Family Of Commerce College-HSC BATCH 2018

Family Of Commerce College-HSC BATCH 2018

Comments

সবার কাছে একটা মানবিক আবেদন করছি, আমাদের বান্ধবী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের ২৭ ব্যাচের ছাত্রি রামিসা জাহিনের বাবা ছয় মাস ধরে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত যা লিভারে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত তিন মাস যাবত উনার শরীরে জন্ডিস চলে আসায় লিভারে দ্রুত ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে যার কারণে অস্বাভাবিক ওজন কমে গেছে আর পা থেকে পেট পর্যন্ত পানি এসে গেছে। পানি বারবার বের করার পর ও দ্রুত সময়ে আবার পানি জমে যাচ্ছে আর এখন উনি হাঁটাচলা করার অবস্থায় নেই। বর্তমানে চট্টগ্রামের সিএসসিয়ারে ভর্তি আছেন।ডাক্টাররা উনার জন্ডিস নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করলেও তা আগে থেকে আরো বেড়ে গেছে যার কারণে লিভারের ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনো প্রকার ক্যামো থ্যারাপি/ সার্জারি/ রেডিও থ্যারাপি দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। ডাক্তার এমআরআই রিপোর্ট দেখে বলে দিয়েছে সম্ভব হলে উনাকে ইন্ডিয়ায় নিয়ে যেতে এই জটিল অবস্থায় সময় নষ্ট করলে পরবর্তী তে অবস্থা আরো খারাপ হবে।
আংকেলের সামর্থ্য অনুযায়ী এতোদিন তারা চিকিৎসা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারলেও এখন তাদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছেনা।সাত লক্ষ টাকা এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে।ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়ার প্রসেস চলছে কিন্তু আংকেলকে এই অবস্থায় চেন্নাই নিয়ে ট্রিটমেন্ট করাতে কম পক্ষে ২০-২৫ লক্ষ টাকা লাগবে যা কোনোভাবেই তাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব না।
এই টাকা একজনের কাছে অনেক বেশি কিন্তু অনেক মানুষ মিলে একজন মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করা অসম্ভব কিছু না। সবাই যার যার জায়গা থেকে চেষ্টা করলে হয়তো একটা পরিবার বেঁচে যাবে, মানবিক ভাবে সবার কাছে আবেদন জানাচ্ছি খুব অসহায় অবস্থায় না পড়লে মধ্যবিত্ত মানুষজন কারো কাছে লজ্জায় হাত পাতে না , আজকে যদি আমরা একটু মানবিক হয়ে কারো পাশে দাঁড়ায় কালকে হয়তো আমাদের প্রয়োজনে কেউ না কেউ পাশে থাকবে। আংকেলের সুস্থ্যতা কামনা করে সবার আন্তরিক সাহায্য চেয়ে পাশে থাকার আবেদন জানাচ্ছি।

বিকাশ
01829504771(personal)

নগদ আর বিকাশ (personal)
01760486433
২০১৮ সালের ডিগ্রী পাস, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের অনার্স এবং ২০১৬ সালের মাস্টার্স পরীক্ষার নম্বরপত্র বিতরণ সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি।
for more informarion:
fb.me/marazzakofficial
fb.me/nubd.onlineservices

Verified

Operating as usual

21/07/2021

কমার্স কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা পরিচালিত চট্রগ্রামের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় অনলাইন পেইজ চুজেটের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা!

22/06/2021

🙄

20/03/2021

এইচ এস সি ব্যাচ ২০১৮ এর সি শাখার সহপাঠী বাইক এক্সিডেন্টে মারা গেছে।

Rest in peace 😊.

02/04/2019

শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ,অল্প বয়েস ,ভালো একটা চাকরিও হয়তো করছেন ,সবমিলিয়ে ছিমছাম জীবন ,এমন অনেকেই হটাৎ করে শুনছি প্রাণঘাতী কোনো রোগে আক্রান্ত হয়ে সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছেন | সব সহায় সম্বল বেচে দিয়ে লজ্জার মাথা খেয়ে অন্যের সহযোগিতা চাইতে হচ্ছে ,ফুটফুটে বাচ্চার জন্যে নয়তো নিজের জন্যে সাহায্যের অনুরোধ করার আগে একজন শিক্ষিত মধ্যবিত্তকে নিজের সাথে কতটা যুদ্ধ করতে হয় তা ভুক্তভুগি ছাড়া কারো পক্ষেই বুঝা সম্ভব না, তার উপর আছে ভুল চিকিৎসার ভয় | মাঝে মাঝেই হিসেব মিলিয়ে দেখি ব্যায়বহুল কোনো চিকিৎসার খরচ মেটানোর সামর্থ আমার নিজেরও নেই |সুস্থ থাকাটা যে কতবড় সৌভাগ্যের ব্যাপার সেটা অসুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা টের পাই না |

সবার প্রতি একটা অনুরোধ কেউ এমন বিপদে পড়লে হাত খুলে সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করবেন কারণ মানুষ আত্মসম্মানের শেষ সীমা পার না হয়ে অন্যের কাছে সহায়তা চায় না | ভালো থাকুক প্রতিটি পরিবার |

মানুষ মানুষের জন্যে,জীবন জীবনের জন্যে |

© Shukhon

19/12/2018

চেনা যাচ্ছে? ১১১! মিস করি এই রুমটাকে অনেক বেশি!
©naimur rahman

19/12/2018

আড়াই তলা!

