Good morning all guys
Have a. nice day
Chakma Languages And Story
Congratulations our official pages
Chakma languages and Education for us.. Like this Thanks all----
#আদিবাসীর_গল্প ১৯৯৬ সালের ভয়াল সেই রাতের কথা স্মরণ করে এখনো শিউরে ওঠেন কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা (কালী চরণ) ও লাল বিহারী চাকমা (ক্ষুদিরাম)। তাদের কানে এখনো বাজে কল্পনার গলায় দাদা দাদা চিৎকার। বছর ঘরে জুন মাস আসলে কল্পনার স্মৃতি তাদের চোখে অশ্রু বয়ে আনে। বোন হারানো কষ্টে দিন যায়। বোন অপহরণের বিচার হয় না। কুয়াঘাটে গিয়ে কল্পনার স্মৃতি খুঁজে বেড়ান তারা। রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি নিউ লাল্যাঘোনায় কল্পনা চাকমার বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে। বাড়ির ১১০/১২০ গজ পশ্চিমে কুয়াঘাট। লাল বিহারী চাকমা বলেন, এই ঘাটে কল্পনাকে শেষবার দেখেছিলেন। বলেন, ১৯৯৬ সালের ১১ জুন গভীর রাতে তারা যখন গভীর ঘুমে মগ্ন তখন পাশে কজইছড়ি ক্যাম্পের তত্কালীন কমান্ডার লে. ফেরদৌস, ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার নুরুল হক ও সালেহ আহম্মেদের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের ঘর ঘিরে ফেলে। দরজা খুলতে দেরি করলে লাঠি দিয়ে আটকানো দরজা খুলে ঘরের ভেতরে ঢোকে ওরা। তারা আমাদের সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে উঠানে জড়ো করে। বাতি জ্বালাতে নিষেধ করে। উঠান থেকে প্রথমে আমাকে নেয়া হয় আমাদের কুয়াঘাটে। সেখানে আমার চোখ বাঁধা হয়। কিছুক্ষণ পর কল্পনা ও কালী চরণ দাদাকে আনা হয়। এনে কালী চরণের চোখ বেঁধে দিয়ে আমাদের আরো পশ্চিম দিকে নিয়ে যেতে থাকে তারা। কয়েক গজ হাঁটতেই শুনি তারা বলাবলি করছে ‘ওকে গুলি করো।’ তাই জীবন বাজি রেখে তাদের কবল থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালাতে থাকি। পেছন থেকে গুলি হয়। তীরে উঠতেই আরো একটি গুলির শব্দ শুনি। এরপর কল্পনার গলায় দাদা দাদা চিৎকার শুনতে পাই। ধরে নিয়েছিলাম ভাই আর বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে। শরীরে কাপড়-চোপড় ছাড়া গ্রামের প্রতিবেশীদের ঘরে আশ্রয় নিই। ভাই-বোনের কী হয়েছে তা জানতে সেদিন ঘুমহীন রাত কাটে। সকালে দাদার (কালিন্দী কুমার) সঙ্গে দেখা হলেও এখনো পর্যন্ত কল্পনাকে পাওয়া যায়নি।কল্পনা অপহরণ ঘটনার পরদিন ১৩ জুন বাঘাইছড়ি থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন কালিন্দী কুমার চাকমা। এ মামলা দায়েরের পর ২০১০ সালের ২১ মে বাঘাইছড়ি থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহম্মদ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এতে কল্পনার সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি উল্লেখ করে মামলাটি বাতিলের আবেদন জানান। এ আবেদনের বিরদ্ধে কালিন্দী কুমার চাকমা না-রাজি আবেদন করলে আদালত সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।এ নির্দেশে সিআইডি কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহর তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ২০১৩ সালের ১২ জানুয়ারি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনেও অভিযুক্ত লে. ফেরদৌস, ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার নুরুল হক ও সালেহ আহম্মেদের নাম না আনায় বাদী কালিন্দী কুমার চাকমা নারাজি আবেদন দিলে ১৬ জানুয়ারি দুই দফা শুনানি শেষে তত্কালীন রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুদ্দৌলাহ কুতুবী রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার আমেনা বেগমকে দিয়ে পুনঃতদন্তের আদেশ দেন। মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন না হয়ে আমেনা বেগম অন্যত্র বদলি হয়ে গেলে নতুন দায়িত্ব পান বর্তমান পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান। তিনিও তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেননি।এ ব্যাপারে সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান মানবকণ্ঠকে বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পার তিনি বাঘাইছড়িতে কল্পনার চাকমার বাড়িতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জুয়েল দেওয়ান বলেন, ২০১৩ সালে ১৬ জানুয়ারি রাঙ্গামাটি মুখ্য বিচারিক হাকিম যে আদেশ দিয়েছেন এর মধ্যে হলো; কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো, মামলার সাক্ষী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ১৬১ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধ করা, লে. ফেরদৌস, ভিডিপি নুরুল হক ও সালেহ আহমদকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা, ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও রহস্য বের করা। কিন্তু তদন্ত চলাকালে এগুলো অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। কালিন্দী কুমার চাকমা বলেন, কল্পনার বিচারের অপেক্ষায় আদালতের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে ১৯টি বছর পার হয়ে গেল। আরো কত বছর যেতে হবে তার ঠিক নেই। একবার আদালতে গেলে যাওয়া ও থাকার মধ্যে দুইদিন শেষ হয়। এভাবে বছরের পর বছর যাচ্ছে। সরকার আন্তরিক হলে এতদিন এই বিচার শেষ হতো।সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহযোগী নারী সংগঠন এইচডব্লিউএফের তত্কালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন কল্পনা চাকমা। ১৯৯৬ সালের ১১ জুন রাতে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিউ লাল্যাঘোনার নিজ বাড়ি থেকে দুই ভাইসহ কল্পনাকে অপহরণ করা হয়। আলোচিত এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় #আদিবাসীর_গল্প ১৯৯৬ সালের ভয়াল সেই রাতের কথা স্মরণ করে এখনো শিউরে ওঠেন কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা (কালী চরণ) ও লাল বিহারী চাকমা (ক্ষুদিরাম)। তাদের কানে এখনো বাজে কল্পনার গলায় দাদা দাদা চিৎকার। বছর ঘরে জুন মাস আসলে কল্পনার স্মৃতি তাদের চোখে অশ্রু বয়ে আনে। বোন হারানো কষ্টে দিন যায়। বোন অপহরণের বিচার হয় না। কুয়াঘাটে গিয়ে কল্পনার স্মৃতি খুঁজে বেড়ান তারা। রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি নিউ লাল্যাঘোনায় কল্পনা চাকমার বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে। বাড়ির ১১০/১২০ গজ পশ্চিমে কুয়াঘাট। লাল বিহারী চাকমা বলেন, এই ঘাটে কল্পনাকে শেষবার দেখেছিলেন। বলেন, ১৯৯৬ সালের ১১ জুন গভীর রাতে তারা যখন গভীর ঘুমে মগ্ন তখন পাশে কজইছড়ি ক্যাম্পের তত্কালীন কমান্ডার লে. ফেরদৌস, ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার নুরুল হক ও সালেহ আহম্মেদের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের ঘর ঘিরে ফেলে। দরজা খুলতে দেরি করলে লাঠি দিয়ে আটকানো দরজা খুলে ঘরের ভেতরে ঢোকে ওরা। তারা আমাদের সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে উঠানে জড়ো করে। বাতি জ্বালাতে নিষেধ করে। উঠান থেকে প্রথমে আমাকে নেয়া হয় আমাদের কুয়াঘাটে। সেখানে আমার চোখ বাঁধা হয়। কিছুক্ষণ পর কল্পনা ও কালী চরণ দাদাকে আনা হয়। এনে কালী চরণের চোখ বেঁধে দিয়ে আমাদের আরো পশ্চিম দিকে নিয়ে যেতে থাকে তারা। কয়েক গজ হাঁটতেই শুনি তারা বলাবলি করছে ‘ওকে গুলি করো।’ তাই জীবন বাজি রেখে তাদের কবল থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালাতে থাকি। পেছন থেকে গুলি হয়। তীরে উঠতেই আরো একটি গুলির শব্দ শুনি। এরপর কল্পনার গলায় দাদা দাদা চিৎকার শুনতে পাই। ধরে নিয়েছিলাম ভাই আর বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে। শরীরে কাপড়-চোপড় ছাড়া গ্রামের প্রতিবেশীদের ঘরে আশ্রয় নিই। ভাই-বোনের কী হয়েছে তা জানতে সেদিন ঘুমহীন রাত কাটে। সকালে দাদার (কালিন্দী কুমার) সঙ্গে দেখা হলেও এখনো পর্যন্ত কল্পনাকে পাওয়া যায়নি।