28/11/2014
UNION KUNGFU ( BY HONAN STYLE ) HARD AND SOFT KUNGFU
Kung Fu Self Defense Course Martial Arts Training ( Short Course - One Year Programme ) COTACT:- 01817700883, CHITTAGONG, BANGLADESH.
Kung Fu (KF) Techniques and The Spirit in Your Fighting Moves. The first thing you must know is that the KF fighting spirit is vastly different in style and in presentation to other types of martial arts. For example, KF consists of six key features that is the foundation for ALL techniques and moves. So you’ll be required to apply these in your KF forms or self defence training.
The six key features are sub divided into the Three External Co-ordination and the Three Internal Co-ordination.
The Three External Co-ordination are:
- Hands and feet
- Elbows with knees
- Shoulders with hips
The Three Internal Co-ordination are
- Heart and mind
- Mind and breath
- Breath and power
If you'd like to learn how to defend yourself properly, please call us on our central telephone number 01817700883 for class times and fees or email us through our contact-us form. [email protected]
15/11/2014
Kung Fu Benefits: A Complete Mind, Body and Soul Experience
Honan Martial Arts Self Defence (HARD AND SOFT KUNGFU)
CALL :- 01817700883 CHITTAGONG.
1- Honan Kung Fu is a Great Workout.
2- Honan Kung Fu is great for Self Defense.
3- Honan Kung Fu training can be great for your Health.
4- Learn Honan Kung Fu for the Art.
HONAN KUNGFU BASIC DRAGON FORM
05/10/2013
নারীর আত্মরক্ষায় …
TRUE STORY: "NASIRABAD SPORTS KUNGFU ACADEMY" ONE OF THE BEST KUNGFU ACADEMY IN CHITTAGONG, BANGLADESH. PHONE:- 01817700883
চায়নিজ কুংফু আত্মরক্ষার পদ্ধতি :
গলির মোড়ে রোজ বসে বখাটেদের আড্ডা। স্কুল থেকে ফেরার পথে বান্ধবীদের উত্যক্ত করত দুই বখাটে। একদিন এক বখাটে বন্ধুর গায়ে হাত তোলার উপক্রম। সবার সামনে লজ্জা পেয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে মেয়েটি। কিন্তু কেউ কোনো প্রতিবাদ করল না। এটা দেখে আমরা দুই বন্ধু হতবাক। আচমকা ছেলেটার গালে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দিই! এতেও ছেলেটির শিক্ষা হলো না। দুদিন বাদে আবারও মেয়েদের উত্ত্যক্ত করছিল ছেলেটি।
কুংফু শেখার ফলে জানা ছিল আত্মরক্ষার কলাকৌশল। তা প্রয়োগ করে বখাটে ছেলেটিকে কয়েক ঘা লাগিয়ে দিই। পরে বখাটে দুটো আর বন্ধুদের বিরক্ত করে নি। এভাবেই বন্ধুকে রক্ষা করেছে একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী সাদিয়া। তার মতে-শরীরকে যতই ফিট রাখা হোক না কেন, কেউ যদি বিপদে নিজেকে রক্ষাই করতে না পারে, তাহলে সবটা বৃথা। তাই শরীরকে ফিট রাখার পাশাপাশি জানতে হবে নিজেকে রক্ষার কলা- কৌশলও। তাই কুংফু বা কারাতে স্কুলগুলোতে ছেলেদের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত বাড়ছে মেয়েদের সংখ্যা। স্কুল-কলেজ তো বটেই, কর্মজীবী নারীরাও শিখে আত্মরক্ষার কায়দাকানুন।
আর্ট অব সেল্ফ ডিফেন্স :
পৃথিবীতে মানুষের জানা প্রাচীনতম কৌশল হলো আত্মরক্ষার কৌশল বা ‘আর্ট অব সেল্ফ ডিফেন্স। এটিকে দি আর্ট অব সারভাইভালও বলা হয়ে থাকে। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আর্ট অব সেল্ফ ডিফেন্স রপ্ত করেছিল মানুষ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ একটা মজবুত অবস্থানে এই আর্ট অব সারভাইভাল।
