Tawfiq's ICT

Tawfiq's ICT

Share

A+ Guaranteed ICT Program for H.S.C ICT

24/03/2024

সকল বীর শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

31/12/2022
26/12/2022

HSC-24 (1st Year) ICT নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন আগামী ২৮শে ডিসেম্বর ২০২২ দুপুর ৩ টা থেকে ৪ টা
Address: ফুলকলি বিল্ডিং(৬ষ্ঠ তলা), মতি কমপ্লেক্স এর বিপরীতে, শাহেনশা মার্কেটের পাশে, চকবাজার, চট্টগ্রাম
Contact: +8801880955512
Website: tawfiqsict.com

13/12/2022

HSC ICT ফুল সিলেবাস অ্যাডভান্স কোর্স

HSC 24 Batch Class Schedule (First Year)
Saturday - Monday - Wednesday
02pm - 03pm
03pm - 04pm

Sunday - Tuesday - Thursday
02pm - 03pm
04pm - 05pm

HSC 23 Batch Class Schedule (2nd Year)
Saturday - Monday - Wednesday
04pm - 05pm

Sunday - Tuesday - Thursday
03pm - 04pm

19/09/2017

একজন পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কথা জানি। থাকার কোনো রুম ছিল না তার, বন্ধুদের রুমের ফ্লোরে ঘুমাতেন। ব্যবহৃত কোকের বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রোববার রাতে তিনি সাত মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালো খাবার খাওয়ার জন্য।
- তিনি অ্যাপল এবং পিক্সার অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও- স্টিভ জবস।
একজন কয়েদীর কথা জানি। কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪। ২৭ বছর জেলে থাকার পরেও উনি নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।
- তিনি নেলসন মেন্ডেলা।

আরেক যুবকের নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি। কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি।
- তিনি বিল গেটস।

আরেক এতিমের কথা জানি। ১১ বছর বয়সে এতিম হন। ১২ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান। হতাশ হয়ে ১৯ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। অনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখন তিনি তার মধ্যে “আমার বিশ্ববিদ্যালয়” একটি, যদিও তিনি কোন দিন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা সুযোগ পান নাই।
- তিনি বিখ্যাত লেখক, নাট্যকার আর রাজনীতিবিদ মাক্সিম গোর্কি।

আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যাক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।
- তিনি চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাওসেতুং।

অভাবের তাড়ানায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। - - নাম জন মেজর।

আরেক ছেলের, বাবা-মা এতই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। কে জানেন? সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী!
- নাম রোনাল্ডো।

বাবা ছিলো জেলে। ছেলেকে সাথে করে বাবা মাছ ধরতো কারন অন্য স্বাভাবিক আর ১০ জন থেকে তিনি পানির নিচে মাছকে খুব ভাল ভাবে দেখতে পেতেন।
- সেই জেলের ছেলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার জয়সুরিয়া।

পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। কোন কিছু মনে থাকত না। ক্লাস এর শেষ বেঞ্চে বসে থাকেন। ফেল করেছেন বারবার। ক্লার্ক এর চাকরিও করছেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে অবাক করেছেন তিনি তার থিউরি অফ রিলিটিবিটি দিয়ে। নোবেলও জিতেছেন তিনি।
- তার নাম আলবার্ট আইনস্টাইন!

ক্লাস এর সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছে তাকে। পৃথিবী তিনি আলোকিত করেছেন তার আবিষ্কার দিয়ে।
- তার নাম টমাস আলভা এডিসন।

উল্টা লিখতেন তিনি শব্দগুলোকে। পড়ালেখায় একদন শুন্য। উড়োজাহাজ আবিস্কারের ৪০০ বছর আগে তিনি উড়োজাহাজের মডেল এঁকে গেছেন।
- তিনি লিওনার্ড ডা ভিঞ্ছি।

