বাংলাদেশ যেন সুস্থ থাকে....
SSC - পরীক্ষার পরবর্তী শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট পাবলিসড হওয়ার সময় পযর্ন্ত মধ্যবর্তী সময়টাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে স্থানীয় ক্যাম্পে কোন প্রশিক্ষণ বা কোর্স করানোর মতো কি কোন ব্যবস্থা করা যায় না?
ঐ সময়টা যদি কোন গঠনমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকতো তাহলে কলেজ বা পরবর্তী শিক্ষা অর্জনে নৈতিকতা, দেশপ্রেম এবং দায়িত্ববোধ বাড়তো বলে আমি মনে করি।
যদিও বা অনেকেই বিভিন্ন সংস্থা বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করানোর কাজে ব্যয় করে, কিন্তু তা পরবর্তী সময়ের জন্য নিজেদের প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে থাকেনা। বেশিরভাগই গতানুগতিক জীবনধারণ এবং ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে চিন্তা করে। কেউ কেউ তো আবেগের বসে বিবেকটাকেও হত্যা করে ফেলে। নেতার পিছনে নেশার পিছনে নিজেকে নিয়োজিত করে রাখে। বেশিরভাগই হয়ে পড়ে দেশ ঘাতী, চরম সীমা লঙ্ঘনকারী। আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা, শিক্ষকদের লাঞ্ছনা, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অসম্মান, ছোট আর বড়দের প্রতি অসামঞ্জস্য আচরণ, ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর মানসিকতা - সব মিলিয়ে অসুস্থ সমাজ গঠনের জন্য নিজেদের উপযুক্ত করে তোলে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হলো সকল ক্ষেত্রে আস্থাশীল।
যার উপর জনমানুষের ভরসা থাকে শতভাগ। তাই, আমি আশা করছি ভবিষ্যতে সুস্থ বাংলাদেশ গঠন করতে এই ধরনের একটা প্রকল্প গ্রহণ করা এই সময়ের সকল বিবেকবান মানুষেরই দাবি হওয়া জরুরি।
আপনার মতামত আশা করছি....
লতিফপুর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়।
Latifpur Al-Haz Abdul Jalil High School
08/04/2025
একদিন এক রাজা তার সভা পন্ডিতকে প্রশ্ন করলেন, "বলুন তো পন্ডিত মশাই, অবিদ্যা কি?"
পন্ডিত কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, "মহারাজ, এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমাকে ৫ দিন ছুটি দিতে হবে, ফিরে এসে আমি আপনার প্রশ্নের জবাব দেব!"
রাজা সম্মত হয়ে পন্ডিতের ৫ দিনের ছুটি মঞ্জুর করলেন। পন্ডিত রাজমহল থেকে বের হয়ে রাজ্যের সবচেয়ে দক্ষ জুতার কারিগরের কাছে গিয়ে বললেন, "আমাকে একজোড়া জুতা বানিয়ে দাও।"
কারিগর সপ্রশ্ন চোখে বলল, "ঠিক আছে হুজুর, মাপটা দিন।"
পন্ডিত ধমক দিয়ে বললেন, "ওসব মাপ টাপ ছাড়ো, এক হাত লম্বা আর এক বিঘৎ চওড়া জুতা বানাও, আর ওতে কিছু হিরে জহরত মণি মাণিক্য জুড়ে
দাও! সোনায় মোড়ানো সুতো দিয়ে সেলাই করো, টাকার চিন্তা করো না, যা দাম হবে তাই পাবে, দরদাম করব না।"