11/12/2018

BATCH 72❤❤❤

05/12/2018

"একজন অমনোযোগী ছাত্র/ছাত্রীর বাবা/মা'কে
অনেকবার স্কুলে শিক্ষকের সামনে দাঁড়াতে হয়।

আমার বাবার সে সৌভাগ্য/দুর্ভাগ্য হয়েছে মেলাবার।

কলেজিয়েট স্কুলের শহীদ মিনারের মাথা ভেংগেছি
বলে টি,সি প্রায় দিয়েই দেয়।
মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছি।
বাবা আর হেড স্যার চোখে চোখ রেখে মুচকি
হাসছেন।

কলেজে এসেও সে ঐতিহ্য ধরে রেখেছি।
টেষ্ট পরীক্ষায় ফেল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে।
রহিম স্যার বাবা'কে ডাকলেন।
আমি কম্পিত বুকে বাইরে দন্ডায়মান।
পর্দা সরিয়ে দেখি বাবা আর স্যার মিলে চা
খাচ্ছেন।
কলেজ টিমে ফুটবল খেলেছি।
মুজা জমা দেয়নি বলে রেজাল্ট হেল্ডাপ।

স্যার বললেন, - চুল কেটে আয় তা হলে ফর্ম
ফিলাপ করতে দেবো।
এ হচ্ছে কমার্স কলেজের রহিম স্যার।

এরা শুধু শিক্ষক নন।
এরা এক একজন বাবা।

অথচ আমার বড় ছেলেটা প্রথম যেদিন স্কুল যায়
সেদিন ওকে স্কুল গেইটে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

ওর গায়ে উইনির্ফম ছিলোনা।
ওর ভেজা চোখ আমার বুকে নিয়ে, বাসায় ফিরে আসি।

প্রিয় শিক্ষক,
আপনাদের কাউকে ছোট করার জন্য পরের অংশ লিখিনি।
শুধু হাঁটু গেড়ে কড়জোরে একটিবার বলি,-
আপনিও একজন অরিত্রির বাবা অথবা মা।
যে,- ক্লাসে আমার মত লাড্ডুগুড্ডু ওকেইতো
সবচাইতে বুকে আগলে রাখতে হবে।

ঐতো একদিন বলে বেড়াবে, - আমিতো
গোল্লায় গেছিলাম।
রহিম স্যার 'ইতো মানুষ বানাইছে।

ফার্ষ্টবয় কোনদিন একথা বলবে'না।

প্রিয় শিক্ষক,

এতকিছু হয়ে যাবার পরেও বলি,

আপনাদের দোয়া /আর্শীবাদ
এর চাইতে বড় কিছু এখনো এ আকাশের নিচে
নেই।"

-হারুনুর রশিদ পিন্টু,
এক্স কমার্সিয়ান। :)

18/11/2018

ফ্রা লুকা বার্তোলোমিয়ো দা প্যাসিলি বা লুকা প্যাসিলি (১৪৪৫-১৫১৭) ছিলেন একজন ইতালিয় গণিতবিদ।[১] তিনি লিয়নার্দো দ্যা ভিঞ্চির একজন সহযোগী ছিলেন এবং অ্যাকাউন্টিং এর প্রধান অবদানকারী। তাকে বলা হয় "অ্যাকাউন্টিং এবং হিসাবরক্ষণ এর পিতা"। তিনি হচ্ছেন ইতিহাসের সেই প্রথম ব্যক্তি যে অ্যাকাউন্টিং এর সর্বপ্রথম কাজ প্রকাশ করেছিলেন।

16/11/2018

চটপটি বিক্রেতা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সুলতানা আক্তার বৃষ্টি।

জন্মের পর থেকেই বাবা মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনকে দেখে আসছেন অন্যের ভবনে নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে। আর সেই ছোটবেলা থেকে মায়ের সাথে নিজেই চটপটি বিক্রি করতেন সংসারের বাড়তি কিছু আয়ের আশায়।

ঘরের কাছেই সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ‘ওব্যাট প্রাইমারি স্কুল’ এর সামনে চটপটি বিক্রি করতে করতে ছোট্ট মেয়েটির মনেও পড়ালেখার প্রতি দুর্বলতা জমে। যা দেখে সেই স্কুলেই মেয়েকে ভর্তি করেদিলেন মা। স্কুলের সময়টুকু ছাড়া সেই বিদ্যালয়ের সামনেই চটপটি বিক্রি ছিল যার পেশা সেই সুলতানা আক্তার বৃষ্টি আজ স্কুল, কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় পা রাখার অপেক্ষায়।

আটকে পড়া পাকিস্তানিদের বসবাসের জন্য চট্টগ্রামে বেশকিছু স্থানকে সরকার চিহ্নিত করে দেয়। এরই একটি চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর বি-ব্লক ট্রেড স্কুল। এখানকার ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে বৃষ্টির জন্ম। এক কামরার
মা-বাবা আর তাদের তিনবোনের সংসার। যেখানে রান্না সেখানে ঘুম।
ওব্যাট প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিকের পড়ালেখা শেষ করে মাধ্যমিকে ভর্তি হলেন স্থানীয় পি এইচ আমীন একাডেমি স্কুলে। সেই স্কুল থেকে বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.৮৯ নিয়ে এসএসসি এবং সরকারি কমার্স কলেজ থেকে জিপিএ-৪.৭৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসনে ভর্তি পরীক্ষায় অর্জন করলেন ৯১ দশমিক ৪৭ শতাংশ নম্বর।

