Anowar's Teaching Home.

Anowar's Teaching Home.

Share

Stay� with us Dream come soon inshaallah. ���.

Photos from Anowar's Teaching Home.'s post 12/12/2024

#এসএসসি২০২৫
#রুটিন

24/09/2024

পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গত কিছুদিন ধরে ক্রমাগত উস্কানি চললো।

মিডিয়া থেকে শুরু করে সুশীল, সবার কথা শুনে মনে হলো যেন সেনা থাকাই সমস্যা। সেনা না থাকলে সমস্যাও থাকবে না।

আর আজ কক্সবাজারে তানজিম নির্জন নামের একজন সেনা অফিসারকে হত্যা করা হলো।

এইটা তো নতুন না। আপনি যখন ঘরে বসে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন পাহাড়ে সেনা শাসন চাই না, ডেইলি স্টার যখন বাঙ্গালীদের সেটলার বলতেছে, তখন তানজিম নির্জনের মতো সেনা সদস্যরা আপনাকে আমাকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রাণ দিতেছে।

প্রিয় তানজিম নির্জন, আপনি আমাদের হিরো। আমরা আপনাকে মনে রাখবো।

আপনার এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে জান্নাতের একটা সুন্দর পাহাড়, ঝর্ণা আর সমুদ্র যেন পরম করুণাময় আপনার জন্য বরাদ্দ করে দেয়। আমিন।।।
©Collected.

12/09/2024

নববধু বিয়ে হয়ে সবেমাত্র শ্বশুর বাড়িতে এসেছে। দাদী শাশুড়ী এসে কানে কানে বললো, আমার একজন পুতি চাই। নবুবধু লজ্জা মিশ্রিত মুচকি হেসে বললো, দোয়া করেন।
একটু পর শাশুড়ি এসে বললো, আমার একজন নাতি চাই। নববধু মাথা নেড়ে আশ্বাস দিলো।
কিছুক্ষণ পর ননদ এসে বললো, আমার একটা ভাইপো চাই। নববধু স্মিত হেসে বললো, সবর কর না বাপু। একটু সময় তো লাগবে নাকি?
অবাক কান্ড! স্বামী বাসর ঘরে ঢুকেই বলছে, আমার দ্রুত বেবি চাই। কথা শুনে নববধূ একটু বিস্মিত চোখে চেয়ে ফিসফিস কন্ঠে বললো, তোমাদের পরিবার কি পাগল নাকি? কেন?
সবাই যে দাবি করছো ভালো। কিন্তু দাবি কি এখনই পূরণ সম্ভব? দাবি পূরণের জন্য সৃষ্টিকর্তার কৃপা এবং যৌক্তিক সময় তো লাগবে নাকি? তোমাদের দাবি শুনে মনে হচ্ছে, সাথে করে নাতি-পুতি, ভাইপো এবং তোমার জন্য বেবি ব্যাগে করে নিয়ে এসেছি। "তোমরা চাহিবামাত্র আমি দিতে বাধ্য থাকিব।"
গল্পের শিক্ষা:
প্রত্যাশা ঠিক আছে এবং দাবিও ঠিক আছে। কিন্তু এসবের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আন্দোলন শুরু করলেই কি নববধুর পক্ষে দাবি পূরণ সম্ভব?

কপি পোস্ট।

12/09/2024

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) 11/09/2024

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বন্টন
#৬ষ্ঠ
#৭ম
#৮ম
#৯ম

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ক্র. বিষয় ডাউনলোড ১ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা ডাউনলোড ২ ২০২৪ শিক্ষাবর.....

