Hafiz Hasan Imam Qaderi

Hafiz Hasan Imam Qaderi This is personal page of Hafiz Hasan Imam Qaderi. He is an Islamic lecturer of internet community. thanks my Dear supporters

04/03/2026

এবার ফাত্তাহ ২ মিসাইল ছুড়ল ইরান......
ইরানের পাশে নেই কোনো মুসলিম দেশ।।

#ইরান_যুদ্ধ



20/11/2025

কখনো কি মৃতের গোসল করিয়েছেন ?

আমার কয়েকবার এই সুযোগ হয়েছিল ,খুব কাছ থেকে দেখেছিলাম, মৃত্যুর পরের মানুষটা যে কতটা অসহায় হয়ে পড়ে ,কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় !

অনেকবার কবরে লাশ নামিয়েছি , শেষ বারের মতো খুব আগ্রহ নিয়ে দেখেছি তাদের মুখ,,
আর ভেবেছি এটাই যাত্রীর সাথে অনন্তকালের যাত্রার শেষ দেখা! কিছুক্ষণ পর যখন একা রেখে চলে যাবে!!
কতটা অদ্ভুত ভয়ঙ্কর গল্প,তাই না?

লাশ নিয়ে রাত পাহারা দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল একবার । দেখেছিলাম মৃত্যুর পরের রাত প্রিয় মানুষটা সবার চোখে কেমন ভয়ের কারণ হয়ে উঠে !
কতটা পর হয়ে যায়! কতটা অবহেলার পাত্র হয়ে যায়!
প্রিয়দের চোখে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায় !

প্রিয়,
সুযোগ পেলে তাই মাঝেমধ্যে গোরস্থানে গিয়ে জীবনের লাভ -ক্ষতির একটু হিসাব কষবেন ।
মৃতের গোসলে একটু হাত লাগিয়ে মৃতের স্পর্শ নিবেন ।
হয়ত বা গাফেল হৃদয় তখন বুঝবে ,এই ধোকার রাজ্যের তিক্ত সত্যতার প্রকৃত মানেটা কি!!!!!!?????

এই দুনিয়া ধোকা আর প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়,
তাই সময় থাকতে পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করুন।
এটাই প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ।

মহান আল্লাহ আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক আমিন বেহুরমাতি স্যায়িদিল মুরসালিন।।

ধরা যাক আপনি শহরে গেছেন কোনো কাজে৷ কাজ পুরোটা শেষ হয়নি৷ আগামীকালও থাকা লাগবে শহরে৷ তখন রাত কাটাবেন কোথায়?শহরে আপনার বেশ ...
02/11/2025

ধরা যাক আপনি শহরে গেছেন কোনো কাজে৷ কাজ পুরোটা শেষ হয়নি৷ আগামীকালও থাকা লাগবে শহরে৷ তখন রাত কাটাবেন কোথায়?
শহরে আপনার বেশ কিছু আত্মীয় স্বজন আছে, বন্ধুবান্ধব আছে৷ তাদের কাউকে ফোন করলে অবশ্যই বাসায় যেতে বলবে। বরং বাসায় না গেলে রাগ অভিমান করবে৷
তবুও আমার পরামর্শ হলো- আপনি পরিচিত কারো বাসায় যাওয়ার চিন্তা করবেন না৷ হাতে সময় থাকলে গিয়ে সৌজন্য আলাপ করে চা বিস্কুট খেয়ে আসবেন। কিন্তু রাতে অতিথি হওয়ার চিন্তা করবেন না৷
•
পরিচিত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবের বাসায় কেন উঠবেন না, সেই ব্যাখ্যা দিচ্ছি।

