03/10/2019
ভালবাসি তোমায়
����������
03/10/2019
একদিন আমিও ভালবেসেছিলাম...
বাহ, তারপর কি হলো...?
অনেক জনের ভিরে আমাকে আর
তার দরকার হয়নি....
পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ
এবং স্বাধীন কাজ হল
কল্পনা করা
তুমি যত বেশি
মূল্যবান, ততই
সমালোচনার
পাত্র হবে।
"কেউ যদি আপনার জীবনের,
অতীত ভূলিয়ে দিতে পারে!!
তাহলে খুব সম্ভবত সেই
আপনার জীবনের ভবিষ্যত!!"
______হুমায়ূন আহমেদ!!
লাভ,প্রেম, ভালবাসা, রিলেশনশিপ,কমিটমেন্ট আমাদের জীবনের কিছু গুরুত্ববহ কথা।প্রত্যেকটা মানুষ এগুলো চায়।ফেসবুক এর কল্যানে আজ এগুলো ২-১ঘন্টার ব্যাপার।আর ছেলেদের জীবনের একটা বিশাল পার্ট জুড়ে থাকে মেয়ে পটানো।
আব্বু বলে, একটা মেয়ে কারো প্রেমে পড়তে ১টা কারনই যথেষ্ট। কিভাবে?
তুমি ভাল লিখতে পারো ফেসবুক এ, তোমার প্রেমে হাজার বালিকা ক্রাশট, তুমি গিটার বাজাতে পারো,পাশের বাসার মেয়েটা তোমার প্রেমে ফিদা,তুমি ভায়োলিন বাজাতে পারো, পাড়ার সকল মেয়ে তোমার জন্য পাগল, তুমি কলেজে ভাল গাইতে পারো, জুনিয়র সিনিয়র অনেক আপুও তোমার সুরে পাগলী, তুমি নিউ মডেল BMW নিয়ে প্রাইভেট ভার্সিটি যাও, তোমার প্রেমে তোমার ডিপার্টমেন্ট এর অবিবাহিত ম্যাডাম ও পাগল।
মেয়েদের প্রেম সময় নির্ভর। আজ আপনার সুসময় শেষ কাল কে আপনি তার কাছে তার অতীত।কাল অন্য কেউ তার কাছে প্রিয়। আসলে মেয়েরা প্রেমে পড়ে সুধু অল্প কিছু বিষয় এর উপর। একটা মেয়ের থেকে যদি আপনি কোন কিছুতে বেশি পারদর্শী হন তাহলে সে আপনার প্রেমে পড়বে। কিভাবে?
আচ্ছা এই ঢাকা শহরে অনেক গরিব ছেলেরা টিঊশনি করে অনেক বড় ঘরের মেয়েদের কে।তারা কি দেখে ওই ছেলের প্রেমে পড়ে ভেবেছেন কি? ওই যে, তার থেকে ম্যাথটা ভাল পারে ছেলেটা। তাই ওই ছেলের প্রেমে পড়েছে সে।
একটা মেয়ে চাইলেই একসাথে অনেক ছেলের সাথে প্রেম চালিয়ে যেতে পারে কোন অসুবিধা ছাড়াই।আর ইচ্ছে হলেই ব্রেক আপ।পার্ক এ গিয়ে মেয়েটা ব্রেক আপ করে চলে যাচ্ছে ছেলেটা একটু জোর করে কিছু বললেই মেয়েটা চিতকার করে উঠে বলে তাকে উত্তক্ত করছে ছেলেটা। আর সাথে সাথেই ২০-২৫জন যুবক এগিয়ে যায় মেয়েটার সাহায্যকারী হিসেবে।ব্যস
হয়ে গেল ভাল ভাবেই চলে গেল মেয়েটা। আর ওই মেয়ের যায়গায় যদি কোন ছেলে চিতকার করে বলতো ভাই কেউ বাঁচান আমাকে এই লোকগুলো ছিনতাই কারী আমাকে মেরে ফেলছে। কেউ ফিরেও তাকাবে না মৃত্যু যন্ত্রনায় আর্তনাদ করা ছেলেটার দিকে।
