27/09/2024
একটি শিক্ষামূলক পোস্ট ::
১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মানে ব্যক্তিটি আপনার ফোন কলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে ব্যস্ত আছে।
১০/১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করতে পারেন।
২. কারো কাছ থেকে টাকা ধার/ঋণ করলে সেটা অবশ্যই ফেরত দিন। যদি ঋণদাতার মনে নাও থাকে তারপরও তাকে সময়মতো ফেরত দিন বা তাকে এমন ভাবে তা পুষিয়ে দিবেন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে। তার সাথে নমনীয় আচরন করুন।
৩. এখনো বিয়ে করোনি কেন কিংবা তুমি নতুন বাড়ি কিনছো না কেন? কাউকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. যদি কোন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে রাইড শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা সহকর্মী আজকে বিল পরিশোধ করলে কালকে আপনি বিল পরিশোধ করুন।
৫. অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখুন। কারো কথার মাঝখানে কথা বলবেন না। তার কথা শেষ হলে তারপর আপনি কথা বলা শুরু করুন।
৬. কারো সঙ্গে আপনি মজা করতেছেন কিন্তু সে যদি সেটা উপভোগ না করে তাহলে আপনার অবশ্যই থামা উচিত এবং কখনো এরকম আর করবেন না।
৭. কেউ যদি কোনো ছবি দেখানোর জন্য তার ফোন আপনার হাতে দেয় তাহলে নির্দিষ্ট ছবিটি দেখুন গ্যালারির এপাশ-ওপাশ করবেন না।
৮. কারো সঙ্গে কথা বলার সময় স্মার্ট ফোন টিপাটিপি করবেন না।
৯. যতক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয় আপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজের চরকায় তেল দিতে থাকুন।
১০. কারো ব্যক্তিগত ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার কাছে উপদেশ চাওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত উপদেশ দিতে যাবেন না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাবেন না।
১১. সবাইকে সম্মান দিতে শিখুন হোক সে রিক্সাওয়ালা কিংবা আপনার অফিসের বস।
১২. কারো বেতন - চাকরি - ব্যবসা এসব নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।
১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় ভদ্রতার সাথে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন।
১৪. কেউ ন্যূনতম সাহায্য করলে তাকে ধন্যবাদ দিতে শিখুন।
১৫. কারো কাছ থেকে কোনো কিছুতে উপকৃত হলে তার যথাযথ মূল্যায়ন করুন।
১৬. বন্ধুত্বের উপর সবসময় বড় আবদারের আশা করে থাকবেন না।
১৭. সবসময় কোনো কিছু ফ্রি - তে পাওয়ার আশায় থাকবেন না।
১৮. কারো দোষ জানা থাকলে তা গোপন রাখুন। অপপ্রচার করবেন না।
১৯. কারো কোনো কিছু নিয়ে হিংসা করবেন না। নিজে চেষ্টা করুন। হয়তো আপনিও পারবেন।
২০. ছোট-বড় সবার সাথে মাধুর্য্যপূর্ণ আচরন করুন। আপনার সাথে কারো মতের মিল না থাকলে তর্ক না করে তার সঙ্গ এড়িয়ে চলুন।
২১. বন্ধুত্বের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হলে তার দোষ রটনা করবেন না।
২২. কাউকে খোঁটা দিবেন না।
২৩. কোনো বিষয়ে কম জানা থাকলে তা নিয়ে অন্যের সাথে তর্ক করবেন না।
২৪. ছোট-বড় কাউকে লজ্জা দিয়ে কথা বলবেন না। বিধর্মীদের তুচ্ছ করে কথা বলবেন না।
২৫. যে আপনার উপদেশ মানে না তাকে উপদেশ দিতে যাবেন না অর্থাৎ উলু বনে মুক্তা ছড়াবেন না।
ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। (Collected)
24/09/2024
সফলতার ১৫টি সূত্রঃ
১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।
২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।
৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।
৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.
৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।
৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।
৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।
৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।
৯. যে সবকিছু তৈরি পাওয়ার জন্য তৈরি, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।
১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.
১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।
১২. জয়ী হতে হলে কী কী করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।
১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।
১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, কোন ঘটনা না।
১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।
সংগৃহীত পোস্ট
23/09/2024
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে ৩২ বছর বয়সের মধ্যে যে ৫টি কাজ করতেই হবে.
১৮ থেকে ৩২ বছর বয়স মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় কেউ ক্যারিয়ার গোছাতে ব্যস্ত, কেউ কেউ বিয়ে করে সংসারজীবনেও ঢুকে যান। মোটকথা, এই বয়সে সবার দৃষ্টি থাকে একটা সুখী ও আর্থিকভাবে সচ্ছল জীবনের দিকে। তবে এসব অর্জন তো সহজ কিছু নয়। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেলায় এ বয়সে মানুষ প্রচুর ভুল করে। অনেকে সবকিছুর চাপ সামলাতে হিমশিম খান, হারিয়ে ফেলেন আত্মবিশ্বাস। পরিণতিতে জীবন হয়ে ওঠে তিক্ত। তাই জেনে রাখুন উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এই বয়সে আপনি যে পাঁচটি কাজ করতে পারেন।
১. স্বাস্থ্যের যত্ন নিন
২. নিজের জন্য শিখুন
৩. দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলুন
৪. অর্থ বিনিয়োগ করতে শিখুন
৫. ক্যারিয়ার এগিয়ে নিন
14/07/2024
চারিদিকে শুধু GPA 5 এর ছড়াছড়ি!
