17/05/2016
যে ছবির কোন ক্যাপশন প্রয়োজন হয় না৷
শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন,চবি। The Ultimate Winner
17/05/2016
যে ছবির কোন ক্যাপশন প্রয়োজন হয় না৷
প্রত্যেক মানুষের মূলত দুটি পরিচয় থাকে।
একটি হলো প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়, অন্যটি
হলো ব্যাক্তিপরিচয়। একজন মানুষের সমগ্র
কাজের দায়ভার প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের
উপার কখনোই বর্তায় না। সরকারি
চাকুরীজীবীদের কেউ অন্যায় করলে সমগ্র
সরকারি চাকুরীজীবীদের দোষারোপ করা
যায় না। একজন পরিমলকে দিয়ে যেমন সমগ্র
শিক্ষকসমাজকে বিচার করা যায় না
তেমনি একজন অপরাধী ছাত্রকে দিয়েও
সমগ্র ছাত্রদের বা ছাত্রলীগের কোন
কর্মী, সমর্থক বা নেতার অন্যায়ের জন্য
সমগ্র ছাত্রলীগকে দোষারোপ করা যায়
না। অন্যান্য ক্ষেত্রে সবার ব্যাক্তি পরিচয়
দেখা হলেও শুধুমাত্র ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে
ব্যাক্তির কাজের জন্য সমগ্র ছাত্রলীগকে
দোষারোপ করা এদেশের কালচারে পরিণত
হয়েছে।
যারা ভর্তি পরিক্ষা দিবেন তাদের জন্যে Valuable information for
admission
1.সরকারী মেডিকেল কলেজে
SSC HSC total GPA with 4th sub:
3.50 3.50 8.00
2.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC HSC total GPA without 4th
sub:
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.00
C – 3.50 3.50 7.50
D – 3.00 3.00 (স্ব স্ব বিভাগের জিপিএ)
E – 3.00 3.00 6.50
3.জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A – 3.50 3.50 8.00
B – 3.50 3.50 7.50
C – 3.50 3.5 8.00
E – 3.50 3.50 6.50
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক)– 3.50 3.50
8.00(CSE=9.00)
B (সমাজ বিঞ্জান অনুষদ)– 3.50 3.50
7.00(science=8)
C (কলা ও মানবিক)– 3.00 3.00
7.00(science=7.50)
D (জীববিঞ্জান)– 3.50 3.50 8.00
E (বিজনেস স্টাডিজ)– 3.50 3.50 7.50
(science=8.50)
F (আইন)– 3.50 3.50
7.50(science=8.০০)
G (IBA)– 4.00 4.00
8.00(science=8.50)
H (IT)– 3.5 3.50 (only science=8)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - ও HSC
A কলা অনুষদ– 3.50 3.50 7.50 with
4th sub:
B আইন – 3.50 - 3.50
7.50(Com=8.00 sci=8.50 with 4th
sub:
C সাইন্স)3.50 3.50 8.50
D Commerce 3.50 3.50 8.00
E (সমাজ বিঞ্জান অনুষদ) 3.50 3.50 with
4th sub: total 8.00
= 3.50 3.50 with 4th sub: total
8.00
F+g সাইন্স= 4.00 4.00 with 4th
sub: total 8.5
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - ও HSC উভয়
A – 3.00 3.00 7.00
B – 3.50 3.50 7.00
B – 3.50 3.50 7.00
E – 4.00 4.00 7.00
F – 3.00 3.00 7.00
L – 3.00 3.00 7.00
S – 3.00 3.00 7.00
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - ও HSC উভয়। মোট 4th sub: সহ
A বিঞ্জান – 3.00 3.00 6.5
B(কলা ও মানবিক)– – 2.75 2.75 6.00
C (বিজনেস স্টাডিজ)– – 3.00 3.00 7.00
D(সমাজ বিঞ্জান অনুষদ) – 2.75 2.75
6.00
E আইন– 3.00 3.00 7.00
F জীববিঞ্জান– 3.00 3.00 6.5
G ইন্জিনিয়িারিং– 3.00 3.00 6.5
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে with 4th sub:
SSC - ও HSC উভয়। মোট GPA
A – 3.00 7.00
B – 3.00 6.00
C – 3.00 6.50
D – 3.00 স্ব স্ব বভিাগরে জপিএি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
SSC - HSC total GPA with 4th sub:
A মানবকি - 3.00 3.00 6.50
A বিজ্ঞান - 3.00 3.00 6.50
A ব্যবসায় - 3.00 3.00 6.50
B মানবকি - 3.25 3.25 7.00
B বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