পরীক্ষায় তিনি সব সময় ফেল। ২২টা একাডেমিক পুরষ্কার জিতেছেন জিব্বদশায়। তিনি মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক এর জন্মদাতা। মিকি মউসের গলার স্বর তার নিজের দেওয়া।
- তিনি ওয়াল্ট ডিসনি।

শব্দের খেলা তিনি বুজতেন না। 7 নাম্বার কে তিনি বলতেন উল্টা নাক!!!! এই স্প্যানিশ ভদ্রলোক একজন কবি, লেখক, পেইন্টার, কেমিস্ট, স্টেজ ডিজাইনার, ভাস্কর।
- তিনি পাবলো পিকাসো।

পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক, তার ভাবনাগুলি তার মতই। সবাই যা পারে, আমাকেও তা-ই পারতে হবে, এমন কিছুতো নয়!!!! শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হবে কেন? আমাদের সমস্যাটা ওখানেই। আমাদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে Toppers আর Rankers চাই। সবাইকেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার, ম্যাজিস্ট্রেট...... হতেই হবে!!!! আঙ্গুলকে টেনে লম্বা করতেই হবে, যে ভাবেই হোক...... দরকার হলে আঙ্গুল ভেঙ্গে যাক না কেন!!! একটা কথা মনে রাখবেন"পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস, কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তালগাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতা দিয়ে বিচার করেন, তবে সে সারাজীবন নিজেকে অপদার্থই ভেবে যাবে"।

09/08/2017

Life এ deadlock, starvation এড়াতে semaphore খুব বেশি জরুরী।
হ্যাপি প্রোগ্রামিং :)

07/08/2017

একজন কন্টেস্টেন্টের ধ্বংসের/ পতনের/ হারিয়ে যাবার কারণঃ
১) নিয়মিত প্র্যাকটিস না করা ।
২) কোডিং ক্লিয়ার না থাকা , যার কারণ কম প্র্যাকটিস ।
৩) খাতা কলমে চিন্তা না করে, কম্পিউটার এবং মাথায় চিন্তা করার ।
৪) দুনিয়ার যেই প্রান্তেই কন্টেস হোক, কন্টেস্ট করার চিন্তা, অফলাইন প্র্যাকটিস না করা ।
৫) অধিকাংশ কন্টেস্টই ১/২ টা প্রব্লেম সল্ভ করে কন্টেস্ট ছেড়ে দেয়া ।
৬) শুধু কন্টেস্টের দিকে মনযোগ, কন্টেস্টের পর প্রব্লেম সলভ না করা ।
৭) কাজ না করে কাজের ফল আশা করা।