বেস্ট উইশেশ,এমন সব লড়াকু পড়ুয়াদের জন্য❤❤
#কালেক্টেড

25/06/2018




হালিশহরবাসী YOU ARE AT RISK ! ⚠️
Sadia Zafor এর আম্মু ঈদের কিছুদিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে । ভর্তি করানোর পর পাওয়া যায় হেপাটাইটিস ই পজিটিভ ।
ICU তে নেয়ার তিনদিনের দিন আন্টি মারা যান।
কারণ ছিল Cardio Respiratory Failure ।
সুস্থ একজন মানুষ তিনদিনের মধ্যে আর পৃথিবীতে নেই ব্যাপারটা ওর জন্যে আর ওর ফ্যামিলির জন্যে মেনে নেয়া টাফ ছিল ।
আমরাও এটাকে শুধুমাত্র এক্সিডেন্টাল ডেথ ধরে নিতে পারতাম ঠিক তখনই গতকাল Iftekhar Jitt ভাইয়ার সট্যাটাসে দেখলাম ইস্ট ডেল্টার Yeassir Arafat Babon ভাইয়ের মৃত্যুর খবর ।
এরপর আরো আরো এবং আরো আসতে লাগলো ।
-
সবার মৃত্যুর ধরণ প্রায় একই। হেপাটাইটিস ই ধরা পড়ছে। আর কিছুদিনের মধ্যে লিভার ফেইলিউর হচ্ছে কার্ডিয়াক এরেস্ট হচ্ছে।
-
চট্টগ্রামের হালিশহর সহ এর আশপাশের এলাকাটা যেন এখন একটা সাইলেন্ট কিলিং মিশনে নেমেছে । ঠিক একমাস আগেই এই এলাকার মানুষ ওয়াসার পানি খেয়ে দলে দলে হস্পিটাল ছিল ।
একটা ফ্যামিলির দুই তিনজন হস্পিটাল ।
কে কাকে দেখবে তার যেন কোন ঠিক ঠিকানা নেই।
মা, মেয়ে, বাবা সবাই একই রোগে হস্পিটাল ।
-
আর এই এক মাস এটার একশন না নেয়ায় একমাস পর গিয়ে এটা এতোটাই প্রভাব বিস্তার করে ব্যাপারটা এমন হয়ে দাঁড়ালো যে আজ আপনার জন্ডিস ধরা পড়ছে আর দুই তিনদিনের মধ্যে কার্ডিয়াক এরেস্ট হচ্ছে ।
-
অন্যান্য দেশে এমন হলে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়। সব ধরণের স্টেপ নেয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশে সবাই সবার পিঠ বাঁচাতে ব্যাস্ত।
-
সবাই নেইমার আর মেসির গোল নিয়ে ব্যস্ত ।
সবাই সেভেন আপ আর থ্রি পিস নিয়ে স্ট্যাটাসে ব্যস্ত ।
আমরা দিন দিন মানুষ কম রোবট হচ্ছি।
-
যে মরবে মরুক আমি তো মরছি না।
যার মরবে মরুক আমার তো কেউ মরছে না।
-
আমি দেখছিলাম বিভিন্ন জায়গায় সাদিয়া বার বার প্রশ্ন করছিলো এতো মানুষ মারা যাচ্ছে কেন কেউ দেখছেনা ।
সে বার বার এই ব্যাপারে এওয়ারনেস খুঁজছিলো ।
সে তার মা'কে হারিয়ে আর সবাইকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলো।
কিন্তু ওই যে যার মরে না সে বুঝে না তাই আমরা কেউই তার কথাকে বুঝতে কিংবা শুনতে চাই নি।
-
আমি জানিনা কিভাবে এই অবস্থার জন্য জনসচেতনতার সৃষ্টি করা যাবে ।
আমি জানিনা কিভাবে মানুষগুলোকে এভাবে সাডেন ডেথ থেকে কিভাবে বাঁচানো যাবে ।
-
আমি এটাও জানিনা কেন এতো সিরিয়াস একটা ইস্যুকে চট্টগ্রামের মানুষেরা এখনো পর্যন্ত কেন অথরিটির এটেনশনে আনতে পারে নি বা নিজেরা এতোদিন ধরে সিরিয়াস ভাবে নেই নি ।
-
আমি শুধু এটা জানি কাল ভিক্টিম আপনি হবেন
কিংবা কাল ভিক্টিম আমি নিজেই হবো ।
-
একজন দেশের নাগরিককে যদি ওয়াসা বিশুদ্ধ পানি দিতেই না পারবে তাহলে ঘোষনা দিয়ে দিক যে আজ থেকে ওয়াসার পানি খাওয়া বন্ধ করে দিন ।
মানুষ ডিপ কয়েলের পানি খাবে ।
মিনারেল ওয়াটার কিনে খাবে ।
একদম না পারলে মানুষ পানিই খাবে না ।
মানুষ পানি খাওয়া ছাড়া আঠারো দিন বাঁচতে পারে ।
এটলিস্ট আমাদের কেউ আর এসব পানিবাহিত রোগে মারা যাবে না।
-
এভাবে একের পর এক কারো মা, কারো বাবা বা কারো ভাইকে সাইলেন্ট ভাবে মারার অধিকার কারো থাকতে পারে না।
-
আমার ফ্রেন্ডলিস্টের কেউ আপনারা যারা হালিশহর বা এর আশে পাশের এলাকায় থাকেন প্লিজ দয়া করে পানি খাবেন না ।
যদি একান্ত সম্ভব না হয় টেস্ট করিয়ে নিন।
নিজের শরীর চেক আপ করিয়ে নিন।
আপনার পরিচিত কেউ যদি এসব ইফেক্টেড
এরিয়াতে থাকে তাকে জানিয়ে দিন ।
-
Hepatitis E Symptoms:
Fever. ,Fatigue.Loss of appetite.Nausea.Vomiting.
Abdominal pain.Jaundice. Dark urine.
-.
আমি আন্টির কিছু ডকুমেন্টের ছবি আর ডেথ সার্টিফিকেট আপলোড করলাম ।
-
পানির অপর নাম জীবন কিন্তু আপনার জীবনের অপর নাম কখনোই পানি হতে পারবেনা।
নিজে বাঁচুন আরেকজনকে বাঁচতে সাহায্য করুন।
-
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের এসব রোগ থেকে শিফা দান করুক ।

