15/07/2023
কেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বো?
আমি আজকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে কিছু বলছি।
সাবজেক্ট চয়েসের সময় কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখার চেষ্টা করে সবাইঃ
১) জব পাবো তো?
২) স্কলারশিপের সু্যোগ কেমন?
৩) রেজাল্ট কেমন আসে?
৪) কত তাড়াতাড়ি জব পাব?
৫) জবে প্রতিযোগিতা কেমন?
৬) কি পরিমাণ জব আছে? (ফ্রেশার এবং এক্সপেরিয়েন্সড দের জন্য)
এছাড়াও আরো কিছু প্রশ্ন আসা উচিত যেটা আসলে সবার মাথায় আসে না।
১) কোন সাবজেক্টে পড়লে আমার জব সিকিউরিটি বেশি? (হুট করে চাকরি চলে যাবার ভয় কম)
২) দেশের বাইরে স্কলারশিপ নিয়ে তো পড়তে যাব, কিন্তু কোন সাবজেক্ট নিয়ে পড়লে আমি ওই দেশে সহজে জব পাবো আর ওই দেশ আমাকে ওখানে সেটেল্ড হবার সুযোগ দেবে কি না? (ধরা যাক আমি এমন এক বিষয় নিয়ে পড়লাম যে বিষয়ে স্কলারশিপ দেয় এমন একটা দেশ, যে দেশ আমাকে ওখানে সেটেল্ড হতে দেবে না (multi-citizenship এলাও করে না যেমন: জাপান, কোরিয়া ইত্যাদি), আমাকে পড়াশুনা করে আবার দেশে ফিরে আসতে হবে বা আবার অন্য কোন দেশে পড়তে যাবার চেষ্টা করতে হবে।
অথবা আমি সাবজেক্ট নিয়ে একটা দেশে সহজে স্কলারশিপ পেলাম, কিন্তু চাকরি পেলাম না। (যেমন নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে রাশিয়াতে, বায়োমেডিকেল নিয়ে চীনে বেশ ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজে স্কলারশিপ পাওয়া যাবে, কিন্তু চাকরি পেতে খবর হবে, কারণ কম্পিটিশন বেশি।)
৩) আমার জবের বেতন বেশি হবে কোন বিষয় নিয়ে পড়লে? (দেশে এবং বিদেশে) কারণ অনেক বিষয় নিয়ে পড়লে হয়তো বা সহজে জব পাওয়া যাবে, কিন্তু অভিজ্ঞতার সাথে যথেষ্ট স্যালারি বাড়বে না।
এই সবগুলো জিজ্ঞাসার উত্তর ধাপে ধাপে দিয়ে বলছি কেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নেয়া একটা ভালো অপশন হতে পারে।
(১, ৪, ৫ আর ৬ এর উত্তর)
https://www.careerjet.com.bd/mobile/
https://www.jobatlas.com.bd
এখানে আমি ২ টা সাইটের লিংক দিলাম। এদের কাজ হল সারা পৃথিবীতে যত জব সারকুলার আসে তা এক জায়গায় করা, (কেবল সরকারি জব, আর কোনো কোম্পানির খুব গুরুত্বপূর্ণ জব যেমন ডিরেক্টর, এমডি, সিইও, জিএম বা কোনো ডিপার্টমেন্ট এর হেড। ৫% জব এর খোজ এতে পাওয়া যায় না। এছাড়া প্রায় সব বেসরকারী জবের খোজ এতে পাওয়া যাবে।)
এই দুইটা সাইট জব সার্চের ক্ষেত্রে অনেকটা গুগলের মত কাজ করে। প্রতিদিন দুপুর ১২ টার সময় এটা আপডেট রেজাল্ট দেয়।
তো এই সাইট টার বাংলাদেশ রিজিওনে সার্চ করলে দেখবা ইলেকট্রিক্যাল আর মেকানিক্যালের চেয়ে সিভিলের জব বেশি। আবার একই সার্কুলারে অনেক সময় ইলেক্ট্রিক্যাল আর মেকানিক্যাল কল করে, তাই কম্পিটিশন আরও বেড়ে যায়।
সেখানে সিভিলের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সার্কুলারে কেবল সিভিলকেই কল করে, তাই কম্পিটিশন কম। আরেক হল ডিপ্লোমা। মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল আর সিভিল তিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই এরা প্রতিদ্বন্দ্বী। এদের কম বেতনে কাজ করানো যায় বিধায় অনেক কোম্পানিই এদেরকে পছন্দ করে।
যাই হোক ডিপ্লোমা আর জব কম্পিটিশন ২ টা দিক বিবেচনা করেই বাংলাদেশে সিভিলের জব বেশি (সরকারি চাকরি না ধরেই, ওখানেও কিন্তু আবার সিভিলের জব সর্বোচ্চ।)
এবার আসি প্রথম জবের ব্যাপারটাতে। এটা ঠিক ফ্রেশারদের জন্য প্রাইভেট জব পাওয়া সিভিলে কঠিন। আর পেলেও সেখানে সিভিলের বেতন তুলনামূলক অনেক কম। মেকানিক্যাল আর ইলেক্ট্রিক্যালে তুলনামূলক সহজ, সেইসাথে বেতনও বেশ ভালো। কিন্তু ফ্রেশারদের জন্য সিভিলে অনেক সরকারি চাকরির সুযোগ আছে।
সরকারি মানেই প্রথমেই আসবে বিসিএস। আর সেখানে সিভিলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্যাডার আছে। যেমনঃ
-সড়ক ও জনপদ(সওজ) ক্যাডার (RHD)
-গণপূর্ত ক্যাডার (PWD)
-রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডার
-জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ক্যাডার (DPHE)
- কারিগরি শিক্ষা ক্যাডার (Instructor of Govt. Polytechnic Institute)
সরকারি চাকরি যে কেবল বিসিএস থেকেই পাওয়া যায় এই ভুল ধারণা যেন আবার কারো না থাকে। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের আওতায়ই (ননক্যাডার) এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, পলিটেকনিকের ইন্সট্রাকটর ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় প্রায় প্রতিবছরই বেশ ভালো সংখ্যক নিয়োগ হয়ে থাকে।
এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ড (খুবই ভালো একটা জব), ওয়ারপো, রাজউক, পিডিবি, পল্লী উন্নয়ন, প্রত্যেকটা সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর(সহকারী প্রকৌশলী) ,বাংলাদেশ ব্যাংক সহ সরকারি সব ব্যাংক, পেট্রোবাংলা, পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এসবের অধীনস্ত কোম্পানিগুলো, তাছাড়া বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণত সব সরকারি দপ্তরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের পোস্ট থাকে।
এগুলোর আলাদা জব সার্কুলার হয়, প্রতি বছর প্রায় ২০০+ নিয়োগ হয় কেবল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, যা অন্য সব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বেশি(পদসংখ্যা ও প্রার্থী তুলনায়)। আর ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের জব গুলো ম্যাক্সিমামই ইন্ডাস্ট্রি বেসড। যদিও বেশ লোভনীয় কিছু স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অনেক উচ্চ বেতনে এদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয় (৫২০০০+ বেসিকে), তবে সেখানে প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি আমাদের তুলনায়।
কয়েকজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মিলে কন্সাল্টেন্সি ফার্ম খুলে ফেলতে পারে সহজে। পুঁজি খুব কম লাগে। তারা ডিজাইন, এস্টিমেশন এমন কি ইন্টেরিওর ডিজাইন সার্ভিস দিতে পারে। এভাবে কয়েকবছর কাজ করে ট্রেড লাইসেন্স ম্যানেজ করতে পারলেই কিন্তু একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের অভিজ্ঞতা হয়ে যায়। এর জন্য ইট্যাবস, প্রফেশনাল অটোক্যাড এগুলো একটু ভালো করে শেখা লাগে। আর ৩-৫ বছরের অভিজ্ঞতা হয়ে গেলে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জব আর স্যালারি যে মেকানিক্যাল আর ইলেক্ট্রিক্যালের চেয়ে বেশি হয় তার উদাহরণ স্বরূপ উপরের ২ টা সাইট দেখ।
৩ এর উত্তরঃ সিভিলে আমাদের দেশে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সহ মাত্র ২৩৫০+ স্টুডেন্ট বের হয় প্রতিবছর।তাই বলা যায় কম্পিটিশন কম বললেই চলে। কেবল ডিপ্লোমাই একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী। আর বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি চাকরি হল সবচেয়ে বেশি সিকিউরড। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে বেতনও বাড়ানো হয়েছে। আবার চাকরি যাবার ভয়ও সরকারি চাকরিতে প্রায় নেই বললেই চলে। এসব বিবেচনায় সরকারি চাকরি অনেক সেফ, আর সিভিলে সরকারি চাকরি অন্য সব ইঞ্জিনিয়ারিং এর চেয়ে বেশি।
এবার আসি স্কলারশিপের কথায়। বাংলাদেশিদের জন্য সব দেশ কিন্তু সুবিধাজনক নয়। রাশিয়া, জাপান, কোরিয়া আর চীনের কথা আগেই বলেছি। আরো অনেক দেশ স্কলারশিপ দেয়। কিন্তু সিটিজেনশিপ দেয় না। বাংলাদেশিদের জন্য দেশের বাইরের মধ্যে ভালো অপশন হল আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, মালয়েশিয়া, ইংল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, ইটালি, স্পেন আর মিডল ইস্ট। এর বাইরে অন্য কোন দেশে বাংলাদেশিদের স্কলারশিপের সুযোগ থাকলেও থাকার জন্য, জবের জন্য, বা ওভারঅল রেসিডেন্স শিপের জন্য অনুকূল না। তাই অন্য কোথাও বাংলাদেশিদের সংখ্যা খুব কম। যেমনঃ রাশিয়া। রাশিয়াতে গেলে ওয়েস্টার্ণ ওয়ার্ল্ডে যাওয়ার সুযোগ অনেক কমে যাবে। কেন তা নিশ্চয়ই ব্যাখ্যা করতে হবে না? আবার রাশিয়া রেসিডেন্সশিপের জন্যও সেফ কোন দেশ না।তোমরা খোজ নিলেই দেখবে তোমাদের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যারা দেশের বাইরে থাকে তারা প্রায় সবাই ই এই কয়টা দেশের কোন একটাতেই থাকে।
