20/01/2025
অনার্স ভর্তি ২০২৪-২৫
ভর্তি পরিক্ষার দিয়ে টিকতে হবে এবার NU তে
১০০ নম্বর লিখিত
১০০ নম্বর রেজাল্ট (SSC-40%+HSC-60%)
মোট ২০০ নম্বরের পরিক্ষা হবে
হিসাববিজ্ঞান সমস্যার সমাধান এখানেই।
পোস্ট পাওয়া মাত্র সমাধান ইনশাল্লাহ। one stop service here.
20/01/2025
অনার্স ভর্তি ২০২৪-২৫
ভর্তি পরিক্ষার দিয়ে টিকতে হবে এবার NU তে
১০০ নম্বর লিখিত
১০০ নম্বর রেজাল্ট (SSC-40%+HSC-60%)
মোট ২০০ নম্বরের পরিক্ষা হবে
সম্পদঃ যা কিছু আমার (প্রতিষ্ঠানের) তাই সম্পদ।
দায়ঃ আমার (প্রতিষ্ঠানের) কাছ থেকে কেও কোনো কিছু পাবে এমন।
আয়ঃ সেবা বা পণ্য বিনিময়ে অর্থ উপার্জন হলে।
ব্যয়ঃ অর্থের বিনিময়ে কিছু ক্রয় করলে
মালিকানাস্বত্বঃ প্রতিষ্ঠানের উপর মালিকের যে অধিকার
হিসাববিজ্ঞান কনসেপ্ট বলে মালিক এবং প্রতিষ্ঠান দুটি ভিন্ন জিনিস। মালিক মুনাফার আশায় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে থাকেন মাত্র।
সুতরাং হিসাববিজ্ঞানের প্রতিটি বিবরণী করার সময় নিজেকে প্রশ্নে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের মালিক চিন্তা করে কাজ করতে হবে এটিই প্রথম শর্ত।
হিসাববিজ্ঞানের উপর গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও লোডিং......
একাদশ-দ্বাদশ
হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র
অধ্যায় ১১শ
১।রূপান্তর ব্যয়=প্রত্যক্ষ মজুরি+কারখানা উপরিব্যয়
২।বাণিজ্যিক ব্যয়/পরিচালন ব্যয়,
=(অফিস ও প্রশাশনিক ব্যয়+বিক্রয় ও বন্টন ব্যয়)
৩।উৎপাদিত একক+প্রারম্ভিক একক+বিক্রয় একক+সমাপনি একক
11/07/2023
11/11/2022
ছোটবেলা থেকেই কচ্ছপ এবং খরগোশের গল্প আমরা প্রায় সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা প্রথম অধ্যায়টাই কেবল পড়েছি। এ গল্পের আরও যে তিনটি অধ্যায় আছে, যা আমরা কেউ জানিই না বা শুনিই নি!
প্রথম অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়ে খরগোশ কচ্ছপের চলার গতি দেখে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। খরগোশ দেখল, সে কচ্ছপের চেয়ে কয়েকগুণ জোড়ে দৌড়াতে পারে। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারনে খরগোশ একটু বিশ্রাম নিতে থাকে এবং ঘুমিয়ে যায়, আর সেই সুযোগ এর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে কচ্ছপ জিতে যায়!
হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল, তার পরাজয়ের মূল কারণটি হলো, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস সকলের জন্যই ক্ষতিকর।
আর কচ্ছপ বুঝলো, লেগে থাকলে এবং সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলে সাফল্য আসবেই!
দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার কয়েকদিন পর খরগোশ আবার কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করলো আর কচ্ছপও তাতে রাজী হয়ে গেল। এই বার খরগোশ আগের মত না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যেই কচ্ছপকে পেছনে ফেলে জয়ী হল।
খরগোশ বুঝল মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে অতি দ্রুত সফল হওয়া যায়।
আর কচ্ছপ বুঝলো, ধীর স্থির ভাবে চলা খুব ভাল, তবে কাজে প্রয়োজনীয় গতি না থাকলে, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া প্রায় অসম্ভব!