কল্পনা অপহরণ ঘটনার পরদিন ১৩ জুন বাঘাইছড়ি থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন কালিন্দী কুমার চাকমা। এ মামলা দায়েরের পর ২০১০ সালের ২১ মে বাঘাইছড়ি থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহম্মদ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এতে কল্পনার সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি উল্লেখ করে মামলাটি বাতিলের আবেদন জানান। এ আবেদনের বিরদ্ধে কালিন্দী কুমার চাকমা না-রাজি আবেদন করলে আদালত সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।এ নির্দেশে সিআইডি কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহর তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ২০১৩ সালের ১২ জানুয়ারি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এ প্রতিবেদনেও অভিযুক্ত লে. ফেরদৌস, ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার নুরুল হক ও সালেহ আহম্মেদের নাম না আনায় বাদী কালিন্দী কুমার চাকমা নারাজি আবেদন দিলে ১৬ জানুয়ারি দুই দফা শুনানি শেষে তত্কালীন রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুদ্দৌলাহ কুতুবী রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার আমেনা বেগমকে দিয়ে পুনঃতদন্তের আদেশ দেন। মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন না হয়ে আমেনা বেগম অন্যত্র বদলি হয়ে গেলে নতুন দায়িত্ব পান বর্তমান পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান। তিনিও তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেননি।এ ব্যাপারে সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান মানবকণ্ঠকে বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পার তিনি বাঘাইছড়িতে কল্পনার চাকমার বাড়িতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জুয়েল দেওয়ান বলেন, ২০১৩ সালে ১৬ জানুয়ারি রাঙ্গামাটি মুখ্য বিচারিক হাকিম যে আদেশ দিয়েছেন এর মধ্যে হলো; কল্পনা চাকমাকে উদ্ধারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো, মামলার সাক্ষী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ১৬১ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধ করা, লে. ফেরদৌস, ভিডিপি নুরুল হক ও সালেহ আহমদকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা, ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও রহস্য বের করা। কিন্তু তদন্ত চলাকালে এগুলো অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন। কালিন্দী কুমার চাকমা বলেন, কল্পনার বিচারের অপেক্ষায় আদালতের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে ১৯টি বছর পার হয়ে গেল। আরো কত বছর যেতে হবে তার ঠিক নেই। একবার আদালতে গেলে যাওয়া ও থাকার মধ্যে দুইদিন শেষ হয়। এভাবে বছরের পর বছর যাচ্ছে। সরকার আন্তরিক হলে এতদিন এই বিচার শেষ হতো।সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহযোগী নারী সংগঠন এইচডব্লিউএফের তত্কালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন কল্পনা চাকমা। ১৯৯৬ সালের ১১ জুন রাতে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিউ লাল্যাঘোনার নিজ বাড়ি থেকে দুই ভাইসহ কল্পনাকে অপহরণ করা হয়। আলোচিত এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
Good night
All friends
আমি নয় কোন বাঙ্গালী ,
আমি আদিবাসী ।
বাংলা আমার রাষ্ট্র ভাষা ,
মাতৃভাষা নয় ।
চাকমা আমার মাতৃভাষা ।
তাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমার দাবি আমি আমার নিজ ভাষায় পড়তে চাই ।
█▓▒ শুভ সকাল আজ ০৮ নভেম্বর ২০১৫
খ্রিষ্টাব্দ ▒▓█
• আজ বিশ্ব আরবানিসম দিন।
• ০০৩০ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন নেরভা, তিনি
ছিলেন রোমান সম্রাট।
• ১৬৫৬ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলে এডমন্ড হ্যালি, তিনি
ছিলেন ইংরেজ
জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও
গণিতবিদ।
• ১৮৪৭ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলে জাঁ ক্যাসিমির-
পেরিয়ের, তিনি ছিলেন
ফরাসি রাজনীতিবিদ ৬ষ্ঠ
প্রেসিডেন্ট।
• ১৮৪৮ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলে ফ্রিড্রিশ লুডভিগ
গটলব ফ্রেগে, তিনি ছিলেন
জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।
• ১৮৮৫ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন জর্জ বউযিয়ানিস,
তিনি ছিলেন গ্রিক পেইন্টার।
• ১৯২৩ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন জ্যাক কিলবি,
তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার
বিজয়ী আমেরিকান প্রকৌশলী
ও পদার্থবিজ্ঞানী।
• ১৯২৭ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন এল. কে. আদভানি,
তিনি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত
ভারতীয় আইনজীবী,
রাজনীতিবিদ ও ভারতের ৭তম
উপ প্রধানমন্ত্রী।
• ১৯৩৮ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন রিচার্ড স্টকের,
তিনি ইংরেজ সুরকার, লেখক ও
কবি।
• ১৯৪৬ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন গুউস হিডিঙ্ক, তিনি
ডাচ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
• ১৯৬৮ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন পার্কার পসেয়,
তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী
ও গায়িকা।
• ১৯৭৮ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন আলি করিমি,
তিনি ইরানী ফুটবলার ও
ম্যানেজার।
• ১৯৮৮ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন জেসিকা লওন্ডেস,
তিনি কানাডিয়ান
অভিনেত্রী ও গায়িকা।
• ১৯৮৯ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন মরগ্যান
সছনেইডেরলিন, তিনি ফরাসি
ফুটবলার।
• ১৩০৮ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন জন ডান্স স্কোটাস, তিনি
ছিলেন একজন ধর্মবেত্তা,
দার্শনিক ও যুক্তিবিদ।
• ১৬৭৪ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন জন মিলটন, তিনি ছিলেন
একজন ইংরেজ কবি।
• ১৮৮৭ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন ইউজিন পতিয়ে, তিনি
ছিলেন ফরাসি সমাজতান্ত্রিক
বিপ্লবী, কবি ও পরিবহণ কর্মী।
• ১৮৯০ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন সিসার ফ্রাঙ্ক, তিনি
ছিলেন বেলজিয়ান অর্গানবাদক
ও সুরকার।
• ১৯৩৩ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন লক্ষ্মীনারায়ণ
রায়চৌধুরী, তিনি ছিলেন
ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী।
• ১৯৫৩ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন ইভান বুনিন, তিনি ছিলেন
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
রাশিয়ান লেখক ও কবি।
• ১৯৮৩ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন জেমস হেডেন, তিনি
ছিলেন আমেরিকান
অভিনেতা।
• ১৯৯৮ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন রুমের গুডডেন, তিনি
ছিলেন ইংরেজ লেখক ও কবি।
• ২০০৯ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন ভিতালি ল্যাজারেভিচ
গিঞ্জবার্গ, তিনি ছিলেন
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
রাশিয়ান পদার্থবিদ ও
জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী।
--- জোৎস্না ---
লেখাঃ- রিতা চাকমা.
ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে
চারদিক। শৈত্যপ্রবাহ
বইছে সারাদেশে। কুয়াশার
পানি টপ টপ করে
পড়ছে বৃষ্টির মতো। শীতে যেন
সবকিছু জমাট
বেঁধে যাচ্ছে। জামা - কাপড়
কোন কিছুই শীতের
সাথে আর কুলিয়ে উঠতে পারছে
না। হাড়
কাঁপানো শীত যাকে বলে তা
এবার অনুভূত হচ্ছে
ভালভাবেই। প্রচন্ড এই শীতে
ব্যথা প্রশমনের
জন্য ডাক্তার যে ওষুধ লিখে
দিয়েছিল, সে
স্লিপটি নিয়ে সেলিম
বেরিয়ে পড়ল
হাসপাতালের বাইরে। তার
গায়ে একটি
সেন্ডোজ গেঞ্জি আর হাফশার্ট।
শীতের কারণে
তার শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছে। তবু
দ্রুত হাঁটতে
থাকল। আশেপাশে কোথাও কোন
ফার্মেসী
খোলা পাওয়া গেল না।
হাড় কাঁপানো এই শীতে
জোৎস্না শুয়ে আছে
শরীর যেন বরফাবৃত হয়ে আছে।
জোড়ায় জোড়ায়
আঘাত। ফুলে মোটা হয়ে আছে।
ক্ষতস্থানগুলোর
ঘা আরো দগদগে হয়েছে।
জোৎস্নার অসহনীয় এই
অবস্থা দেখে বড় ভাই সেলিম
বিচলিত হয়ে পড়ল।
ছোট বোনের এই কষ্ট দেখে সে
তো আর বসে
থাকতে পারে না ! এদিক - ওদিক
ছোটাছুটি করতে
থাকল। কোন ডাক্তার আছে কি
না দেখল, পেল
না কর্তব্যরত নার্সদেরও । জরুরী
বিভাগে গিয়েও
কারো সাক্ষাৎ পেল না। তাই
ওষুধের জন্য
হাসপাতালের বাইরে । কিন্তু
শীতে সাত
সকালে কে ফার্মেসী খুলবে !
প্রায় এক ঘন্টার হাঁটার পর
দেখতে পেল পিজির
সামনে একটি দোকানে মিটমিট
করে বাতি
জ্বলছে। তাহলে ফার্মেসীটা
খোলা আছে ।
স্লিপটি বের করে সেলিম
জানতে চাইল
ট্যাবলেটগুলো আছে কিনা ।
দোকানী জানাল -
আছে । দোকানীকে আন্তরিক
কৃতজ্ঞতা জানিয়ে
সেলিম দ্রুত ছুটল হাসপাতালের
দিকে। এসে দেখল
জোৎস্না আগের মতই ছটফট করছে ।
ব্যথার
তীব্রতায় তার দু'চোখ বেয়ে অশ্রু
ঝরছে।
ট্যাবলেটটি খাওয়ায়ে দেওয়ার
কিছুক্ষণ পর
জোৎস্নার ঘুম চলে আসে। সেলিম
বোনের পাশেই
বসে থাকে । ঘুমন্ত বোনের মুখে-
এর দিকে
তাকিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে
কাঁদতে থাকে।
সেলিম একজন গার্মেন্টস কর্মী ।
এতদিন সে-ই
ছিল তার পরিবারের একমাত্র
উপার্জনক্ষম।
জোৎস্নার আট বছর বয়স। কিছুদিন
যাবত ছোট ভাই
জোৎস্নাও তার সহযোগী
হয়েছে। বাসায় বাসায়
কাজ করে যে কয় টাকা পায় তা
যোগ হয়
সেলিমের আয়ের সাথে।
জোৎস্না সাত সদস্যের
সংসারের ব্যয়ভার বহন করা তবুও
সম্ভব হয় না। "
নুন আনতে পান্তা ফুরায় " এই
অবস্থায় কোন রকম
চলছে । তার বাবা মারা গেছে
অনেক আগে।
সেদিন ছিল মঙ্গলবার। জোৎস্না
রফিক সাহেবের
বাসায় কাজ করতে যায়। সেদিন
রফিক সাহেবের
বাসায় পাঁচ হাজার টাকা চুরি
হয়। সাথে সাথে
ডাকানো হল জোৎস্নাকে ।
মিসেস রফিক চাহনি
দেখেই জোৎস্নার অন্তরে ছ্যাৎ
করে উঠছিল।
এবার তার ভেতরে অপ্রত্যাশিত
এক ঘূর্ণিঝড় বয়ে