কারিগর সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল, "ঠিক আছে, কিছু টাকা আগাম দিন, ১ দিন বাদে এসে জুতা নিয়ে যাবেন।"
দ্বিতীয় দিন জুতা বুঝে নেবার সময় পুরো টাকা দেবার আগে পন্ডিত কারিগরকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে এই জুতার গল্প সে কারও কাছে করবে না।
তারপর পন্ডিত একপাটি জুতা নিজের কাছে রেখে অন্য পাটিটি সবার অলক্ষ্যে একটি মন্দিরের সামনে ফেলে রাখলেন।
সন্ধ্যায় পুরোহিত মন্দিরে এসে ওই একপাটি জুতা আবিষ্কার করে ভীষণ উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। তিনি চিন্তা করলেন, এত বড় জুতা কখনও কোনো মানুষের পায়ের হতে পারে না, আর যা হীরা জহরত লাগানো তাতে নিশ্চয়ই রাতে মন্দিরে স্বয়ং ভগবান এসেছিলেন, এবং বাইরে ভুল করে এই একপাটি জুতা ফেলে চলে গেছেন।
উনি প্রথমে জুতোর পাটিটা মাথায় ঠেকালেন, তারপর বার বার জুতাটাকে চুমু খেতে লাগলেন। পরদিন যখন মন্দিরে অনেক লোক সমাগম হলো পুরোহিত সবাইকে ভগবানের জুতা পাওয়ার গল্প শুনিয়ে দিলেন। সকলে একবাক্যে স্বীকার করল, নিশ্চয়ই এই জুতা ভগবানেরই হবে, মানুষের পায়ের মাপ এত বড় হতেই পারে না, আর মন্দিরের বাইরে যখন পাওয়া গেছে তখন নিশ্চয়ই শয়তানেরও নয়! সবাই মিলে জুতাটি বারবার মাথায় ঠেকাতে আর চুমু খেতে লাগল।
নিমেষেই এই জুতার কথা রাজ্যময় ছড়িয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত জুতার গল্প রাজার কানেও গেল; তিনি জুতাটি রাজ দরবারে পেশ করতে আদেশ দিলেন।
সব দেখেশুনে রাজাও স্বীকার করলেন, "এ জুতা ভগবানের না হয়ে পারে না!" তিনি জুতাটি বারবার মাথায় ঠেকিয়ে আর চুমু খেয়ে বললেন, "এই জুতা কোনো মন্দির বা পবিত্র স্থানে যত্ন এবং নিরাপত্তা সহকারে সংরক্ষণ করা হোক।"
প্রতিদিন হাজার হাজার লোক জুতা দেখতে ভিড় জমাতে লাগল, অনেকে রোগমুক্তি সহ বিভিন্ন কিছু পাবার আশায় মানত করা শুরু করল। সুযোগ বুঝে একদল লোক জুতার পাশে একটা দান বাক্স লাগিয়ে দিল। জুতাকে কেন্দ্র করে জমে উঠল টাকার পাহাড়!
৫ দিন পর পন্ডিতের ছুটি শেষ হলো। তিনি রাজসভায় প্রবেশ করে রাজাকে কুর্নিশ করলেন এবং চুপচাপ বসে রইলেন।
রাজা প্রশ্ন করলেন, "কি হলো পন্ডিত, আপনি এমন বিরসবদন কেন?"
পন্ডিত মাথা নিচু করে বললেন, "মহারাজ, আমার বাড়ি থেকে একপাটি জুতা চুরি গেছে, তাই আমার মন খারাপ।"
"একপাটি জুতা ?", রাজা আকাশ থেকে পড়লেন।
"হ্যাঁ, আমার প্রপিতামহের একটি জুতা চুরি গেছে, পালানোর সময় চোর একপাটি ফেলে গেছে!"
"ওই জুতাটি কি আপনার কাছে আছে?" রাজার তড়িৎ প্রশ্ন।
"হ্যাঁ, আছে আমার কাছেই!", পন্ডিত ঝোলার ভেতর থেকে জুতার পাটি বের করে সবাইকে দেখালেন।
জুতা দেখে তো রাজার মাথা ঘুরতে আরম্ভ করল, নিজের কপালে করাঘাত করে হুকুম করলেন, মন্দির থেকে এক্ষুনি জুতার পাটিটি নিয়ে আসতে। তারপর উচ্চস্বরে বলতে লাগলেন, "আমরা তো এটাকে ভগবানের জুতা মনে করে কত মাথায় ঠেকিয়ে, চুমু খেয়ে, চেটে চেটে চকচকে করে তুলেছি!"