৮) সময়ের কাজ সময়ে না করা ।
৯) ক্লাস হোক বা ক্যাম্প হোক, ১/২ সপ্তাহের ভিতর সব ভুলে যাওয়া ।
১০) UVA তে ৬০০/৭০০ প্রবলেম সলভ করে শুধু প্রবলেম কাউন্ট বাড়ানোর চিন্তা ।
১১) কঠিন প্রব্লেম ১/১.৫ ঘণ্টা চিন্তা করে আইডিয়া শুনে কোড করা/ ব্লগ পড়া/ অন্য প্রব্লেমে সুইচ করা।
১২) নিজের উপর আত্মবিশ্বাস না রাখা ।
১৩) যোগ্যতা অর্জন না করে শুধুই ফলের দিকে মনোযোগ দেয়া (সেটা কন্টেস্টের বা একাডেমিক)।
১৪) আত্মতুষ্টি/ যোগ্যতার বাইরে গিয়ে আত্মতুষ্টি / কাজ না করে আত্মতুষ্টি ।
১৫) নিজেকে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের/ বিভাগের পিটার, টুরিস্ট/ ভবিষ্যৎ পিটার, টুরিস্ট মনে করা ।
১৬) নেতৃত্ব প্রদানের নূন্যতম যোগ্যতা না রাখা ।
১৭) সিনিয়র/ জুনিয়র উদাসীনতা, সার্থপরতা এবং ঔদ্ধত্যঃ সিনয়ররা বলবে আমরা তো শাফায়াতের ব্লগ থেকে শিখছি , তোমরা কেন পার না ? জুনিয়ররা বলবেঃ আপনারা বড়ভাই/ ট্রেইনার পাইছেন, আমাদের কিছুই দেন নাই ।
১৮) কাজ না করে নিজেকে শুধু জাহির করার চেষ্টা করা ।
১৯) ভেবে নেয়া প্র্যাকটিস যা করি সেটাই যথেষ্ট, কারণ সিনিয়র হয়ে গেলে সব এমনিতেই হয়ে যায়। বেশি বেশি সল্ভ হবে।
২০) ডেডিকেশন, ক্ষুধা, না পারার কষ্ট কাজ না করা ।
২১) নিজেকে "হামবড়মিয়া" মনে করা ।
আমি নাফিস সাদিকের কথা বলতে পারি । ছেলেটার না পাওয়ার তাড়না অনেক বেশি ছিল , সব ক্ষেত্রেই "একটুর জন্য" এই হতাশা । IOI, ICPC, NCPC অনেক জায়গায় সে হেরেছে। যখন সে জেতা শুরু করল সে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ।
এখনকার ছেলেপেলে কোডফোর্সের সি মিললেই খুশুতে ৩ দিন প্র্যাকটিস বাদ দেয়। ডি না পারার কোন কষ্ট/ তাড়না তাদের ভিতর নাই । কারণ, তাদের মনের মাঝে ফেসবুক, সারাহ, মেসেঞ্জার ... ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি । তারা বড় স্বপ্ন দেখতে পারে না। তারা জানেনা স্বপ্নকে কিভাবে জয় করতে হয়। আমি জাহাঙ্গীরনগরে অনেক কন্টেস্টেন্ট হারিয়ে যেতে দেখেছি , আর এখন দেখছি মাওলানা ভাসানীতে।

