Varsity Kagoj 'ভার্সিটি কাগজ'_Chittagong University

Varsity Kagoj 'ভার্সিটি কাগজ'_Chittagong University

Share

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সং?

03/11/2019
15/10/2019

আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ভার্সিটি কাগজ ভর্তি পরীক্ষা সংখ্যা এবারো প্রকাশিত হচ্ছে।
আপনার কপির জন্য অপেক্ষায় থাকুন।

Photos 26/03/2016

নোয়াখালী জেলা ছাত্রকল্যান সমিতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা স্মারকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে। শনিবার সকাল নয়টার দিকে সমিতির সভাপতি অাবু বকর রাহাত ও সাধারন সম্পাদক ইকবাল টিপুর নেতৃত্বে এ পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এতে অারো উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রকল্যান সমিতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা স্মারকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে। শনিবার সকাল নয়টার দিকে সমিতির সভাপতি অাবু বকর রাহাত ও সাধারন সম্পাদক ইকবাল টিপুর নেতৃত্বে এ পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। এতে অারো উপস্থিত ছিলেন
সহ সভাপতি নুরে অালম ইমন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক াুজন ভট্টাচায
সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম হোসন
দফতর সম্পাদক শাকিল অাহমেদ, বিজয় কৃষ্ণ ভৌমিক, মো. চৌধুরী, মিজানুর রহমান, কামরুল হোসেন, রফিক উদ্দিন প্রমুখ।

