29/01/2020
Kalakakaly School Debating Society-KSDS
কলকাকলি উচ্চ বিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত
29/01/2020
23/10/2019
02/10/2019
4 Years ago, on this day.
বিলম্বে ছবি প্রদানের জন্যে দুঃখিত।সকলের কাছে দোআ প্রার্থী।
01/08/2019
সততা সংঘ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
কলকাকলি স্কুল ডিবেটিং সোসাইটি শিক্ষার্থীদের সমাজের যোগ্য এবং যুক্তিবাদী মানুষ গড়ে তোলার কারিগর।
সম্প্রতি ঢাকার বিতর্ক অঙ্গনে যৌন হয়রানির যে অভিযোগ এসেছে তা খুবই উদ্বেগ জনক। এই ধরনের ঘটনাকে KSDS সব সময়ই ঘৃণার চোখে দেখে। যারা সাহসীকতার সাথে ওইসব নরপশুদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। KSDS চিহ্নিত এসব নরপশু এবং তাদের সাথে সংলিষ্ট ক্লাবকে চিরদিনের জন্য নিষিদ্ধ করছে এবং ভবিষ্যতে ওদের আয়োজনে না যাওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে।
12/04/2019
বিতর্ক কি?
তর্ক-বিতর্ক-কুতর্ক!
তোমাদের মধ্যে অনেকে "বিতর্ক" শব্দটি শুনলে ঘাবড়ে যাও। অনেকে আবার বিতর্ক নিয়ে ঠাট্টা করে বলে ফেলে এটা তো আজাইরা ঝগড়াঝাঁটি। তর্ক-ফর্ক দিয়ে কি হবে! অনেকে আবার এটাকে কুতর্কও বলে ফেলে। আসলে বিতর্ক এমনটি একদমই নয়। বিতর্ক হল বিশেষ ভাবে তর্ক। যেখানে শান্ত গলায়, নম্রতার সহিত যুক্তি দিয়ে লড়াই করতে হয়। যেটা একদিনেই সম্ভব না, ধীরে ধীরে রপ্ত করতে হয়। তাই বিতর্ক হল একটি শিল্প।
একটুখানি মোটিভেশনঃ-
আমি অনেক আড্ডাবাজ বন্ধু দেখেছি যারা বিভিন্ন বিষয়ে তর্ক করে। এক পর্যায়ে সমাধা করতে না পেরে পরস্পরের দফারফাও করে ফেলে বৈ কি!
কিন্তু বিতার্কিকদের বিচার বিশ্লেষণ হয় সবার থেকে আলাদা। বিতর্ক করতে গিয়ে পররাষ্ট্রনীতি, সংবিধান, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সাম্রাজ্যবাদ, তথ্যপ্রযুক্তির ইত্যাদির মত বিষয় নিয়ে জেনে ফেলো। ফলে যেকোনো আলোচনায় পরীক্ষার প্রশ্নের মত তোমার কাছে বিষয় গুলা কমন পড়ে যায়! এমন কি বাসায় যখন আব্বুরা টক শো দেখে তোমার কাছে বোরিং মনে হয় না! পত্রিকায় বিজ্ঞের মত বিনোদন পাতা উল্টিয়ে সম্পাদকীয় পড়ে ফেল! তখন আব্বু ভাবে "ভাহহ, আমার সন্তানতো দিন দিন মেধাবী হয়ে যাচ্ছে! এর রহস্য কি?" এর রহস্য হল বিতর্ক হতে প্রাপ্ত জ্ঞান। আর এটা একদিনে রপ্ত করা সম্ভব না, আবার কুংফু ক্যারাটের মতও না! ভার্সিটিতে অনেকে প্রেজেন্টেশন /ভাইবা বোর্ডে নার্ভাস হয়ে যেতে দেখা যায়। আর যে