চীনের ইন্জিনিয়ারেরা পদ্মা সেতুর কাজ করে দিয়ে গেলো।
জাপানের ইন্জিনিয়ারেরা মেট্রোরেল তৈরি করলো।
রাশিয়ার ইন্জিনিয়ারেরা রূপপুর পারমাণবিক নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট বানালো। কোরিয়ান ইন্জিনিয়ারেরা পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলণ করলো।
আর আমাদের দেশের বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, রুয়েটে পড়াশোনা শেষ করা ইন্জিনিয়ারেরা এসব তথ্য মুখস্থ করে বিসিএস দিবে! পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কতো? মোট পিলারের সংখ্যা কতো? রূপপুর পাওয়ার হাউজের চুল্লির উচ্চতা কতো? মেট্রো রেলের আয়তন কতো? ঘন্টায় কতো কি:মি: বেগে চলে? আর; বসে বসে পার্সেন্টেজ খাবে🙂
এটাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা।
আর তাই এই সব ভূয়া শিক্ষাব্যবস্থায় না থেকে উদ্যোক্তা হন, নিজেকেই নিজের বস হিসেবে গড়ে তুলেন,তখন দেখবেন সব জায়গাতেই আপনার মূল্যায়ন আছে। 🫵
13/11/2023
╱◥██████◣
│∩│🪟▤│🪟│▫️
▓▆▇█▓🚪▓⬛⬛
💒🕋
এ ঘরগুলো কপি করতে পারলে বুঝবো আপনার ফোন অনেক দামী😄.
26/09/2023
চোখ অর্ধেক খোলা রেখে দেখুন..👑
কি দেখা যায়???
16/09/2023
🌸গল্পে গল্পে Parts of speech🌸
Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে । এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে । তবে তাদের কাজকর্ম এক না ।
১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা । বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা ।
২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয় । Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে ।
৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective । Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা । তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ ।
৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb । তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া । খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া ।
৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা । তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে ।
৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition । ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।
(Noun ➕ Verb➕Pronoun, Noun➕ Noun)
৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction । তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড় । সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায় ।
(Sentence ➕ Sentence)
৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে । সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।
এমন আরো পোস্ট পেতে রিকুয়েস্ট দিয়ে সাথেই থাকুন।।❤️
20/08/2023
রবীন্দ্রনাথ স্কুল পালিয়েছেন। নজরুল তো বেশি পড়তেই পারলো না। লালন তো বুঝলোই না স্কুল কি জিনিস।অথচ আজ মানুষ তাঁদেরকে নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করছে।
অ্যান্ড্রু কার্নেগীকে তো ময়লা পোশাকের জন্য পার্কেই ঢুকতে দেয় নি। ৩০ বছর পরে উনি সেই পার্কটি কিনে ফেলেন আর সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেন “সবার জন্য উন্মুক্ত”।
স্টিভ জবস শুধু মাত্র ১ দিন ভাল খাবারের আশায় ৭ মাইল দূরে পায়ে হেটে মন্দিরে যেতেন।
ভারতের সংবিধান প্রণেতা আম্বেদকর নিম্ন বর্ণের হিন্দু ছিলেন বলে স্কুলের বারান্দায় বসে বসে ক্লাস করতেন। তাঁকে ক্লাসের বেঞ্চে বসতে দেয়া হতো না, কোন গাড়ি তাঁকে নিতো না। মাইলের পর মাইল হেঁটে পরীক্ষা দিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান এর ক্যাডেট কলেজে ভর্তির টাকা হাটুরেদের নিকট থেকে টাকা তুলে যোগাড় করেছিলেন তার চাচারা। গরু না থাকায় তিনি নিজে জমিতে লাঙ্গল টেনেছেন একসময়।
সুন্দর চেহারার কথা ভাবছেন? শেখ সাদী এর চেহারা যথেষ্ট কদাকার ছিল, লতা মঙ্গেস্কারের চেহারা মোটেই সুশ্রী নয়। তৈমুর লং খোঁড়া ছিলেন, নেপোলিয়ন বেটে ছিলেন। শচীন টেল্ডুলকারের উচ্চতা তো জানাই আছে। আব্রাহাম লিঙ্কনের মুখ ও হাত যথেষ্ট বড় ছিল।
স্মৃতি শক্তির কথা ভাবছেন? আইনস্টাইন নিজের বাড়ীর ঠিকানা ও ফোন নাম্বার মনে রাখতে পারতেন না।
কিছুই আপনার উন্নতির পিছনে বাধা হতে পারে না। যদি কোন কিছু বাধা হয়ে দাঁড়ায় তবে তা আপনার ভিতরের ভয়। ভয়কে দূরে রেখে জয় করা শিখুন। সাফল্য আসবেই আজ অথবা কাল।
collected