১. আপনি শহরে কাজ নিয়ে গেছেন, সেই কাজের প্রতি আপনার ফোকাস থাকা উচিৎ৷ সময় মেনে সেই কাজ করতে হবে৷ কারো বাসায় উঠলে সময় মেলানো মুশকিল হয়৷ দেখা যায় আপনার কাজের জায়গা থেকে সেই বাসা বেশ দূরে৷ রাস্তায় সময় নষ্ট হয়৷ জ্যাম থাকলে আরো সময় নষ্ট৷ আর বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সেই পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নিতে নিতে আরো সময় নষ্ট।
হোটেলে থাকলে এসব ঝামেলা নাই৷ আপনার যেখানে কাজ, একটু খুঁজলে তার নিকটতম দূরত্বে সাশ্রয়ী হোটেল পেয়ে যাবেন৷ আজকাল শহরের সব স্থানে সাশ্রয়ী রেটে আবাসিক হোটেল আছে৷ আপনার কাজের স্থান থেকে পায়ে হাঁটার দূরত্বে হোটেলে রুম নিন৷ চিন্তা কমে যাবে। কখন বের হলেন, কখন রুমে ফিরলেন, এটা আপনার স্বাধীনতা৷ কিন্তু আত্মীয় স্বজনের বাসায় উঠলে এই স্বাচ্ছন্দ্য পাবেন না৷ অনেক কিছুতেই অস্বস্তি লাগবে আপনার।

হোটেল রুমের দরজা আপনি চাবি দিয়ে খুলবেন, বন্ধ করবেন৷ কিন্তু বাসাবাড়ির সদস্যদের কাজ থাকতে পারে, ভেতর থেকে দরজা খুলতে দেরী হতে পারে, আপনি বিব্রত হলেন, তারা বিরক্ত হলো৷

২. যার বাসায় উঠবেন বলে ঠিক করেছেন, তিনি হয়তো অতিথি রাখতে আগ্রহী না হতে পারেন৷ হয়তো মুখে আপনাকে 'না' বলবে না৷ তবে মনে মনে বিব্রত হবে৷ ধরা যাক তার সংসারে ঝামেলা চলছে৷ শহরে থাকে বলে খুব সুখে আছে, স্বাচ্ছন্দ্যে বাস করে, এই ধারণা সত্যি না। বরং গ্রামের লোকদের চেয়ে শহরের লোকের ঝামেলা বেশি৷ অতিথিকে একটু ভালো খাবার দিতে হয়, আপ্যায়ন করতে হয়। সেই সামর্থ্য হয়তো তার নাও থাকতে পারে৷ এজন্য তাকে মুশকিলে ফেলার চেয়ে হোটেলে ওঠা অপেক্ষাকৃত ভালো।

৩. যার বাসায় উঠবেন, হয়তো সেদিন তাদের অন্য শিডিউল আছে৷ হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে, বা কোথাও দাওয়াত থাকতে পারে৷ আপনার উপস্থিতি তাদের ঝামেলায় ফেলতে পারে৷ যতই আপনি তাদের কাজকর্মে বিঘ্ন না ঘটান, তারাই বিব্রতকর অবস্থায় পড়বে৷

৪. শহরে যারা ভাড়া বাসায় থাকে, বেশিরভাগ মানুষের বাসায় গেস্টরুম থাকে না৷ সবাই চায় সাশ্রয়ী জীবন যাপন করতে৷ অতিরিক্ত রুমের ভাড়া অনেকে এফোর্ট করতে পারে না৷ বাসায় অতিথি গেলে অগত্যা শোবার ঘর ছেড়ে দিয়ে তাদের হয়তো বসার ঘরের মেঝেতে বা সোফায় ঘুমাতে হয়৷ কখনো কখনো রান্নাঘরেও থাকা লাগতে পারে। এটাও দৃষ্টিকটু ব্যাপার।
_____________
একটা সময় ছিল যখন শহরে থাকার ব্যবস্থা ছিল না, তখন আত্মীয় স্বজনের দ্বারস্থ হতে হতো৷ কিন্তু এখন কম খরচে সব সুবিধা পাওয়ার মতো ব্যবস্থা আছে৷ বরং বাসাবাড়ির চেয়ে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। ওয়াইফাই, রুম সার্ভিস, গোসলখানা বা ওয়াশরুম ব্যবহার, এসব ক্ষেত্রে বাসাবাড়িতে আপনি যে অস্বস্তিতে পড়বেন, হোটেলে থাকলে সেসব অস্বস্তি তো হবেই না, বরং স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায়৷