বন্ধুরা স্কুল-কলেজে টুকিটাকি বিতর্ক করে এসেছে তারা বাজিমাত করে দে! তাছাড়া, উচ্চ শিক্ষার জন্য স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে যখন বিশ্ববিদ্যালয় যাবে অথবা দেশের বাইরে পড়তে যাবে তখন তোমার স্কুল-কলেজ থেকে এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিসে অর্জিত "Skill" আর সার্টিফিকেটগুলা তোমাকে এক অনন্য জায়গায় পৌছে দিবে! যদিও আধুনিক বিশ্বে তোমার Skill দিয়েই তোমাকে বিচার করা হবে, তোমার সার্টিফিকেট না। তোমার সার্টিফিকেট শুধু তুমি যে Skillful সেটার প্রমাণ দিবে মাত্র।
তোমার যে বন্ধু বিতর্ক করে না এবং তোমাকে, পাশাপাশি রেখে কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে, যে কেউ তোমাকে আলাদা করতে পারবে। তোমার নিজেকে বলতে ইচ্ছে করবে "আরে, আমিতো স্মার্ট! "। আবার বিতর্ক করতে হলে তোমাকে ক্লাসে ফার্স্টও হতে হবে না। কিন্তু বিতর্কের উদ্দেশ্য একদমই এটা নয় যে, তোমাকে স্মার্ট বানাবে। এটা বিতর্কের সয়ংক্রিয় প্রসেস। বিতর্কের উদ্দেশ্য হল তোমাকে যুক্তিবাদী মানুষ করে গড়ে তোলা, চিন্তা জগতকে প্রসারিত করা, সমাজে নেতৃত্বগুণাবলী প্রদান করা প্রভৃতি।
বিতর্কে আসলে কি?
২০১৮ ফুটবল বিশ্বকাপ যখন হচ্ছিল তখন তুমি এবং তোমার বন্ধুরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কে সেরা এটা নিয়ে তর্ক করা শুরু করে দিলে। যারা ব্রাজিল সাপোর্টার তারা লজিক দিল যে, ব্রাজিলতো ৫বার ওয়ার্ল্ড কাপ নিসে, আর কেউ কি পেরেছে? আবার আর্জেন্টিনা সাপোর্টাররা বলল, "ম্যারাডোনা, মেসির মত সেরা খেলাওয়াড় কি কোনো দলে আছে?" এভাবে একে একে তোমরা তথ্য দাও এবং শেষে লজিক দিয়ে বল যে কোনো দল সেরা! আবার প্রতিপক্ষের লজিক মেনে না নিতে পেরে মেঘনাদ বধ কাব্য রচনা করে ফেলো কখনো কখনো!
বিতর্কও হুবহু এই রকম কিন্তু এখানে বধ কাব্য রচিত হয়না । বিভিন্ন বিষয় দিয়ে এভাবে তোমাকে তর্ক করতে বলা হয়। তবে, একটা নিয়মে নীতির মধ্য দিয়ে করলে ভালো হয়, তাহলে দফারফা হওয়ার চান্স থাকবে না! এভাবে কিছু নিয়ম কানুন মেনে একজন বিতার্কিক অন্য বিতার্কিককে যুক্তির মারপ্যাঁচ দিয়ে কাবু করে ফেলে। তাই, যুক্তি দিয়ে, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তর্ক করার নামই বিতর্ক। মনীষীরা বলছেনঃ- Logic is the sword। বিতার্কিকদের বিতর্ক জীবন থেকে ব্যক্তিগত জীবন সবখানে তাদের কাছে যুক্তিই হল অস্ত্রের ন্যায়।
বিতর্ক কীভাবে পারব? এর তো অনেক নিয়ম!