Photos from Anowar's Teaching Home.'s post 01/09/2024

#এসএসসি২০২৫
#৬ষ্ট
#৭ম
#৯ম
#২০২৫

31/08/2024

আসছে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পুরনো শিক্ষাক্রমের আলোকেই ছাপা হবে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই। তবে নানা অসঙ্গতির সংস্কার ও পরিমার্জন করে নতুন শিক্ষাক্রমেই থাকছে অন্য সব শ্রেণির বই। পরিবর্তন আসবে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। এদিকে ৬টি শ্রেণির বইয়ের টেন্ডার হয়ে গেলেও বই পরিমার্জনের কাজ চলায়, শুরু করা যাচ্ছে না মুদ্রণ। এই কাজে বেশি দেরি করলে জানুয়ারির আগে সব বই মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কার কথা বলছেন মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা। তবে এনসিটিবি বলছে শিগগিরই জারি করা হবে পরিপত্র।

ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে প্রশাসনিক সংস্কারের আকাঙ্খায় যখন চলছে নানা রদবদল, তখন সংস্কারের ঢেউ লেগেছে শিক্ষাতেও।

২০২৩ সাল থেকে বাস্তবায়ন শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন পদ্ধতিসহ নানান অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে শুরু থেকেই। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যবইয়ের ছবি ও বিষয়বস্তুসহ যেসব সমস্যা আছে তা পরিমার্জন শেষে পাণ্ডুলিপি শিগগিরই মুদ্রণে পাঠানো হবে। তবে, এর আওতায় থাকবে না নবম-দশম শ্রেণি।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নবম-দশম শ্রেণির জন্য পুরনো শিক্ষাক্রমেই পাঠ্যবই ছাপানো হবে। থাকবে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগও।

চলতি শিক্ষাবর্ষে যারা নবম শ্রেণিতে বিভাগহীন নতুন শিক্ষাক্রমের বই পড়ছে, আগামী বছর দশম শ্রেণিতে তাদের পুরনো শিক্ষাক্রমের বই দেয়া হবে। ২০২৬ সালে তাদের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া হবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে।

চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৩ কোটি ৮১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে প্রায় পৌনে ৩১ কোটি বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ করে সরকার। যেখানে খরচ প্রায় ১২’শ কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের জন্য প্রায় ৩৫ কোটি পাঠ্যবই বিতরণের লক্ষ্য, যেখানে ১৪’শ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করতে হবে সরকারকে।

ইতোমধ্যে ৬টি শ্রেণির বইয়ের জন্য ৩টি টেন্ডার হয়েছে। কিন্তু টেন্ডার হলেও বইয়ের সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় এখনও চূড়ান্ত পান্ডুলিপি হাতে পাননি মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা। সব বই জানুয়ারির আগেই মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানো নিয়ে তাই শঙ্কা তাদের।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল খান বলেন, 'এনসিটিভির যথাসময়ে বই দেয়ার একটা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এইটা মোকাবিলার জন্য আমরা সহযোগিতা করতে চাই। তবে এটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।'

আগামী বছর ঠিক সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে যেন পাঠ্যবই পৌঁছায় সেজন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ এই শিক্ষাবিদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআরের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, 'সকল ধরনের স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা।'

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বলছে, পরিমার্জনের কাজ চলছে। শিগগিরই পরিপত্র জারি হবে। নির্দিষ্ট সময়ে বই দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী বলেন, 'ক্রাইসিস সময়ে বই মুদ্রণে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একটা জিনিস নিশ্চিত করতে চাই জানুয়ারি ১ তারিখে শিক্ষার্থীরা বই পাবে। তাদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা হবে না।'

নতুন শিক্ষাক্রমের জন্য যে মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে তা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ অনেকের কাছেই স্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য নয়; তাই সে মূল্যায়ন পদ্ধতিকে বাতিল করে একটি স্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতির জন্য কাজ করছে সরকার।

27/08/2024

অনেকে সাকিবকে ক্ষমা করে দিতে বলছে। ওয়েইট এ মিনিট! আপনি কি ক্ষমা করার কেউ? আপনার ভাই/বোন কি এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে আর শহীদ হওয়ার আগে তাদের ক্ষমা করে দেয়ার অসিয়ত করে গেছে আপনার কাছে?

