পাঠ আবর্ত

পাঠ আবর্ত

Share

জেনে অপরকে জানাই।

Photos from পাঠ আবর্ত's post 14/03/2026

পাঠ আবর্ত আয়োজনে— হযরত খাদিজাতুল কোবরা ও হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা স্মরণ সভা ও ইফতার মাহফিল ২০২৬

14/03/2026
04/03/2026

পাঠ আবর্ত ০৫তম হযরত মাওলা আলী শেরে খোদা (রা.) ও আম্মাজান ফাতিমাতুজ জাহরা (রা.) ওরসে পাকে বক্তব্য রাখছেন: ইসলামী আইকনিক ব্যাক্তিত্ব মাওলানা জয়নাল আবেদিন (ম. জি. আ)।

04/03/2026

পাঠ আবর্ত ০৫তম হযরত মাওলা আলী শেরে খোদা (রা.) ও আম্মাজান ফাতিমাতুজ জাহরা (রা.) ওরসে পাকে বক্তব্য রাখছেন: ইসলামী আইকনিক ব্যাক্তিত্ব মাওলানা হাসান আযহারী (ম. জি. আ)।

Photos from পাঠ আবর্ত's post 04/03/2026

৫ম বার্ষিক আজিমুশশান ওরসে পাক
স্মরণে: হযরত মাওলা আলী শেরে খোদা (রা.) ও আম্মাজান ফাতিমাতুজ জাহরা (রা.)

পাঠ আবর্ত -এর আয়োজনে অত্যন্ত শান-শওকতের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ম তম আজিমুশশান ওরসে পাক। আহলে বায়তের মহব্বতে সিক্ত এই বরকতময় মাহফিলে আপনাদের সকলকে সাদর আমন্ত্রণ।

03/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি এবং মুর্শিদের খাস নজরে করমে গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় এইবারও আমাদের এই পবিত্র মাহফিলের আয়োজন হতে যাচ্ছে।

আমি অতিকায় ক্ষুদ্র এক মানুষ, অথচ এই আয়োজনের মহিমা এবং পরিধি অনেক বিশাল।

বড় বড় গুণীজনদের আমন্ত্রণ জানানো থেকে শুরু করে সবটুকু ব্যবস্থাপনা একার কাঁধে সামলানো আমার জন্য অনেক বড় একটি দায়িত্ব।

আমার প্রবল ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সীমিত সামর্থ্যের কারণে সবাইকে ইফতারের আমন্ত্রণ জানাতে পারছি না—এই অপূর্ণতা আমাকে ভীষণ ব্যথিত করছে। স্বাদ এবং সাধ্যের এই দোটানায় আমি আপনাদের সবার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন আগামীতে আমাকে সেই তৌফিক দান করেন, যাতে আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে এমন মহৎ একটি আয়োজন সম্পন্ন করতে পারি।

06/02/2026

اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلَّمْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ
سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى شَقِ صَدْرِهِ فِي الصُّدُورِ...

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা শাক্কি সদরিহি ফিস সুদূর।

অর্থ:
"হে আল্লাহ! আপনি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন আমাদের মহামুনিব হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর, এবং (বিশেষভাবে রহমত বর্ষণ করুন) বক্ষসমূহের মাঝে তাঁর সিনা মোবারক বিদীর্ণ করার রহস্যের ওপর।"

(এখানে 'শাক্কি সদরিহি' বলতে নবীজীর বক্ষ বিদীর্ণ করার অলৌকিক ঘটনা এবং এর মাধ্যমে উম্মতের অন্তরের পরিশুদ্ধিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।)

কুরআন, হাদীস ও তাসাউফের আলোকে ব্যাখ্যা

১. কুরআন ও হাদীসের প্রেক্ষাপট:
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: “আমি কি আপনার বক্ষ আপনার কল্যাণে প্রশস্ত করে দেইনি?” (সূরা ইনশিরাহ: ১)।

হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, জিবরাঈল (আ.) এসে নবীজীর বক্ষ মোবারক বিদীর্ণ করে তা জমজমের পানি দিয়ে ধুয়ে নূর ও হিকমতে পূর্ণ করে দিয়েছিলেন। এই দরুদ সেই মহান মোজেজাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

২. তাসাউফের দৃষ্টিভঙ্গি:
তাসাউফের পরিভাষায়, নবীজীর বক্ষ বিদীর্ণ হওয়া কেবল একটি শারীরিক ঘটনা নয়, বরং এটি ‘শরহে সদর’ বা আধ্যাত্মিক প্রশস্ততার প্রতীক। সুফীগণের মতে, যখন কোনো মুমিন এই দরুদ পাঠ করেন, তখন নবীজীর সেই পবিত্র বক্ষ মোবারকের নূরানিয়াতের উসিলায় পাঠকারীর নিজের অন্তরও কলুষতামুক্ত হয় এবং সেখানে আল্লাহর মহব্বত ও মারেফাতের নূর প্রবেশ করে।

৩. রূহানী প্রভাব:
এই দরুদ পাঠ করলে অন্তরের সংকীর্ণতা দূর হয় এবং অস্থিরতা প্রশমিত হয়। এটি মূলত নিজের কলব বা হৃদয়কে আল্লাহর জিকিরের উপযোগী করে তোলার একটি আধ্যাত্মিক আরজি।

বিশেষ আহ্বান:
সাপ্তাহিক পাঠ আবর্ত দরুদ শরীফ সেন্টার কর্তৃক আয়োজনে বাদে আসর কিংবা আপনার সময় সুযোগ মোতাবেক ২৫ বার উক্ত দরুদ শরীফ পড়ুন।

তথ্যসূত্র: মাজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ৩য় খণ্ড।

30/01/2026

اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَ عَلَى آلِ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ نُّورِ الْكَوْنَيْنِ وَالدَّارَيْنِ وَالثَّقَلَيْنِ وَالْحَسَنَيْنِ وَالسَّبْطَيْنِ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিউঁ-ওয়া আলা আলি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন—নূরিল কাওনাইনি ওয়াদ্দারাইনি ওয়াত-ছাকালাইনি ওয়াল হাসানিয়াইনি ওয়াস সাবতাইনি।

মর্মার্থ:
ওগো আমার মাবুদ! তুমি রহমত আর সালাম বর্ষণ করো আমাদের প্রাণের মুনিব হযরত মুহাম্মাদ ﷺ-এর ওপর এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর—যিনি দুই জাহানের (ইহকাল ও পরকাল) চিরন্তন নূর, যিনি দুই জগতের (দুনিয়া ও আখেরাত) আলো, যিনি মানব ও জিন জাতির দিশারী, যিনি ইমাম হাসান ও ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাতামহ এবং যিনি জান্নাতী যুবকদের দুই সরদারের প্রিয় নানা।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:

এই দরুদ শরীফের প্রতিটি শব্দ যেন একেকটি রূহানি ঝরনাধারা। এর গভীরতা ব্যাপক ও বিস্তৃত:

১. কুরআন ও হাদীসের আলোকে (নূরিল কাওনাইন): কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা নবীজি ﷺ-কে 'সিরাজাম মুনিরা' বা উজ্জ্বল প্রদীপ এবং 'নূর' হিসেবে উল্লেখ করেছেন (সূরা মায়িদা, আয়াত ১৫)।

হাদীসে এসেছে, আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীজি ﷺ-এর নূর মোবারক সৃষ্টি করেছেন। তিনি শুধু এই দুনিয়ার নন, বরং আরশ থেকে শুরু করে জমিন—সবকিছুর মূল আলো; তাই তাঁকে 'নূরিল কাওনাইন' বা দুই জগতের নূর বলা হয়েছে।

২. হাদীসের আলোকে (হাসানিয়াইনি ওয়াস সাবতাইন):