ক্রিকেট-ফুটবলকে তোমরা অনেক ফর্মেটে খেলো। যেমন, ক্রিকেটে শর্টপিচ ফরমেট খেল যেখানে নিয়ম বানাও ব্যাটসম্যান সিক্স মারলে আউট হয়ে যাবে। আবার ফুটবলে মিনিবারে গোলকিপার হাতে বল ধরতে পারবে না। বিতর্কেরও এমন অনেক ফরমেট রয়েছে। এসব ফরমেটের হালকা কিছু নিয়ম নীতি রয়েছে। এগুলা জেনে নিয়ে প্রেকটিস করলেই ব্যস! তুমি একটা পাক্কা ডিবেটার! আমাদের দেশে, সনাতনী, সংসদীয়, বারোয়ারী বিতর্ক অধিক হয়ে থাকে।
তোমরা অনেকে হয়ত বিটিভিতে বিতর্ক দেখে থাক। স্বপ্ন দেখো, "আমিও একদিন টেলিভিশন বিতর্ক করব"। বিটিভির এই বিতর্কটা সনাতনী ফরমেটে হয়ে থাকে। এটি অন্যতম জনপ্রিয় বিতর্ক ফরমেট। এই ফরমেট যারা ভালো করে রপ্ত করতে পারে, তাদের অন্যান্য ধরনের বিতর্ক সহজ হয়ে যায়। প্রেকটিসের জন্য বিতর্কের এই ফরমেটটা দারুণ কাজে দে। বিতর্কের নিয়ম কানুন আপাতত দৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, একবার নিয়ম শিখে গেলে নিয়মের বেড়াজাল ধরা সহজ হয়ে যায়। যেমনটা, তোমরা মোবাইলে একটা গেইম খেলার আগে, গেইমটার নিয়ম কানুন জেনে নাও, তারপর বেচারা একটাকে SUBWAY কিংবা কোনো Temple এর রাস্তাতে অনবরত দৌড়ায়ে কয়েন জমা কর। তাই বেশি বেশি বিতর্ক করে নিজের যুক্তিবোধ বৃদ্ধি কর।
সকল বিতার্কিকদের জন্য শুভকামনা!
লিংকঃ
বিতর্ক কি? তর্ক-বিতর্ক-কুতর্ক! তোমাদের মধ্যে অনেকে "বিতর্ক" শব্দটি শুনলে ঘাবড়ে যাও। অনেকে আবার বিতর্ক নিয়ে ঠাট্টা করে বলে ফেল...
11/04/2019
বিতর্ক ওয়ার্কশপ-২০১৯
বিষয়ঃ বিতর্কের অ আ ক খ-সনাতনী বিতর্ক-২
মেন্টরঃ Aminul Islam
20/03/2019
This is our blogsite.
www.ksds.co.vu
Reconstitution of KSDS Kalakakaly School Debating Society-KSDS is going to start up the milestone with thousands of goal and aspiration. The legacy of being champ...
20/03/2019
Kalakakaly School Debating Society-KSDS is going to start up the milestone with thousands of goal and aspiration. The legacy of being champion of the champions will be continued with the new ambitions.
Today a glimpse of reconstitution of the KSDS had held at the School with the fresher debaters. Freshers are very enthusiastic and they have a lot potential to fight with. KSDS will be adorned with new structure of Students Committee, Teachers Committee and The Alumni.
KSDS will arrange weekly sessions for the members by the Alumni and reputed Debaters of the city. And will arrange monthly INTRA-KSDS debate competition to strengthen the debaters for nationally.
Teacher Mrs. Gita Banik conducted the first meet up of this year.
Ssayeed Bin Mohiuddin, Mahmud Musa,Sabbir Ahammad Zidan, Aminul Islam, Younus Mostafa Sanny, Sk Rafiquzzaman and Amir Abdullah Khan Kafi gave a short sessions about debate to the freshers. They also motivate the members and showed the success path.
KSDS heartily thanks to the senior for being with us.
KSDS is going to bring some surprises to the debate circuit.
Stay tuned..
08/03/2019
গল্পটি বেশ পূরানো।
একদিন ক্লাসে একরাম স্যার দৈনিক সমকাল পত্রিকা নিয়ে এসেছিলেন, এর আগেও অন্য একটি দৈনিক এনে আমাদের দেখিয়েছিলেন। স্যার আমাদের দেখাচ্ছিলেন প্রমা আপু, সাইমা আপু, নাঈম ভাইয়া কীভাবে যুক্তির লড়াইয়ে অন্যান্য স্কুলকে পরাভূত করেছেন। বলতে দ্বিধা নেই আমরা স্কুল হিসেবে অনেক স্কুল থেকে পিছিয়ে। অনেক সময় বিতার্কিক হিসেবে বাইরে হেয় হওয়ার ঘটনাও আমাদের আছে। স্যার যখন পেপারে ভাইয়া-আপুদের ছবি দেখাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন তোমাদেরও এমন কিছু করিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে!
বিতর্ক কিংবা বক্তৃতা দেয়ার কথা বললে তখন মনে শুধু একটা কথায় বেজে উঠতো, কিভাবে ভালোই ভালোই কেটে পড়ি!