পন্ডিত তখন মৃদু বললেন, "মহারাজ, একেই বলে অবিদ্যা। এই রাজ্য একদিন এমনি অবিদ্যায় ছেয়ে যাবে! অনেক মানুষের বুদ্ধিলোপ হবে। লোকে এতটাই নির্বোধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন এবং ধর্মান্ধ হয়ে যাবে যে ভালো মন্দ ঠিক বেঠিকের ফারাক করতে পারবে না। আর এসব দেখে ভগবান অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টি করার জন্য মনে মনে আফসোস করবেন।"
লতিফপুর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সম্মানিত শিক্ষক সুভাষ সিংহ রায় (সিংহ স্যার) আজ সকাল ১১:৫৫ ঘটিকায় মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় স্যারের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।
19/02/2025
স্যাবিকার্ড (ARNI) হার্ট ফেইলিওরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। রোগীকে এই স্লিপ দিয়ে বাইরে কিনতে পাঠানো হয়েছে। ওষুধের দোকানদার দিয়ে দিয়েছে সোডিকার্ব। রোগীর রক্তে সোডিয়াম কম থাকলে এটি প্রেসক্রাইব করা হয়। অর্থাৎ দুটো একেবারেই ভিন্ন জাতের দুটো ওষুধ।
রোগীর ছেলে দোকানদারকে বলল, 'পাওয়ার' তো মেলে না। দিয়েছে ৫০ মিগ্রা, আপনি দিলেন ৬০০ মিগ্রা। ওষুধওয়ালা দারুণ একটা উত্তর দিয়েছে। বলেছে, ডাক্তার ভুল করেছে। ভুল করে ৬০০ মিগ্রার বদলে ৫০ মিগ্রা লিখেছে। এই ওষুধ ৬০০ মিগ্রা ছাড়া হয় না। বেচারা আর কী করবে, সে ওষুধই নিয়ে এসেছে।
ওষুধটা আমাদের হাতে পড়াতে নাহয় পরিবর্তন করতে পাঠানো গেছে। ধরুন এই রোগীকে ছুটির কাগজে আমরা এই ওষুধটি লিখে দিয়েছি। আর রোগী প্রতিদিন সোডিকার্ব খেয়ে যাচ্ছে। কল্পনা করা যায়?
আজকেরই আরেক ঘটনা। রোগীকে আনতে দেওয়া হয়েছে Ancor (2.5 mg), রোগীকে দিয়ে দিয়েছে Fincor (10 mg)। রোগীকে বলেছে এই ওষুধ তো ২.৫ হয় না, ১০-ই হয়। অথচ একটা বিটা ব্লকার আরেকটা মিনারেলোকর্টিকয়েড রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট।
এটা শুধু আজকের ঘটনা বললাম। এমন যে কতো ঘটনা...