কর্মব্যস্ত জীবনে উন্নত দেশগুলোর মানুষেরাও আত্মরক্ষার কলাকৌশল চর্চা করছে গুরুত্বের সঙ্গে। স্কুলগামী মেয়ে ও কর্মজীবী নারীদের জন্য এটি বিশেষভাবে দরকার। আত্মরক্ষার কলাকৌশল জানা থাকলে তা যে কোনো সময় নাটকীয়ভাবে জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বাস্তব বিষয়গুলো বিবেচনা করে আত্মরক্ষার প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসাবে কিছু বিষয় জানা থাকা দরকার। সেগুলো হল-যথাযথ সতর্কতা, অপরাধীদের চিন্তার ধরন সম্পর্কে ধারণা, কার্যকর ‘ব্যক্তিগত নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য’ এবং অত্যাবশ্যক পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সহজ কিছু ব্যবহারিক শারীরিক কলাকৌশল।
দুর্গম গাঁয়ে কুংফু প্রশিক্ষণ :
কেন এই প্রশিক্ষণ- এ প্রশ্নের জবাব দেয় তার বন্ধু ইয়াসমিন। সে জানায় ‘আমাদের গ্রামটি দুর্গম। অনেক দূর থেকে পাহাড়ি পথ মাড়িয়ে স্কুলে আসতে হয়। পথে দুষ্টু ছেলেদের নানা কটূক্তি শুনতে হয় মেয়েদের। নিরাপত্তার প্রকট সমস্যা। এ কারণে এ প্রশিক্ষণ জরুরি মনে করে শিখে নিচ্ছি। আত্মরক্ষা তো বটেই, শরীর গঠনের ক্ষেত্রেও দারুণ ভূমিকা রাখছে কুংফু প্রশিক্ষণ। কুংফু শিখে এক বখাটেকে প্রতিহত করার কথাও শোনাল রুমকি। এলাকার এক বখাটে তার পথ রুখে দাঁড়াত রোজ। একদিন কৌশলে কাছে ডেকে নিয়ে লাগিয়ে দিলেন দু-চার ঘা। এখন ভয়েও এ পথ মাড়ায় না সে। এ ঘটনায় শিক্ষা নিয়ে এলাকা ছাড়া হয়েছে বখাটের দল।
05/10/2013
ক্যান্সার প্রতিরোধ: দৈনন্দিন কুংফু, কারাতে, তাই চি
SOME TIPS: "NASIRABAD SPORTS KUNGFU ACADEMY" ONE OF THE BEST KUNGFU ACADEMY IN CHITTAGONG, BANGLADESH. PHONE:- 01817700883
প্রতিদিন বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে আতঙ্ক। অথচ নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করলেই এই আতঙ্ক থেকে দূরে থাকা সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।
তাদের মতে, কিছু ব্যায়াম নিয়মিত করলে উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়, যা শরীর ও মনকে চাঙ্গা ও শক্তিশালী করে। নিয়মিত ওই ব্যায়ামগুলো দেহ সুস্থ রাখতেও সহায়তা করে।
শরীরচর্চা: দৈনন্দিন কুংফু, কারাতে, তাই চি, ব্যায়াম, খেলাধুলা, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে অকালে মৃত্যুর আশঙ্কা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। শরীরচর্চা আত্মসম্মানবোধ বৃদ্ধি করে।
তাই চি : যে কোনো বয়সীদের জন্য সর্বোত্তম ব্যায়াম হলো কুংফু তাই চি ।
টেনিস খেলা : ব্যায়ামগুলোর মধ্যে সবার আগে গবেষকেরা পরামর্শ দিয়েছেন, টেনিস খেলতে। কারণ টেনিস খেলার সময় প্রচুর দৌড়াতে হয় এতে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ব্যয় হয় এবং ঘামের সাথে শরীরে বিষক্রিয়াগুলো বেরিয়ে যায়।
জগিং : প্রতিদিন ৪৫ মিনিট করে জগিং বা দৌড়ালে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমতে থাকে। কারণ জগিংয়ের সময় হার্টের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায় এবং ঘামের সাথে শরীরের বিষক্রিয়াগুলো বেরিয়ে আসে।
সাঁতার : যেকোনো বয়সীদের জন্য সর্বোত্তম ব্যায়াম হলো সাঁতার। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে সাঁতার কাটলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
