নূরুল ক্বোরআন নূরানী মাদ্রাসা

নূরুল ক্বোরআন নূরানী মাদ্রাসা

Share

طلب العلم فریضة علی کل مسلم
(দ্বীনি) ইলম (শিক্ষ?

16/12/2025
15/12/2025

সন্তানকে দ্বিনী শিক্ষার সাথে সাথে জাগতিক শিক্ষা ও সুন্নতি আমলদার ও মা-বাবার ফরমাবরদার এবং দেশের সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য নুরুল কোরআন নূরানী মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দিন।
যোগাযোগ:
নূরুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসা
উত্তরপাড়া, আজিজ নগর,
লামা, বান্দরবান।
01633788540
01960957222

26/03/2022

দরূদে উম্মীঃ এই দরূদ জুমার দিন ৮০বার পড়লে ৮০ বছরের ছোট ছোট গুনাহ মাফ হবে। (ক্বওলে বাদী')

اللّهُمَّ صَلّ على مُحمد النَّبِيّ الأُمّيّ وَعلى آلِهِ وَسَلّم تَسلِيمًا

26/03/2022

ইস্তিগফার তথা ক্ষমাপ্রার্থনাকারীর জন্য সুসংবাদ ********************★*******************
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
যার আমলনায় বেশি বেশি ইস্তিগফার পাওয়া যাবে
তার জন্য সুসংবাদ।
(ইবনে মাজা বর্ণনা করেছেন)

Photos from নূরুল ক্বোরআন নূরানী মাদ্রাসা's post 24/12/2021
08/09/2021

হাটহাজারী মাদ্রাসার মুফতি আব্দুস সালাম সাহেব আর নেই।

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

হাটহাজারী মাদ্রাসার শুরার মিটিংয়ে আজকে মুফতি আব্দুস সালাম সাহেব হুজুরের মুহতামিম হিসেবে নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু হঠাৎ করেই মিটিং চলাকালীন অবস্থায় আল্লাহপাক নিজের কাছে নিয়ে চলে গেলেন।

হাটহাজারী মাদরাসার নতুন পরিচালক মাওলানা ইয়াহিয়া সাহেব।
হে আল্লাহ তুমি হুজুরকে সকল অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।

08/02/2021

🌙*নামাজ পড়ার ফযিলত ও নামায ত্যাগ করার ভয়াবহ পরিনাম:🌙*👇⬇👇 🌹🆗🌹

*📚নামাজ পড়ার ফযিলত📚*

✅*১)* হযরত হানযালা আল উসাইদী (রাযি:) হতে বর্ণিত--⤵

*عن حنظلة الاسيدى ان رسول الله صلى الله عليه و سلم قال من حافظ على الصلوات الخمس على وضوئها ومواقيتها وركوعها وسجودها يراها حقا لله عليه حرم على النار*

✳*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এরূপ পাবন্দির সাথে আদায় করে, অজু ও সময়ের এহতেমাম করে, রুকু সেজদা উত্তমরূপে আদায় করে এবং এইরূপ নামাজ আদায় করাকে নিজের উপর আল্লাহর হক মনে করে তবে জাহান্নামের আগুনের জন্য তাকে হারাম করে দেয়া হবে। *[মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৩৭২]*⏬

✅*২)* হযরত আবু হুরায়রা (রাযি:) হতে বর্ণিত---⤵

*أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- كان يقول الصلوات الخمس والجمعة إلى الجمعة ورمضان إلى رمضان مكفرات ما بينهن إذا اجتنب الكبائر.*

✳*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমআর নামাজ পরবর্তী জুমআর নামাজ পর্যন্ত এবং রমজানের রোজা পরবর্তী রমজানের রোজা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সকল (সগীরা) গুনাহের জন্য কাফফারা হবে। যদি এই আমলসমূহ পালনকারী কবীরা গুনাহ হতে বেঁচে থাকে। *[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৭৪,মুসনাদে আহমদ ,হাদীস নং ৯১৮৬]*⏬