18/06/2018

গ্রুপ এডমিন'রা গত দুইদিন ঘুমে ছিলো তাই ইদের শুভেচ্ছা জানাতে পারে নাই😹

হেটার্সরা বলবে আমিও এডমিন🙊

13/05/2018
07/05/2018

Beauty of

06/05/2018

কমার্স এর যারা এবার এস এস সি পরীক্ষায় ভাল ফল করে কমার্স কলেজে ভর্তির কথা ভাবছো পড়ে দেখো,



Govt College of Commerce, Chittagoang

সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম
Govt. College of Commerce, Chittagong

শত বীর আর শত পীরের স্মৃতিধন্য এই শ্যামল জনপদ চট্টলা। একদিকে পাহাড়ী সুষমার অনির্বচনীয় সৌন্দর্য, অন্যদিকে দিগন্ত বিস্তৃত ঊর্মিমূখর ছন্দময় জলরাশি। কলস্বরা কর্ণফুলির কোল ঘেঁষে অসীম গৌরব আর অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় শতাব্দপ্রাচীন বিদ্যাপীঠ “সরকারি কমার্স কলেজ”। এতদঞ্চলের এটিই একমাত্র বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ব্যবসায় শিক্ষার জন্য দেশের পৃথক একমাত্র সরকারি কলেজ। এই কলেজের খ্যাতি রয়েছে এই উপমহাদেশে। ১৯৪৭ এর দেশভাগের প্রাক্কালে কলকাতার “গভ. কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট” এর একটি অংশ হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) বাণিজ্যিক শহর চট্টগ্রামে এর জন্মলাভ। এর পরে ফুলে আর ফসলে ভরেছে তার ডালা। ১৯৬১ সাল পর্যন্ত আই.কম ও বি.কম কোর্স চালু ছিল। এরপর ১৯৬২ তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.কম (অনার্স) ইন কমার্স কোর্স, ১৯৭৩ এ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পৃথক অনার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৩ সাল থেকে এ কলেজে এম.কম ১ম পর্ব এবং এম.কম শেষ পর্ব প্রবর্তিত হয়, যা বর্তমানে যথাক্রমে এম.বি.এস ১ম পর্ব ও এম.বি.এস শেষপর্ব নামে পরিচিত। বতর্মানে কলেজে এইচ.এস.সি কোর্স , বিবিএস (পাস) কোর্স, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদী অনার্স কোর্স, ১ বছর মেয়াদী এম.বি.এস ১ম পর্ব কোর্স এবং ১ বছর মেয়াদী এম.বি.এস শেষ পর্ব কোর্স চালু আছে। “সরকারি কমার্স কলেজ” মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান। এখানে শিক্ষার্থীরা মেধা বিকাশে নানান আয়োজনে মুহরিত থাকে। সাড়ে সাত হাজার শিক্ষার্থীর এ প্রতিষ্ঠানে ৫০+ জন নিবেদিতপ্রাণ প্রতিশ্রতিশীল শিক্ষকের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে। সনাতন পরীক্ষা পদ্ধতি চালু থাকার সময় এ কলেজের শিক্ষার্থীরা মেধা তালিকায় প্রথম ২০ টি আসন অর্জনসহ ১৯৯৪ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০২ সালের বি.কম (পাস) পরীক্ষার রেজাল্টের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ কলেজ বিবেচিত হয়। বাণিজ্য বিভাগে সাফল্য লাভকরা এই কলেজের সুনাম বেশ সুদূরপ্রসারী। চট্টগ্রাম বোর্ডে বরাবরই এই কলেজ বাণিজ্য বিভাগে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এইচ.এস.সি পর্যায়েও চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে বরাবরই টানা ১ম স্থান অর্জন করে আসছে সেই কবে থেকেই। তাছাড়া সমন্বিতভাবে সেরা তিনের মধ্যে থাকে প্রতিনিয়তই। বিবিএস (পাস), অনার্স ও মাস্টার্স শ্রেণির রেজাল্ট আরো প্রশংসনীয়।
শুধু শ্রেণি শিক্ষা ক্ষেত্রে নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও এ কলেজের সুনাম রয়েছে। কলেজে পড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে এ কলেজ সাফল্যমণ্ডিত। এখানকার কো-কারিকুলার এক্টিভিটিজও যথেষ্ট ঈর্ষণীয়। একাধিকবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক লাভ করেছে। বেতার, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় এ কলেজের শিক্ষার্থীদের সদর্প পদচারণা রয়েছে। কলেজের বি.এন.সি.সি, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউট অনেক বেশি সমৃদ্ধ। বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে এ কলেজের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।ভবিষ্যতসম্ভাবী নানান গুণে গুণান্বিত শিক্ষার্থীদের বিরাট এক অংশ ওঠে আসে এখান থেকে। ঐতিহ্য এবং সাফল্যের আরেক দিগন্ত এ কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের ঈর্ষণীয় কর্মজীবন। শুধু পুঁথিগতবিদ্যায় নয়, শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষা অর্জনসহায়ক বিধায় তাদের নিষ্ঠাবান কর্মের মাধ্যমে আলোকিত করে কর্মস্থল। এ কলেজের এলামনাইরা দেশ বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন। সফল ব্যবসায়ী, কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের সফল ব্যক্তি, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আমলা, বন্দরের চেয়ারম্যান, অর্থনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত কৃতিত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন এ কলেজের শিক্ষার্থীরা।