B ব্যবসায় - 3.50 3.50 7.50
C মানবিক - 3.00 3.00 6.50
C বিজ্ঞান – 3.50 3.00 7.00
C ব্যবসায় - 3.00 3.00 6.50
D বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
E বিজ্ঞান– 3.50 3.50 7.50
F মানবিক - 3.00 3.00 6.50
F বিজ্ঞান – 3.50 3.50 7.50
F ব্যবসায় - 3.50 3.50 7.50
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
SSC - ও HSC total GPA with 4th sub:
A – 3.00- মানবিক – 3.00 – 6.50
বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.00
ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
B মানবিক – 3.00 3.00 6.50
ব্যবসায় – 3.25 3.25 6.75
C বিজ্ঞান – 3.25 3.25 7.50
D+ E+ F বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.50
total with 4th sub:
G – মানবিক ও ব্যবসায় 3.25 3.25 6.75
বিজ্ঞান শাখা 3.50 3.50 7.25
H মানবিক – 3.00 3.00 6.50
ব্যবসায়- 3.25 3.25 6.75
বিজ্ঞান- 3.25 3.25 7.00
জাতীয় কবী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
SSC - ও HSC উভয়টিতে
A – 3.00 মানবিক – 6.00
B – 2.50 ব্যবসায় – 6.50
C – 3.00 বিজ্ঞান – 7.00
D – 3.00 অন্যান্য – 7.50
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
SSC ও HSC total with 4th sub:
Aবিজ্ঞান - 3.00 -7.00
B মানবিক– 3.00 -6.50
C ব্যবসায়– 3.50 -7.00
(Collected)
'বাঙালি জাতির জনক' তত্ত্বটি নিয়ে অনেক
বাঙালির
মনোজগতেই অনিচ্ছাকৃত বা ইচ্ছাকৃত দোটানা-
দোনোমনা-দোলাচল আছে। এই দ্বিধাগ্রস্ত
সম্প্রদায়টিকে আরো বিভ্রান্ত-বিভক্ত করে
দেয়ার উদ্দেশ্যে অনেক মর্দে মোজাহিদ
আবার পরিকল্পিতভাবে 'মুসলিম জাতির জনক'-এর
সাথে
'বাঙালি জাতির জনক'-এর একটি সুচতুর সংঘর্ষ
বাধিয়ে
দিয়ে থাকেন। 'বাঙালি জাতির জনক' ও 'মুসলিম
জাতির
জনক' সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটো ধারণা, এর একটির সাথে
আরেকটির কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ নেই; যেটুকু
বিভ্রান্তি আছে, সেটুকু সুপরিকল্পিতভাবে
ছড়িয়েছে রাজাকারচক্র।
হজরত ইবরাহিম (আ.) গোটা মুসলিম জাতির পিতা।
তিনি
আরবিভাষী-ফারসিভাষী মুসলিমদেরও পিতা,
আবার
ইংরেজি-তুর্কি-গ্রিক-উর্দু-পর্তুগিজ-বাংলা-চাকম
া-
মান্দি-হিন্দি
ভাষী মুসলিমদেরও পিতা। একটি ধর্মে কেবল একটি
ভাষার লোকজনই অন্তর্ভুক্ত নন, বরং বহু ভাষার ও বহু
দেশের লোকজন অন্তর্ভুক্ত। মুসলিম জাতির
যেমন একজন পিতা আছে, তেমনি একটি দেশের
জনগণের কিংবা একটি ভাষার ব্যবহারকারীদেরও
আলাদা-আলাদা পিতা থাকতে পারে; যেমন :
সৌদি
আরবের পিতা ইবনে সৌদ, তুরস্কের ও তুর্কি জাতির
পিতা কামাল পাশা, ভারতীয়দের পিতা মহাত্মা
গান্ধী,
পাকিস্তানিদের পিতা মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ,
বলিভিয়ানদের
পিতা সাইমন বলিভার, বাংলাদেশের ও বাঙালি
জাতির পিতা
শেখ মুজিবুর রহমান।
অনেকে আছেন; যারা মুসলিম জাতির জনক, তুর্কি-
আরব-ইরানি জাতির জনক থেকে শুরু করে
রাষ্ট্রবিজ্ঞান-জীববিজ্ঞান-চিকিৎসাবিজ্ঞান-
রসায়
নশাস্ত্রসহ সব কিছুর জনককে মেনে নিতে রাজি;
কেবল 'বাঙালি জাতির জনক'-কে মানতেই তারা
নারাজ,
কেবল এই একটি ইশুতেই 'মডারেট মুসলিম' থেকে
তারা কট্টর মুসলিম হয়ে যান! মারদাঙ্গা
মোজাহিদরা
আবার বলে থাকেন— 'যারা মুজিবকে জাতির জনক
বলে, তাদের মায়েরা মুজিবের সাথে শুয়েছে
নাকি?' অবশ্য এই মর্দে মোজাহিদদের মগজে
শোয়াশুয়ি ছাড়া আর কোনো চিন্তাভাবনা নেই।
শত-
শতগিগাবাইট পর্নো-লব্ধ বিদ্যা যাদের মগজে,
ময়না-
টিয়া-কলিজুদের সাথে টেলিসঙ্গম ও টেবিলসঙ্গম-
লব্ধ এলেম যাদের শিশ্নাগ্রে; তাদের কাছ
থেকে এই শোয়াশুয়ি ছাড়া আর কী বা আশা করা
যেতে পারে!