সাইকেল চালনা : প্রতিদিন ভোরে এক ঘণ্টা করে সাইকেল চালালে ফুসফুস ভালো থাকে।
03/10/2013
শরীরচর্চা করে ওষুধের কাজ
শরীরচর্চা ওষুধের বড়ির মতোই উপকারী, বিশেষ করে হৃদরোগের ক্ষেত্রে।
গবেষকরা বলছেন, অকাল মৃত্যু প্রতিরোধে শরীরচর্চা ও ওষুধের উপকারিতার ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। ৩৪ হাজার রোগীর ওপর গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে একথা বলা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরচর্চা হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে অকালে মৃত্যুর আশঙ্কা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
শরীরচর্চা আত্মসম্মানবোধ বৃদ্ধি করে।
এর ফলে ভালো ঘুম হয়, শরীরকে সতেজ রাখে এবং ওজন হ্রাস পায়।
গবেষণায় দেখা যায়, শরীরচর্চা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ওষুদের চেয়েও বেশি উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীদের শরীরচর্চার পরিবর্তে ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়; বরং তাদের উচিত উভয়কেই গ্রহণ করা।
গবেষণায় দেখা গেছে, খুব কম সংখ্যক প্রাপ্ত বয়স্ক লোকই প্রয়োজনীয় শরীরচর্চা করেন। সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা সাইকেল চালানো, দ্রুত হাঁটার মতো মাঝারি ধরনের শরীরচর্চা করা দরকার হলেও মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ব্রিটিশ নাগরিক তা করে থাকেন।
অন্যদিকে দেশটিতে ওষুধের ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছেই। ইংল্যান্ডে ২০১০ সালে গড়ে প্রতিজন ১৭.৭টি প্রেসক্রিপশন নিয়েছেন। ২০০০ সালেও এই সংখ্যা ছিল ১১.২টি।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স, হার্ভার্ড পিলগ্রিম হেলথ কেয়ার ইনস্টিটিউট এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন গবেষণা চালিয়ে দেখতে পায় যে, শরীরচর্চা ওষুধের বড়ির মতোই উপকারী।
গবেষকরা দেখতে পান, অকাল মৃত্যুরোধে শরীরচর্চা ওষুধের বড়ির মতোই কাজ করে। তবে ব্যতিক্রম দুটি রোগে।
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল যেসব রোগীর, তাদের ক্ষেত্রে শরীরচর্চার চেয়ে ওষুধই বেশি কাজ করে। অন্যদিকে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ওষুধের চেয়ে শরীরচর্চাই বেশি উপকারী।
04/05/2013
Chinese Kung Fu is a large system of theory and practice. It combines techniques of self-defense and health-keeping.BANGLADESH
02/04/2013
Wing chun Kungfu History (YIP MAN)
মাস্টার লিয়ান শুন কুং ফু ক্লাস নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা মন দিয়ে ক্লাস করছে। লিয়ান যখন ক্লাস নেয় তখন সে ঘোরের মধ্যে থাকে। কেউ বিরক্ত করলে তাকে ছাড় দেওয়া হয় না। ক্লাসে কারও অমনোযোগী হওয়ার সুযোগ নেই।
ক্লাসে শেখানো হচ্ছে কিভাবে সাইড কিক দিতে হয়, শত্রুর আক্রমণ কিভাবে রুখে দিতে হয় এবং পাল্টা ঘুষি কি করে দিতে হয়। যখন অত্যন্ত চমৎকারভাবে এ শিল্পকে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে মাস্টার লিয়ান। ঠিক সে মুহূর্তে অন্য কক্ষ থেকে এক বৃদ্ধ হেসেই চলছে।
বৃদ্ধের এ হাসি লিয়ানে পছন্দ হয়নি। সে ক্লাস বন্ধ করে চিৎকার করে ওঠে। ক্ষোভে উত্তেজিত হয়ে লিয়ান বলে, এই বুড়া লোক। তুমি হাসছো কেন?
