27/10/2019
চরতী দুরদুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি নবায়ন উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,চট্টগ্রাম'র সহকারী কলেজ পরিদর্শক(সাবেক সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) অধ্যাপক আলী আকবর(বি সি এস-শিক্ষা) পরিদর্শনে আসলে গত ২৬/০৯/২০১৯ শনিবার বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপকপার্থ সারথি চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু সুজিত চৌধুরী সহ পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও শিক্ষক -কর্মচারীগণ তাঁকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন.....
05/10/2018
0৬ অক্টোবর,শনিবার,২০১৮ চরতী দুরদুরী উচ্চ বিদ্যালয়"র প্রতিষ্ঠাতা ও চরতী দীঘির পাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়'র ভূমিদাতা ও আমৃত্যু সভাপতি প্রয়াত ডা:সুখেন্দু বিকাশ চৌধুরীর ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুই বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে সকাল ১০ টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে......
15/12/2017
চরতী দুরদুরী উচ্চ বিদ্যালয়-এর সম্মানিত প্রধান শিক্ষক বাবু শংকর বসাক ( Shankar Basak ) সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন |সবাই উনার সুস্থতার জন্য পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া\আশীর্বাদ কামনা করবেন |
13/12/2017
ক্ষমা মহত্বের লক্ষণ
•••••••••••••••••••••
নির্বাচনী পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের সুযোগ নাই |তাই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিএবং শিক্ষক মন্ডলী বিশেষ নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিতে চেয়েছিলো |তাদের কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা নেয়া হচ্ছিল |বিশেষ নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আর কোনো তদবির করবে না এবং বিধি মোতাবেক ফী দিয়ে ফরম পূরণ করবে |বিশেষ নির্বাচনী পরীক্ষায় পাশ করার আশাবাদী শিক্ষার্থীরা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরকালীন সময়ে বিশেষ নির্বাচনী পরীক্ষায় ও পাশ করবে না এমন কতিপয় শিক্ষার্থী বিনা পরীক্ষায় ফরম পূরণের অন্যায় আবদার করে |প্রধান শিক্ষক তাদের এ অন্যায় আবদার না মানলে তারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তান্ডবলীলা চালিয়ে প্রধান শিক্ষক কে অবরুদ্ধ করে ,শিক্ষকদের উপর চড়াও হয় ,জাতির পিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ,মাননীয় প্রধসনমন্ত্রী শেখ হাসিনা ,মাননীয় এম পি প্রফেসর ড:আবু রেজা নদভী এবং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ডাক্তার সুখেন্দু বিকাশ চৌধুরীর ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ও পুড়িয়ে অবমাননা করে|
তারা যেহেতু অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং কোনো অসৎ চক্রান্ত করি গোষ্ঠী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে এ হেন গর্হিত কাজ করেছে ,সেহেতু বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক পার্থ সারথি চৌধুরী মহোদয় এবং প্রধান শিক্ষক বাবু Shankar Basakতাদের এ অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে বোর্ড, ইউ এন ও এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে পুনরায় বিশেষ নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং আগামী 14 ডিসেম্বর থেকে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে |এ পরীক্ষায় ফেল করা কোনো শিক্ষার্থী আর ফরম পূরণ করার সুযোগ পাবেনা|
12/12/2017
বর্তমান পরিস্থিতি ও বিশ্লেষণ
----------------------সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্র ছাত্রী এবং তাদের সহিংস আচরণের পক্ষ নিয়ে একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্লিপ্ত হয়েছে এবং তাদের নিচু মানসিকতা চরিতার্থ করার প্রয়াসে আজেবাজে বক্তব্য ফেইসবুক সহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করে যাচ্ছে |মূল বিষয়কে আড়াল করে ব্যক্তিগত প্ততিহিংসা সুলভ মানসিকতা প্রকাশ করছে অনেকে |
আসলে প্রকৃত বিষয়টা কি ?