ইবনে সৌদ সৌদি আরবের, কামাল পাশা তুর্কি
জাতির,
অ্যারিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানের, ইবনে সিনা
চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক; এর মানে এই না— সকল
সৌদির
মা ইবনে সৌদের সাথে শুয়েছেন, সকল তুর্কির মা
কামাল পাশার শয্যাসঙ্গী হয়েছেন,
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে
র সকল শিক্ষার্থীর মা অ্যারিস্টটলের সাথে
কিংবা
সকল চিকিৎসকের মা ইবনে সিনার সাথে শুয়েছেন!
এই পিতৃত্ব আদর্শিক-রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক, এই
পিতৃত্ব
বিমূর্ত ও প্রতীকী। জৈবিক পিতার সাথে এই
পিতাদের সংঘর্ষ নেই। এই পিতারা সন্তানদেরও
পিতা,
সন্তানদের জৈবিক পিতাদেরও পিতা।
বিয়েবহির্ভূত
শোয়াশুয়ির অভ্যেস ছিল অবশ্য জিন্নাহর, শুয়ে
থাকলে কতিপয় পাকিস্তানির কিংবা কতিপয়
বাংলাদেশী ছুপা
পাকির মা-নানি-দাদি উনার সাথে শুয়ে থাকতে
পারেন;
তাও ঐ শরীর নিয়ে জিন্নাহ সকল পাকিস্তানির
মায়ের
সাথে শুয়েছেন বা শুতে পেরেছেন বলে
মনে হয় না!
যখন বলা হয় 'মুসলমান-মুসলমান ভাই-ভাই', তখন এই
ভ্রাতৃত্ব জৈবিক নয়, বরং আদর্শিক। করিম মুসলমান,
করিমের বাবা বা শ্বশুরও মুসলমান; এর মানে কি
মুসলমান
হবার কারণে ঐ বাবা ও শ্বশুরও করিমের ভাই?
হাসপাতালের নার্সদেরকে লোকে 'সিস্টার'
ডাকে; রহিম নার্সকে 'সিস্টার' ডাকলে রহিমের
বাবা কি
নার্সকে 'ডটার' ডাকবেন? পাদরিদেরকে লোকে
'ফাদার' ডাকে; এখন কি আলবার্ট পাদরিকে 'ফাদার'
ডাকলে আলবার্টের মা ঐ পাদরিকে 'হাজব্যান্ড'
ডাকবেন? যেসব মর্দে মোজাহিদ 'বাঙালি জাতির
জনক'-তত্ত্বে বিশ্বাসী না, তাদের অনেকেই
আবার বিভিন্ন পিরের মুরিদ; ঐ পিরদেরকে তারা
'পির
বাবা', 'দয়াল বাবা' ইত্যাদি বলে ডাকেন; এর মানে
কি ঐ
মর্দে মোজাহিদদের মায়েরা ঐ পিরবাবা বা দয়াল
বাবার
সাথে শুয়েছেন? তাদের মায়েরা কি ঐ
পিরদেরকে 'পির স্বামী' কিংবা 'দয়াল স্বামী'
বলে
ডাকেন?