যায়। দুরু দুরু মনে এগিয়ে গেল
রফিক সাহেব-এর
রুমের দিকে। ভেতরে ঢুকেই
দেখতে পেল চারটি
ক্ষিপ্ত চোখ তার দিকে এভাবে
দৃষ্টি ফেলেছে
যেন তাকে আস্ত গিলে ফেলবে।
মিসেস রফিক
একটি বিশ্রী গালি দিয়ে হুকার
ছেড়ে বলল-- "এই
তুই টাকা চুরি করলি কেন? এটা
তোর বাপের
টাকা । " জোৎস্না মুখ থেকে
কোনও উত্তর
বেরোবার আগেই তার ওপর চলতে
থাকল উপর্যুপরি
আক্রমণ । দু'জনের সাথে সাথে
যোগ হয়েছে এক
দারোয়ান। তিনজন কিল, ঘুষি,
লাথি আর রফিক
সাহেবের হাতের আঘাতে
বেহুশ হয়ে পড়ল
জোৎস্না। প্রথমে দু'একটা
আর্তচিৎকার করতে
পারলেও পরে মুখে চেপে ধরায়
তাও সম্ভব হয়নি।
জোৎস্না তাদের পায়ে ধরে
মাফ চেয়ে বলেছিল,
-- " আমাকে ছেড়ে দেন। আমি
টাকা চুরি করি
নি। আমাকে মারবেন না। " রফিক
সাহেব
জোৎস্নার চুলে ধরে বললো --
"শালী কাঁদলে মনে
করছোস মাফ পায়া যাবি । "
এভাবে চলতে থাকল
দীর্ঘক্ষণ। উল্টো তার উপর চুরির
অভিযোগ এনে
পুলিশ ডাকা হল। তারপর তাকে
পৌছে দিল
মেডিকেল পর্যন্ত । মুহূর্তে এই
সংবাদ পৌছে যায়
তার পরিবারের কাছে।
হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে
নয়দিন ধরে
কাতরাচ্ছে। সে আজ মৃত্যুর
মুখোমুখি। পয়সার
অভাবে ওষুধপত্র খেতে পারছে
না। কিন্তু বোনকে
সুস্থ করে তুলতে সেলিম
পাগলপ্রায়। তার নিস্ফল
এই চাওয়া অবস্থার কোনই উন্নতি
ঘটাতে
পারেনি। আজ সকাল থেকে
জোৎস্নার অবস্থার
চরম অবনতি ঘটেছে। আস্তে
আস্তে বাকশক্তিও
হ্রাস পাচ্ছে। জোৎস্না ইঙ্গিতে
ভাইকে কাছে
ডাকে। তার গলায় দু'হাত চেপে
ধরে হু হু করে
কেঁদে ওঠে। বোনের কান্না
দেখে কামাল টিকতে
পারেনি। সেও ডুকরে কেঁদে
ওঠে। ভাই বোনের
অঝর ধারার এই কান্নায়
চারদিকে বিরাজ করে
নিরবতা। কাঁদার শক্তিও
হারিয়ে ফেলেছে
জোৎস্না। এক সময় কান্না থেমে
যায়। চির
নিদ্রার কোলে ঢলে পড়ে সে।
এই অন্ধকারাচ্ছন্ন
শ্বাপদ সংকুল পৃথিবী ছেড়ে যায়
অনন্ত সেই ভুবন।
বাংলাদেশে
আদিবাসীর জীবন সংগ্রাম,
Indigenous Peoples Life Struggle Of BD
এরিয়ে গেলে অনুপ্রেরণার গল্প
হারিয়ে যাবে। হারিয়ে
যাবে সামান্য টুকু চাওয়া ও। তাই
এরিয়ে না গিয়ে কিছুটা সময়
দিন পড়ার জন্য।
..আমার পরিচিত একজন ভাই
আছেন ,
যিনি
তার পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে
এক ই
মেয়েকে মোট সাতান্নটা
চিঠি
দিয়েছিলেন ;যার একটা জবাবও
তিনি
পাননি । ক্যাম্পাসে যতবার তার
সাথে
মেয়েটির দেখা হত ততবার কোন
এক
জটিল
চিন্তা মেয়েটির মাথায় ভর করত
আর
উদাস
মেয়েটি অন্য কোন দিকে
তাকিয়ে গটগট করে তার পাশ
দিয়ে
হেঁটে
যেত । পাস করার পর অনেক
জায়গায়
অনেক
চাকরির পরীক্ষা দিতে দিতে
জুতোর
আয়ু
খরচ করেছেন , লাভ হয়নি । পুরো
দুনিয়ার
কাছে
তিনি কিছুই না ।
.
