প্রফেসর ডঃ বি এম মফিজুর রহমান আল-আয্হারী
প্রফেসর ডঃ বি এম মফিজুর রহমান আল আজহারী।
অধ্যাপকঃ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম।
08/02/2026
এ জন্য এই আলিমকে ভালোবাসি।
আপনারা আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র। আপনাদের মতে জামাত ইসলামের সাথে যে সকল কওমি ঘরোনার ইসলামী দল নির্বাচনী সমঝোতা করেছে তাদের গায়ে এমন কালি লেগেছে বিদেশি ডিটারজেন ছাড়া যে কালি সাফ করা সম্ভব না !! যদিও আমাদের পূর্বসূরী, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি আমিনী, মুফতি ওয়াক্কাস, মাওলানা মহিউদ্দিন খান, খতিব ওবায়দুল হক রহ. প্রমুখ শীর্ষ স্থানীয় আলেমগণ জামাত ইসলামের সাথে নির্বাচনী জোট করেছিলেন।
আপনাদের কথা মেনে নিলাম। ঠিক আছে আপনারা ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশকে সমর্থন দেন বা যেখানে জমিয়তে ইসলামের প্রার্থী আছে তাদেরকে সমর্থন দেন। কিন্তু তা না করে ইসলামী সংগঠনের শীর্ষস্থান থেকে যখন অনৈসলামিক কোন দলকে সমর্থন দেন তখন আমাদের শ্রদ্ধার জায়গাটা নড়বড়ে হয়ে যায় !!
নাউজুবিল্লাহ। এই শয়তান বদমাশ নরপিচাশ কুলাঙ্গার বলে কি? একমাত্র নেশাখোর যেনাখোর অসভ্য ইতর প্রাণীরাই এ কথা বলতে পারে। মুসলিম নারীদের কে এই শয়তান প্রকারান্তরে ব্যভিচারীনি বলে অপবাদ দিচ্ছে। এই উগ্রবাদী সন্ত্রাসীর প্রতি চূড়ান্ত ধিক্কার ও ঘৃণা জানাই।
ইসলাম নিয়ে ব্যঙ্গ করার এই দুঃসাহস ও ঔদ্ধত্য সহ্য করা কি সম্ভব? ইয়াহূদীদের চিন্তাদাস এই মালউনকে এক্ষুনি প্রতিহত করতে হবে এই বিকৃত মস্তিষ্ককে। নইলে কালকে সরাসরি কুরআন অস্বীকার করে একই কথা বলবে। ওকে গ্রেফতার করতে হবে দ্রুত। ইসলামী সংস্কৃতি ও তামাদ্দুনকে আঘাত করে এই নিরেট জাহেল পামর প্রত্যেক মুসলমানের মনে আঘাত করেছে।
যদি সরকার গড়িমসি করে তাহলে ওকে যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানে ই ওর পরনারীর দেখার সাধ মিটিয়ে দিতে হবে। তারেক জিয়ার উচিত এদের ব্যাপারে অবস্থান পরিষ্কার করা। বিএনপি কি চাঁদাবাজ ও নাস্তিকদের আশ্রয়স্থল? এই বিএনপি বাংলাদেশের শহীদ জিয়ার বিএনপি নয়। ওরা শুদ্ধ না হলে পরিণাম হবে ভয়াবহ।
উম্মাহাতুল মুমিনরা চেহারা আবৃত রেখেছেন। নারী সাহাবীগণ নিকাব পরিধান করতেন। একদল ফকীহ নারীদের মুখমণ্ডল ঢেকে রাখা ওয়াজিব বলেছেন বলিষ্ঠ প্রমাণ দিয়ে। যারা ওয়াজিব বলেন নি, তারা মানদুব বলেছেন। চৌদ্দশত বছর ধরে মুসলিম নারীরা নিকাব পরে আসছে। নিকাব হিজাবের ই অংশ। কিন্তু এই মূর্খ নাস্তিক সেটা জানে না। এই নাস্তিকদের প্রতিহত করতেই হবে।