এই দরুদে নবীজি ﷺ-এর সাথে সাথে তাঁর দুই আদরের নাতি—হযরত হাসান ও হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উসিলা দেওয়া হয়েছে। হাদীস শরীফে নবীজি ﷺ বলেছেন, "হাসান ও হোসাইন জান্নাতী যুবকদের সরদার" এবং "তারা দুজন দুনিয়াতে আমার সুগন্ধিযুক্ত দুটি ফুল" (তিরমিজি)। তাঁদের প্রতি মহব্বত রাখা ঈমানের অংশ, যা এই দরুদে ফুটে উঠেছে।

৩. তাসাউফ বা আধ্যাত্মিকতার আলোকে:

তাসাউফের দৃষ্টিতে দরুদ শরীফ হলো মদিনার সাথে আশিকের রূহানি টেলিফোন। যখন আমরা নবীজিকে 'নূর' এবং তাঁর পরিবারকে 'হাসানিয়াইন' বলে ডাকি, তখন আমাদের অন্তরে আহলে বায়তের (নবী-পরিবার) প্রতি ভালোবাসা বাড়ে। সুফিয়ায়ে কেরাম বলেন, যে দরুদে নবীজির পরিবারের কথা থাকে, তা আল্লাহর দরবারে দ্রুত কবুল হয়। এটি শুধু পাঠ করা নয়, বরং নবীজির পবিত্র রক্ত ও বংশের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো।

তথ্যসূত্র: মাজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসূল ﷺ। লেখক: কুতুবে আলম, গাউসে দাওরা, খাজা আবদুর রহমান চৌহরভী (রহ.)।

আজকের কর্মসূচি:
আজ জুমাবার। বাদে আসর কিংবা আপনার যেকোনো সুযোগে—উক্ত দরুদ শরীফ ২৫ বার পাঠ করে তা নবীজি ﷺ-এর পবিত্র রূহ মোবারকে হাদিয়া পৌঁছে দিন।

09/01/2026

اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَّ عَلَى آلِ سَيِّدِنَا مُحَمَّدِ الَّذِي كَانَ مَهْدُهُ يَتَحَرَّكُ

বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিও ওয়া 'আলা আ-লি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিল্লাযী কা-না মাহদুহু ইয়াতাহাররাকু।

মর্মার্থ
"হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মুনিব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর বংশধরদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন; যাঁর দোলনা (মোবারক) আপন হতে নড়াচড়া করত বা দুলত।"

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
এই দরুদ বা কাসিদার বাক্যটি মূলত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মের পরবর্তী একটি বিশেষ ঘটনাকে নির্দেশ করে।

এর গভীর তাৎপর্যগুলো হলো:

ফিরিশতাদের সেবা:

হাদিস ও সিরাতের কিতাবে (যেমন: ইমাম বায়হাকীর বর্ণনা) পাওয়া যায় যে, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দোলনায় থাকতেন, তখন তাঁকে দোল দেওয়ার জন্য কোনো মানুষের প্রয়োজন হতো না। মহান আল্লাহর নির্দেশে ফিরিশতাগণ তাঁর দোলনা দুলিয়ে দিতেন।

চাঁদের সাথে খেলা:

কোনো কোনো বর্ণনায় এসেছে, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোলনায় শুয়ে আকাশের চাঁদের দিকে ইশারা করলে চাঁদ সেদিকেই হেলে পড়ত। অর্থাৎ, সৃষ্টিজগতের সবকিছু তাঁর শৈশব থেকেই তাঁর অনুগত ছিল।

সম্মান প্রদর্শন:

এখানে 'মাহদুহু ইয়াতাহাররাকু' (যাঁর দোলনা দুলত) বলে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সেই শৈশবকালীন অলৌকিক শ্রেষ্ঠত্বকে স্মরণ করে তাঁর প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়েছে।

সুত্র: মাজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসূল।
কৃত: খাজা আব্দুর রহমান চৌহরভী রাহিমাহুল্লাহ।

কর্মসূচী:
আজ জুমাবার, বাদে আসর, শুধুমাত্র ২৫ বার পাঠ করার বিনীত অনুরোধ রইল।

#খাজা_চৌহর #দরুদ_শরীফ

09/03/2025

হজরত মাওলা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু শাহাদাত কনফারেন্স ২৫

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Chittagong