তৃতীয় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এই বার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আমন্ত্রণ জানালো, আর সেই আমন্ত্রণে খরগোশটিও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেলো।
প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে কচ্ছপটি বলল, "একই রাস্তায় আমরা দুই দুই বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হলো। যথারীতি, খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশের কাছে পৌঁছাল, তখন দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছতে পারেনি। কারন, দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে এক বার তাকালো, অতঃপর তার সামনে দিয়েই পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেলো।
এই পর্যায়ে খরগোশ টি বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিবেশ পরিস্থিতি'র পাশাপাশি বাস্তবতা অনুধাবন করাটাও অনেক জরুরী!
আর কচ্ছপ বুঝলো, প্রথমেই প্রতিযোগির দূর্বলতা খুঁজে বের করতে হবে, তারপর সে অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারলেই সফলতা আসবেই।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়
চতুর্থ অধ্যায়ঃ এইবার খরগোশ কচ্ছপটিকে একই পথে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহ্বান জানালো। আর কচ্ছপটিও তাতে রাজী হলো। কিন্তু, এই বার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগি হিসেবে নয়, বরং এবারে দৌড়টা তারা দৌড়াবে একে অপরের সহযোগী হিসেবে!
শুরু হলো প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। খালের কাছে এসে কচ্ছপ খরগোশের পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। খালের ঐপারে গিয়ে আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করলো আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।
এ থেকে সকলেই শিখলো, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভাল। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই কেবল আসবে সত্যিকার এর সাফল্য, আর যেখানে বিজয়ীর হাসি হাসতে পারবে সকলেই।।
15/08/2022
21st 💪
© পোস্ট: Understanding Inflation °°
-----------------------------------------------------
১ হাজার টাকার নোট ছাপানো হয় ২০০৮ সালে।
২০০৮ সালে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিলো ২৬০০০ টাকা (প্রায়)
অর্থাৎ আপনি ২০০৮ সালে ২৬ টি ১ হাজার টাকার নোট দিয়ে এক ভরি স্বর্ণ পেতেন।
আজকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ৮৪০০০ টাকা (প্রায়)
অর্থাৎ আজকে আপনাকে ৮৪ টি ১ হাজার টাকার নোট লাগবে এক ভরি স্বর্ণ কিনতে।
এবার আসুন এই ১ হাজার টাকার মান এখন কত।
২৬০০০ ÷ ২৬ = ১০০০
২৬০০০÷৮৪ = ৩০৯
আপনার ২০০৮ সালের ১ হাজার টাকার নোট টির আজকের মূল্য ৩০৯ টাকা।
এখানে চালাকি করে বলা হয় যে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। আপনিও সেটা ধরে নেন।
কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার হলো আপনার পকেটের/ব্যাংকের টাকার মূল্যমান কমেছে, যা আপনাকে বুঝতে দেওয়া হয়না।
©
03/08/2022
তুমি আইফোন নিয়ে দাঁড়ালে সবাই আইফোনটাকে দেখবে।
ইলন মাস্ক আইফোন নিয়ে দাঁড়ালে সবাই ইলন মাস্ককে দেখবে।
তুমি কুড়ি হাজার টাকার ব্র্যান্ডের শার্ট পরলে সবাই শার্টটাকে দেখবে।
শাহরুখ খান ফুটপাথের দু'শ টাকার গেঞ্জি পরলেও সবাই শাহরুখ কেই দেখবে।
ব্র্যান্ডের পেছনে না ছুটে নিজেকে ব্র্যান্ড বানানোর চেষ্টা করো।
গাদাগুচ্ছের টাকা খরচা করে 'শো অফ' করে কিচ্ছু পাওয়া যায় না।
বাবা মায়ের থেকে দামী জিনিস কেনার জেদ না করে নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যাও, যাতে তোমার ব্যবহার করা ছেঁড়া রুমালও নিলামে একদিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়। নিজেকে ব্র্যান্ডিং করো, তাহলে একটা সময় তোমার ব্যবহৃত জিনিস পত্রও ব্র্যান্ড হয়ে যাবে।
'শো অফ' তারা করে যাদের ভেতরটা ফাঁপা হয়, সেজন্যই তারা বাহিরটাকে ঝকঝকে চকচকে বানিয়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করে।
তাই সময় থাকতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তোলো,
সময় একবার ফুরিয়ে গেলে সেটা কিন্তু আর ফিরে পাওয়া যাবে না।