বৃদ্ধ লোকটি বিব্রত হলেন। হাসি থামিয়ে বললেন, দুঃখিত। তোমরা ক্লাস চালু রাখো। তোমাদের আর বিরক্ত করবো না।
কিন্তু এতে লিয়ানের রাগ কমেনি। সে বলে, দেখ বুড়া। কয়েক মাস আগে আমরা তোমাকে একটা গারবেজে পেয়েছি। অসহায় অবস্থা থেকে এখানে তোমাকে আনা হয়েছে। বিনা পয়সায় তোমার খাওয়া ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের প্রতি তোমার কোনো সম্মানবোধ নেই? অভদ্র।
এবার আর বৃদ্ধ চুপ করে থাকলেন না। তিনিও রেগে গেলেন। জবাবে তিনি বললেন, তোমরা যদি শিল্পকে সম্মান না দেখাও তবে তোমরা সম্মান পাবে সেটা কিভাবে আশা করো।
লিয়ান বলল, আমরা সম্মান দেখাচ্ছি না মানে? কি বলতে চাও তুমি?
বৃদ্ধ বলল, হ্যাঁ। তোমরা বাতাসে ঘুষি দিয়ে চর্চা করছো। এটা তো হাস্যকর। তুমি বাতাসকে মারছো। কিন্তু বাতাস তোমাকে মারছে না। তার কোনো কৌশল নেই। সব কৌশল তোমার। কিন্তু যখন শত্রু তোমার সামনে আসবে তখন সে বাতাস হবে না। জ্যান্ত মানুষ হবে। তার হাজারো কৌশল থাকবে। তোমার ছাত্ররা বোকার মতো শত্রুর কাছে হেরে যাবে।
এতো কিছুর পরও লিয়ান শান্ত হবার নয়। সে বলেই বসলো, ঠিকাছে। যদি তুমি এতই পারদর্শী হও তবে আমাদের শেখাও। দূর থেকে দেখে হেসে লাভ নেই।
বৃদ্ধের কাছে এটা ছিল চ্যালেঞ্জ। লিয়ানের চ্যালেঞ্জের দিনটি ছিল ১৯৫২ সালে। বৃদ্ধের নাম ইপ মান। তার কাছে কুং ফু একটি শিল্প। এ শিল্পকে সে মনে প্রাণে ভালোবাসে। এ শিল্পকে ঘিরেই এক সময় সে ধ্যান করেছে। লিয়ানের চ্যালেঞ্জ নিতে পবিত্র শিল্পের মনে ইপের এক সেকেন্ডও দেরি হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে লিয়ানের সঙ্গে তার কুং ফু শুরু।
লিয়ান কয়েক মিনিটের মধ্যেই কাবু হয়ে পড়লো। সে আত্মসমর্পণ করলো। ভরা মজলিসে শত শিক্ষার্থীর সামনে লিয়ান বৃদ্ধ ইপ মানের কাছে নতি স্বীকার করে তার ছাত্র হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলো। এ লিয়ানকে বলা হয় ইপ মানের প্রথম অনুসারী।
ইপ মানের জীবন
ইপ মানের জন্ম চীনে। অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই স্বচ্ছলভাবে বেড়ে ওঠা ইপ দারিদ্র্যতা দেখেনি। পারিবারিক ব্যবসা করেই বেশ যাচ্ছিল ইপ মানদের। মা বাবার অত্যন্ত আদরের ইপ সারাদিন ঘুরে বেড়াতো শহরের অলিগলি। তার বেশ আগ্রহ ছিল নিজেদের প্রসাদসম ঘরের পেছনের দিকে। সেখানে থাকতো চান ওয়া শুন।
চান ওয়া শুন হলো চিনের অত্যন্ত নামকরা একজন কুং ফু শিক্ষক। বলা হয়, ইপ ছিল তার শেষ ছাত্র।