শুনে রেখ নাস্তিকদের দল, এ দেশে নিকাব ছিলো। থাকবে। নিকাবধাররী মুমিননারীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। কারণ, এর মধ্যে নারী তার ইজ্জত ও ব্যাক্তিত্ব অনুভব করছে। বোরকা নিকাব ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে হাসিনার ছেলে জয় যুদ্ধ ঘোষণা করে ধ্বংস হয়েছে। তোমরাও ধ্বংস হবে। ইসলামের বিজয়ে হিংসায় তোমরা জ্বলতে জ্বলতে শেষ হয়ে যাবে।
পরিবর্তন।
ব্যর্থতা থেকে সফলতা। সফলতা থেকে শ্রেষ্ঠত্বতা।
জুলুম থেকে ইনসাফ। ইনসাফ থেকে বিশ্বনেতৃত্ব।
বঞ্চনা থেকে অধিকার। অধিকার থেকে স্বাধীনতা।
অপরাধ থেকে নৈতিকতা। নৈতিকতা থেকে আত্মশুদ্ধি। আত্মশুদ্ধি থেকে খাঁটি মনুষ্যত্ব।
ঘুষ,সুদ, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব থেকে জান-মাল-ইজ্জতের নিরাপত্তা। সেখান থেকে সহমর্মিত। সহমর্মিতা থেকে মানবিক ভ্রাতৃত্ব।
ভোগবাদী শিক্ষা, মানবরচিত বিধিব্যবস্থার দাসত্ব ভেঙ্গে স্রষ্টার শিক্ষায় তাঁরই বিধিব্যবস্থায় আত্মসমর্পণ। সেখান থেকে আল্লাহর গোলামিত্ব। সেই গোলামিত্ব থেকে ইহকাল-পরকালের সামগ্রিক সফলতা।
অনধিকারচর্চা থেকে দায়িত্ববোধ ও সময়নিষ্ঠা। সেখান থেকে পেশাদারিত্ব। তারপর উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা।
পুরুষতান্ত্রিকতা বনাম নারীবাদ নামক আত্মসংঘর্ষ থেকে ইসলামপ্রদত্ত চূড়ান্ত ভারসাম্যপূর্ণ সুসম্পর্ক ও সম্পুরকতা। সেখান থেকে দায়িত্বশীল বিচক্ষণ পুরুষ্যত্ব ও শ্রদ্ধাময়, প্রেমময়, বিশুদ্ধ নারীত্ব। তারপর আদর্শ পরিবার ও আদর্শ প্রজন্ম।
স্বৈরাচার থেকে শুরা। শুরা থেকে সুশাসন। সুশাসন থেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
ইসলামোফোবিয়া থেকে ইসলামায়ন। ইসলামায়ন থেকে আসমান-জমিনে স্রষ্টার অঙ্গিকার বরকতের দ্বার উম্মোচন। তারপর বিশ্বজনীন সুখ-শান্তি-নিরাপত্তা ও মানবতার বিজয়।
আসুন, নিজেকে পরিবর্তিত করি। পরিবার, সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তনে অংশীদার হই। বিবেকের ডাকে সাড়া দিই। ঈমানের আহ্বানে উজ্জীবিত হই।
আমরা সর্বদাই ইসলামের পক্ষে। ইসলামই দিতে পারে সেই কাঙ্খিত
পরিবর্তন। সেই সোনালী সমাজ। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ জীবন।ইসলাম দিবে সেই পরিবর্তন। সেই সোনালী সমাজ। নিরাপদ ও সমৃদ্ধ জীবন।
কোনটি বিশ্বাস করবো?
প্রথম জরীপ: ৬৫% শরীয়াহ শাসনের পক্ষে।
দ্বিতীয় জরীপ: ৬৫.৭ %শরীয়াহ শাসনের বিপক্ষে।
কোনটি বিশ্বাস করবো?