Photos 15/03/2016
15/02/2016

কল-রেডী" ।
/
খুব পরিচিত একটা নাম। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের
ভাষনেও আমরা এই "কল-রেডী" দেখি।
আসুন "কল-রেডী"র ইতিহাস জানা যাক।
/
কল-রেডী'র ইতিবৃত্তঃ
"১৯৪৮ সালে সূত্রাপুরের দুই ভাই হরিপদ
ঘোষ ও দয়াল ঘোষ মিলে একটি দোকান
চালু করেন। নাম আরজু লাইট হাউস। লাইট
হাউস নাম হলেও লাইটের পাশাপাশি
গ্রামোফোনও ভাড়া দেওয়া হতো।
বিয়ে-শাদিতে লাইটের সঙ্গে
গ্রামোফোনও ভাড়া নিত লোকজন।
দোকানটি পরিচিত হয়ে ওঠে অল্প
দিনেই। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভারত
থেকে কয়েকটি মাইক নিয়ে আসেন দুই
ভাই। তাতেও কুলাচ্ছিল না। হরিপদ ঘোষ
মাইকের কারিকরি জানতেন। যন্ত্রপাতি
কিনে এনে নিজে কয়েকটি হ্যান্ডমাইক
তৈরি করেন।
/
১৯৪৮ সালে দেশ ভাগের পর থেকেই পূর্ব
পাকিস্তানে আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু
করে। আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা মাইক
ভাড়া নিতে শুরু করেন আরজু লাইট হাউস
থেকে। চাহিদা বাড়তে থাকে দিনে
দিনে। তাই তাইওয়ান, জাপান, চীন
থেকে আনা হয় মাইক। তবে মাইকের মূল
অংশ মানে ইউনিট বেশি আনা হতো
বাইরে থেকে। এরপর নিজের দোকানের
কারিগর দিয়ে হরিপদ ঘোষ তৈরি
করিয়ে নিতেন হর্নসহ বাকি অংশ।
/
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর থেকে
সভা-সমাবেশ বেড়ে যায়। এ ছাড়া
সামাজিক আর ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও মাইক
ভাড়া যাচ্ছিল। তাই মাইক দিয়ে নাম
দেওয়ার ভাবনা করলেন দুই ভাই। অবশেষে
দয়াল ঘোষ নামটি ঠিক করেন-কল-রেডী।
কারণ বললেন, মানুষ তো কাজের জন্যই
আমাদের কাছ থেকে মাইক ভাড়া নেয়।
তারা কল করলে আমরা যেন রেডি
থাকি। এক কথায়, কল করলেই রেডী। সে
থেকে কল-রেডী।
/
ভালো সেবা দেওয়ার সুনাম থাকায়
যেকোনো সভা-সমাবেশ ও বড় বড়
অনুষ্ঠানে ডাক পড়তে থাকে কল-রেডীর।
১৯৫৪ সালে কল-রেডীর কর্মী ছিল ২০ জন।
সভা-সমাবেশ সুনামের সঙ্গেই সম্পন্ন
করতেন হরিপদ ও দয়াল ঘোষ। মাঝেমধ্যে
তাঁদের ছোট দুই ভাই গোপাল ঘোষ ও
কানাই ঘোষও সাহায্য করতেন। ১৯৫২
সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা
আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের সভা-
সমাবেশেও যোগ দিয়েছে কল-রেডী।
কল-রেডীর মাইক্রোফোনের সামনে
দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন পূর্ব
পাকিস্তানের বাঘা বাঘা নেতা।
/
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণের মাইক্রোফোন
হলো কল-রেডী। হাটে-মাঠে-ঘাটে সব
জায়গায় তখন স্বাধিকারের চেতনায়
ফুঁসছে মানুষ। সত্তরের নির্বাচনে
বঙ্গবন্ধুকে সারা দেশের মানুষ ভোট
দিয়েছে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি
শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করে না।
দফায় দফায় মিটিং করেও হচ্ছে না
সুরাহা। চলে এলো মার্চ। কল-রেডীর
মালিক হরিপদ ঘোষ ও দয়াল ঘোষকে
ধানমণ্ডির বাসায় ডেকে পাঠালেন
বঙ্গবন্ধু। নির্দেশ দিলেন সোহরাওয়ার্দী
উদ্যানে [তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান]
মাইক লাগাতে। কাজে নেমে পড়েন
হরিপদ ও দয়াল ঘোষ। তখন রেসকোর্সে
মাইক লাগানো সোজা ছিল না-
শাসকগোষ্ঠীর চোখ ছিল সদা সতর্ক।
রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে লুকিয়ে মাইক
লাগাতে লাগলেন দুই ভাই। ৭ই মার্চের
বাকি আর তিন দিন। মাইক লাগিয়ে
কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলেন হরিপদ আর
দয়াল ঘোষ। কিছু বাড়তি মাইক
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মজুদ রাখেন যেন
সমাবেশের দিন তাৎক্ষণিকভাবে
লাগিয়ে নিতে পারেন। তিন দিন ধরে
৩০ জন কর্মী নিয়ে বাঁশ, খুঁটি গাঁথার কাজ
করেন ঘোষেরা। তারপর সেই দিনটি
আসে-৭ই মার্চ। কবি গিয়ে দাঁড়ান জনতার
মঞ্চে। কল-রেডী'তে উচ্চা্রিত হলো
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির
সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার
সংগ্রাম। জয় বাংলা।’
/
বঙ্গবন্ধুর ভাষণকালে যেন কোনো
যান্ত্রিক ত্রুটি না হয়, সে জন্য নিজে
উপস্থিত থাকার পাশাপাশি একজন
সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ
দিয়েছিলেন হরিপদ ঘোষ। অতিরিক্ত
তিনটি মাইক্রোফোন সঙ্গে
রেখেছিলেন দয়াল ঘোষ।
/
এত বড় একটি সমাবেশে মাইক সার্ভিস
দিয়ে কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিল
কল-রেডী? জানতে চাইলে হরিপদ
ঘোষের ছেলে কল-রেডীর বর্তমান
পরিচালক সাগর ঘোষ জানান, সেই সময়
পারিশ্রমিকের কথা চিন্তা করার সুযোগ
বাবা ও জ্যাঠা মশাইয়ের ছিল না। বঙ্গবন্ধু
নির্দেশ দিয়েছেন সেটাই বড় কথা। আর
তা ছাড়া দেশের পরিস্থিতি তখন সবাই
কম-বেশি জানতেন। আর বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে
বাবা-কাকার ভালো সম্পর্ক থাকার
কারণে বাবা শুধু খরচটাই নিতেন। আরো
বললেন, ‘সেদিন সেই সমাবেশে আমার
বাবার হাতে তৈরি অনেক হ্যান্ড মাইক
ব্যবহৃত হয়েছিল।’
/
৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে কল-
রেডীর যে মাইক্রোফোনে বঙ্গবন্ধু তাঁর
ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেই
মাইক্রোফোন, মাইক্রোফোনের স্ট্যান্ড
আজও আছে কল-রেডীর কাছে। দেশ
স্বাধীন হওয়ার পর আর অন্য কেউ সেই
মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণ
দেননি। এরপর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০
জানুয়ারি দেশে ফিরে আবারও কল-
রেডীর মাইক্রোফোনের সামনে
দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন।
/
দেশ-বিদেশের অনেক বিখ্যাত মানুষ কল-
রেডীর মাইক্রোফোনের সামনে
দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন। হোসেন শহীদ
সোহরাওয়ার্দী, এ কে ফজলুল হক, বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান, হুসেইন
মুহম্মদ এরশাদ, শেখ হাসিনাসহ আরো
অনেকে আছেন এই তালি