চান ওয়া শুন তাদের ব্যবসার অনেককেই কুং ফু প্রশিক্ষণ দিত। তার এ স্টাইলের নাম ছিল ‘উইং চুন’। ব্যবসায় কাজ করা শ্রমিকদেরই বেশি প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। এর কারণও ছিল। চোর ডাকাত দলের সঙ্গে লড়াই করার জন্যই ইপ পরিবারের পক্ষ থেকেই এ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এমনকি ইপ পরিবারের জন্য নিযুক্ত বিশেষ রক্ষীদেরও ‘উইং চুন’ প্রশিক্ষণ নিতে হতো।
এদিকে ইপ মানকে যেতে হতো স্কুলে। যেখানে তার একদমই ভালো লাগতো না। তার ভাষায়, জোর করে কবিতা মুখস্থ করা, মুখস্থ লেখা এগুলো কোনো শিক্ষা না।
এ নিয়ে মানসিকভাবেই বিপাকে পড়েন ইপ। তারপরও নয় বছর পর্যন্ত স্কুলে গেছেন। এরপর তিনি একদিন চান ওয়া শুনের কাছে হাজির হলেন। তার ছাত্র হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বসেন।
চান শুরুতে ইপের অনুরোধ এতোটা গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি। চানের বয়স তখন ৬০ বছর। চানের অধিকাংশ ছাত্র তখন ৩০ বছরের উর্ধ্বে। সে সময় সম্ভ্রান্ত পরিবারের অনেকেই চাইতো না তাদের সন্তান কুং ফু’র প্রতি আকৃষ্ট হোক। এসব নিয়ে চান খুব বিব্রত ছিলেন। তিনিও চাইতেন না যে ইপ কুং ফু শিখুক। এজন্যই সে ইপকে বলল, ঠিকাছে আমি তোমাকে শেখাবো। তবে এজন্য তোমাকে বেতন দিতে হবে। তিনটি সিলভার খন্ড দিতে হবে।
চান ওয়া ভেবেছিলেন এ বাচ্চা ইপ এতো সিলভার কোথায় পাবে। কিন্তু ধারণাটি ভুল ছিল। সে পরের দিনই ৩০০ সিলভার খণ্ড নিয়ে হাজির হয়ে গেল। সেসময় এর সমপরিমাণ মূল্য দিয়ে একটি বাড়ি কেনা যেত। চান ওয়া ভাবলো এই ছেলে বোধ হয় ঘর থেকে চুরি করেছে। সে তখন ইপকে নিয়েই তার বাবা মা’র কাছে যায়। ইপের বাবা মা বিস্ময়ের সঙ্গে দেখলেন, ইপ অনেক আগেই থেকেই সিলভার জমাতো। এখন পর্যন্ত সে ৩০০ সিলভার জমিয়েছে। তার জমানো সব সিলভার নিয়ে সে হাজির হয়েছিল চান ওয়ার সামনে।
ছেলের আগ্রহ তীব্র বুঝতে পেরে বাবা মা রাজি হলেন। আর ইপ তখন চান ওয়ার ছাত্রদের খাতায় নাম লেখানোর সুযোগ পেলেন। এটি একটি ইতিহাস ছিল। কারণ ইপ ছিল আগের ২০০ বছরের প্রথম ছাত্র যার বয়স অত্যন্ত কম। বিপ্লবী উইং চুন স্টাইলের সর্বশেষ ছাত্র হিসেবেও ইপের নাম লেখা হলো। সেটা ছিল ১৯০৬ সালের ঘটনা।
জীবনের দ্বিতীয় ধাপ:
বৃদ্ধ চান ওয়া শুন ১৯১১ সালে মারা যান। প্রিয় শিক্ষকের মৃত্যুতে কিছুটা ভেঙে পড়েন ইপ। তিনি চলে যান হংকং। সেখানে সেন্ট স্টিফেনস কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন। হংকংয়ে পরিচয় হয় লিয়ান বাইকের সঙ্গে। তার ছেলে লিয়ান জান। সেও উইং চুন স্টাইলে প্রশিক্ষিত। তবে ভিন্ন আঙ্গীকে। ইপ পরিচিত হলো উইং চুন স্টাইলের ভিন্ন ধারার সঙ্গে। খুব আগ্রহ নিয়েই লিয়ান জানের কাছ থেকে তালিম নিত। তার সঙ্গে লড়তো। এতে করে সরাসরি কুং ফুর সঙ্গে মিশে যাওয়া যেত।