এসব প্রশ্নের জবাব নেই। এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস
করলে কিছু নান্দনিক নুরানি গালি ছাড়া আর কিছু
জোটে
না। মর্দে মোজাহিদরা সব জনক-এ বিশ্বাসী,
কেবল 'বাঙালি জাতির জনক'-এ অবিশ্বাসী।
চুলকানিটা
জনকেও নয়, বাঙালি জাতির জনকেও নয়; চুলকানিটা
শেখ মুজিবে! যদি শেখ মুজিবের জন্ম না হতো
কিংবা 'বাঙালি জাতির জনক' হিশেবে যদি নাম
আসত
ফজলুল কাদের চৌধুরী কিংবা গোলাম আজমদের;
তাহলে ঐ মর্দে মোজাহিদরা 'বাঙালি জাতির
জনক'
তত্ত্বকে কেবল মেনেই নিত না, বরং তারা দলে-
দলে নোটারি কিংবা অ্যাফিডেভিট করে
জন্মদাতা
বাপের নাম কেটে দিয়ে সার্টিফিকেটে-পা
সপোর্টে-পরিচয়পত্রে ঐ ফজলুল-গোলামদের
নাম বসিয়ে নিত!
পরিচয়পত্রে জনৈক লাল মিয়ার নাম ভুলক্রমে সোনা
মিয়া এসেছে, কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে লাল মিয়া
বললেন— 'ভাই, আমার সোনাটা কেটে একটু লাল
করে দেন না!' বাঙালি জাতির জনক হিশেবে শেখ
মুজিবের পরিবর্তে এই ফজলুল-গোলামদের নাম
এলে কত বাঙালি যে সোনা কেটে লাল করার জন্য
লাইনে দাঁড়িয়ে যেত, এর ইয়ত্তা নেই।
শেখ মুজিব বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা,
বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের
অবিসংবাদিত ও
অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা। স্বাধীনতার পক্ষের
কারো তাকে বাঙালি জাতির জনক বলে ডাকতে
আপত্তি থাকার কথা নয়, তাকে বাঙালি জাতির
জনক বলে
ডাকার বিপরীতে হাজারও ছুতা তুলতে পারে
কেবল
স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারচক্র ও ছুপা
রাজাকারচক্র।
শেখ মুজিবকে বাঙালি জাতির জনক বলে ডাকতে
যদি
নিতান্তই আপত্তি থেকে থাকে, তবে তা থাকতে
পারে বাংলাদেশের বাইরের কিছু-কিছু
বাঙালির।
বাঙালি
কেবল বাংলাদেশে নেই, বাংলাদেশের বাইরেও
আছেন। তাদের কাছে মুজিবের চেয়েও
গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি থেকে থাকতে পারেন।
বাংলাদেশের বাইরের বাঙালিদের কাছে শেখ
মুজিব
জাতির জনক কি না, সেটি অবশ্য দীর্ঘ
অ্যাকাডেমিক
আলোচনার বিষয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালি জাতির জনক
হিশেবে স্বীকৃতি দিতে অন্তত বাংলাদেশের
কোনো বাঙালির দ্বিধা থাকার কথা নয়। যদি
কারো
থেকেই থাকে, তবে সে নিশ্চয়ই
স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা কোনো
স্বাধীনতাবিরোধীর ঔরসজাত বেওয়ারিশ
উত্তরসূরি।
ভার্সিটি এক্সপ্রেস৷ সংক্ষেপে ভিএক্স৷ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লেজেন্ড বগি৷ গতকাল ৭ই আগষ্ট ছিল ভিএক্স এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী৷ যেহেতু আগষ্ট মাস শোকের মাস৷ ১৫ই আগষ্ট আমরা হারাই আমাদের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারকে৷ নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাদের৷ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগসহ এর অঙ্গসংগঠনগুলো এই মাসকে শোকের মাস হিসেবে পালন করে৷ তাই আগস্ট মাসে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবো না৷ শোকের মাসে আমরা আনন্দ করতে পারি না৷ তাই সেপ্টেম্বরে আমরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবো৷ তবে ভার্সিটি এক্সপ্রেসের নাম ব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই শোকের মাসে আনন্দ করছে৷এই শোকহত মাসে বাজি ফুটিয়ে, পার্টি স্প্রে করে,কেক কেটে যারা আনন্দ করে তারা কি আসলেই শেখ মুজিবের আদর্শকে মেনে চলে?তারা কি শোকের মাসে আসলেই শোকার্ত? আমরা জানি খালেদা জিয়া ১৫ই আগস্ট কেক কেটে আনন্দ করে৷ কারণ তারা শোক দিবসকে মানে না৷জামাত-শিবিরও শোকের মাস কে তাচ্ছিল্য করে৷ তাহলে যারা শোকের মাসকে ভুলে আনন্দ করলো তারা কি ছাত্রলীগ আসলেই?একটু ভেবে দেখুন! ভিএক্স নাম ব্যবহার করে কিছু ছবি ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে৷ আপনি যদি সেই ছবিগুলো ভালো করে দেখেন তাহলে ভিএক্স এর কতজন মেম্বার আপনার চোখে পড়বে দেখবেন৷ ভিএক্স বগির সবার তথ্য আমাদের কাছে আছে৷অন্যান্য বগির মেম্বাররা নিজেদের ভিএক্স দাবি করতে পারে না৷আসলে তারা হয়তো ভিএক্স বগির ইতিহাসই জানে না৷ সেই ভিএক্স আজও আছে মহানগর আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঐতিহ্য বুকে নিয়ে৷ তাই কোন কুচক্রের কথায় বিশ্বাস না করে আমাদের সাথেই থাকুন৷ ভিএক্সের প্রতিটি মেম্বার সকলের সাথেই আছে৷