যাই হোক উপরের ১১ টা দেশ আর মিডল ইস্টের মধ্যে মিডল ইস্ট এ কেউ স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যায় না। যায় কাজ করতে। সেখানে কাজের সুযোগও কিন্তু সিভিলের বেশি। আসলে মিডল ইস্টে কাজের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সিএসইর চেয়েও কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ ক্যারিয়ারজেট বা জব এটলাসের মিডল ইস্ট রিজিয়ন টা দেখ।
ইংল্যান্ডে ব্রেক্সিটের পর ভিসা পাওয়া অনেক কঠিন। ভিসা পাওয়া গেলেও পারমানেন্ট রেসিডেন্টশিপ বা সিটিজেনশিপ পাওয়া আরো কঠিন। স্পেন সিটিজেনশিপ দেয় না। স্কলারশিপও কম দেয়। ইটালিতে বাংলাদেশিরা অধিকাংশই যায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে, শ্রমিকের কাজ করতে। ইটালিতে খুব কম বাংলাদেশীই ভালো চাকরি বা পড়াশুনা করতে যায়। শ্রমিকই বেশি। আবার চাকরির নিরাপত্তা, বেকারত্তও ইটালি তে বেশি।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য এখন সবচেয়ে ভাল গন্তব্য হল আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক এই দেশগুলি। এর মধ্যে বেশি নির্ভর যোগ্য হল আমেরিকা, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া। আর কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা তিনটি দেশেই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সুযোগ অনেক ভালো। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে সিভিলের চাকরি আর বেতন ভালো। স্কলারশিপও অনেক। কানাডাতে
জিওটেকনিক্যাল, পাইপ লাইনিং, মাইনিং আর এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অনেক ডিমান্ড। স্কলারশিপও বেশি। এই বিষয়গুলো কানাডা তে সিভিল ফ্যাকাল্টির অধীনে পড়ানো হয়। সাথে সিভিলের নিজস্ব ডিমান্ড তো আছেই। সিভিল নিয়ে পড়লে তাই ৩ টা বিষয়ের যে কোনটাতেই স্কলারশিপ পাবার সুযোগ থাকবে।চাকরিরও সুযোগ থাকবে।
আমেরিকাতে ইলেকট্রিক্যালের পর সিভিলের জব সবচেয়ে বেশি (ট্রান্সপোর্টেশন+জিওটেকনিক্যাল+এনভায়রনমেন্টাল), স্যালারিও ভালো। অনেক স্কলারশিপেরও তাই সুযোগ আছে আমেরিকাতে সিভিল নিয়ে।
আর জার্মানিতে স্কলারশিপ সবচেয়ে বেশি মেকানিক্যাল, বায়োমেডিক্যাল আর এনভায়রনটাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের। এর মধ্যে এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং টা সিভিলের ব্রাঞ্চ। তাই জার্মানিতেও সিভিলের স্কলারশিপের সুযোগ থাকবে। জার্মানি জবের জন্যও ভালো।
এবার আসি প্রতিযোগিতার কথায়। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ইঞ্জিনিয়ার সাপ্লাই দেয় ভারত, চীন আর রাশিয়া। এর মধ্যে ভারত সবচেয়ে বেশি সাপ্লাই দেয় আই টি আর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তার পর ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল এরপর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার (কোরা ডাইজেস্ট থেকে পাওয়া) একই অবস্থা চীন আর রাশিয়াতেও। তাই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রতিযোগিতাও আই টি, কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল থেকে কম।
সবশেষে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হল একটা ব্যাসিক সাবজেক্ট। এর শাখা সাবজেক্ট হল জিওটেকনিক্যাল, এনভায়রনমেন্টাল, ট্রান্সপোর্টেশন, স্ট্রাকচারাল, ওয়াটার রিসোর্স।
দেশের বাইরে, যেমন: কানাডা, অস্ট্রেলিয়াতে মাইনিং, পেট্রোলিয়াম,পাইপলাইন ইঞ্জিনিয়ারিংও সিভিলের অংশ। এমনকি আরবান প্ল্যানিং, কন্সট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট, আর্কিটেকচার, সারভেয়িং, ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং এই বিষয়গুলোতেও সিভিল থেকে যাওয়া যায়। তাই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং খুব বিস্তৃত।
