20/08/2021
স্কুল লেভেল শেষ করার পর থেকে লেখাপড়া, সংস্কৃতি, পরিবেশ বুঝার পাশাপাশি ব্যবসায়িক মনোভাব হওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ।
দেশে অনেক অনেক বেশি উদ্যোক্তার প্রয়োজন।
দেখা যায়, বর্তমানে পটিয়াতে স্কুল লেভেল শেষ হওয়ার পরপরই চাকরীতে প্রবেশ করছে অনেক অনেক মাধ্যমিক স্তর কমপ্লিট করা ছাত্ররা। এতে করে দেখা যাচ্ছে, ঐ ছেলেদের মধ্যে বেশিরভাগ ছেলে চাকরী তে থাকাকালীন সময়ে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর টা সচরাচর সম্পন্ন করতে পারছেন না। করলেও তা আশানুরূপ হচ্ছেনা।
ফলে তাদের উচ্চ মাধ্যমিক এবং গ্রেজুয়েশন নিয়ে ভাবা টায় কাল্পনিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই আমাদের উচিৎ একজন মাধ্যমিক স্তর এর ছাত্রকে উদ্ভুদ্ধ করা। যে, তার যদি চাকরীতে প্রবেশ করতেই হয় তবে অন্তত উচ্চ মাধ্যমিক স্তর টা সম্পন্ন করেই যেনো চাকরীতে প্রবেশ করে।
যাদের আর্থিক অবস্থা একদমই খারাপ, তাদের জন্য এই লেখা টা প্রযোজ্য নই। এই লেখা টা একটা কারণে লিখতে বাধ্য হয়েছি, বর্তমানে পটিয়া তে অনেক ছেলেপেলের সম্মুখীন আমি হচ্ছি। যাদের আর্থিক অবস্থা অন্তত তার উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পার করা পর্যন্ত যোগ্যতা রাখলেও তারা স্বেচ্ছায় সৌখিনভাবে জীবন চালাতে ব্যাংকের ম্যাসেঞ্জার (পিয়ন) পদ এ জয়েন করতে ইচ্ছুক।
তাদের জন্য আমার একটা বাণী,
আপনারা মাধ্যমিক স্তর পার করার পর শৌখিন জীবনের জন্য ব্যাংকের ম্যাসেঞ্জার (পিয়ন) পদ টা বেঁচে না নিয়ে, ব্যবসায়িক মনোভাব গড়ে তুলতে পারেন। আল্লাহর রহমতে পটিয়া তে ব্যবসার কোনো অভাবই নেই। চাইলেই অল্প পুঁজিতে সঠিট বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো হালাল ব্যবসা গঠন করা যায়।
এতে করে আপনি আপনার উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পার করতে যাবতীয় খরচাদি নিজেই বহন করতে পারবেন এবং পড়ালেখা টা সঠিকভাবে এক্টিভ রাখতে পারবেন। এবং গ্রেজুয়েন পর্যায় টা সম্পন্ন হুওয়ার পর আপনি নিজেই মাথা উঁচু করে দেখবেন, আপনার জন্য হাজারো অপশন তৈরী হয়ে আছে। এরপরে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার লাইফ এর টার্নিং, আপনি কোনদিকে ঘুরাবেন।
আমি কোনো চাকরীকে ছোট করছিনা এবং চাকরী দাতার প্রতি আমি হৃদয় থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। চাকরী দাতা কখনো কারো খারাপ চান নি বলেই দরিদ্র, অসহায় পরিবারের পাশে আছেন। কিন্তু আমাদের মনোভাব এবং লাইফস্টাইল টা উন্নত করতে এইসব লিখলাম।
আমার লেখা টা কারো মনে আঘাত দিলে, দয়া করে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমি নগণ্য একজন, যতোটা অনুভব করি তা একটু স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। এতে আমি নিজেই কিছু কিছু বিষয়ের উদাহরণ। কারণ আমি এস.এস.সি পাসের পর এবং এইচ.এস.সি পাসের পর বিদেশগামী হতে যাচ্ছিলাম চাকরীর উদ্দেশ্যে। অথচ সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে আমি বিদেশ যাওয়া টাকে গুরুত্ব দিইনায় এবং আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ এখন।
ইন শাহ্ আল্লাহ্, পাসপোর্ট রিনিউ করে একমাত্র ভ্রমণ করতে বা খোদা চাইলে ব্যবসায়িক কাজেই যাবো অন্য দেশে।
এটাই মূল উদ্দেশ্য।
জাহিদ হাসান
বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পটিয়া সরকারি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক (সম্মান), এবং
জাহিদ কম্পিউটার ইনস্টিটিউট এর স্বত্বাধিকারী।
পটিয়া, চট্টগ্রাম।