দীর্ঘ সময় পর ইপ ফিরে আসেন চীনে। তখন ইপ ‘উইং চুন’ স্টাইলের অন্যতম ধারক ও বাহক। সে সময় তিনি চীনের আর্মিতে কিছুদিন কাজ করেন। অনেক বছর তিনি কাউকে প্রশিক্ষণ দেয়নি। ১৯৪২ সালের দিকে জাপানিরা তাদের শহর দখল করে নেয়। সেটা ছিল কঠিন সময়। ইপের সব সম্পত্তি জাপানিরা দখল করে। অনেক সম্পত্তি নষ্ট করে দেয়। ইপ হয়ে পড়ে অসহায়। অর্থিক কষ্টতেও ভোগা শুরু করেন।
কয়েক বছর পর ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্টরা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। কমিউনিস্টরা তাকে পুলিশ প্রধানের দায়িত্ব দিয়ে বসে। এ জীবনটা ইপ মোটেও উপভোগ করছিল না। এদিকে পুলিশের কুং ফু শিক্ষকও করে দেওয়া হলো। কিন্তু ইপের কাছে কুং ফু একটি শিল্প। সে এটিকে দিয়ে মানুষকে দমানোর কাজ করত চায় না। সে শিক্ষক হতেও চায়নি। এ শিল্পকে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছে। কিন্তু এভাবে নয়। খুব কম সময়ের মধ্যেই প্রমাণ করলো যে শিক্ষক হিসেবে ইপ মোটেও যোগ্য নয়। তার চাকরি গেল। আবার আর্থিক সমস্যায় পড়ে গেলেন ইপ।
তারপরের গল্পটা তো শুরুতেই বলে দেওয়া হয়েছে। অভাবে পড়ে ছিল। সেখান থেকে অসুস্থ ইপকে তুলে নিয়ে আসলো কুং ফু স্কুলের শিক্ষক লিয়ান। সেখানেই বলতে গেলে প্রথমবারের মতো মন থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করলো ইপ মান।
ধীরে ধীরে ছাত্র বাড়তে থাকে। ছোট্ট স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে বাইরে চলে আসে। সেখান থেকে ছাত্রদের সহযোগিতায় গড়ে ওঠে স্কুল। প্রথমবারের মতো ‘উইং চুন’ স্টাইল পেল প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। কিন্তু মজার বিষয় ছিল, ইপ কখনও সামনে থেকে কাউকে প্রশিক্ষণ দেননি। তিনি ভেতরের পর্দার আড়ালে থাকতেন। তাকে শুধু দেখতে পেতো সামনের সারিতে থাকা যে কোনো একজন প্রিয় ছাত্র। সে ছাত্রকে অনুসরণ করতো বাকি সবাই।
এমন অদ্ভুত আচরণের ব্যাখ্যা তার অনেক ছাত্ররা দিয়েছে। অনেকে বলেছে, ইপকে অনেকেই বুড়া বলে কৌতুক করতো। এজন্যই সে সামনে আসতে বিব্রতবোধ করতো।
ইপের ছাত্রদের অন্যতম ছিল হলিউডের এক সময়ের সুপার স্টার ব্রুস লি। ইপের প্রিয় ছাত্র ব্রুস লি একবার বলেছিল, ইপ অসাধারণ মানুষ। কুং ফু সম্পর্কে তিনি একদিন আমাকে বলেছিলেন, বিশ্রাম ও শান্ত মনের অধিকারি হও। যখন লড়াই করবে তখন নিজেকে ভুলে যাও। তোমার মন ও আত্মা নিয়ে সওয়ার হও শত্রুর উপর। দেখবে শুধুই তার দেহের নড়াচড়া নয়, তার মনের গতিও তুমি ধরতে পারবে। শত্রুর মনের গতি ধরতে পারটাই হলো কুং ফু শিল্প।