আজ যেই মেয়েটা ফেসবুক পাসওয়ার্ড আপনাকে দিল কাল কেই হয়তো আপনার জন্যই পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করবে, হয়তো ব্লক,না হয় id ডি একটিভ করবে, নাম্বার টা বদলে ফেলবে। সেদিন রাতেও সে রাত জেগে ফোন এ গল্প করবে শুধু বদলে যাবে ফোনের অপর পাশের মানুষটা।আবার কাউকে স্বপ্ন দেখাবে, আবার নতুন নামে নতুন কারো সাথে করবে রিলেশন। মেয়েদের রিলেশন শুরু কখন হয় & শেষ কখন হয় সেটা তারা নিজেও জানে না।কেউ একজন বলেছিল মেয়েদের মন অনেক পরিস্কার হয় কারন তারা প্রতি মাসে মন আপডেট করে।
প্রেমিকার এর জন্য ছেলেরা বাবার কাছ থেকে মিথ্যা বলে হাজার টাকা দিয়ে গিফট দেয়।তারা হয়তো জানেও না যে তার বাবা অসুধ না কিনে টাকা টা তাকে পাঠাইছে।
এই মেয়ের প্রেমের জন্য ছেলেটা জীবন দিতে প্রস্তত।আর জীবনের ২০-২৫টা বছর তাকে দেয়া তার মা-বাবার ভালবাসা আজ তার কাছে কিছুই না।
আব্বু বলে, একটা ছেলেকে যোগ্য করতে তার মা বাবার লাগে ১৮-২৫বছর। আর তাকে নষ্ট করতে একটা মেয়ের লাগে ১৮-২৫মিনিট।
হায় রে ভালবাসা!!!!
প্রেমিকা সকালে খাইছে কি না সেটা জানতেই যুবকের সময় থাকে না।বাড়িতে থাকা তার মা-বাবা গত ২দিনে কিছু খাইছে কিনা সেটা জানার আগ্রহ ছেলের নেই।ঈদ এ প্রেমিকা কে গিফট দিতেই টাকা শেষ। একবার মনে পড়ে না তার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মা বাবা ঈদ এ একটা গেঞ্জি ও না কিনে টাকা টা তাকে দিয়েছে।
প্রতিটা মেয়ে একাসাথে ২-৩টা চরিত্র নিয়ে চলতে পারে।প্রতিটা মেয়েই খারাপ শুধু ব্যক্তি বিশেষে সেটা প্রকাশ পায়।কেউ প্রকাশ করে কেউ করেনা।নোংরা কাজ সবাই করে কারো টা জানা যায় কারো টা যায় না।
একটা মেয়ে চাইলেই একটা ছেলের জীবন নিয়ে মধুর খেলা খেলতে পারে।মেয়েরা প্রেম করার জন্য অপশন রাখে।একটা মেয়ে একি সাথে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার ২জন এর সাথে প্রেম করে। একটার সাথে না হলে অন্য টা তো আছেই।মেয়েরা প্রেম করার সময় জানতে চায় না ছেলে কি করে, শুধু প্রেম এর মজা থাকলেই হল।কিন্তু বিয়ের কথা বললেই তার বাবাকে বলতে হবে & তার আব্বু তাকে বলছে কোন বেকার ছেলের সাথে না কোন ডাক্তার এর সাথে তার বিয়ে দিবে। কেন প্রেম শুরুর আগে মেয়েটা জানতো না যে ছেলেটা বেকার???