“সরকারি কর্মাস কলেজ” কেন সেরা???

➫ “সরকারি কর্মাস কলেজে” ভর্তি হওয়া প্রত্যেকটা কর্মাস পড়ুয়া স্টুডেন্টদের স্বপ্ন। সেরার সেরা এই কলেজ যেন ব্যবসায় শিক্ষার্থীদের প্রাণকেন্দ্র। বিদ্যানুরাগী সকল ব্যবসায় শিক্ষার্থীদের চাওয়ায় থাকে স্বপ্নের এই ক্যানভাসে ভর্তি হওয়া, শিক্ষিতমহলে অধিষ্ঠ হওয়া।

➫ কর্মাস কলেজকে বাইরের থেকে যতটা গুরু-গম্ভীর মনে হয় ভিতরে গেলে বুঝা যায় এটা কতটা বন্ধুসুলভ।

➫ চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র আগ্রাবাদের বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত এই কলেজের লোকেশন খুবই আদর্শ ও তাৎপর্যপূর্ণ, যা এটিকে পৃথক স্থানে অধিষ্ঠ করেছে।

➫ কর্মাস কলেজের বেশিরভাগ প্রিন্সিপাল বিশেষ করে মোঃ আলী স্যার, জাফর স্যার, সুকুমার দও স্যার, রওশন আরা বেগম মেডাম ও আইয়ুব ভূঁইয়া স্যার কে অনেক কাছ থেকে দেখেছি। যত কাছ থেকে দেখেছি, ততই তাদের আপন করে পেয়েছি।

➫ কর্মাস কলেজের প্রিন্সিপ্যালগুলো ক্ষমতা দিয়ে নয়! ভালোবাসা আর আদর দিয়ে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রন করেছেন। আর বিনিময়ে পেয়েছেন অজস্র ভালোবাসা আর সম্মান।

➫ কর্মাস কলেজের বর্তমান প্রিন্সিপ্যাল আইয়ুব ভূঁইয়া স্যারের সাথে আপনি যদি পাঁচ মিনিট কথা বলেন নিঃসন্দেহে আপনি তার অনেক বড় ভক্ত হয়ে যাবেন। এত মিষ্টিভাষী এবং গুছিয়ে কথা বলতে পারা মানুষ আমার জীবনে আমি আর দেখিনি। কলেজের কোন অনুষ্ঠানে স্যার বক্তব্য দিলে সে অনুষ্ঠানে আর জায়গা দেওয়া যায় না। তাঁর বক্তব্যের মধ্যে এক প্রকার জাদু আছে। যা সবাইকে কাছে টানে। একদম চম্বুকের মত করেই। আর উনার মত বন্ধুত্বসুলভ মানুষ আমি খুব কমই দেখেছি। কিছুদিন আগে এইচ.এস.সি সেকেন্ড ইয়ারের বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো। তো সব ছেলে-মেয়েরা প্ল্যান করেছিলো শাড়ী আর পান্জাবী পড়বে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ ঘোষনা করলো কলেজ ড্রেস পড়ে আসতে হবে। এর মধ্যেই সবার মন খারাপ হয়ে গেলো। কিন্তু একটা ছেলে সাহস করে প্রিন্সিপ্যাল স্যারকে বললো তাদের শাড়ী আর পান্জাবী পড়ার প্ল্যানিং এর কথা। স্যার হেসে উঠলো। বললো এইটা তো খুব সুন্দর আইডিয়া। তোমরা সবাই শাড়ী-পান্জাবী পড়ে আসো। এটা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরবে। চিন্তা করতে পারেন একটা প্রিন্সিপাল কতটা আন্তরিক এবং বন্ধুসুলভ হলে একটা ইন্টারের ছেলে গিয়ে এইকথা গুলো স্যারকে বলতে পারে। অনেক কলেজের স্টুডেন্টরা যেখানে প্রিন্সিপালের রুমে যেতে ভয় পাই সেখানে আমরা অনায়াসেই প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে যেতে পারি যেকোন সমস্যা নিয়ে। এইগুলো সবই সম্ভব কর্মাস কলেজের জন্য।

দু-চারটি লাইন না বললেই নয়
শিক্ষাগুরু আইয়ুব ভূঁইয়া স্যার,
কথার জাদুগর,
সুশিক্ষায় গুরুই যেন,
শ্রেষ্ঠ কারিগর

➫ একটা কথা প্রচলিত আছে অনেক কলেজে। কলেজের ডির্পাটমেন্টের হেডগুলো নাকি প্রিন্সিপ্যালের চেয়েও বেশি ভাবে থাকে। কিন্তু আমাদের কলেজে এই কথাটি সম্পূর্ণরুপে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে বার বার।