প্রসঙ্গ: মসজিদে রাজনীতি
রাজনীতি হলো, রাজার নীতি। যে নীতিতে রাষ্ট্র চলে। যে নীতির উদ্দেশ্য হলো, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জমীনে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা। মাজলুমকে রক্ষা করা। জুলুম শোষণকে উৎপাটিত করা। মানুষের মৌলিক অধিকার তথা ধর্ম, জীবন, সম্পদ, জ্ঞান ও মান-সম্মান, নসব রক্ষা করা। কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। সঠিক শিক্ষার মাধ্যমে জাতিকে দুনিয়া ও পরকালে মুক্তি ও সফলতার পথ দেখানো। চলাচলের জন্য রাস্তাঘাট মেরামত ও তাতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করার পরিবেশ তৈরি করা। পারিবারিক, সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা। ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করা। চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বন্ধ করে সমাজে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কঠোর ভূমিকা পালন করা। আর এই সব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অর্জিত হওয়া সম্ভব, যখন মানুষ আল্লাহর দেয়া রাষ্ট্রব্যবস্থা গ্রহণ করে। মহাবিশ্বের মহান স্রষ্টা ও নিরঙ্কুশ মালিক একমাত্র সার্বভৌম আল্লাহর দেয়া রাজনীতি ছাড়া রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সফল করা সম্ভব নয়। যার বাস্তব প্রমাণ আমরা স্বচক্ষে দেখছি। মানুষের বানানো আইনভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু ক্ষমতাসীনদেরকেই রাষ্ট্রের সমস্ত সুযোগসুবিধা ভোগের ব্যবস্থা করে দেয়। রাষ্ট্র এক ফ্যাসিবাদ থেকে আরেক ফ্যাসিবাদের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। তাই মহান স্রষ্টা মানুষকে শুধু সৃষ্টি করেই দুনিয়ায় লক্ষ্যহীন নৌকার মত ছেড়ে দেন নি, বরং তার জন্য দিয়েছেন সর্বাত্মক জীবনবিধান। রাষ্ট্রব্যবস্থা যার অন্যতম। এই বিধান দিয়েই নবীজি মানবেতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দশ বছর তা নিজেই পরিচালনা করেছেন। তাই ইসলাম ও রাজনীতি পরস্পর অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পৃক্ত। রাজনীতিহীন ইসলাম কিংবা ইসলামহীন রাজনীতি দুটোই প্রত্যাখ্যাত, ধ্বংসাত্মক। কুরআনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন রাষ্ট্র ছাড়া সম্ভব নয়। আবার রাষ্ট্রর মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ইসলাম ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
অতএব, ধর্মীয় উপাসনালয়ে রাজনৈতিক আলোচনা চলবে না, এ দাবী সম্পূর্ণরূপে ইসলামপরিপন্থী কথা। এ দাবী কোন মুসলমান করতে পারে না। চোর যদি বলে মসজিদে ইসলামের হাতকাটার বিধান নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, সুদ ও ঘুষখোর যদি বলে, ঘুষ ও সুদ নিয়ে মসজিদে আলোচনা করা যাবে না, ধর্ষক যদি বলে, মজদিতে ধর্ষণ ও যিনার বিরুদ্ধে বলা যাবে না, তাহলে কি আপনি তা মেনে নিবেন? কুরআনতো এ সব অপরাধের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট বিধান ও দন্ডবিধি দিয়েছে। তাই না? এগুলোতো রাজীনিতরই অংশ। তদ্রূপ, কোন রাজনৈতিক দল যদি বলে, মসজিদে ইসলামী রাজীনিতি নিয়ে আলোচনা করা যাবে না, তবে তার অবস্থান আর ঐ চোর, ধর্ষক, খুনীদের অবস্থান এই প্রশ্নে অভিন্ন অবস্থান। হ্যা, তারা যদি এই অর্থে বলে যে, মসজিদে ইসলাম বিরোধী কোন রাজনীতির কথা বলা যাবে না, যে রাজনীতিতে রাজনীতি মানে হলো, চাঁদাবাজি, ঘুষ, খুন-খারাবী, লুটপাট, নেতার গোলামী তাহলে ঠিক আছে। বরং মসজিদকে অবশ্যই এই জাতীয় নোংরা ও অসভ্য রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে হবে। বরং মসজিদতো প্রতিষ্ঠাই করা হয়েছে আল্লাহর ইবাদাতের মাধ্যমে ঐ সব রাজনীতির নামে সংঘবদ্ধ ডাকাতদের হাত থেকে সমাজকে উদ্ধার করে আল্লাহমুখী করা। আসলে ইসলামশূন্য কোন রাজনীতিই না। ওটা নিছক এক প্রকার জুলুমতন্ত্র, জোর যার মুল্লুক তার মার্কা, জঙ্গলীয় তন্ত্র। এ জন্যই বিশ্বস্রষ্টা বলেছেন: ألا له الخلق والأمر
“সৃষ্টি যার, বিধানও তাঁর”
09/10/2025
কুরআন সুন্নাহর আলোকে “আদর্শ প্যারেন্টিং” ২য় পর্ব কুরআন সুন্নাহর আলোকে “আদর্শ প্যারেন্টিং” ২য় পর্ব ড. বি. এম মফিজুর রহমান আল-আযহারী | অধ্যাপক: আন্তর্জাতিক ইসলামী ব.....
09/10/2025
কুরআন সুন্নাহর আলোকে “আদর্শ প্যারেন্টিং” ১ম পর্ব কুরআন সুন্নাহর আলোকে “আদর্শ প্যারেন্টিং” ১ম পর্ব ড. বি. এম মফিজুর রহমান আল-আযহারী | অধ্যাপক: আন্তর্জাতিক ইসলামী বি.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Pahertoli
Chittagong
4202