জয় বাংলা৷
জয় বঙ্গবন্ধু৷
জয় হোক ভিএক্সের৷
শুভ জম্মদিন প্রিয় বগি ভি এক্স। যতদিন চ বি ক্যাম্পাস থাকবে ততদিন চ বি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ থাকবে। যতদিন চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ থাকবে ততদিন বীর চট্টলার রাজনৈতিক গুরু মহানগর আওয়ামীলীগ এর সভাপতি এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী ভাইয়ের অনুসারীরা চবি ক্যাম্পাসে থাকবে। আর যতদিন মহিউদ্দীন ভাইয়ের অনুসারীরা চবি ক্যাম্পাসে থাকবে ততদিন ভি এক্স বগিও থাকবে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বন্দরনগরী
চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণ এবং চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল সকল ছাত্রছাত্রী,
ছাত্রসংগঠন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জানাই
বীর চট্টলার মাটি ও মানুষের নেতা, চট্টগ্রাম সিটি
কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, চট্টগ্রাম মহানগর
আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি জননেতা
আলহাজ্ব এ,বি,এম, মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষ থেকে
ঈদের শুভেচ্ছা।
~*~ ঈদ মোবারক ~*~
জয় বাংলা।
জয় বঙ্গবন্ধু।
25/06/2015
খালেদা জিয়া পাকিস্তানি নাগরিক!
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার একটি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয় পত্র পাওয়া গেছে। পরিচয়পত্র অনুযায়ী তিনি একজন পাকিস্তানি নাগরিক।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) খালেদা জিয়ার পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্রটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে এ বিষয়ে পাকিস্তান হাইকমিশনে খোঁজ নেয়া হয়। জাতীয় পরিচয় পত্রটি আসল কিনা তা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পাকিস্তান হাইকমিশনে যোগাযোগ করা হলে হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ বিডিজার্নালকে জানায়, আইডি কার্ডটিতে উল্লেখিত আইডেন্টিটি নম্বরটি নির্ভুল এবং এটি একটি বৈধ কার্ড।
কার্ডটি নকল কিনা জানতে চাইলে হাইকমিশন কর্তৃপক্ষ জানায়, কার্ডটি আসল এবং কার্ডটিতে উল্লেখিত ব্যক্তি একজন পাকিস্তানি নাগরিক, তার আইডেন্টিটি নম্বরটিও সঠিক।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয় পত্রে বেগম খালেদা দিয়ার নাম ইংরেজি ও উর্দুতে লেখা আছে। এছাড়াও এতে তার স্বামীর নাম, জন্ম তারিখ এবং বর্তমানে অবস্থানরত দেশের নাম হিসেবে বাংলাদেশ উল্লেখ রয়েছে। কার্ডটিতে বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ১৯ আগস্ট উল্লেখ করা।
কার্ডটি ২০১২ সালের মে মাসের ২১ তারিখ ইস্যু করা হয় এবং এর মেয়াদ ২০১৭ সালের মে মাসের ২১ তারিখ পর্যন্ত। পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয় পত্রটির আইডিন্টিটি নম্বর ৬১১০১-৯০৬৩০৭০-১ এবং এতে বেগম জিয়ার স্বাক্ষরও রয়েছে।
তথ্যসূত্রঃ Bd journal
লিঙ্কঃ http://goo.gl/9QspOZ
24/06/2015
বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে আওয়ামী লীগের
ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত : সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে আওয়ামী লীগের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। সেই সূর্য উদিত করতেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের জন্ম।
তিনি আজ সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মনোনীত হন। আওয়ামী লীগ ত্যাগ-তিতীক্ষার মাধ্যমে বাংলার মানুষের আস্থা বিশ্বাস
অর্জন করেছে। দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দিয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬৬-এর ছয় দফাসহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