➫ আমাদের কলেজের নূর ইসলামের স্যারের সাথে মিশলে আপনি মুর্হূতেই ভুলে যাবেন উনি আপনার কে! কারণ এত ফানি আর জলি মাইন্ডের মানুষ আমার লাইফে আমি খুব কমই দেখেছি। নূর ইসলাম স্যার ছেলেদের সাথে ক্যারাম খেলা থেকে শুরু করে ফুটবল খেলা পর্যন্ত খেলেন। সব সময় হাসি মুখ নিয়ে চলেন। আর খুব সহজ ভাবেই ছাত্রদের মনের ভিতর জায়গা করে নিতে পারেন। এমন স্যার আর কোথাও না দেখলে কষ্ট করে কর্মাস কলেজে এসে দেখে যাবেন একবার।

➫ কলেজের সকলের প্রিয় শিক্ষকবৃন্দই প্রতিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীর প্রাণশক্তি। এখানের ফারুক স্যার, ফাহিম স্যার, মামুন স্যার, মুরাদ স্যার, হাসনাত স্যার, রুকন স্যার, সুসেন স্যার, রহিম স্যার, শওকত আলী স্যার সহ আরো যতো শিক্ষকবৃন্দ আছেন কারও অবদানই কোনো অংশে কম নয়। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মা তুল্য ফেরদৌসি আরা মেম, সুমি মেম, শিরিন মেম, মিশু মেম ও রাজিয়া মেম সহ সকল শিক্ষিকারা মায়ের মমতাময়ী আচরণে সুশিক্ষার পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন। সকলের চেষ্টা ও অগ্রগতি অকল্পনীয়। কলেজের শিক্ষকসম্প্রদায় এমনি দৃষ্টান্তস্বরূপ যেন মা বাবা তাঁদের সন্তানদের লালন করছেন ঠিক যেমনি সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেন। সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে উপাধ্যক্ষ, অধ্যক্ষ সকলের বন্ধুসুলভ পরিচর্যাই এই কলেজের সাফল্যের মূলমন্ত্র। স্বপ্ন দেখাচ্ছেন আর সকল সমস্যার পরিত্রাণের উপায় দেখিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সকল শিক্ষার্থী তাঁদের একমাত্র নিরলস শ্রমে এগিয়ে যাচ্ছে।

➫ আই.সি.টি ক্লাবের মতো তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নকল্পে কাজ করে যাচ্ছে এ কলেজের আই.সি.টি ক্লাব। আই.সি.টি তে এর ভূমিকা বেশ প্রকট। সহায়ক শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছে এর সদস্য মেম্বারদের।

➫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যেমন মধুর ক্যান্টিন কিংবা মামার দোকান আছে ঠিক তেমনি আমাদের রয়েছে চিটাগাং হোটেল আর বরিশাল হোটেল। এই দুইটা হোটেলেই ডুকলে আপনি সম্পূর্ণ কর্মাস কলেজকে পেয়ে যাবেন। এই হোটেল গুলোতে আড্ডা দেই নাই এমন ছাত্র খুব কমই আছে।

➫ কলেজ থেকে বের হতেই একটা টং এর দোকান আপনার চোখে পড়বে। দোকানটি ইব্রাহীমের দোকান। ওর হাতের চায়ের চুমুক না দিলে যেন কেমন কেমন লাগে। আর ওর হাসিমাখা মুখ সবার কাছে খুব প্রিয়। আর ইব্রাহীম হলো আমাদের দুঃসময়ের বন্ধু। যখন পকেটে একটা টাকাও থাকে না। তখন ইব্রাহীমের দোকানের বাকী খাওয়াটাই আমাদের একমাত্র সম্বল।

➫ সামান্য বৃষ্টি হলেই কলেজ পানিতে তলিয়ে যাই। আর এই পানি পার হয়ে আগ্রাবাদ মোড়ে আসা কত যে আনন্দের তা শুধু কর্মাস কলেজের ছাত্ররাই জানে।

➫ এথায় ক্যাম্পাসের দাঁড়িয়ে সবুদাভ গাছগাছালি আর ফুলের ঘ্রাণের আবেশে মনে জাগে আনন্দমেলা। প্রকৃতির মায়াবি রুপে এ যেন সেজে থাকে বারোমাস।

➫ কলেজের পিছনে অনেক নারকেল গাছ আছে। আর ঐ নারকেল গাছগুলো থেকে ডাব চুরি করে খাওয়া ছাত্রদের মৌলিক অধিকার গুলোর মধ্যে একটি।

➫ কর্মাস কলেজের অডিটোরিয়াম আমার মতে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করে।
১২ মাসে প্রায়ই ১৩ টা অনুষ্ঠান হয় এইখানে।
আর আমাদের অনুষ্ঠানগুলোও হয় খুব সুন্দর ও সেরা। আমাদের বিদায় অনুষ্ঠানটি হয় সবার থেকে সেরা। অডিটোরিয়ামটা প্রত্যেকটা ব্যাচের আগমনের ও বিদায়ের সাক্ষী। আর আমাদের কলেজের বৈশাখ উদযাপন এর তুলনাই হয় না। কলেজ অডিটোরিয়ামটা জানে প্রত্যেকটা উৎসবের গল্প....

