11/02/2023
Physics teacher (English Medium)
Currently Teaching : Presidency International School. (Senior Section), Cambridge Curriculum
&
Ex-Teacher : Chittagong Grammar School (CGS), National Curriculum.
Area of Teaching :
Physics, Math (O Level, A Level & HSC)
Location: Proshanti Residential Area.
13/07/2022
অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে যে, কালকে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক ছবিটি ৪.৬ বিলিয়ন অর্থাৎ, ৪৬০ কোটি বছরের আগের হলো কিভাবে?
এটা সহজে বুঝতে হলে আমাদের আলোক সময় সম্পর্কে জানতে হবে। আমরা জানি, মহাবিশ্বের এই বিশাল থেকে বিশালতর দূরত্ব গুলো আলোকবর্ষ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এখন বলি আলোক সময়টা কি? সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় নেয় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। আলোক সময়ের হিসেবে পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব ৮.৩১ মিনিট আলোক সময়। আলোর গতির সাথে এই দূরত্ব হিসেব করা হয়। এখানে একটা কথা বলে রাখি পৃথিবী থেকে এই মুহুর্তে আমরা সূর্যের যে অবস্থা দেখছি তা সূর্যে ঘটে গেছে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে। সূর্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা পৃথিবীতে আসতে সময় নেয় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। মূলত আমরা অতীত দেখতে পাই।
এখন আসি আলোক বর্ষে, আলো এক বছর সময়ে যতটুকু পথ অতিক্রম করতে পারে তাকে বলা হয় ১ আলোক বর্ষ। ১ আলোক বর্ষ = ৯.৪৬১×১০^১২ কিলোমিটার। এই বিশাল মহাবিশ্বের দূরত্ব যদি আমরা সাধারণ কি.মি. প্রকাশ করতে যাই তাহলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে।
আমাদের সৌর জগতের সবচেয়ে কাছে নক্ষত্র Proxima Centauri। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ৪.২৪ আলোক বর্ষ। অর্থাৎ, এই তারার আলো পৃথিবীতে আসতে সময় নেয় ৪ বছর ৩ মাস প্রায়। আমরা মূলত পৃথিবী থেকে যখন এই নক্ষত্রকে দেখতে পাই সেটা মূলত তার আরো ৪ বছর ৩ মাস আগের অবস্থা। সেই হিসেবে মহাকাশের সকল কিছুরই অতীত দেখতে পাই আমরা।
জেমস ওয়েভ স্পেস টেলিস্কোপের যে ছবিটা প্রকাশ পেয়েছে তার দূরত্ব পৃথিবী থেকে ৪.৬ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। অর্থাৎ, এই ছবিতে আমরা গ্যালাক্সিগুলোর যে অবস্থান দেখছি তা মূলত ৪.৬ বিলিয়ন বছরের পুরনো।
একটা মজার হাইপোথিসিস আপনাদের বলি। ধরুন ছবিতে প্রকাশিত কোনো গ্যালাক্সির কোনো একটি গ্রহ থেকে এই মুহুর্তে আমাদের চেয়েও উন্নত মস্তিষ্কের কোন প্রাণী আছে। তারা যদি আরো উন্নত কোন টেলিস্কোপ দিয়ে আমাদের পৃথিবীতে নজর দেয় তাহলে তারা এই মুহুর্তে পৃথিবীতে ডাইনোসরের বিচরণ বা তারও পূর্বের অবস্থান দেখতে পাবে।
#জেমস_ওয়েব #টেলিস্কোপ #নাসা #মহাবিশ্ব #ছায়াপথ #জেমস_ওয়েব #টেলিস্কোপ #নাসা #মহাবিশ্ব #ছায়াপথ #স্পেস #স্পেস
06/04/2020
SSC(Science) & HSC (Physics)
Trying to help you achieving the success that you deserve.