সাকিবের ২ টা উইকেট দেখে বা ১০০ রান দেখে আপনি সাকিবকে ক্ষমা করে দিতেই পারেন। ভুলে যেতেই পারেন।

বাট যেই মা তাঁর সন্তান হারাইছে এই আন্দোলনে, যে বাবা তাঁর গুলিবিদ্ধ সন্তানের লাশ কাঁধে তুলেছে, সে ক্ষমা করবে না।

যে ভাই তাঁর ভাইকে হারাইছে, যে বোন তাঁর বোন হারাইছে, সে এসব ঠুনকো উইকেট দিয়ে সাকিবকে ক্ষমা করবে না।

আমরা গোল্ডফিশ মেমোরির জাতি। আন্দোলন শেষ, নিজের কিছু হয় নাই, এখন এরে ওরে ক্ষমা করে মহান সাজতেছি।

অথচ আমরা কি আদৌ ক্ষমা করার কেউ?

আমরা তো এই আন্দোলনের স্টেক হোল্ডার না। আমরা আন্দোলনের বেনিফেশিয়ারী। আন্দোলনে গেছি, ক্ষতি হয় নাই, মরি নাই, এখন স্বাধীনতা উপভোগ করতেছি।

আন্দোলনের স্টেক হোল্ডার কারা জানেন? ঐ শহীদ ফ্যামিলিগুলা। কারে ক্ষমা করা হবে, কারে ক্ষমা করা হবে না, ঐটা তাদের বুঝতে দেন। আপনার বোঝার দরকার নাই।

সাকিবের চেহারা দেখে খুব মায়া লাগলে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে একটু ঘুরে আসেন। চোখ হারানো মেয়েটা বা পা হারানো ছেলেটার সাথে কথা বলে আসেন। আপনি যেই চোখ দিয়ে সাকিবের খেলা দেখে মায়া ছড়াচ্ছেন, সেই চোখ কেড়ে নেওয়াতে শেখ হাসিনার পাশে সাকিবের সায় ছিলো।

বাংলাদেশে একটা জেনোসাইড হয়েছে।

এই জেনোসাইডের নেতৃত্ব দিয়েছে শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ। সাকিব আর মাশরাফি ছিলেন সেই আওয়ামীলীগ এর ৩০০ জন মাথার মধ্যে দুইটা মাথা।

এখন এই জেনোসাইডে যদি সাকিবের দায় না থাকে, তাহলে হাসিনারও তো দায় নাই। কারণ সেও তো গণভবনে বসেই ছিলো, সে তো আর রাস্তায় নেমে লোক মারেনি, তাই না?

পুলিশের উপর শুধু সচিবদের না, বরং এমপিদেরও কন্ট্রোল থাকে। আর আওয়ামীলীগ দলগতভাবেই তো খুন করেছে বহু পোলাপাইনকে। এগুলোর দায় যতটা হাসিনার, ঠিক ততটাই সাকিবের, ঠিক ততটাই মাশরাফির।

এখন ওরা যত যাই করুক, তাতে তাদের হাতের রক্ত মুছবে না। রোমের নিরো তো চমৎকার বাঁশি বাজাতো, তাতে কি তার সাতখুন মাফ হয়ে গেছে?

ক্রিকেট খেলা দেখা অপরাধ না। বাট দুইটা উইকেট দেখে একজন জেনোসাইডারের প্রতি সিমপ্যাথি দেখানোটা খুব জঘন্য একটা অপরাধ।

জালিমের প্রতি দয়া করাটা মজলুমের প্রতি অন্যায়ের শামিল। আপনি সাকিবের প্রতি এমপ্যাথি দেখানো মানে এই বিপ্লবে প্রাণ হারানো হাজারটা পরিবারের উপর আপনি জুলুম করলেন। আপনিও একজন জালিম।

সাকিব, মাশরাফি ছিলো মুগ্ধ, আবু সাঈদদের খুনি। গনহত্যার দোসর। এদের বিচার এই বাংলার মাটিতে না হওয়া পর্যন্ত হাজারো শহীদের রক্তের ঋণ শোধ হবে না।

সাকিবের উইকেট দেখে আপনি ভুলতে পারেন, বাট সাকিবের উল্লাস দেখে মুগ্ধর সেই "পানি লাগবে, পানি?" কথাটা আমরা কোনদিন ভুলবো না।