আব্বু বলে, মেয়েরা মরিচিকার মত।দেখা যায় ধরা যায় না।মেয়েদের মন বুঝার মত বয়সে পুরুষ রা কখনই পৌছায় না।
একটি মেয়ে কে কখনই কেউ বুঝতে পারে নি পারবেও না।
তাই মেয়ে নামক এই মরিচিকার পিছনে না ছুটে পরিবার কে ভালবাসতে শিখুন। যখন ২০-২৫টা বছর আপনার পরিবার আপনার ভাল চেয়েছে তখন বাকি জীবন টা তাদের উপর ভরসা রাখুন।
অনেকেই বলতে পারেন লেখকের কাছে "আঙুর ফল টক"।বেটা নিজে ছ্যাকা খাইছে তাই সবাইকে প্রেম করতে দিবে না। না রে ভাই ছ্যাকা খাই নাই কিন্তু নিজের জীবন & নিজের পরিবার কে ভালবাসি।
বি:দ্রঃ ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ নয়।ভাল মানুষ & ভাল মেয়ে আছে বলেই আমরা আমাদের মা বোন কে ভাল জানি।
সব মেয়েই খারাপ হতে পারে কিন্তু কোন/কারো মা অথবা কারো বোন কখনই খারাপ না। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
লেখকঃনিলয় আহসান নিশো
সিগারেট দ্বারা ধর্ষিত,
কালো ঠোটগুলোর পিছনে
একটা মেয়ের মিথ্যা ভালোবাসার গল্প জড়িত..!
ওর সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা
হয়েছিলো।
বাসর রাতে ওর প্রথম প্রশ্ন ছিলো,কয়টা
প্রেম করছেন?
আমি ওর মুখের দিকে অনেকক্ষন তাকিয়ে
ছিলাম।
আবার বলেছিলো,কয়টা প্রেম করছেন?
আমি বলেছিলাম একটাও না!
উওরটা শুনে অনেক খুশি হয়েছিলো।বলেছিল
ো,এখন থেকে শুধু আমাকেই
ভালোবাসবেন,অন্য কোন মেয়ের দিকে
তাকালে মেরে ফেলবো!
ও আমাকে কতটা ভালোবাসে বুঝছিলাম
সেই দিন।যেদিন আমি ওর চাচাতো বোনের
সাথে হেসে হেসে কথা কিছুক্ষন
বলছিলাম।
ও আমাকে জড়িযে ধরে সে কি কান্না!
আমাকে বলেছিলো, তোমাকে না বলেছি
আর
কারো সাথে কথা বলবে
না।আমি মরে গেলে ইচ্ছেমত কথা বলো!
তখন আর নিষেধ করবো না!
ওর কাঁন্না দেখে আমি নিজেই
কেঁদেছিলাম।
ও আমাকে বলেছিলো,আমি নাকি
বাবা হবো!
কথাটা শুনে যে কি খুশি
হয়েছিলাম বোঝাতে পারবো না!
ওকে কোলে করে সারা বাড়ি ঘুরেছিলাম।
ও আমাকে বলতো রান্না করার সময় ওকে
পিছন থেকে জড়িয়ে না থাকলে
নাকি ওর রান্না করতে ইচ্ছে করে না।
আমি ওর সব আবদার হাসি মুখে পুরন
করতাম।
বড্ড ভালোবাসতাম ওকে।
এখনো বাসি।
ও আমাকে বলেছিলো,আমাকে জড়িয়ে ধরে
না ঘুমালে নাকি ওর ঘুমই আসে না!
সারারাত জড়িযে ধরে থাকতো।
তাই কোথাও রাতে থাকতাম না যত রাতই
হোক বাসায় আসতাম!
ও যখন ৬ মাসের অন্তঃসন্তা তখন আমাকে
বলেছিলো,আমাকে ছাড়া তোমার কেমন
লাগবে গো?
আমি ওর কথা উওর দিতে পারি নি শুধু
কেঁদেছিলাম!
ও আমাকে প্রায় বলতো,আমার যদি কিছু
হয়ে যায় তুমি আবার আরেক টা বিয়ে করো
না যেন!
মরে গিয়েও তোমাকে অন্য কারও হতে
দিবো না!
আমাকে ভুলে যেও না।
ওর কথা শুনে কাঁদতাম।
ঘুমানোর সময় আমাকে বলতো,আমাকে
ছাড়া ঘুমানোর চেষ্টা করো?
বলা তো যায় না..........
আমি ওকে আরও জড়িয়ে শক্ত করে জড়িয়ে
ধরতাম!
একদিন ওর ব্যথা উঠলো! সাথে সাথে ওকে
হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।
ও আমাকে বলেছিলো,আমার যদি
কিছু হয়ে যায় প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না!
বড্ড ভালোবাসি তোমাকে।
কথাটা শুনে কান্না ধরে রাখতে পারি নি!