আত্মীয়ের বাসায় থাকলে আপনার কিছু খরচ বাঁচবে৷ রুম ভাড়া এবং খাওয়া খরচ৷ তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখলে হোটেলে থাকাটা বেশি যুক্তিযুক্ত হয়৷ নিজের স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিতে হলে এবং সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হলে তাই শহরে গিয়ে রাত কাটানোর প্রয়োজন পড়লে আত্মীয় স্বজনের দ্বারস্থ হওয়ার আগে নিকটস্থ কোনো আবাসিক হোটেল খুঁজতে পারেন।
________________
Paint with Ashraf

📌আপনি মানুন বা না মানুন আপনার জীবনে যেকোনো মুহূর্তে ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস আসতে পারে। বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে লো...
30/10/2025

📌আপনি মানুন বা না মানুন আপনার জীবনে যেকোনো মুহূর্তে
ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস আসতে পারে। বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে লোক দেখানো বিশাল খরচ করবেন না। বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের সঞ্চয়ের এক তৃতীয়াংশ খরচ হয়ে যায় শুধুমাত্র ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে। সন্তান জন্মের পর এক লাখ টাকাও যদি ফিক্সড করে রাখেন তার নামে, তবে সেই টাকাটা মাল্টিপ্লাই হতে হতে সন্তানের যখন বিশ বছর বয়স হবে, তখন একটা ভালো অ্যামাউন্ট পাবেন যেটা তার ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।

আপনার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আয় করা টাকা আপনি নিজে মাল্টিপ্লাই করুন, বাচ্চাদেরকেও টাকা মাল্টিপ্লাই করতে শেখান। ছোটো থেকেই ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইস দিন। সন্তানকে প্রোডাক্টিভ আর নন-প্রোডাক্টিভ ইনভেস্ট সম্পর্কে জ্ঞান দিন। যেমন, গ্যাজেট আর ধাতুর মধ্যে ধাতু চ্যুজ করা উচিত। কারণ ধাতুর রিসেল ভ্যালু আছে। এই শিক্ষা ভবিষ্যতে আপনার এবং আপনার সন্তানের উপকারে আসবে।

আপনার সর্বস্ব খরচ করে সন্তানকে বিয়ে দেবার চেয়ে কোনোমতে বিয়ে দিয়ে সন্তানের নামে টাকাটা ফিক্সড ডিপোজিট করে দিন, অসময়ে দরকার পড়বে!

জমির চেয়ে বাড়ির ভ্যালু বেশি করবেন না। আবার বাড়ি বা ফার্নিচারের ভ্যালুর চেয়ে ব্যাংকের লকারে সোনা ও ব্যাংকে লিকুইড মানি বেশি রাখবেন, কারণ আপনার দুঃসময়ে ঘরের একটা টুকরাও আপনি সেল করতে পারবেন না, কিন্ত গহনা অথবা টাকা দিয়ে দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারবেন। খারাপ সময় বলে কয়ে আসে না। এই দুনিয়ার কোন কিছুরই গ্যারান্টি নেই, আপনার শরীরেরও না!

যোগ্যতাপূর্ণ চাকরিতেও ফিনান্সিয়াল সিকিউরিটি থাকে না। তাই ছেলেমেয়েকে বহু খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করতে শেখান। কোনো কাজ ছোটো নয় এই বোধ তৈরি করুন তার মধ্যে।

সন্তানকে বইয়ের বাইরের বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন কাজ শেখান, কারণ পেটে শিক্ষা আছে মানেই ক্যারিয়ার সাকসেসফুল হবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।

কিছু টাকা জমিয়ে রাখুন। যতটুকু বাড়ি করলে স্বচ্ছন্দে থাকা যায় ততটুকুই বাড়ি করুন। অন্তত ওই পরিমাণ টাকা MIS (Monthly Income Scheme) করে রাখুন যাতে ঠেকে গেলে অন্তত ডাল ভাত খেয়ে মাস কাটে। আগামী দিন কতটা ক্রাইসিস আসবে আমরা কেউ জানি না। চাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য কোনো কিছুরই আসলে কোনো নিশ্চয়তা নেই। চাকরিতে পেনশনেরও একশো ভাগ গ্যারান্টি নেই!