আমার ভাইদের রক্ত এতো সস্তা না যে দুইটা উইকেট আর ৫০ রান দিয়ে মুছে ফেলা যাবে।

Copied # Sadiqur Rahman Khan

26/08/2024

রোববার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

নিম্নে তাঁর দেওয়া ভাষণ হুবহু তুলে দেয়া হলো:
জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে আপনাদের কাছে কিছু কথা বলতে চাই। স্মরণাতীত কালের ভয়াবহ বন্যায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বা যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, যারা দুঃসহ জীবনযাপন করেছেন- তাদের স্মরণে রেখে কথা বলছি। বন্যা দুর্গতদের জীবন দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য যাবতীয় উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়ার আয়োজন করেছি। ভবিষ্যতে সব ধরনের বন্যা প্রতিরোধে আমাদের অভ্যন্তরীণ এবং প্রতিবেশীদর সঙ্গে যাতে যৌথভাবে নেওয়া যায়, সেই আলোচনা শুরু করছি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিপ্লবী ছাত্র-জনতা জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে আমাকে এক গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন। তারা নতুন এক বাংলাদেশ গড়তে চান। নতুন প্রজন্মের এই গভীর আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সংগ্রামে আমি একজন সহযোদ্ধা হিসেবে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। দেশের সব বয়সের, সব পেশার, সব মতের, সব ধর্মের সবাইকে বিনা দ্বিধায় এ সংগ্রামে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে লাখো মা-বোনের আত্মদানের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ আমরা পেয়েছিলাম, তা ফ্যাসিবাদ এবং স্বৈরাচারের হাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। আপনারা দেখেছেন আমাদের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তারা কিভাবে শেষ করেছে। দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে দুর্নীতি। এমন এক দেশে আমাদের দেশ রূপান্তরিত হয়েছে যেখানে স্বৈরাচারের পিয়ন দুর্নীতির মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকার সম্পদ করার মতো অকল্পনীয় কাজ করে গেছে নির্বিবাদে। শিক্ষা খাতকে পঙ্গু করে দিয়েছে, ব্যাংকিং ও শেয়ার বাজার খাতে লুটপাট, প্রকল্প ব্যয়ে বিশ্বরেকর্ড, অবাধ সম্পদ পাচার, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে নিজ দলের পুতুলে রূপান্তর, বাক স্বাধীনতা হরণ, মানবাধিকার হরণ এসব হিমশৈলের অগ্রভাগমাত্র। ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে ফ্যাসিবাদী সরকার খর্ব করেছে জনগণে সাংবিধানিক ক্ষমতা ও অধিকার। দুঃশাসন, দুর্নীতি, অন্যায়-অবিচার নিপীড়ন, বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে জনসুরক্ষা বিপন্ন করেছে। জনগণকে নির্যাতন ও বঞ্চনা ও বৈষম্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। নতুন প্রজন্মের মানুষসহ কোটি কোটি মানুষের ভোটাধিকার বছরের পর বছর হরণ করেছে। মানুষের এগিয়ে যাওয়ার পথে সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে স্বৈরাচার তার নিজের, পরিবারের ও দলের কিছু মানুষের হাতে দেশের মালিকানা তুলে দিয়েছে।

কিন্তু এই দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েই আমাদের গড়তে হবে স্বপ্নের বাংলাদেশ। বৈষম্যহীন, শোষণহীন, কল্যাণময় এবং মুক্ত বাতাসের রাষ্ট্রের যে স্বপ্ন নিয়ে ছাত্র-জনতা আন্দোলেন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, আমি তাদের সেই স্বপ্নপূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। আপনাদের সবাইকে এই শুভ লগ্নে তাদের স্বপ্নপূরণে সব শক্তি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। তাদের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন। জাতীয় জীবনে তরুণরা একটি মহাসুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। আমরা সবাইকে সুযোগ ব্যবহার করার কাজে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানাচ্ছি-

গণরোষের মুখে ফ্যাসিবাদী সরকারপ্রধান দেশত্যাগ করার পর আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার থাকবে পুরোপুরি সুরক্ষিত। আমাদের লক্ষ্য একটিই। উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। আমরা এক পরিবার। আমাদের এক লক্ষ্য। কোনো ভেদাভেদ যেন আমাদের স্বপ্নকে ব্যাহত করতে না পারে সেজন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহ শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মযাত্রার প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে আপনাদের কাছ থেকে যে সমর্থন পাচ্ছি সেজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আমরা অনুধাবন করছি যে, আমাদের কাছে আপনাদের প্রত্যাশা অনেক। এ প্রত্যাশা পূরেণ আমরা বদ্ধপরিকর। যদিও দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা, ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের জন্য পর্বতসম চ্যালেঞ্জ রেখে গিয়েছে; কিন্তু এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণে আমরা প্রস্তুত। আজ আমি সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করতে আপনাদের সামনে এসেছি।