Writer: Ashraful Shovon

Photos 15/07/2017
26/06/2017

প্রোগ্রামিং এ নতুন, এমন অনেকেই প্রশ্ন করে, void main() ও int main () ফাংশন দুটির মধ্যে পার্থক্য কী?তারা মূলত কিভাবে কাজ করে?
➡ তাদের জন্য প্রথমেই বলে নেই, void main() ও int main () দুইটা আসলে আলাদা ফাংশন না, বরং দুইটাই main() ফাংশন। আমরা জানি যে একটা function এর basic syntax হচ্ছে: return_type function_name(parameter list) {function body}. তো main() এর ক্ষেত্রেও একই শর্ত খাটে, এখানে void অথবা int হচ্ছে main() এর return type, এটা indicate করে ফাংশনটা কোন ধরণের value return করছে। void মানে হচ্ছে "কিছুই না", তার মানে void main() ফাংশনটা কিছুই রিটার্ন করে না। অন্যদিকে int মানে হচ্ছে integer বা পূর্ণসংখ্যা, অর্থাৎ int main() লিখলে সেটা একটা পূর্ণ সংখ্যা return করবে (বা করা উচিত)।
কোন ফাংশন থেকে কোন value return করাতে হলে আমাদেরকে return keyword টা ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যদি x এ value টা আমরা return করাতে চাই ,তাহলে return x; লিখতে হয়। void main() লিখলে এই ফাংশনের শেষে return statement ব্যবহার করার প্রয়োজনই পড়ে না, কারণ আমরা আগেই বলে দিচ্ছি যে এই ফাংশনটা কোন কিছু return করবে না। অন্যদিকে int main() লিখলে return statement ব্যবহার করা mandatory, কারণ আমরা আগেই বলে দিয়েছি main() ফাংশনটা int type এর value return করবে, অথচ return statement টা না দেয়া মানে compiler এর সাথে প্রতারণা করা, যেটা compiler মোটেও ভালোভাবে নিবে না।
এবার আসি কেন return 0, কেন 1 বা 47 বা 100 না। যেকোন একটা প্রোগ্রাম যখন রান করে, তখন operating system আশা করে প্রোগ্রামটা রান করা শেষে একটা status report জমা দিবে operating system এর কাছে, যে report এ লেখা থাকবে প্রোগ্রামটা ঠিকঠাকমত রান করেছে কি না, মেমরি ঠিকমত পেয়েছে কি না, সঠিক সময়ের মধ্যে রান করেছে কি না, রান করতে গিয়ে কোন error হয়েছে কি না ইত্যাদি। এই status গুলো একেকটা নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যেমন 124 মানে প্রোগ্রামটা চলতে চলতে তাকে জোর করে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো, 87 মানে পর্যাপ্ত মেমরি পায় নি অথবা এমন কোন মেমরি লোকেশন access করার চেষ্টা করেছিলো যেটা valid ছিলো না। এরকম অনেক অনেক status code আছে। 0 (zero) কোডের মানে হচ্ছে প্রোগ্রামটা ঠিকঠাকমত রান করেছে, কোন সমস্যা হয় নি। আমাদের প্রোগ্রামটার main() ফাংশনের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যদি পৌঁছানো যায়, তাহলে আমরা বুঝবো প্রোগ্রামটা ঠিকমত রান করেছে, কিন্তু যতই ঠিকঠাক থাকুক, 0 return না করলে operating system সেটা বুঝবে না। operating system কে বুঝানোর জন্য তাই return 0; লেখাটা অত্যাবশ্যকীয়। আর 0 যেহেতু একটা পূর্ণসংখ্যা, তাই main() এর আগে int দিতে হয়।
আশা করি পুরোটা বুঝতে পেরেছেন। কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।
* পরবর্তি কোন লেখায় ইনশাআল্লাহ status code গুলো নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো।

02/02/2015

অটোরান ভাইরাস পিসি থেকে ডিলিট করুন:-

আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি তাদের ক্ষেত্রে অটোরান ভাইরাস এক মহা সম্যসা । এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেকেই অনেক পদক্ষেপ নেন তবুও যেন এটি আমাদের পিছু ছাড়ে না । অটোরান ভাইরাসের কারণে অনেক সময় ড্রাইভে দু’বার ক্লিক করলে খোলে না বরং অটোরান মেনু আসে । এখন আপনার কম্পিউটার যদি অটোরান ভাইরাসের হাতে পড়ে তখন কি করবেন ? অনেকেই এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান দেন ! কিন্তু মজার বিষয় হল এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করলেও বেশিরভাগ সময় ই কাজ হয় না । নিচের নিয়মটি ফলো করুন আশা করি সমাধান হয়ে যাবে ।

নিচে দেয়া কোডটি নোটপ্যাডে কপি পেষ্ট করে Autorun.bat নামে সেভ করুন ।

echo off
del“C:\autorun.inf”/F/Q
del“D:\autorun.inf”/F/Q
del“E:\autorun.inf”/F/Q
del“F:\autorun.inf”/F/Q
del“G:\autorun.inf”/F/Q
del“H:\autorun.inf”/F/Q
del“H:\autorun.inf”/F/Q
pause

কাজ শেষ , এবার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন , আশা করি অটোরান ভাইরাস আর সম্যসা করবে না ।