09/02/2016

ব্রেকিং.....
চবি ছাত্রলীগের সকল কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

08/02/2016

ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিকেল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বীর অনুসারী মাসুমকে মারধর করে সভাপতি আলমগীর টিপুর কর্মীরা।

এর রেশ ধরে দু’টি পক্ষই শাহজালাল হলে এসে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে একজন আহত হয়। পরে সোহরাওয়ার্দী হলে সভাপতি পক্ষের দুই কর্মীকে মারধর করে বিপক্ষের কর্মীরা।

তবে আহতদের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সভাপতি পক্ষের নেতাকর্মীরা শাহজালাল হলে এবং সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতাকর্মীরা শাহ আমানত হলে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ দুই পক্ষকে নিবৃত করার চেষ্টা করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে।’

এর আগে ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতাকর্মীরা। এতে পুলিশসহ উভয়পক্ষের ৩০জন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় অস্ত্রসহ বেশ কিছু ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে আটক করেছিল পুলিশ। তাদের নামে দুইটি মামলাও হয়েছিল তখন।

08/02/2016

চবিতে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষ চলছে...

24/01/2016

২৭৬ কোটির মালিক সাকিব!

টিবিটি খেলাধুলাঃ ক্রিকেটে যখন গ্ল্যামার আর সম্পদের কথা আসে তখন সবার আগে চলে আসে ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম। ক্রিকেটপ্রেমী ভারতের ক্রিকেটারদের বিপুল ধন-সম্পদের কথা সবারই জানা। তবে বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটারও সবার অলক্ষ্যে উঠে এসেছেন এই তালিকায়।

তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকট্র্যাকার ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, সাকিবের আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ৩৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ২৭৫ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫০ টাকা।

ক্রিকট্র্যাকারের মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে উপার্জনকারী ক্রিকেটার হচ্ছেন সাকিব আল হাসান।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের পেছনে অর্থের ছোটাছুটি করাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন তিনি। তার আয় সবচেয়ে বেশি হবে, তা অনুমেয়। বেতন, পারিশ্রমিক, বিজ্ঞাপন, কসমেটিকস, রেস্তোরাঁ ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে অর্জিত অর্থ দিয়েই সাকিবের অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা।

গত বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে বেতন হিসেবে প্রতি মাসে সাকিব আল হাসান পেয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা করে। এ বছর ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হচ্ছে তার বেতন। পারিশ্রমিক হিসেবে প্রতি ম্যাচে ফি পেয়েছেন লাখ টাকার উপরে। এ ছাড়া দৈনিক ভাতা তো আছেই। এই ক্রিকেটার নিয়মিত দেশ-বিদেশে বিভিন্ন লিগে খেলে যাচ্ছেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করেছেন সাকিব। ২০১১ সালে আইপিএলে সাকিবকে ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলারে কিনে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৬ সালেও কলকাতায় খেলবেন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। সাকিবকে রেখে দেওয়ায় ২ কোটি ৮০ হাজার রূপি দিতে হচ্ছে কেকেআরকে। এ ছাড়া বাংলাদেশে বিপিএলেও সাকিবের আয় হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিলেন সাকিব। সর্বশেষ আসরে রংপুর রাইডার্স থেকে পেয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা।