✅*৩)* হযরত আবু হুরায়রা (রাযি:) হতে বর্ণিত--⤵

*أن رسول صلى الله عليه و سلم قال أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء ؟ قالوا لا يبقى من درنه شيء قال فذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا*

✳*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, বলো দেখি যদি কোনো ব্যক্তির দরজার সামনে একটি নহর প্রবাহিত থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তবে তার শরীরে কি কোনো ময়লা বাকী থাকবে? সাহাবাগন আরজ করলেন, কিছুই বাকী থাকবে না। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অবস্থাও এরকমই যে, আল্লাহ তাআলা তার বদৌলতে গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন। *[জামেউত তিরমিজী, হাদীস নং ২৮৬৮, বুখারী শরীফ হাদীস নং ৫০৫, মুসলিম শরীফ হাদীস নং ১৫৫৪ ]*⏬

✅*৪)* হযরত আবু যর (রাযি:) হতে বর্ণীত---⤵

*عن أبي ذر أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج زمن الشتاء والورق يتهافت فأخذ بغصنين من شجرة قال فجعل ذلك الورق يتهافت قال فقال يا أبا ذر قلت لبيك يا رسول الله قال إن العبد المسلم ليصل الصلاة يريد بها وجه الله فتهافت عنه ذنوبه كما يتهافت هذا الورق عن هذه الشجرة*

✳*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* একদিন শীত কালে বের হলেন, তখন গাছের পাতা ঝরছিলো। তিনি একটি গাছের ডাল ধরলেন ফলে এর পাতা আরো বেশী ঝরতে লাগলো। তিনি বললেন, হে আবু যর! আমি বললাম উপস্থিত, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, মুসলিম বান্দা যখন ইখলাসের সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নামাজ পড়ে তখন তার গুনাহ সমূহ এমনভাবে ঝরে পড়ে যেমন এই গাছের পাতা ঝরে পড়ছে। *[মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ২১৫৫৬]*⏬

*📚নামাজ ত্যাগ করার ভয়াবহ পরিনাম:📚*

✅*১)* হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ্ (রাযি:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন--⤵

*سمعت النبي صلى الله عليه و سلم يقول إن بين الرجل وبين الشرك والكفر ترك الصلاة*

✴*অর্থ:-* আমি রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* কে বলতে শুনেছি, একজন মুসলিম ও শিরক, কুফরের মাঝে পার্থক্য হলো নামাজ ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ নামাজ ছেড়ে দেওয়া মুসলিম ব্যক্তিকে কুফর ও র্শিক পর্যন্ত পৌছে দেয়। *[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮২]*⏬

✅*২)* হযরত নাওফাল ইবনে মুয়াবিয়া (রাযি:) হতে বর্ণিত--⤵

*أن النبي صلى الله عليه و سلم قال من فاتته الصلاة فكأنما وتر أهله وماله*

✴*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, যার এক ওয়াক্ত নামাজ ছুটে গেলো তাঁর যেনো ঘরবাড়ি পরিবার ও ধনসম্পদ সবই কেড়ে নেওয়া হলো। *[সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ২৪৬৮, নাসাঈ শরীফ, হাদীস নং ৭৪৮]*⏬

✅৩। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি:) হতে বর্ণিত--⤵

*قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : من جمع بين الصلاتين من غير عذر فقد أتى بابا من أبواب الكبائر*

✴*অর্থ:-* রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* বলেন, যে ব্যক্তি শরীয়ত সম্মত ওজর ব্যতীত দুই ওয়াক্ত নামাজ একসঙ্গে পড়লো, সে কবীরা গোনাহের মধ্য থেকে একটিতে প্রবেশ করলো। *[মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং ১০২০, সুনানুল ক্বুরা লিল বাইহাক্বী, হাদীস নং ৫৭৭১]*⏬