এক রোগীকে হার্ট ফেইলিওরের জন্য এমপাগ্লিফলোজিন দেওয়া হয়েছে। দোকানদার জিজ্ঞেস করেছে, আপনার কি ডায়াবেটিস আছে? রোগী বললেন, না। দেখেন ডাক্তার আপনাকে ডায়াবেটিসের ওষুধ দিয়ে রেখেছে। রোগীদের ওষুধের দোকানদারদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস থাকে। সে ঐ ওষুধ বন্ধই করে দিয়েছে। আর খায়নি। বারবার হসপিটালাইজেশান।
ঠিক একই ঘটনা বহুবার ঘটেছে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের রোগীদের ক্ষেত্রে। তাদেরকে মেটফরমিন দেওয়া হলে ওষুধের দোকানদাররা ডায়াবেটিসের ওষুধ দিয়ে দিয়েছে বলে ভয় দেখিয়ে দেয়।
মক্সাক্লাভ ৩৭৫ মিগ্রা দেওয়া হয়েছে। এটি এন্টিবায়োটিক। ৩৭৫ দেখে দোকানদার দিয়ে দিয়েছে জেনোল ৩৭৫। যা একটা শক্তিশালী ব্যথার ওষুধ। আর বলেছে, ডাক্তার ভুল করেছে। ভুল করে ৩ বেলা লিখেছে। এটা ২ বেলা খাওয়ার ওষুধ।
হাই প্রেশার নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেয়ে ব্লাড প্রেশার ১১০/৭০ মিমি মার্কারি। ফার্মেসিওয়ালা জিজ্ঞেস করেছে আপনি কি এখনও ওষুধ খান? হ্যাঁ। হায়হায় করে উঠেছে ফার্মেসিওয়ালা। এই প্রেশারে ওষুধ খেলে তো মরবেন মিয়া। ঐ দোকানওয়ালাকে কে বোঝাবে, অনেকদিন প্রেশারের ওষুধ খেয়েই বিপি কন্ট্রোলে আছে। সেই থেকে রোগীর ওষুধ বন্ধ। এরপর এসেছে ২২০/১২০ মিমি মার্কারি বিপি নিয়ে।
এক বাচ্চার এক দিনের ডায়রিয়া। বিশ্বাস করবেন কি-না জানি না, ফার্মেসিওয়ালা গুনে গুনে ৫টি এন্টিবায়োটিক দিয়েছে। নিজের সামান্য লাভের জন্য শিশুটার ক্ষতি করতে এদের একটুও হাত কাঁপে না।
কিছু ফার্মেসিওয়ালা সন্ত্রাসের চেয়েও বড়ো অপরাধ করে। এরা সঙ্গোপনে নিজেদের মূর্খতা, অসভ্যতা ও লকলকে লোভের জন্য রোগীর যে কতো বড়ো ক্ষতি করে চিন্তাই করা যায় না। এদেরকে প্রতিহত না করা গেলে জনগণ নীরবে ধুঁকতেই হবে। রোগীর বড়ো বড়ো ক্ষতি হতেই থাকবে।
Naznin N Nishi
13/12/2024
এস এস সি ২০২৫ পরীক্ষার রুটিন।
21/11/2024
লতিফপুর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস.সি - ২০২৫ এর নির্বাচনী পরীক্ষা'র ফলাফল।
প্রকাশ- ২২-১১-২০২৪
13/09/2024
লতিফপুর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
06/09/2024
লতিফপুর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৫ (ষষ্ঠ) ভর্তি থেকে ২০০০ এস.এস.সি পর্যন্ত সকল বন্ধু বান্ধবীরা কে কোথায় আছস?
বন্ধু তোরা কৈ আয় ফিরে আয়,
ফিরে চল আবার আড্ডায়......
গেটটুগেদার প্রোগ্রাম, (নিজ নিজ পরিবার সহ)
আগামি ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪ শুক্রবার।
01819851115 - শাহরিয়ার সালেহীন সুজন
01681498877 - গোলাম কিবরিয়া
15/01/2024
জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"
সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।
শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!
হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।
শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।।
"ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।।
- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।।
-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"
হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।
শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।
হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।
ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।। বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।।
প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।
চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।
-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"
ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।
প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"
মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।
বাচ্চা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"
মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"
হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।
শিয়াল বলে -- "কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"
হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"
শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"
-- "উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"
-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।"
মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।
কালেক্টেড
04/12/2023
এন সি টি বি - কর্তৃক প্রকাশিত জন সতর্কীকরণ নোটিশ
31/07/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Village/Latifpur, Thana/Sitakundo, Post/Jafrabad
Chittagong
4317