তবুও আমি তখন মনে মনে স্বপ্ন বুনছিলাম কীভাবে সেখানে পৌছানো যায়! পরে দেখতে পেলাম স্বপ্ন বুনতে আমি একা নই! সাথে অনেকে আছে! মুসা, সাব্বির, সানি, শিহাব, নাইমুল, মীম, লামিয়া, সীমা আরও অনেকে!
অনবদ্য সীমা ম্যাডাম নিজ হাতে আমাদের বিতার্কিক হিসেবে গড়ে তুলতে লাগলেন, যেভাবে তিনি ভাইয়া-আপুদের তুলেছিলেন!
গীতা ম্যাডামের, বাচন ভঙ্গি, ব্যাকরণ, উচ্চারণ শিখালেন। সাথে ছিলেন, কহিনুর ম্যাডাম, মুজীব স্যার, করিম স্যার, রশীদ স্যার। সবচেয়ে যার পৃষ্ঠপোষকতা ছিলেন, তিনি আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক রফিক স্যার। শুরুতে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক আহমুদুল হক স্যারের অবদান অতুলনীয়!
এভাবে, ৩জন বিতার্কিক থেকে হয়ে গেল ৩০জন!
বড় ভাইয়ারা যাওয়ার কিছুদিন ট্রফি আনা থেমে গিয়েছিল। আসলে সময়টাকে আমরা কোষ বিভাজনের ইন্টারফেজ বলতে পারি। কারণ, তখন আমরা প্রস্তুত হচ্ছিলাম।
দৃষ্টি স্কুল অব ডিবেট এও প্রশিক্ষণ নিলাম আমরা কয়েকজন। কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল আসছিল না।
সীমা ম্যাডাম অনেক প্র্যাক্টিস করিয়ে, আমাদের পাকাপোক্ত করে তুললেন। গড়ে তুললেন, মুসা, সাব্বিরকে। যাদের যুক্তি ধারালো আঘাত সন্ত্রস্ত করে তুলত প্রতিপক্ষকে।
অবশেষে, ২০১৪তেই আসে সফলতা তাও আবার প্রথম আলো-তারুণ্য উৎসব। যেখানে, জেলার সবচেয়ে সেরা স্কুল গুলোকে হারিয়ে সফলতা এসেছিল। এরপরের ব্যর্থতা হচ্ছে, আমরা আর কখনো রানার্স আপ হইনি। হয়ত প্রথম রাউন্ডে বিদায় নয়ত চ্যাম্পিয়নশিপ। একটু আত্মসুনাম করে ফেললাম!
এরপর, স্কুলে একটা সুসংগঠিত ক্লাবের অভাববোধ করছিলাম। সীমা ম্যাডাম আর গীতা ম্যাডামকে জানালাম। ম্যাডামদের সহযোগীতায়, প্রধান শিক্ষক মহোদয় আমাদের আবেদন এক বাক্যে গ্রহন করেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
অতঃপর, সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনীয়ে আসছে। ডিবেটিং সোসাইটি করা হবে। হয়ে গেল কমিটি।
সীমা ম্যাডাম ঠিক করে দিলেন কমিটি কেমন হবে। তারপর ঠিক করা হল অভিষেক অনুষ্ঠান।
কলকাকলি স্কুল ডিবেটিং সোসাইটি নামে কোনো সংঘটন আত্মপ্রকাশ পাবে ৮মার্চ, ২০১৫ তে।
অতঃপর, সেদিন থেকে Kalakakaly School Debating Society (KSDS) এর জন্ম।
আজকে কলকাকলি স্কুল ডিবেটিং সোসাইটির ৪র্থ জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন KSDS.
পাঠিয়েছেন-
আমিনুল ইসলাম
সাবেক প্রেসিডেন্ট(২০১৫-১৬)
গ্রাফিক্স
মাহমুদ মুসা
সাবেক জেনারেল সেক্রেটারি(২০১৫-১৬)
কলকাকলি স্কুল ডিবেটিং সোসাইটি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Agrabad
Chittagong
4100
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 13:30 |
| Tuesday | 09:00 - 13:30 |
| Wednesday | 09:00 - 13:30 |
| Thursday | 09:00 - 13:30 |
| Saturday | 09:00 - 13:30 |
| Sunday | 09:00 - 13:30 |