তারপর ধুপ করে এক সন্ধ্যায় তিনি
জানতে
পারেনতিনি আর সাধারণ কেউ
নন ,
এমুহুর্ত
থেকে তিনি অ্যাসিস্টেন্ট
কমিশনার অব
পিপলস রিপাবলিক অব
বাংলাদেশ ,
সোজা কথায় ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাস ,
সবকিছু
কেমন বদলে গেল । বন্ধুদের
আড্ডায়
তাকে
বন্ধু কম আর স্যার স্যার টাইপ ট্রীট
করা বেড়ে
গেল । যে মেয়েটা চিঠির
জবাব দিতো না সে ও "congress
vaiya,im so
happy" লিখে মেসেজ দিতে শুরু
করলো ।
আত্মীয় স্বজনদের বাসায় খালি
চা এর
বদলে
সাত আট পদের খাবার আসতে
লাগলো
।
দ্রুত
ঘোর কাটার পর ছেলেটা
লাইফকে
একবার
রিওয়াইনড করে জুম করে দেখে
নিল ।
সাতান্ন চিঠি যে কাজ পারলো
না ,
একটা
পদবী সে কাজটা যে শুধু করে
দিল
তাই
না ,
বরং বলতে গেলে প্লেটে করে
সামনে
এনে হাজির করে দিল ।
------
তুমি তোমার লাইফের
ফোকাসটা
ঠিক
করো , অ্যাডিশনাল কোন ফ্যাক্টর
কখনো
ফোকাস হতে পারে না । শুধুমাত্র
আবেগ
দিয়ে একটা জীবন কখনোই
সাজানো
সম্ভব
না । বৃষ্টিতে শখ করে ভেজা
আনন্দের
হতে
পারে তবে বাধ্য হয়ে ছাতার
অভাবে
ভেজা কষ্টের , ভয়ংকর কষ্টের ।
তোমার
কাছে যখন মধু থাকবে তখন অসংখ্য
শুভাকাংখী তোমার খোঁজ খবর
নিবে ,
ভালো মন্দ জানতে চাইবে ।
এগুলোর
অ্যাটিওলজী তুমি না , তোমার
কাছে
থাকা মধুটা । তাই নিজের
কাছে
থাকা
এই
মধুর ডিব্বাটার যত্ন নিও । মনে
রেখো
,
ভোমরার অভাব না থাকতে
পারে
পৃথিবীতে ,মধূ কিন্তু সবার কাছে
থাকে
না
। কষ্ট করলে ঐ মধু সংগ্রহের জন্য
করো , আশে
পাশের ভোমরা গুলাকে আটঁকে
রাখতে
করো না ।
.
এয়ারটেলের অ্যাড দেখে বন্ধুত্ব
শিখো
না
, তাহসান এর নাটক দেখে প্রেম
শিখো
না ।
এগুলোতে হাজারটা জ্ঞানের
কথা
থাকতে পারে , তবে সবার
অভিভাবক
টাকা
কিংবা অবস্থানের কথা কখনো
লেখা
থাকে না ।
..
28/10/2015
sofor korar somoy.
- তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ কর:
১. দেশ
২. জাতির
৩. সত্য
#কি-ঠিকতো....
ধন্যবাদ ॥
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dorchari Bazar , Kheder Mara With Rangamati
Chittagong
45378