শুধু আমি বলব আপনাদের একটু ধৈর্য ধরতে হবে। এখনই সব দাবি পূরণ করার জন্য জোর করা, প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ব্যক্তিবিশেষকে হুমকির মধ্যে ফেলা, মামলা গ্রহণের জন্য চাপ সৃষ্টি করা, বিচারের জন্য গ্রেফতারকৃতকে আদালতে হামলা করে আগেই এক ধরনের বিচার করে ফেলার যে প্রবণতা তা থেকে বের হতে হবে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের গৌরব ও সম্ভাবনা এসব কাজে ম্লান হয়ে যাবে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাও এতে ব্যাহত হবে।

রাতারাতি এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন। নড়বড়ে এক কাঠামো, আমি বরং বলব জনস্বার্থের বিপরীতমুখী এক কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে আমাদের দেশ পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে হয়েছে। আমরা এখান থেকেই বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়তে চাই যেন এ দেশে জনগণই সত্যিকার অর্থে সব ক্ষমতার উৎস হয়। বিশ্ব দরবারে একটি মানবিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে সমাদৃত হয়। তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী ও জনতার আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে সফল আমাদের হতেই হবে। এর আর কোনো বিকল্প নেই।

আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন জুলাই-আগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানে বলপ্রয়োগ ও হতাহতের যে দুঃসহ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তার স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধানকে বাংলাদেশে এসে তদন্ত শুরু করতে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তদন্তের প্রক্রিয়া এ সপ্তাহেই শুরু হবে। তাদের প্রথম দল ইতোমধ্যে এসে গেছে।

আমরা ইতোমধ্যে ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে নস্যাৎ করতে যে শত শত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছিল তার অধিকাংশ প্রত্যাহার করেছি এবং আটক ছাত্র-জনতার মুক্তি লাভের ব্যবস্থা করেছি। পর্যায়ক্রমে মিথ্যা ও গায়েবি সব মামলার ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মানুষকে দুঃসহ ভোগান্তি থেকে মুক্ত করা হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গণঅভ্যুত্থানে সব শহিদের পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে।

সব আহত শিক্ষার্থী ও জনতার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় সরকার বহন করবে। সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিত্বকারী দুইজন উপদেষ্টার সহায়তায় একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের জন্য এবং গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মৃতি ধরে রাখতে সরকার অতি দ্রুত ‘জুলাই গণহত্যা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া শেষপর্যায়ে এনেছি। আপনাদের সবার এবং বিদেশে অবস্থানরত ভাই-বোনদের অনুদান এ প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করছি।

আপনারা লক্ষ্য করেছেন, দায়িত্ব গ্রহণ করেই আমাদের আইনশৃঙ্খলা অঙ্গনে অস্থির পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন দেশপ্রেমিক সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজে যোগ দিয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকার প্রশাসনকে চরম দলীয়করণ করার ফলে বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আরম্ভ করেছি। তবে প্রশাসনকে গতিশীল রাখতে এবং একইসাথে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সময় প্রয়োজন। সেজন্য সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রশাসনের সব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন জনগণের আস্থা ফিরে পায় সেটি আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য।

লুটপাট ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এই খাতে দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা স্থাপন, ব্যবসা বাণিজ্যের সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং জনগণের জীবনযাপন সহজ করতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ সচল করেছি।

ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য ব্যাংক কমিশন গঠন করা হবে। আর্থিক খাতে সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কার বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা দ্রুত জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। শেয়ারবাজার, পরিবহণ খাতসহ যেসব ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে তা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিচার বিভাগকে দুর্নীতি ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবিদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, অপহরণ এবং আয়নাঘরের মতো চরম ঘৃণ্য সব অপকর্মের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত সবার বিচার নিশ্চিত করা হবে। তালিকা প্রস্তুত করে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে। দুর্নীতি ও সম্পদ পাচারের বিচার করা হবে।