Photos 19/05/2014

১০টি সহজ কৌশলে ল্যাপটপকে রাখুন চিরনতুন

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার এখন অতি প্রয়োজনীয় একটি বস্তু। কয়েক বছর আগেও ডেস্কটপ কম্পিউটারের চাহিদা ছিল প্রচুর। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে ডেস্কটপের জায়গা দখল করে নিয়েছে ল্যাপটপ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং অফিসে আগে শুধু ডেস্কটপ পিসি ব্যবহৃত হলেও এখন ডেস্কটপের পাশাপাশি ল্যাপটপও ব্যবহৃত হচ্ছে। আর ব্যক্তিগত কাজে কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য সকলেরই প্রথম পছন্দ এখন ল্যাপটপ কম্পিউটার। এই পছন্দের প্রথম কারণটি হচ্ছে এর বহনযোগ্যতা এবং দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ।
আপনি অনেক ঘুরে ফিরে, খোঁজ খবর নিয়ে, ব্র্যান্ড পছন্দ করে একটি ল্যাপটপ কিনলেন। কিন্তু সচেতনতা ও যত্নের অভাবে আপনার পছন্দের ল্যাপটপটি যদি রোগ বাঁধিয়ে হয়ে পড়ে অসুস্থ? আসুন জেনে নিই সাধের ল্যাপটপের রোগ প্রতিরোধ এবং সুস্থ রাখার জন্য কী কী করতে পারেন আপনি। মেনে চলুন কিছু সহজ নিয়ম আর শখের ল্যাপটপকে রাখুন চির নতুন।

আসুন জেনে নিই ল্যাপটপ কেনার পরই আনুসঙ্গিক কিছু জিনিসের বিষয় এবং পরবর্তীতে আপনার ল্যাপটপের যত্নে আপনি কি করতে পারেন।

১. স্ক্রিন প্রটেক্টর :

প্রথমে ‘স্ক্রিন প্রটেক্টর’ ও ‘কি-বোর্ড প্রটেক্টর’ এই দুটি জিনিস অবশ্যই কিনে নিন। ‘স্ক্রিন প্রটেক্টর’ হচ্ছে আমরা টাচ স্ক্রিন মোবাইল ফোনে যে স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করি, সেই একই জিনিস। এটি ব্যবহারে আপনার ল্যাপটপের স্ক্রিনে কোনও দাগ লাগবে না, যদি কোনও দাগ বা ছোটখাটো আঘাত লাগে সেটি লাগবে প্রটেক্টরের ওপর। আপনার মূল স্ক্রিন থাকবে দাগমুক্ত। এটির দাম পড়বে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

২. কিবোর্ড প্রটেক্টও :

‘কি-বোর্ড প্রটেক্টর’ হচ্ছে স্বচ্ছ রাবারের একটি পর্দার মত। এটি ব্যবহারে আপনার ল্যাপটপের কি-বোর্ড থাকবে নিরাপদ ও ধূলামুক্ত। প্রায়ই আমাদের ল্যাপটপের কি-বোর্ড ধূলা দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং পরিস্কার করতে সমস্যা। আর এটি ব্যবহারের আরেকটি সুবিধা আছে। ধরুণ আপনি ল্যাপটপে কাজ করছেন এবং কোমল পানীয় অথবা চা-কফি খাচ্ছেন। বেখায়ালি হবার কারণে গ্লাসটি বা কাপটি উল্টে পড়লো আপনার ল্যাপটপের কি-বোর্ডের ওপর। ব্যাস, হলো তো ঝামেলা! ‘কি-বোর্ড প্রটেক্টর’ ব্যবহার করলে এই সমস্যাটি হবে না। কারণ এটি ব্যবহার করলে কি-বোর্ডে পানি, চা, কফি কিছুই ঢুকতে পারবে না। এটির দাম পড়বে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

৩. কুলিং ফ্যান :

ল্যাপটপে অনেক ছোট পরিসরে কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় মাদারবোবোর্ড, প্রসেসর, র‌্যাম, হার্ডডিস্ক এবং অন্যান্য সবকিছুই থাকে। সে কারণে কাজ করতে করতে ল্যাপটপ কিছুটা গরম হবে এটাই স্বাভাবিক। এটির সমাধান হচ্ছে কুলিং ফ্যান। কুলিং ফ্যানের ওপর ল্যাপটপ রেখে ব্যবহার করলে ল্যাপটপ গরমও কম হবে এবং ল্যাপটপের ব্যাটারি লাইফও বাড়বে। বাজারে ব্র্যান্ডের রকমভেদে ৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা মূল্যের কুলিং ফ্যান পাওয়া যায়।