ওকে বলেছিলাম,কিছু
হবে না তোমার আমি তো আছি।
কিছু হতে দিবো না!
ও আমাকে বলেছিলো,
শেষ বারের মত একবার
বুকে নিবে?
কথাটা বলেই হাউ মাউ
করে কেঁদে দিছিলো!
আমিও কান্না ধরে রাখতে পারি নি।ও
আমাকে ছেড়ে দিতে চাইছিলো না,
জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলো!
আমিও কাঁদছিলাম!
সবাই হা করে তাকিয়ে
ছিলো।
নিয়েছিলাম ওকে বুকে
কিন্তু এটাই যে শেষবার বুঝতে পারি নি।
বুঝতে পারলে কখনোই ছেড়ে দিতাম না।ও
আমাকে
বলছিলো,আমার সাথে তুমিও চলো আমার
খুব ভয় করছে!
ডাক্তারকে কত বার
বলেছিলাম,আমিও ওর
পাশে থাকবো!
কিন্তু আমাকে যেতে দিলো না।
অপারেশন থিয়েটার থেকে একটা বাচ্চার
কান্নার আওয়াজ শুনলাম।
বাচ্চাকে পেলাম,কিন্তু ওকে আর পেলাম
না!
পাগলেন মত ওর কাছে
গেলাম,দেখলাম সাদা কাপড় দিয়ে ওকে
ঢেকে রাখছে।
কাপড়টা সরাতেই অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম!
জ্ঞান ফিরার পর দেখলাম ওকে খাটলিতে
শুয়ে রাখছে।
ওর কাছে গেলাম।বলেছিলাম,এই কই যাও
আমাকে ছেড়ে?
আমার রাতে ঘুম হয় না
তোমাকে ছাড়া জানো না?
তোমাকে না জড়িয়ে ঘুমালে আমার ঘুম হয়
না
জানো না?
কেন চলে যাচ্ছো?
এই উঠো উঠো অনেক তো ঘুমালা আর কত
ঘুমাবে?
আমার কথা মনে পড়েনি?
এই তুমি না বলেছিলে আমার চোখের জল
তুমি সহ্য করতে পারো না!
এই দেখো আমি কাদছি,
এই উঠো,আরে উঠো না!
প্লিজ উঠো!
ও শুনলোই না আমার কথা ঘুমিয়ে থাকলো!
ওকে যখন নিয়ে যাচ্ছিলো আমি পাগলের
মত আচরন করছিলাম।
তবুও উঠলো না!
চলে গেলো।
ও আমাকে বলতো যে দিন হারিয়ে যাবো
সেই দিন বোঝবে কতটা ভালোবাসি
তোমাকে!
চলে গেলো,হারিয়ে গেলো!
১০ বছর ধরে তার স্মৃতি বুকে নিয়ে বেঁচে
আছি।
ছোট্ট মেয়ে বুঝতে শিখেছে।আমাকে বলে
আব্বু আম্মুর জন্য আর কেঁদো না।তোমাকে
আর কাঁদতে দিবো না!
বলে চোখের পানি মুছে দেয়।আবার চোখ
জলে ভরে উঠে,আবার মুছে দেয়।
"তুমি যাকে চাও, সে তোমাকে চায় না"
আর
"তোমাকে যে চায়, তুমি তাকে চাও না"
পৃথিবীর সব ধরণের একাকীত্ব আর নিঃসঙ্গতার পেছনে এই সহজ রকমের জটিল কারণ দুইটি দায়ী !!"
'আপনি একজনের বিশ্বাস ভাঙলে আপনার বিশ্বাস আরেকজন ভাঙবে এটাই "নিয়ম"
তাই ভালোবাসার মানুষটার উপরে বিশ্বাস রাখুন।
"নিভে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলে কারো জীবনের আলোর প্রদীপ হয়ে এসো না।
কারণ, মানুষ না পাওয়ার বেদনা ভুলতে পারে কিন্তু,
পেয়ে হারানোর বেদনা কখনো ভুলতে পারে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Safiqurrahaman2021@yahoo. Com
Chittagong
4000