আওয়ামী লীগের ইতিহাস বাঙালি জাতির অর্জনের ইতিহাস, ত্যাগ-তিতীক্ষার ইতিহাস। ’৪৯ সালে জন্মের পর আওয়ামী লীগের শত শত নেতা-কর্মী কারাবরণ করেছে, অত্যাচার, নির্যাতনে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছে। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় জাতি গঠনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে আসছে।
তিনি বলেন, শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্প, একুশে ফেব্র“য়ারি শহীদ দিবস ঘোষণা বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্য, কলা প্রতিটি বিষয়ে পূর্ণতা এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার মানে হচ্ছে বাঙালির আর্থ-সামাজিক উন্নতি ও তাদের কিছু প্রাপ্তি। সমুদ্র সীমা নির্ধারণ ও স্থল সীমান্ত চুক্তি এর সবগুলোই বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। আমরা শুধু এর বাস্তবায়ন করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু তাঁর বার্তা জাতির কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। দেশের মানুষ তাঁর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু তথা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ উপমহাদেশের প্রাচীনতম দলগুলোর মধ্যে একটি। জাতির হত্যার পর ইয়াহিয়া স্টাইলে আওয়ামী লীগ নিধন শুরু হয়। শত প্রতিকূলতার মাঝেও আওয়ামী লীগ টিকে আছে। আদর্শের ওপর ভিত্তি করে যে দল প্রতিষ্ঠিত সে দলকে কেউ ধ্বংস করতে পারে না।
আওয়ামী লীগকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। শত প্রতিকূলতার মাঝেও আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষ দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়িত্ব দিয়েছিল। সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছে।
দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রতীক হচ্ছে নৌকা। উজানে নাও ঠেলে ঠেলে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে যাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত বাঙালি জাতির জন্য ছিল স্বর্ণযুগ। ওই সময়ে বাঙালি জাতি তার আত্মমর্যাদা পেয়েছে।
এরপর ২০০৮ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দেশের ক্ষমতায় রয়েছে। বিশ্বমন্দার পরও দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাঙালি জাতি বিশ্বব্যাপী আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে। যে কোন ত্যাগই বৃথা যায় না।
দেশের বড় বড় অর্জনগুলো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এসেছে। দেশকে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য তিনি দেশের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার এখন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সদ্ভাব বজায় রেখে নিজেদের অর্জনগুলো আদায় করে নিচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ার এ দেশ পিছিয়ে যেতে পারে না। বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেশ, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এটা দেখিয়ে দিয়েছে। একটু উৎসাহ দিলে বাঙালি যে কোন কিছু অর্জন করতে সক্ষম ৷
22/06/2015
ইতিহাসের বাহক হয়ে আওয়ামীলীগ আজ ৬৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পদার্পণ করেছে। আজ ২৩ জুন । ১৯৪৯ সালের এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ আওয়মীলীগ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু...
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন, ‘রোজা দোজখের আজাব থেকে
বাঁচানোর ঢাল স্বরূপ। ঢাল দুর্বল হলে শত্রুর
আক্রমণ থেকে জীবন রক্ষা করা কঠিন। অতএব
প্রত্যেক মোমেনের কর্তব্য যেসব কারণে
রোজা দুর্বল হয় তা থেকে বিরত থাকা।’ (বোখারি
শরীফ)
18/06/2015
সবাইকে Varsity Xpress পরিবারের পক্ষ হতে রমজানুল মোবারকের শুভেচ্ছা।
আল্লাহ যেন সবার সকল গুনাহ মাফ করেন এবং
সকলকে সহী-সালামতে সঠিকভাবে সিয়াম-সাধনা পালন
এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দেন।
(আমিন)