আইপিএল ও বিপিএলের মতো পাকিস্তানের সুপার লিগেও সাকিব এগিয়ে। পিএসএলে প্লাটিনাম গ্রুপে সাকিব খেলবেন করাচি কিংসে। এজন্য পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লিগ ও কাউন্টি ক্রিকেট থেকে হাজারো ডলার আয় করেছেন সাকিব। ২০০৯ সালে উইজডেন ম্যাগাজিনের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার নির্বাচিত হন সাকিব। সে সময় বড় অঙ্কের অর্থ সাকিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

ক্রিকেটের বাইরেও সাকিবের আয় আকাশচুম্বি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যদূত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছেন সাকিব। পেপসি, ক্যাসট্রল, নর্টন এন্টিভাইরাস, বুস্ট, লাইফবয়, লা রিভ, লেনেভো, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, বাংলালিংক, রানার মোটরসাইকেল, জ্যানএনজি আইসক্রিম, টিফিন বিস্কুটস, সিঙ্গার ইলেকট্রনিকসের বিজ্ঞাপণী দূত হিসেবে মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়েছেন সাকিব।

ব্যক্তিগত ব্যবসাতেও সাকিব সফল। যমুনা ফিউচার পার্কে সাকিবের নিজস্ব কসমেটিকসের দোকান কসমিক জোভিয়ান, বনানীতে নিজের রেস্টুরেস্ট সাকিবস ডাইন এরই মধ্যে লাভের মুখ দেখেছে। প্রচুর আয় হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে। গত বছর ‘ফিয়েস্তা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলেছেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার। কিন্তু বেশি দিন সেটির সঙ্গে যুক্ত থাকেননি তিনি।

21/01/2016

গ্র্যাজুয়েট বরণে প্রস্তুত চবি

১০ দিন পরেই ৩১ জানুয়ারি। ওইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বসবে চতুর্থ সমাবর্তনের আসর। সাত হাজার ১৯৪ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেবেন। তাই অনুষ্ঠানকে যেমন জাকজমকপূর্ণ করতে চায় তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অতীত ও মর্যাদা যাতে ক্ষুণ্ন না হয় সেদিকেও নজর কর্তৃপক্ষের।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তন থেকে সমাবর্তন অংশ নিতে রেজিষ্ট্রেশন করা গ্র্যাজুয়েটেরা গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি সমাবর্তনের দিন (৩১জানুয়ারি) ক্যাম্পাসে ৭২টি বুথ বসানো হবে। এসব বুথ থেকেও গ্র্যাজুয়েটরা গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে গাউন সংগ্রহ করতে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্ধারিত ফরমে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করে তা প্রিন্ট করে এক কপি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এই ফরমটা জমা দিলে একটা কোড নম্বর দেওয়া হবে।সেই কোড নম্বর দেখিয়ে গ্যাজুয়েটরা গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা বাংলানিউজকে বলেন, ’২৯ ও ৩০ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তন থেকে এবং ৩১ জানুয়ারি নির্ধারিত বুথ থেকে গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন গ্যাজুয়েটরা। কয়েকদিনের মধ্যেই গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গ্যাজুয়েটদের এসব জানিয়ে দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে গ্যাজুয়েটদের সব করণীয় উল্লেখ থাকবে।’

এদিকে সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে ১৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় নগরীর চারুকলা ইনস্টিটিউটে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রেলওয়ে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং ট্রাফিক, বিদ্যুৎ বিভাগ (পিডিবি) এবং হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হুদা, ডিনস কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী, প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী, চট্টগ্রাম এডিসি জেনারেল আবদুল জলিল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মহানগর বিশেষ শাখা) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া, র‌্যাব-৭ এর এএসপি মো. জালাল উদ্দিন, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) চৌধুরী মো. ঈশা-ই-খলিল, পিডিব’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (উত্তর) মো. মকবুল হোসেন, হাটহাজারী উপজেলা ইউএনও মো. মোয়াজ্জম হোসাইন, হাটহাজারী সার্কেল’র এএসপি মো. মসিউদ্দৌলা রেজা।

সভাপতির বক্তব্যে চবি উপাচার্য বলেন, ৭ হাজার ১৯৪ জন গ্র্যাজুয়েটের অংশগ্রহণে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ।এ উপলক্ষে আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সকল মহলের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে সুষ্ঠুভাবে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠান আগামী ৩১ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Shah Amanat Hall, University Of Chittagong
Chittagong