➫ কমার্স কলেজের একটি অংশ চট্টগ্রামের অন্যসব কলেজ থেকে ব্যতিক্রমধর্মী। কমার্স কলেজেই আছে একমাত্র আড়াই তলা। যা অন্য কোনো কলেজে নেই। এই আড়াই তলাকে ঘিরে শুরু হয় ১ম বর্ষের পদচারণা। আড়াইতলা একটা স্বপ্ন, আড়াইতলা মানে একগুচ্ছ ভালবাসা.. আড়াইতলা মানে স্মৃতিকাতরতা!

➫ কর্মাস কলেজে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ট্রেনের যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকলেও আমরা এটাকে খুব একটা বেশি মিস করি না।কারণ ট্রেনে গেলে যে গানের আসর কিংবা আড্ডাবাজি গুলো হয়, আমাদের কলেজেও কিন্তু এই গানের আসর বসে। দুপুরবেলায় শহীদ মিনারের সামনে যে গানের আসর বসে, তা সত্যিই অসাধারণ।

➫ এই কলেজের মায়া এমন প্রকট যে আমাদের অনেক বড় ভাই যারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে যতটুকু না ক্লাস করেছে তার চেয়ে বেশি ক্লাস করেছে কর্মাস কলেজে। তাদের যদি কেউ জিজ্ঞাসা করতো, ভার্সিটিতে যাস না কেন?
"তারা তখন বলে আমাদেরকে এই জায়গাটা মায়ার জালে আবদ্ধ করে ফেলেছে। আর এই মায়া ছাড়া সম্ভব নয়।"

➫ কর্মাস কলেজের স্টুডেন্টরা যে কতটা আন্তরিক তা পরীক্ষার হলে বুঝা যায়। একজন অন্যজনকে হেল্প করতে সাধ্যমত চেষ্টা করে।

➫ কর্মাস কলেজে তেমন ক্লাস হয়না, শীট দেওয়া হয় না! স্টুডেন্টরা সারা বছর লেখা-পড়া করে না! কিন্তু ঘুরে ফিরে কর্মাস কলেজের স্টুডেন্টরাই ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে প্রথম স্থানটি ধরে রাখে।

➫ এর বেশিরভাগ ছাত্ররাই ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ৩০% স্টুডেন্টসই কিন্তু কর্মাস কলেজের।

➫ অর্থনীতিতে অবদান ব্যক্ত করে শেষ করার মতো নয় তাই সেই বিষয় আজ না বলাই থাক।

এইসব কারনেই আমাদের কর্মাস কলেজ সবার সেরা। এছাড়াও আরো অনেক কারণ আছে যার বিশালতা বলে শেষ করার মতো নয়.......

কলেজ নিয়ে একটা বড় ভাইয়ের লিখা একটি কবিতা, যার প্রতিটি শব্দ নিয়ে যায় স্মৃতির সব রঙ্গিন দুনিয়াতে.....

“আমার কমার্স কলেজ”
এম.ডি.জাহেদ

==========================
রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করিয়া,
প্রথম ফটকে ঢুকিয়া দেখ মন যাইবে জুড়াইয়া।

হাতের ডানে পড়ে ফুলের বাগান,
তব মুগ্ধ করিবে তোমারি আপন প্রাণ।

দু'পা বাড়িয়ে গেলে সামনে--
দেখিবে কত কিছুই আপন মনে।

বড় বড় দালানকোঠায় পূর্ণতা আনে,
হাজার হাজার শিক্ষার্থীর বিচরনে।

শতশত প্রতিযোগীর মাঝে টিকিয়া হয়েছি বিস্মিত!
প্রিয় কলেজের সীল গায়ে পড়িয়াছে বলে আমি গর্বিত।

মাতা পিতার মতই পেয়েছি গুরুজন
ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখে সব ক'জন।

সুশৃঙ্খল পরিবেশ আর সুন্দর আচরণ
স্বাচ্ছন্দ্যে করিতে পারি বিদ্যার্জন।

বি.এন.সি.সি, আইসিটি, সিসিডিএস, রোভার স্কাউট আরও আছে রেডক্রিসেন্ট ইউনিট,
সাফল্যের সাথে বাঁধে তারা সফলতার নীড়।

এইচ.এস.সি, বি.বি.এস, অনার্স সাথে আছে এম.বি.এ কোর্স
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে শিক্ষার্থীর দূর করে দোষ।

স্বর্ণ, রৌপ্য একাধিকবার করিয়াছে অর্জন
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় করিতে পারেনা কেউ বর্জন।

প্রিয় কমার্স কলেজ......
কোন মায়ার বন্ধনে বাঁধিয়াছ আমারে!
মনের মাঝে লেপ্টে আছে মুগ্ধতার আবছায়ারে।