৪. ভেন্টিলেটর পরিস্কার :

ল্যাপটপের ব্যাকসাইডে এবং পাশে বাতাস চলাচলের জন্য যে ভেন্টিলেটরগুলো থাকে, সেগুলো সবসময় পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার ল্যাপটপের ভেতরের কুলিং ফ্যান ধূলামুক্ত থাকবে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে।

৫. বিছানা বা বালিশের উপরে ব্যবহার করবেন না :

বিছানা বা বালিশের ওপর রেখে কখনো ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। এটি করলে ল্যাপটপের চেম্বারে খুব দ্রুত গরম বাতাস তৈরি হয় এবং তা ভেন্টিলেটর দিয়ে বের হতে পারে না। প্রতিনিয়ত এমনটি ঘটতে থাকলে যেকোনও দিন আপনার ল্যাপটপ কোমায় চলে যেতে পারে। তবে ভালো মানের কুলিং ফ্যান ব্যবহার করলে আপনি বিছানায় বসেও ল্যাপটপ ব্যবহার করতে পারবেন।

৬. বিদ্যুৎ সংযোগে সতর্কতা অবলম্বন :

ল্যাপটপে বিদ্যুতের সংযোগ দেবার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বৈদ্যুতিক বোর্ডের সুইচ অন থাকা অবস্থায় ল্যাপটপে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিবেন না এবং হঠাৎ করে অ্যাডেপ্টারের তারটি খুলেও ফেলবেন না। এতে করে ল্যাপটপের পাওয়ার কানেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা থাকে।

৭. চার্জ নিঃশেষ করুন :

সব সময় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। সপ্তাহে অন্তত দুইবার আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ নিঃশেষ করুন। হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অথবা বাইরে ব্যবহার করলে ল্যাপটপের চার্জ হয়তো ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শেষ হয়। কিন্তু চার্জ নিঃশেষ না হলে ব্যাটারির সবগুলো ‘সেল’ ব্যবহার হয় না। সবগুলো ‘সেল’ ব্যবহার না হলে ব্যাটারি তার সম্পূর্ণ কার্যক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারে না।

৮. সফটওয়্যার ইনস্টল :

আপনার ল্যাপটপে হয়তো এমন অনেক সফটওয়্যার ইনস্টল করা আছে যেগুলো আপনি কখনও ব্যবহারই করেন নি। এমন সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করে দিন এবং অপ্রয়োজনীয় কোনও সফটওয়্যার ইনস্টল করবেন না। এতে করে আপনার ল্যাপটপের অপারেটিং সিস্টেমের ওপর চাপ কম পড়বে এবং গতি কিছুটা বাড়বে।

৯. অ্যান্টিভাইরাস :

আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই লাইসেন্সড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করুন। তাহলে আপনার ল্যাপটপ ভাইরাসের হাত থেকে মুক্ত থাকবে। ইন্টারনেটে যেসব ফ্রি অ্যান্টি-ভাইরাস পাওয়া যায় সেগুলো ভাইরাস দমনের ক্ষেত্রে আংশিক কাজ করে, পুরোপুরি নয়।

১০. স্ক্রিনের রেজোলিউশন :

আপনি যখন ল্যাপটপ ব্যাটারিতে চালাবেন তখন স্ক্রিনের রেজোলিউশন যথাসম্ভব কমিয়ে রাখুন। এতেও আপনার ব্যাটারি ল্ইাফ বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ ব্যাটারিতে চলার সময় কম রেজোলিউশনে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে ব্যাপআপ টাইম বেশি পাবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Tawfiq's ICT, Chawkbazar , Building (6th Floor), Opposite Moti Complex, Beside Shahensha Market, 4000 Chittagong, Chittagong Division
Chittagong
4203