: Proshanti Residential Area(Rd 7)
:01673941137(for details)
18/08/2019
#কোরান_ও_বিজ্ঞানে_লোহা
১মিনিটে পড়েই ফেলুন,
জ্ঞানও বাড়বে,ঈমানও বাড়বে ইনশাআল্লাহ।
#লোহা একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং রাসায়নিক সংকেত Fe। এটি এক প্রকারের ধাতু। ধাতুগুলির মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে প্রকৃতিতে অ্যালুমিনিয়ামের পর দ্বিতীয় স্থান লোহার। তবে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর অংশটি লোহার তৈরী বিধায় সেটাকে হিসাবে আনা হলে পৃথিবীতে লোহার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। তবে খাঁটি লোহা প্রকৃতিতে বিরল।
আমরা অনেকেই মনেকরি অতি পরিচিত মৌল লোহার কোন বিশেষত্ব নেই। এটি পৃথিবীতেই অন্যান্য পদার্থের মত সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমাদের ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। পৃথিবী তো দুরের কথা খুদ সৌরজগতের কোন স্থানে লোহার একটি অণুও সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়। তাই লোহা পৃথিবীর অভ্যন্তরে সৃষ্টি হওয়া কোন পদার্থ নয় বরং এটি এসেছে পৃথিবীর বাইরে থেকে।
সর্বপ্রথম ১৮৪৭ সালে বিজ্ঞানি জুল ও রামফোর্ড তাপ গতি বিদ্যার ১ম সূত্র(the 1st low of thermodynamics) প্রদান করেন। পরবর্তীতে এই সূত্রের উপর ভিত্তি করে অণুর গঠন সংক্রান্ত সূত্র, Enthalpy of formation বা গঠন এনথালপি প্রদান করা হয়। যার প্রাসঙ্গিক মূল কথাটি হল- কোন পদার্থকে তার গঠন উপাদান সমূহ থেকে তৈরি করতে হলে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তাপের পরিবর্তন করতে হবে। অন্যথায় পদার্থটি উৎপন্ন হবে না। যেমন, মাত্র ১ মোল কার্বনডাইঅক্সাইড তৈরি করতে হলে ন্যূনতম ৩৯৩.৫ কিলোজুল (১কিলোজুল=১০০০জুল ) নির্গত হতে হবে। মানে কার্বনডাইঅক্সাইডের গঠন এনথালপি ৩৯৩.৫ কিলোজুল।
একইভাবে মাত্র ১ মোল পানি উৎপন্ন করতে ২৮৬.৫ কিলোজুল তাপ নির্গত হওয়া অত্যাবশ্যক। কারন পানির গঠন এনথালপি ২৮৬.৫ কিলোজুল। তাই বুঝা গেল বস্তুভেদে গঠন এনথালপি বিভিন্ন। লোহার ক্ষেত্রে এটি এতই বেশি যে পৃথিবী তো দুরের কথা খুদ সৌরজগতের কোন স্থানে লোহার একটি অণুও সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়।
লোহা অণুর গঠণ প্রসঙ্গে প্রফেসর আর্মস্ট্রংক বলেন- সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। লোহার একটি অণু তৈরি করতে যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন তা এতই বেশী যে সমগ্র সৌরজগতের শক্তিও এর জন্য পর্যাপ্ত নয়। তারা হিসাব করে দেখান যে লোহার একটি অণু তৈরি করতে সৌরজগতের মোট শক্তির চারগুণ শক্তি প্রয়োজন। কাজেই বিজ্ঞানীরা বর্তমানে বলছেন যে, লোহা পৃথিবীতে সৃষ্ট কোন পদার্থ নয়, লোহা এসেছে পৃথিবীর বাইরে থেকে (extra terrestrial metal)। লোহা কেবলমাত্র সূর্যের চেয়ে বড় কোন নক্ষত্রেই তৈরী হতে পারে যেখানে তাপমাত্রা কোটি ডিগ্রির কাছাকাছি। এ রকম কোন গলিত নক্ষত্রের বিস্ফোরনের মাধ্যমেই লোহার উৎপত্তি সম্ভব।
অর্থাৎ লোহা পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি এসেছে আকাশ থেকে। এটিই হচ্ছে বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক বক্তব্য। এবার আপনাদের এমন একটি তথ্য প্রদান করবো যা শুনে আপনাদের চোখ কপালে ওঠে যাওয়ার উপক্রম হবে। তথ্যটি হল, লোহার আগমন ও এর অভাবনীয় শক্তি সম্পর্কিত বিজ্ঞানের করা সাম্প্রতিক বক্তব্যটি আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে একটি গ্রন্থে সুস্পষ্ট ভাবে আলচনা করা হয়েছে। অবাক হচ্ছেন! অবাক না হওয়ারই বা কারন কি? যেখানে আজ থেকে মাত্র ১৬৫ বছর পূর্বে(১৮৪৭ সালে) বিজ্ঞানি জুল ও রামফোর্ড কর্তিক তাপ গতি বিদ্যার ১ম সূত্র(the 1st low of thermodynamics) প্রতিষ্ঠা লাভ করে, সেখানে আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে লোহা অণুর জটিল গঠন পক্রিয়া, অণুটির আভ্যন্তরীণ বিপুল শক্তি ভাণ্ডার, এই মৌলটি পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি, এটি এসেছে আকাশ তথা সৌর জগতের বাইরে থেকে, এইসব জটিল তথ্য গুলো প্রদান করা কি করে সম্ভব?