স্ট্যাটাস মেনটেন করার জন্য সরকারি চাকরির দিকে সন্তানকে ফোর্স করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, ব্যবসা কোনোটাতেই যেখানে হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিকিউরিটি নেই, তাই যার যে দিকে ইচ্ছে সেদিকে খাটুক।

বিভিন্ন দিকে উপার্জনের মনোভাব রাখতে হবে। মনে রাখবেন, উপার্জনটাই বড়। আপনার টাকা এবং সন্তানের মেধা ব্যালেন্স করে তাকে পড়ান। অযথা উচ্চশিক্ষা বা ডিগ্রির পিছনে ছুটলে সময় এবং টাকা দুই-ই ব্যয় হবে, তাই সন্তান স্কুলের গণ্ডি পেরোলেই সুনির্দিষ্ট গোল সেট করে নিন। সন্তান যতই মেধাবী হোক না কেন তাকে এমন কিছু এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিজ শেখান যেটা ভবিষ্যতে তাকে টাকা এনে দেবে।

হাতে কলমে কাজ, কারিগরি জ্ঞান, ছোটো ব্যবসা, পার্ট টাইম জব এই সবকিছুতেই তাকে অভ্যস্ত করান পড়াশোনার পাশাপাশি, কারণ জীবনের পঁচিশ ত্রিশ বছর যদি বই পড়ে পার করে দেয় তবে অফিস ওয়ার্ক ছাড়া অন্য কিছুতে ততটা এলিজিবল সে নাও থাকতে পারে ।

মোদ্দা কথা, সবকিছুকেই বিজনেস মাইন্ডে দেখতে হবে। এছাড়া কোনো অপশন নেই। অন্তত একটা বিনিয়োগ ডুবে গেলে যেন আর একটা ভেসে থাকে!

#সংগৃহীত

28/10/2025

ঋতু যায় ঋতু আসে....
আর এভাবেই একদিন আমরাও চলে যাব...

  Osman, (r) ❤️❤️   সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে...
28/10/2025

Osman, (r) ❤️❤️





সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য
১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।
২। আইকনিক লোগো:w বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।
৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।
৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।
৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি
৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।
৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।
৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।
৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।

সুন্দরবনের বাঘেরা দৈনিক ৫-১৫ কেজি হরিনের মাংস খায়, তবে সুযোগ পেলে বড় পুরুষ বাঘ ৩০ কেজি মাংসও খেতে পারে। যার বর্তমান বা...
27/10/2025

সুন্দরবনের বাঘেরা দৈনিক ৫-১৫ কেজি হরিনের মাংস খায়, তবে সুযোগ পেলে বড় পুরুষ বাঘ ৩০ কেজি মাংসও খেতে পারে। যার বর্তমান বাজার দর আনুমানিক (২০-৩০) হাজার টাকা। যদি গরু বা মহিষের মাংস খায় তারও বর্তমান বাজার দর (১৫-২০) হাজার টাকা।

অথচ বাঘের কোন ইনকাম নাই, কোনো চিন্তাও নাই।

কিন্তু আপনি ভাত খান ২৫০-৩৫০ গ্রাম!

তার জন্য আপনি চুরি করেন, সুদ খান, ঘুষ খান, অন্যের হক নষ্ট করেন। আরো কত কী...

আপনার একাউন্টে অনেক টাকা, আপনার শরীরে অনেক রোগ, আপনার সন্তানেরা কথা শুনে না, আপনার অনেক দুশ্চিন্তা।

বাঘ কি চিন্তা করে আজকে কি খাবো!

আপনি চিন্তা করেন আগামি ২০ বছর কি খাবো….?

আল্লাহ সবার রিযিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, অথচ তারপরও মানুষ টেনশন করে, চুরি করে, ডাকাতি করে, সুদ খায়, ঘুষ খায়, অপকর্ম করে!