✅*৪)* হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত--⤵

*عن النبي صلى الله عليه و سلم أنه ذكر الصلاة يوما فقال من حافظ عليها كانت له نورا وبرهانا ونجاة يوم القيامة ومن لم يحافظ عليها لم يكن له نور ولا برهان ولا نجاة وكان يوم القيامة مع قارون وفرعون وهامان وأبي بن خلف*

✴*অর্থ:-* একদিন রাসূলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম)* নামাজের বিষয় উল্লেখ করে বললেন, যে ব্যক্তি নামাজের ইহতেমাম করে, তাঁর জন্য নামাজ কিয়ামতের দিন নূর হবে ও হিসাবের সময় দলীল হবে ওবং নাজাতের উপায় হবে। আর যে ব্যক্তি নামাজের ইহতিমাম করে না, কিয়ামতের দিন নামাজ তাঁর জন্য নূর হবে না, আর তাঁর নিকট কোন দলীলও থাকবে না এবং নাজাতের জন্য কোনো উপায়ও হবে না। এমন ব্যক্তির হাশর হবে ফেরআউন, হামান ও উবাই ইবনে খলফের সাথে। *[মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ৬৫৭৬, সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস নং ১৪৬৭]*⏬

☝আল্লাহ্ তা'আলা আমদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইহতেমাম করার তাওফীক দান করুন। 👪আমীন..!🔚

08/02/2021

*اَلسَّلاَمُ عَلَيْــــــــــــــــكُمْ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ.*
*بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ*

*➡️মৃত্যু নিকটবর্তী হওয়ার ৬ টি লক্ষণঃ-*

*🔳 প্রথম ধাপের নাম ইয়াউমুল মাউত.!!*

👉🏼এই দিনেই মানুষের জীবনের সমাপ্তি ঘটবে, হায়াত ফুরিয়ে যাবে। আল্লাহ ফেরেশতাদের নির্দেশ দিবেন জমিনে গিয়ে রুহু কবজ করে নিয়ে আসতে। দুঃখজনক হলেও সত্য, কেউ এই দিন সম্পর্কে জানেনা। এমনকি যখন এইদিন চলে আসবে সেইদিন ও সে জানবে না আজ তার মৃত্যুর দিন। মৃত্যুর বিষয়টি উপলব্ধি না করা সত্বেও দেহে কিছু পরিবতর্ন অনুভব করবে। মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি অনুভব হবে আর পাপিষ্ঠ বুকে খুব চাপ অনুভব করবে। এই স্তরে শয়তান এবং দুষ্ট জীন ফেরেশতাদের নামতে দেখবে। কিন্তু মানুষ তাদের দেখবেনা। এই পদক্ষেপটি কোরআনে বর্ণিত হয়েছে
﴿وَاتَّقُوا يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللَّهِ ۖ ثُمَّ تُوَفَّىٰ كُلُّ نَفْسٍ مَّا كَسَبَتْ..﴾۱).
তোমরা সেই দিনকে ভয় কর যেদিন তোমাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে আল্লাহর কাছে। অতঃপর প্রতিটি নফসকে পরিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে তার কর্মফল। (সূরা বাক্বারা)

🔳 এরপর আসবে দ্বিতীয় ধাপ!

এটা হচ্ছে ধীরেধীরে রুহু কবজ করার পালা। এই ধাপে রুহ পায়ের পাতা থেকে আরোহণ শুরু করে গোছা, হাটু,পেট,নাভি ও বুকের উপর হয়ে মানব দেহের "তারাক্বী" নামক স্থানে পৌছে যায়। এই সময় মানুষ ক্লান্তি ও অস্থিরতা অনুভব করেন। এবং একধরণের অসহনীয় চাপ অনুভব করেন। তখনও তিনি জানতে পারেন না যে তার রুহু বের হয়ে যাচ্ছে।

🔳 তারপর শুরু হয় তৃতীয় ধাপ!