এর উত্তর হচ্ছে- ১৪০০ বছর পূর্বে যে গ্রন্থে এই মহাসূক্ষ্ম বিষয়গুলো সম্পর্কে তথ্য প্রধান করা হয়েছে নিঃসন্দেহে ঐ গ্রন্থটি মানব রচিত কোন স্বাভাবিক গ্রন্থ নয়। কারন মানুষ মাত্র কিছুদিন আগে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছে। তাই এই গ্রন্থটির উৎস স্বয়ং স্রষ্টা নিজেই। পবিত্র কুরআনের ৫৭ নং সুরা আল হাদিদের ২৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “আল্লাহ লোহা পাঠিয়েছেন যার মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি এবং রয়েছে মানুষের জন্য বহুবিধ কল্যাণ”।
ব্যাখ্যাঃ আয়াতটিকে তিনটি অংশে ভাগ করে ব্যাখ্যা প্রধান করা হল।
১]আল্লাহ লোহা পাঠিয়েছেন।
ব্যাখ্যাঃ এই অংশটিতে আরবি ‘‘আনঝালা’’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ প্রেরণ করা বা আকাশ থেকে অবতীর্ণ করা। বিশেষত আকাশ থেকে বা পৃথিবীর বাইরে থেকে প্রেরণ করা অর্থে আরবি আনঝালা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তার মানে লোহা পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি এসেছে পৃথিবীর বাইরে থেকে।
২] যার মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি।
ব্যাখ্যাঃ এই অংশটিতে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় লোহার আভ্যন্তরীণ বিপুল শক্তি ভাণ্ডার ও এর গঠন পক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় অপার্থিব শক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন।
৩] এবং রয়েছে মানুষের জন্য বহুবিধ কল্যাণ।
ব্যাখ্যাঃ এই অংশটিতে মহান আল্লাহ জানিয়েছেন লোহা খুবই উপকারী ধাতু। যা মানুষের বহুবিধ কল্যান সাধন করতে পারে। লোহার এইসব উপকারীতার কথাই আল্লাহ প্রকাশ করেছেন।
এবার নিজেই পরখ করে দেখুন লোহা সম্পর্কে ১৪০০ বছর পূর্বে কুরআনে প্রদত্ত তথ্যগুলোর সাথে বর্তমান বিজ্ঞানের সামান্যতম অমিল খুজে পান কি না? জানি পাবেন না! কারণ কুরআন ও বিজ্ঞান যেন একই উৎস হতে নির্গত দুটি আলোক রশ্মি। যাদের ধারা ভিন্ন কিন্তু উৎসমূল এক। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় যে, আমাদের পৃথিবীর একদম মধ্যবর্তী স্থানটি অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্র লোহার তৈরি। সূরা হাদিদ (হাদিদ অর্থ লোহা) কোরআনের ঠিক মধ্যখানে অবষ্থিত। কুরআনে মোট ১১৪ টি সূরা আছে। সূরা হাদিদ কুরআনের ৫৭ নং সূরা। অর্থাৎ সূরা হাদিদের অবস্থান একেবারে মধ্যখানে।
চমক এখানেই শেষ হয়নি। আরো আছে। এবার আপনাদের সামনে লোহার জটিল রাসায়নিক গঠন ও লোহা পরমাণুর মধ্যে অবস্থিত মৌলিক কনিকার সংখ্যা সম্পর্কিত কুরআনের দেয়া নির্ভুল তথ্য সম্পর্কে আলোচনা করব।
লোহার এটমিক নাম্বার বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬। ‘হাদিদ’ শব্দটির সংখ্যাগত মানও হল ২৬। (হা=৮, দাল=৪, ইয়া=১০, দাল=৪), যখন আমরা বিসমিল্লাহ (শুরুর আয়াত) কে আয়াত ধরি, তখন যে আয়াতে ‘লোহাকে পাঠানো হয়েছে’ উল্লেখ করা হয়েছে তা ২৬ তম আয়াতে উপনীত হয়। যেহেতু কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সমান ঐ পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা। তাই লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ হওয়ায় লোহা পরমাণুর অভ্যন্তরে ২৬টি প্রোটন ও ২৬টি ইলেকট্রন আছে। আবার আমরা জানি, লোহা পরমাণুর নিঊক্লিয়াসে অবস্থিত নিউট্রন সংখ্যা ৩০।
যেহেতু সূরা হাদিদের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে হয়,(সুরা তাওবা ছাড়া সকল সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে হয়) তাই বিসমিল্লাহ সহ সুরা হাদিদের আয়াত সংখ্যা ৩০,যা লোহার নিউট্রন সংখ্যা নির্দেশ করে। যখন কুরআনই সর্বপ্রথম (পরোক্ষভাবে গাণিতিক নিয়মে) লোহার পারমাণবিক সংখ্যা, প্রোটন সংখ্যা, ইলেকট্রন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা সম্পর্কে তথ্যপ্রধান করেছে তখন তার ভরসংখ্যা বাদ যাবে কেন?