আপনার কি মনে হয়,,,? কথায় কি ভুল আছে???

আল্লাহ আমাদের কে সঠিক জ্ঞান দান করুক। আমিন।
সংগৃহীত।

27/10/2025

আহলে সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা শ্যামলী আবাসিক চট্টগ্রাম ৫ম শ্রেণির ছাত্রদের জানাজার নামাজের প্রশিক্ষণ.....

২০ শত'ক জমির লাউ গাছের গোড়া কে টে দিলো, ছাগলে গাছ খেয়েছিলো, এটা বলাতেই রাতে এই কাজ করে ছাগল মালিক। 🥲
27/10/2025

২০ শত'ক জমির লাউ গাছের গোড়া কে টে দিলো, ছাগলে গাছ খেয়েছিলো, এটা বলাতেই রাতে এই কাজ করে ছাগল মালিক। 🥲

21/10/2025

হযরর ইব্রাহিম (আ) ও নমুরুদ এর ঘটনা পবিত্র কুরআনের আলোকে।।

স্টেক, হ্যামবার্গার কিংবা সাধারণ তরকারি—যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন গরুর মাংস স্বাদে অনন্য। বিশ্বজুড়ে প্রিয় প্রোটিন-জাতীয় ...
21/10/2025

স্টেক, হ্যামবার্গার কিংবা সাধারণ তরকারি—যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন গরুর মাংস স্বাদে অনন্য। বিশ্বজুড়ে প্রিয় প্রোটিন-জাতীয় খাদ্যগুলোরও একটি। ধারণা করা হয়, ২০২০ সালে বিশ্বে ১৩ হাজার কোটি পাউন্ডের বেশি গরুর মাংস খাওয়া হয়েছে।

অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি গরুর মাংস খাওয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ২০২১ সালে প্রায় ১২.৯ হাজার মেট্রিক টন গরুর মাংস খাওয়া হয় দেশটিতে। তবে মাথাপিছু গরুর মাংস খাওয়ায় এগিয়ে আর্জেন্টিনা। দেশটিতে জনপ্রতি বছরে গরুর মাংস খায় ৭৯ পাউন্ড। যুক্তরাষ্ট্রে যা ৫৭ পাউন্ড।

ম্যার মরগান'স মিটলোফ রেসিপির পরিসংখ্যান থেকে শীর্ষ গরুর মাংস উৎপাদনকারী ৪০টি দেশের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, গরুর মাংস বেশি খাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনেও এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র। এ তালিকায় অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকে পৃথক করে হিসাব করা হয়নি। জোটভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন হিসাব করা হয়েছে। ৪০ দেশের এই তালিকায় নেই বাংলাদেশের নাম।

যুক্তরাষ্ট্রের পর উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলো যথাক্রমে: ২. ব্রাজিল ৩. ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪. চীন ৫. ভারত ৬ আর্জেন্টিনা ৭.অস্ট্রেলিয়া ৮. মেক্সিকো ৯. পাকিস্তান ও ১০. রাশিয়া।

অন্যান্য দেশে উৎপাদিত গরুর মাংসের পরিমাণ নিম্নরূপ:

২. ব্রাজিল—১ কোটি ১ লাখ মেট্রিক টন
৩. ইউরোপীয় ইউনিয়ন—৭৮ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন
৪. চীন—৬৭ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন
৫. ভারত—৩৭ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন
৬. আর্জেন্টিনা—৩২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন
৭. অস্ট্রেলিয়া—২১ লাখ ২৩ হাজার মেট্রিক টন
৮. মেক্সিকো—২০ লাখ ৭৯ হাজার মেট্রিক টন
৯. পাকিস্তান—১৮ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন
১০. রাশিয়া—১৩ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন।

ইন্টারনেট থেকে নেওয়া তথ্য।।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

নিচের ছবি অনুযায়ী গরুর গোশত রান্না কোনটা আপনার পছন্দ /ভালো লাগে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।।

Address

Chittagong
4346

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hafiz Hasan Imam Qaderi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share