ভালবাসি বিদ্যাঙ্গন, ভালবাসি গুরুজন,
ভালবাসি মনোরম পরিবেশ,
যার নেই কোন শেষ।

হে নবীন.......
মুল্যবোধ আর শিক্ষার আলোয় জ্বলতে,
এসো তবে কমার্স কলেজেতে।।
আড়াই তলা নিয়ে কনফিউশন, বর্ষায় কোমর পানি তে কলেজ যাওয়া। এসব অনুভূতি অসাধারণ। এ ভালোবাসা এমন যা শব্দে প্রকাশ করা কঠিন। বলতে গেলে শব্দগুলো দুর্বল হবে। এমনকি উপযুক্ত শব্দও পাওয়া দুষ্কর। প্রতিটি ইট দেওয়াল আর ক্যাম্পাসের এর প্রতিটা কোণায় জড়িয়ে আছে হাজারো স্মৃতি, যা বলে শেষ করার মতো নয়। প্রতিটি শিরা, উপশিরা ও বুকের বাম পাশের হৃদয়ের সাথে মিশে আছে প্রাণের ক্যাম্পাস “সরকারি কমার্স কলেজ”। এতো মায়া, এতো ভালবাসা, ছাত্র শিক্ষককের এতো মেলবন্ধন যা এখানে না পড়লে কারো বুঝার উপায় নেই। প্রিয় ক্যাম্পাস ভালবাসি তোমায় যেমনটি বাসি নিজেকে। আর এ ভলোবাসাই আমদের কলেজকে সেরা করে তুলেছে। যখনই কাওকে এই কলেজের স্টুডেন্ট হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেই তখন একরাশ গর্ব বুকে ভর করে। যদি পারতাম তবে আজীবন বুকের বামপাশে সবুজ ব্যাজ লাগোয়া সাদা শার্টটি জড়িয়ে রাখতাম। এ কলেজ কেবল একটি কলেজ নয়, মনুষ্যত্ব তৈরীর কারখানা স্বরুপ। স্বপ্নের একটি ক্যানভাস যেথায় এসে মানুষ বদলে যায় পরিবেশে।

শিক্ষাই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায় নিয়ে যায় সর্বোত্তম চূড়ায়। আর এক্ষেত্রে এ কলেজ বেশ সমৃদ্ধ তার নিজগুণে। দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে চট্টলার মাটিতে আজও সেরা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এ কলেজ। এসব সাফল্যকে ধারণ করে আগামীতে আরো সুন্দর ও গৌরবোজ্জল ভবিষ্যৎ নির্মাণে আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসে সবাই সহযোগিতার উষ্ণ করতল প্রসারিত করবেন বলে প্রত্যাশা রাখি। শ্রম এবং শিল্পের বিনিময়ে অর্জিত হোক আমাদের কাঙ্ক্ষিত আগামী। তাই সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর নিকট দোয়াপ্রার্থী।

জয়গাঁথা জয়গান গেয়ে আজ এখানেই ইতি টানছি------>

“জয় হোক শিক্ষার,
জয় হোক মনুষ্যত্বের।
জীবন হোক দীক্ষার,
ও উন্মুক্ত জ্ঞান আরোহণের।”

“সরকারি কমার্স কলেজ”, চট্টগ্রাম

"প্রাউড টু বি এ কমার্স কলেজিয়ান"

Written By:

Joy
College Ambassador, Silswa
Class: 12 (Twelve), Batch: 2018
Govt. College of Commerce, Chittagong

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

Location

Telephone

Address


Agrabad
Chittagong
1221
Other Chittagong schools & colleges (show all)
CHITTAGONG COLLEGIATE SCHOOL CHITTAGONG COLLEGIATE SCHOOL
Chittagong Collegiate School, Ice Factory Road, Chattogram
Chittagong, 4000

Thousand bodies - one soul Thousand lives - one goal... Long Live Chittagong Collegiate School. Alum

Noubahini School & College, Chattogram Noubahini School & College, Chattogram
Sailors Colony 1, CEPZ, Bandar Thana
Chittagong

Noubahini School & College, Chattogram নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ, ?

Ispahani Public School & College Ispahani Public School & College
Zakir Hossain Road
Chittagong, 1207

upload photos of ur IPSC lyf...& dont 4get 2 invite more & more friends...:)

Bangladesh Bank Colony High School (Agrabad,Chittagong) Bangladesh Bank Colony High School (Agrabad,Chittagong)
Bangladesh Bank Colony, Agrabad
Chittagong, 4100

UnOfficial page.. Bangladesh Bank Colony High School....

CHITTAGONG CANTONMENT PUBLIC COLLEGE CHITTAGONG CANTONMENT PUBLIC COLLEGE
Chittagong Cantonment , Biozid
Chittagong, 4209

ALLAH AMAaY GYAAN DAaO.....This is the most prestegious college in chittagong .....

Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E, Chittagong. Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E, Chittagong.
Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E
Chittagong, 4216

It's a high school

Sunshine Grammar School Sunshine Grammar School
House # 11, Road # 1, Nasirabad H/S
Chittagong, 4000

Sunshine Grammar School, established in 1985, is the first international school in Chattogram.

Chittagong Medical College Chittagong Medical College
KB Fazlul Kader Road, Panchlaish
Chittagong, 4203

Chittagong Medical College is a government medical college in Bangladesh, established in 1957. It is

CVASU CVASU
Chittagong Veterinary & Animal Sciences University(CVASU), Zakir Hossain Road, Khulshi
Chittagong, 4202

Chittagong Veterinary & Animal Sciences University(CVASU) is the first veterinary University of Bang

Radiant School & College Radiant School & College
Campus-1: 3 Zakir Hossaun Road, South Khulshi. Campus-2: House No. 1, Road No. 1, South Khulshi
Chittagong

Worst School In the WORLDDD!!!

Alumni of CPA High School, Chittagong Alumni of CPA High School, Chittagong
Chittagong Port Authority, P. O. Bandar
Chittagong, 4100

Port Authority High School, Chittagong, (earlier Port Trust High School) is a renowned prestigious e

Chittagong Steel Mills High School Chittagong Steel Mills High School
KEPZ Road
Chittagong, 4204

Welcome to the official page of Chittagong Steel Mills High School.