ইতিমধ্যে আমরা কুরআনের দেয়া তথ্য হতে জানতে পেরেছি লোহার প্রোটন সংখ্যা=২৬ ও নিউট্রন সংখ্যা=৩০, এবার এবার কুরআনের দেয়া তথ্য হতে ভরসংখ্যা বের করা যাক। আমরা জানি, ভরসংখ্যা= প্রোটন সংখ্যা+নিউট্রন সংখ্যা। অতএব লোহার ভরসংখ্যা= ২৬+৩০=৫৬, আধুনিক রসায়ন বিজ্ঞানও বলছে লোহার ভরসংখ্যা=৫৫.৮৫ বা ৫৬, কি আশ্চর্যের বিষয়! আজ থেকে দেড় হাজার বছর পূর্বেই মহান স্রষ্টা স্বীয় অনুগ্রহে তার সৃষ্টিকুলকে শুধু পরমাণু সম্পর্কেই অবহিত করেননি বরং এর অভ্যন্তরে অবস্থিত অতিসূক্ষ্ম কণিকাগুলো সম্পর্কেও অবহিত করেছেন। কিন্তু মানবকুলের বড় দুর্ভাগ্য তারা কুরআন কে যথাযত মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৪০০ বছর পূর্বে পরিবেশিত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মাত্র কিছুদিন পূর্বে আবিস্কার করেছে।
07/10/2018
নোবেল পুরষ্কার বিস্তারিত - ২০১৮ (একনজরে দেখে নিন)
* চিকিৎসা বিজ্ঞান:
১. জেমস পি অ্যালিসন (যুক্তরাষ্ট্র)
২. তাসুকু হোনজো (জাপান)
অবদান: মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার চিকিৎসার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য।
পুরষ্কার ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান: রয়েল সুইডিশ একাডেমী অব সায়েন্সেস
* পদার্থ বিজ্ঞান:
১. আর্থার আশকিন (যুক্তরাষ্ট্র)
২. জেরার্ড মোরউ (ফ্রান্স)
৩. ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড (কানাডা)
অবদান: লেজার গবেষণায় অবদানের জন্যে এই পুরস্কার তিনজনকে ভাগ করে দেওয়া হলো।
পুরষ্কার ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান: ক্যারোলিনস্কা ইন্সটিটিউট
* রসায়ন:
১. ফ্রান্সেস এইচ. আরনল্ড (যুক্তরাষ্ট্র)
২. জর্জ পি. স্মিথ (যুক্তরাষ্ট্র)
৩. স্যার গ্রেগরি পি উইন্টার (যুক্তরাজ্য)
অবদান: এনজাইমের বিবর্তন নিয়ে কাজ করার (For the directed evolution of enzymes) স্বীকৃতি হিসেবে।
পুরষ্কার ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান: রয়েল সুইডিশ একাডেমী অব সায়েন্সেস
* সাহিত্য:
স্থগিত। এ বছর সাহিত্যে কোন নোবেল পুরস্কার দেয়া হবেনা।
পুরষ্কার ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান: সুইডিশ একাডেমী
* শান্তি:
১. নাদিয়া মুরাদ (ইরাক)
২. মুকওয়েগে (কঙ্গো)
অবদান: যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ধর্ষণ বন্ধের চেষ্টার স্বীকৃতিতে তারা এ পুরস্কার পেলেন।
পুরষ্কার ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান: নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।