এই ধাপের নাম " তারাক্বী " কোরআনে এই স্তরের কথা বর্ণনা করা হয়েছে এভাবে ;

﴿كَلَّا إِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِيَ (26) وَقِيلَ مَنْ رَاقٍ (27) وَظَنَّ أَنَّهُ الْفِرَاقُ (28) وَالْتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِ (
﴾ (سورة القیامة)
‘কখনও না, যখন প্রান কণ্ঠাগত হবে। এবং বলা হবে, কে ঝাড়বে। এবং সে মনে করবে যে, বিদায়ের ক্ষন এসে গেছে’।পায়ের গোছা অন্য গোছার সাথে জড়িয়ে যাবে।(সূরা কিয়ামাহ)

তারাক্বী বলা হয় কণ্ঠনালিরর নিচে ২ কাধ পর্যন্ত বিস্তৃত হাড়কে। "কে ঝাড়বে" অর্থাৎ আত্মিয়-স্বজনদের কেউ কেউ বলবে : ডাক্তার ডাকি, অন্যজন বলবে ইমারজেন্সিতে কল করি, আবার কেউ বলবে কোরআন পড়ে ফু দেই। এই পরিস্থিতির মধ্যে মানুষ জীবনে ফিরে আসার আশা করতে থাকবে । সে বিশ্বাসই করতে চাবেনা যে রুহু তার দেহ ত্যাগ করছে!! (وَظَنَّ أَنَّهُ الْفِرَاقُ সে মনে করবে,বিদায়ের ক্ষন এসে গেছে) অর্থাৎ সে এখনো মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত নয়।সে বাচার চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু আল্লাহ তা'লা বলেন :(وَالْتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِ) পায়ের গোছা অন্য গোছার সাথে জড়িয়ে যাবে)
অর্থাৎ মৃত্যুর বিষয় এখন চূড়ান্ত। রুহু গোছাদ্বয় থেকে বেরিয়ে গেছে।সে আর পা নাড়াতে পারবেনা।এবং রুহু দেহ থেকে বের হয়ে তারাক্বীতে পৌছে গেছে।
("كَلَّا إِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِيَ")
‘কখনও না, যখন প্রান কণ্ঠাগত হবে!

🔳 অতঃপর আসবে চতুর্থ ধাপ। এই ধাপের নাম হুলক্বুউম :

মৃত্যুর এটাই শেষ স্তর এবং মানুষের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ের কঠিন স্তর। এই সময় তার চোখেরপর্দা সরিয়ে দেওয়া হবে।এবং সে চারপাশে উপস্থিত ফেরেশতাদের দেখতে পাবে। এখান থেকেই আখেরাত দর্শনের স্তর শুরু হবে।
فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَاءَكَ فَبَصَرُكَ الْيَوْمَ حَدِيدٌ ﴾ ( سورة - ق)
আমি তোমার সামনে থেকে পরদা সরিয়ে দিয়েছি, এখন তোমার দৃষ্টি প্রখর। (সূরা ক্বফ)

এই স্তরকে হুলক্বুউম নামকরণ করা হয়েছে আল্লাহর কালামের কারনে :
{ فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتْ الْحُلْقُوم (83) وَأَنْتُمْ حِينَئِذٍ تَنْظُرُونَ (84) وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْكُمْ وَلَكِنْ لَا تُبْصِرُونَ }
প্রান যখন কণ্ঠাগত হয় তখন তোমরা তাকিয়ে থাক। আর আমি তোমাদের চেয়ে তার নিকটতর। কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাওনা।(সূরা ওয়াকিয়াহ)