ব্রুসলি ইপকে অধ্যাপক বলে ডাকতেন। তার কাছে ইপ হলো কুং ফুর অধ্যাপক। এমন মানুষ বিশ্বজগতে বড় প্রয়োজনীয়।
বয়স যত বাড়ছিল ইপ ততই রহস্যময় হয়ে উঠছিলেন। মানুষ তার দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া শুরু করে। একসময় স্কুলের ভাড়া পরিশোধ না করায় বিবাদেরও সৃষ্টি হয়। কিন্তু ছাত্রদের চেষ্টায় সেসব ঝামেলা মিটে যেত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে একাকিত্বের ফাঁদে ফেলে দিয়েছিলেন স্বেচ্ছায়। অনেকে বলেন, প্রথম স্ত্রী হারানোর বেদনা তাকে ছাড়েনি। এজন্যই এতো হতাশা।
ইপ মান প্রথম বলেছিলেন, উইং চুন বিক্রি হবে না। এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে। যারা কুং ফুকে ভালোবাসবে এবং ভালো কাজের জন্য ব্যবহার করবে তাদের জন্য এই স্টাইল উৎসর্গ করা হলো।
রহস্যময় এবং বিশ্ব কুং ফুর এ ধ্যানী শিল্পীর মৃত্যু ঘটে ১৯৭২ সালের ২ ডিসেম্বর। তার আগেই ১৯৭০ সালে তিনি ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। বলেন, অনেক হয়েছে। এবার তোমাদের দায়িত্ব।
বিদায় হয়ে যাওয়ার পর বিশ্ব কুং ফু প্রেমিরা আজও তাকে মনে করে। ইপ একবার বলেছিলেন, মানুষ কখনও অনুভব করে না- তাদের জীবন বদলে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো মানুষের জীবন ক্রমাগত বদলায়। কখনও এটি সামনে যায়। কখনও এক পর্যায় থেকে আরেক পর্যায়ে চলে যায়। এ বদলের প্রক্রিয়াটি যখন শুরু হয় তখন জীবন তোমাকে সময় দেয় অতীত ভুলে যাওয়ার। যারা ভুলে যায় তারা জয়ী হয়। যারা অতীত মনে রাখে তারা হতাশায় নিমজ্জিত হয়।
27/12/2012
"NASIRABAD SPORTS KUNGFU ACADEMY" ONE OF THE BEST KUNGFU ACADEMY IN CHITTAGONG. PHONE:-
01919388755,01817700883. 1531, East Nasirabad , Sholasahar 2 no Gate, 3 Storied Masjid Lane ( In front of S.P. Office), Beside:- Sermon School And College, Chittagong, Bangladesh.
23/12/2012
Chinese Kung Fu is a large system of theory and practice. It combines techniques of self-defense and health-keeping.
09/11/2012
"NASIRABAD SPORTS KUNGFU ACADEMY" ONE OF THE BEST KUNGFU ACADEMY IN CHITTAGONG. PHONE:-
01919388755,01817700883. 1531, East Nasirabad , Sholasahar 2 no Gate, 3 Storied Masjid Lane ( In front of S.P. Office), Beside:- Sermon School And College, Chittagong, Bangladesh.