06/07/2020
চট্টগ্রামে বিয়ের নামে কনের পিতা কে জীবন্ত লাশ বানানো হচ্ছে!
পৃথিবীর অন্য জায়গা থেকে চট্টগ্রামের বিয়ে সংস্কৃতি হচ্ছে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ চট্টগ্রামের মানুষ যৌতুক ছাড়া বিয়ে করে না। চট্টগ্রামের মানুষ যৌতুককে বৈধতা দিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে এখানে যৌতুক নেওয়াটা এক ধরনের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রামের মানুষ বিয়ের সময় টাকা নেওয়া কে যৌতুক মনে করে আর বাকিগুলোকে তাদের অধিকার মনে করে। নিচে বিভিন্ন অপসাংস্কৃতিক উল্লেখ করা হলো :
#খাবারের পর্ব:
চট্টগ্রামে বিয়ের সময় বরের পক্ষে ৪০০/৭০০/১০০০ মানুষকে খাওয়ানো হয়। খাবার মেনুতে থাকে চিংড়ি, গরুর মাংস, খাসির মাংস, রূপচান্দা মাছ, ডিম, পোলাও ভাত, মুরগি, চিকেন টিক্কা,পায়েস, মিনারেল ওয়াটার,কুক ও বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ আরো অনেক কিছু। এসব আইটেমে কোন কিছু কম বেশি হলে বা কোনো আইটেমের সমস্যা লবণ বেশি হলে শুরু হয়ে যাবে কনে পক্ষের সাথে বর পক্ষের তকাতকি। কারণ বর পক্ষে এগুলো তদারকির জন্য একজন ব্যারিস্টার রাখে যার কাজে হল কনে পক্ষের দোষ খুঁজে বের করা।
বিয়ের পূর্বে যদি আকদ হয় তখন কিন্তু প্রায় ২০০/৩০০ জন মানুষের খাবারের আয়োজন করতে হয়। বিয়ের পর শুরু হয় বিভিন্ন পর্বের দাওয়াতনামা, নতুন জামাই বিয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাবে তবে একা যেতে পারবে না, ৮০/১০০/১৫০ জনের বিশাল বহর নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যেতে হবে, না হয় মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে! নতুন জামাইয়ের পর্ব শেষে হলে কিছুদিন পর শুরু হবে শ্বশুর ও শাশুড়ির পর্ব কারণ নতুন জামাইয়ের সাথে শাশুড়ি আসতে পারবে না, এটা তথাকথিত " বুড়া/বুড়ি" মানা (নিষেধ)।
শাশুড়ি ও তাদের বিশাল বহর নিয়ে এসে খেতে যাবে এবং কিছু খাবারের সাথে নিয়ে যাবে। এখানে কিন্তু শেষ না, বিয়ের সময় বরের ভাই- বোনের স্বামী বা অন্য কেউ বিদেশে ছিল যার কারণে আসতে পারেনি, সে যখন দেশে আসবে তখন তার সাথে ১০-৩০ জন যেতে হবে।
#মৌসুম আসলে দিতে হয় ৫০-৬০ কেজি আম, আনারস, কাঁঠালসহ আরো বাহারি রকমের ফল ফল- ফলাদি।
# রমজানে সময় দিতে হয় মেয়ের শ্বশুর বাড়ির চৌদ্দ গুষ্টিকে ইফতার 'সহ আরও হরেক রকম আইটেম।
#ঈদের সময় ছেলের পরিবার, বোনের স্বামীসহ সবাইকে শপিং করে দিতে হয়। তবে ঈদের সময় ছেলের পক্ষে সবাই আসবে এটা স্বাভাবিক বিষয় এবং এর ফলে দুই পরিবারের মাঝে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়।
# কোরবানি ঈদে দিতে হবে গরু, গরুর মাংস রান্না করা জন্য তেল, মসল্লা, পিয়াজ ইত্যাদি, মহরম আসলে দিতে হবে ১৫/১৬টি মুরগি ও ৮/১০ কেজি গরুর মাংস রান্না করে।
শীতকাল আসলে দিতে হবে হরেকরকম শীতের পিঠা, তালপিতাইত্যাদি। এছাড়া বাৎসরিক উৎসবের আইটেম তো আছেই।
# ফার্নিচার ও বিভিন্ন জিনিস চট্টগ্রামে বিয়ের পূর্বেই বর পক্ষের বাড়িতে পৌঁছে দিতে হয়। ফার্নিচারের মধ্যে থাকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত মানের জিনিসপত্র তার মধ্যে ফ্রিজ, টিভি, গ্যাসের চুলা এগুলো বাধ্যতামূলক দিতে হয়। এছাড়া কনের পক্ষের অতিথিদের দেওয়া উপহারের অধিকাংশ জিনিস ও বর পক্ষকে দিতে হবে।
#বাচ্চা জম্ম
বিয়ের পর যখন কনের