ُআল্লাহ তার চতুর্পাশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্বোধন করে বলছেন ; তোমরা যেখানে আছো সেও সেখানেই আছে ।সে যা দেখতে পাচ্ছে তোমরা তা দেখতে পাচ্ছ না। হয়তো সে আল্লাহ তাআলার রহমত দেখছে অথবা মাআ'যাল্লাহু আল্লাহর আজাব এবং গজব দেখছে যদি সে পাপী হয়। এজন্যই আপনারা তাকে দেখবেন নির্দিষ্ট একটি জায়গা এবং এক বিন্দুতে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে।
وَنَحْن أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْكُمْ وَلَكِنْ لَا تُبْصِرُونَ
অর্থাৎ আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটতর কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাও না । মানুষের রুহ কবজ এর সময়টা জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত। কেননা তখন সে আল্লাহর সকল প্রতিশ্রুতি ও ভীতি দেখতে পায়। ফেরেশতাদের দেখতে পায়। জীবনে যত আমল করেছে তা চোখের সামনে ভাসতে থাকে। আর এই অবস্থায় মৃত্যুর ফেতনা ঘটে যায়। শয়তান এই ফেতনায় প্রবেশ করে এবং আকিদায় সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। আল্লাহর ব্যাপারে ,নবীর ব্যাপারে ,দ্বীনের ব্যাপারে ও কোরআনের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে তার অন্তরে। এবং সে তার সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করতে থাকে যেন সে কাফের হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়। এইসময় শয়তান নিশ্চিত যে এটা এই মানুষটির শেষ মুহূর্ত এবং মালাকুল মাউত তার নিকটবর্তী ।এইজন্য সে তার অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী চূড়ান্ত আঘাত হানতে থাকে। এজন্যই কোরআন আমাদের মৃত্যুর ফেতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় নিতে বলছে :
﴿وَقُلْ رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ(۹۷) وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَنْ يَحْضُرُونِ﴾ (سورة المؤمنون).
আপনি বলুন ;হে আমার রব! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি শয়তানের প্ররোচনা থেকে। এবং আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি তাদের উপস্থিতি থেকে। (সূরা মুমিন)

তুমি যদি ইসলাম অনুযায়ী তোমার জীবন পরিচালিত করো এবং তোমার অন্তরে আল্লাহ তার রাসুল এর ভালোবাসা থাকে তাহলে তুমি এই অবস্থায় দুনিয়া থেকে বের হবে। মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত যখন চলে আসবে তখন শয়তান তার কোন একজন নিকটাত্মীয়ের আকৃতিতে উপস্থিত হবে যিনি আগেই মারা গেছেন। সে উচ্চকণ্ঠে চিৎকার করে বলবে ; আমি তোমার পূর্বে মারা গিয়েছি । ইসলাম সত্য ধর্ম নয় এবং নবী সত্য দ্বীন নিয়ে আসেননি। এবং অবশ্যই তোমাকে বলবে; তুমি সবকিছু অস্বীকার করো।

এই পরিস্থিতির চিত্র আল্লাহ কোরআনে বর্ণনা করেন;
﴿كَمَثَلِ الشَّيْطَانِ إِذْ قَالَ لِلْإِنسَانِ اكْفُرْ فَلَمَّا كَفَرَ قَالَ إِنِّي بَرِيءٌ مِّنكَ إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ رَبَّ الْعَالَمِينَ﴾ ١٦).
তাদের তুলনা হচ্ছে শয়তান যখন সে মানুষকে বলবে তুমি কুফরি করো ।যখন মানুষ কুফরি করবে তখন শয়তান বলবে ; তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই ।আমি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করি।(সূরা হাশর)

🔳 এরপর পঞ্চম ধাপ শুরু হবে !