প্রকৃত বিষয় হচ্ছে বোর্ডের নিয়ম মোতাবেক কোনো ফেল করা ছাত্র ছাত্রী এসএসসি ফরম পূরণের সুযোগ পায়নি |ফেল করা ছাত্র ছাত্রী রা যখন ফরম পূরণের সুযোগ পায় নি তাদের কোনো কোনো অভিভাবকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনরায় ফেল করা পরীক্ষার্থীদের পুনরায় পর্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং তাদের কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা নেয়ার দিদ্ধান্ত হয় |ওই অঙ্গীকার নামায় উল্লেখ আছে পাশ ক ছাত্র ছ্রীরা বিধি মোতাবেক বোর্ড নির্ধারিত ফী দিয়ে ফরম পূরণ করবে |তারা পুনরায় ফেল করলে ফরম পূরণের জন্য কোনো রকমের ওজর আপত্তি করতে পারবে না | এটা মেনে কিছু ছাত্র ছাত্রী অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নেয় |aamotabosthay কিছু ছাত্র যারা বুঝতে পারে যে তারা কোনোভাবেই পাশ করবে না প্রধান শিক্ষক কে চাপ প্রয়োগ করে পরীক্ষা ছাড়া ফরম পূরণের জন্য |প্রধান শিক্ষক স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে পরীক্ষায় পাশ না করলে তাদের ফরম পূরণের সুযোগ নাই এবং বোর্ড কে পরীক্ষা পাশের মার্কশীট দেখতে |তখন মহল বিষের ইন্ধনে ওই সব ফেল করা ছাত্র ছাত্রী প্রধান শিক্ষক সহ শিক্ষকমণ্ডলীর সাথে অশোভন আচরণ করে ,প্রধান শিক্ষক কে অবরুদ্ধ করে রাখে হাতে লাঠি সোঠা নিয়ে তান্ডবলীলা চালায় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ,মাননীয় এম পি প্রফেসর আবু রেজা নদভী এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত ডাক্তার সুখেন্দু বিকাশ চৌধুরীর ছবি সংবলিত বিদ্যালয়ের ব্যানার পুড়ে ফেলে |যদি অতিরিক্ত টাকা দাবি করে ফরম পূরণ করানো হতো তা হলেতো পরীক্ষা নেয়ার দরকার ছিল না |তাছাড়া অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ফরম পূরণ করলে তো প্রথম দফায় অনেক ফেল করা পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণ করানো হতো |
চলমান
24/11/2017
আল্লাহর রহমতে চরতী দুরদুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৮ সনের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ প্রক্রিয়া আপাতত শেষ হলো |যারা সব বিষয়ে পাশ করেছে কেবল তাদের স্বাক্ষরকৃত ফরম বোর্ডে জমা প্রদান করা হয়েছে |তাদের কাছ থেকে কেবল বোর্ড নির্ধারিত ফী গ্রহণ পূর্বক তা বোর্ডে প্রদান করা হয়েছে |অতিরিক্ত কোনো ফী গ্রহণ করা হয় নি |কোনো ফেল করা শিক্ষার্থীর ফরম বোর্ডে জমা প্রদান করা হয় নি এবং জমা প্রদানের সুযোগ ও নাই |
ফরম পূরণ সংক্রান্ত্র যে কোনো সিদ্ধান্ত প্রদানের এখতিয়ার বোর্ডের এবং বাস্তবায়নকারী হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক |
এ ক্ষেত্রে ম্যানেজিং কমিটির কোনো ভূমিকা নেই |ম্যানেজিং কমিটি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রধান শিক্ষক কে সহযোগিতা করে মাত্র যদি প্রধান শিক্ষক সহযোগিতা চায় |
ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে যে একটি মহল (যারা বিদ্যালয়ের অভিভাবক কিংবা শিক্ষার্থী কোনোটাই নয় ) বিদ্যালয়,বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটি,প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক মন্ডলীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক মানহানিকর মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তাদের কে উপযুক্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপনের জন্য আহবান জানানো হলো |অন্যথায় বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষার্থে তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা সহ অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে |
22/11/2017
এস এস সি পরীক্ষার ফরম পূরণ করার নিয়ম হচ্ছে নির্বাচনী পরীক্ষায় সব বিষয়ে পাশ করতে হবে |কোনো ফেল করা স্টুডেন্টের ফরম পূরণ করার সুযোগ নাই |কেউ কেউ অভিযোগ তুলে ইচ্ছাকৃত ভাবে ফেল করিয়ে দেয়া হয় |ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে দেয়ার কি সুযোগ আছে ?সুযোগ নাই |যে ছাত্ৰ বা ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছে সব কিছু পরীক্ষার খাতায় তার নিজ হাতে লিপিবদ্ধ করা আছে |কোনো শিক্ষক চাইলে তার লেখাটা কে পাল্টিয়ে ফেলতে পারেনা |তাছাড়া কোনো ছাত্র ছাত্রী কে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে এ ধরণের কোনো অভিযোগ তো বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবরে কেউ জানায়নি কিংবা লিখিত ভাবে ও আবেদন করেনি |এখন ও যদি কেউ এ ধরণের অভিযোগে লিখিত আবেদন করে তাহলে ফেল করিয়ে দেয়া হয়েছে কিনা দেখা হবে |যদি সত্যি ই কোনো বিষয়ে ইচ্ছাকৃত ফেল করিয়ে দেয়া হয়েছে বলে প্রমাণিত হয় তাহলে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং উক্ত ছাত্র ছাত্রী কে ফরম পূরণের সুযোগ প্রদান করা হবে |
কেউ ফেল করে ফরম পূরণ করতে না পারলে ,অন্যায় আবদার কিংবা তদ্বিরের মাধ্যমে ফরম পূরণ করতে না পারলে ,সন্ত্রাসী কায়দায় চাপ সৃস্টি করেও ফরম পূরণ করতে না পারলে সে বা তার পক্ষে অন্য কেউ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অপচেষ্টা চালাবে এটাই স্বাভাবিক |