Bavan, 4th Floor, Chawmohoni. ( Instead Of Faruk Chambar In Left Side) Super CC
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00