যেখানে আজরাইল আলাইহিস সালাম প্রবেশ করবে। এই স্তরে মানুষ পরিপূর্ণভাবে বুঝতে পারবে সেকি জান্নাতি না জাহান্নামী। সে তার আমলের ফলাফল দেখবে এবং তার পরিণতি সম্পর্কে জানতে পারবে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই স্তর নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন। বিশেষভাবে যারা বিভিন্ন গুনাহে লিপ্ত ছিল এবং তাওবা না করেই পাহাড় সমূহ পাপ নিয়ে আল্লাহর সাথে মিলিত হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন;:﴿وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا﴾ (
শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা নির্মমভাবে(রুহ) টেনে বের করে।(সূরা নাযিয়াত)

জাহান্নামে একদল ফেরেশতা থাকবে যারা আগুনের কাফন প্রস্তুত করে এবং খুব নির্দয়ভাবে পাপী ব্যক্তির রুহ কবজ করে। আরেকটি আয়াতে এই কঠিন পরিস্থিতির চিত্র বর্ণিত হয়েছে ;

﴿فَكَيْفَ إِذَا تَوَفَّتْهُمُ الْمَلَائِكَةُ يَضْرِبُونَ وُجُوهَهُمْ وَأَدْبَارَهُمْ﴾
ফেরেশতারা যখন তাদের মুখমন্ডল এবং পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে তাদের প্রাণ হরণ করবে তখন তাদের কী দশা হবে???(সূরা মোহাম্মদ)

🔳 এই ধাপের পর শুরু হবে ষষ্ঠ ধাপ!

এই ধাপে মানুষের রুহ প্রস্তুত হয়ে তারাক্বীর উপর সম্ভাব্য সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে যাবে। এবং রুহ বের হওয়ার জন্য এবং আজরাইল আলাইহিস সালাম এর নিকট আত্মসমর্পণের জন্য নাকে মুখে অবস্থান করবে। বান্দা যদি পাপীষ্ঠ হয় তখন আজরাইল তাকে বলবে;হে নিকৃষ্ট আত্মা! তুই আগুন ও জাহান্নামের এবং ক্রোধান্বিত ও পপ্রতিশোধপরায়ন রবের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আস। তখন তার আভ্যন্তরীণ চেহারা কালো হয়ে যাবে। এবং চিৎকার করে বলবে ;
﴿رَبِّ ارْجِعُونِ. لَعَلِّي أَعْمَلُ صَالِحًا فِيمَا تَرَكْتُ ۚ﴾
হে আমার রব! আমাকে পুনরায় পাঠান যাতে আমি সৎকাজ করি যা আমি পূর্বে করিনি। (সূরা মুমিন)
কারন আমি নেককাজ করতে পারিনি।তখন সে শুনতে পাবে;

﴿كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِن وَرَائِهِم بَرْزَخٌ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ﴾
না এটা হতে পারেনা। এটা তো তার একটি উক্তিমাত্র। তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। (সূরা মুমিন)

আল্লাহ তা'লা আরও বলেন;
وَجَاءَتْ سَكْرَةُ الْمَوْتِ بِالْحَقِّ ذَلِكَ مَا كُنْتَ مِنْهُ تَحِيدُ
মৃত্যুযন্ত্রণা অবশ্যই আসবে, যা থেকে তুমি পালাচ্ছিলে।(সুরা ক্বফ)
﴿قُلْ إِنَّ الْمَوْتَ الَّذِي تَفِرُّونَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيكُمْ﴾
আপনি বলুন; যেই মৃত্যু থেকে তোমরা পালায়ন কর সেই মৃত্যুর সাথে তোমাদের সাক্ষাত হবেই। (সূরা জুমআ'হ)

💥শেষ কথা

আমরা কেন মৃত্যুকে ভয় পাই?

এর উত্তরঃ কারণ তোমরা দুনিয়াকে আবাদ করেছ আর আখেরাতকে বরবাদ করেছ।

যে মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করবে সে আখেরাতের জন্য বেশি প্রস্তুত থাকবে।
فاكثروا من ذكر هادم اللذات
“তোমরা সকল স্বাদ কর্তনকারী মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করো

শেয়ার করুন। বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


আজিজনগর, উত্তর পাড়া, লামা, বান্দরবান, বাংলাদেশ।
Chittagong