এবার আসি চারবছরে চুয়েটে সিভিল ডিপার্টমেন্টে তোমাকে যে কয়টা কোর্স করতে হবেঃ
Phy 101 Physics-I
Phy 102 Physics (Sessional-I)
Phy 103 Physics-II
Chem 101 Chemistry
Chem 102 Chemistry (Sessional)
Math 101 Engineering Mathematics-I
Math 103 Engineering Mathematics-II
Math 201 Engineering Mathematics-III
Math 203 Engineering Mathematics-IV
Hum 101 English
Hum 103 Engineering Economics
Hum 201 Principles of Accounting & Costing
Hum 205 Principles of Sociology
EEE 151 Basic Electrical Engineering for Civil Engineering
EEE152 Basic Electrical Engineering for Civil Engineering (Sessional)
CE 100 Civil Engineering Drawing
CE 101 Engineering Mechanics
CE 102 Computer-Aided Drafting (Sessional)
CE 105 Surveying
CE 106 Practical Surveying
CE 200 Details of Construction & Estimating
CE 201 Engineering Geology & Geomorphology
CE 203 Engineering Materials
CE 204 Engineering Materials (Sessional)
CE 205 Computer Programming and Numerical Methods in Civil Engineering
CE 206 Computer Programming (Sessional)
CE 208 Engineering Planning & Architectural Appreciation
CE 211 Mechanics of Materials-I
CE 212 Mechanics of Materials (Sessional)
CE 213 Mechanics of Materials-II
CE 261 Fluid Mechanics
CE 262 Fluid Mechanics (Sessional)
CE 311 Structural Analysis & Design-I
CE 312 Structural Analysis & Design (Sessional-l)
CE 313 Structural Analysis & Design-II
CE 315 Design of Concrete Structures-I
CE 317 Design of Concrete Structures-II
CE 318 Structural Analysis & Design (Sessional-II)
CE 331 Geotechnical Engineering-I (Soil Mechanics)
CE 332 Geotechnical Engineering (Sessional-I)
CE 333 Geotechnical Engineering-II
CE 341 Transportation Engineering-I
CE 342 Transportation Engineering (Sessional-I)
CE 351 Environmental Engineering-I
CE 352 Environmental Engineering (Sessional-I)
CE 361 Open Channel Flow
CE 362 Open Channel Flow (Sessional)
CE 363 Hydrology
CE 400 Project/Thesis
CE 402 Industrial Training
CE 403 Project Planning & Management
CE 405 Socio-economic Aspects of Development Projects
CE 407 Professional Practices & Communications
CE 411 Structural Analysis & Design-III
CE 412 Structural Analysis & Design (Sessional-III)
CE 415 Prestressed Concrete
CE 417 Design of Steel Structures
CE 418 Design of Steel Structures (Sessional)
CE 441 Transportation Engineering-II
CE 443 Transportation Engineering-III (Traffic Planning & Management)
CE 445 Transportation Engineering-IV (Highway Drainage & Airports)
CE 446 Transportation Engineering (Sessional-III)
CE 451 Environmental Engineering-II
CE 461 Irrigation & Flood Management
কিছু কথা,
আইপিই, নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং, স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এগুলো মেকানিক্যালের শাখা হলেও এগুলোর প্রতিটিই স্বত্নন্ত্র শাখা। বরং জব ফিল্ডে এরা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দের প্রতিদ্বন্দ্বী। যেমন সিএসই ইঞ্জিনিয়াররা জবফিল্ডে ইইই ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিদ্বন্দী। কিন্তু সিভিলের কোন ব্রাঞ্চের ইঞ্জিনিয়াররাই জবফিল্ডে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে নি। পৃথিবীর কোন দেশেই না।
এটাই সিভিলের বিশেষত্ব।
তাই সিভিলের ভুবনে সকলকে স্বাগতম।
সংগৃহিত এবং মার্জিত করে লিখেছেন,
Engr. Sazzadul Islam
B.Sc. in Civil Engineering, CUET-'15
Section Officer,
Office of the Planning & Development,
Chandpur Science and Technology University-CSTU