আইন-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে জনমুখী ও দলীয় প্রভাবমুক্ত ও জবাবিধিতামূলক কাঠামো সৃষ্টির লক্ষ্যে পুলিশ কমিশন গঠন করা হবে। জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সব সংস্থা ও জনগণের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে কমিশনের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে। বাংলাদেশকে আর কোনোদিন কেউ যেন কোনো পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত না করতে পারে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও গণমাধ্যেমর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। ফ্যাসিবাদী সরকার গণমাধ্যমের ওপর দলীয়করণ ও নির্যাতনের বোঝা চাপিয়েছিল। জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তথ্যের প্রবাহে বিদ্যমান আইন ও অন্যান্য বাধা অপসারণ করা হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করে এমন সব আইনের নিপীড়নমূলক ধারা সংশোধন করা হবে। ইতোমধ্যে এ ধরনের আইনগুলো চিহ্নিত করে এ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

বিদেশি সংবাদ কর্মীদের এদেশে আসার ওপর যে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা ছিল, ইতোমধ্যে আমরা তা তুলে নিয়েছি। বিদেশি সাংবাদিকদের দ্রুত ভিসা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম কর্মীরা নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা চালিয়ে যাবেন।

বিগত সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠা করে গেছে। আমরা তার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ নেব। এটা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আপনারা জানেন দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল, নিরাপদ ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। একই সঙ্গে পাঠ্যক্রমকেও যুগোপযোগী করার কাজও দ্রুত শুরু করা হবে।

গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা হবে এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে সফল পরিণতি দিতে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা খাত এবং তথ্যপ্রবাহে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এর লক্ষ্য হবে দুর্নীতি, লুটপাট ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহিতামূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা।

আমাদের সব উপেদষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করবেন। পর্যায়ক্রমে এটি সব সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত এবং বাধ্যতামূলক করা হবে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে প্রতিশ্রুত ন্যায়পাল নিয়োগে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হবে

25/08/2024

চুরা লীগ আবার ফিরতেছে সাকিব্বার ফ্যান হয়ে।
তাদের দাবি সাকিবের নামে মামলা কেন হলো? ওতো দেশে ছিল না।
ওকে ফাইন। শেখ হাসিনার নামে মামলা কেন হবে ওতো গণভবনে ছিল রাস্তায় না।
মাগুরায় মানুষকে হত্যা করলো ফ্যাসিবাদি সরকার শেখ হাসিনা। আর সেই ফ্যাসিবাদের মাগুরা প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান। মামলা সাকিব্বার নামে না হয়ে কি তোমার আমার নামে হবে।
আর রাজনীতিবিদ সাকিবকে মামলা দিয়েছে। ক্রিকেটার সাকিবকে না। সাকিবকে ছাড়া ক্রিকেট না চললে চলবেনা।
শুধু হত্যা মামলা না, শেয়ার কেলেঙ্কারি, মোনার্ক, স্বর্ণ চোরাচালানসহ সব অপরাধের সঠিক তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।
I love my country more than Sakib. It's loud and clear.♥️

23/08/2024

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

খতিবসহ ইমাম :-মনগাজী জামে মসজিদের জন্য।

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মোহাম্মদ শাহঘোনা ঐতিহ্যবাহী মনগাজি জামে মসজিদে ইমাম নিয়োগ দেয়া হবে। প্রার্থীর যোগ্যতা কামিল/ফাযিল/দাওরায়ে হাদীস পাশ হতে হবে। উল্লেখ্য যে, হাফেজে কুরআন ও সুবক্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বেতন আলোচনা সাপেক্ষে।

আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ২৭/০৮/২৪ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ বেলা ২টার সময় মসজিদে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ রইলো।

নিবেদক
মসজিদ পরিচালনা কমিটি
মোহাম্মদ শাহ ঘোনা, কালারমারছড়া

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Chittagong
4000