BebshaPath

Directions Website

BebshaPath – আমদানি রপ্তানি ব্যবসার সম্পূর্ণ গাইডলাইন: https://bebshapath.com
🪜 আমদানি রপ্তানির এ টু জেড সবকিছু এক প্লাটফর্মেঃ https://eximtool.com

At BebshaPath, we are dedicated to empowering individuals and businesses to reach their full potential. Our mission is to guide you through the intricacies of business development, personal growth, and wealth management, ensuring you have the tools and knowledge to succeed in every endeavor. Whether you're an aspiring entrepreneur looking to start your own business, a professional seeking to advance your career, or someone interested in optimizing your financial well-being, BebshaPath is here to illuminate your path. We offer comprehensive resources, expert insights, and personalized guidance tailored to your unique needs and goals. Our Key Focus Areas:

Business Development:

Startup Support: From ideation to launching, we provide step-by-step guidance on creating a viable business model, securing funding, and establishing your brand. Growth Strategies: Learn to scale your business with effective marketing, operations management, and strategic planning. Innovation and Trends: Stay ahead with insights on the latest industry trends, technological advancements, and innovative practices. Personal Growth:

Leadership Development: Enhance your leadership skills with training in emotional intelligence, team management, and decision-making. Skill Enhancement: Access resources for continuous learning in areas like communication, time management, and critical thinking. Mindset Transformation: Cultivate a growth mindset through workshops and seminars focused on resilience, adaptability, and positive thinking. Wealth Management:

Financial Literacy: Build a strong foundation with courses on budgeting, saving, and understanding financial instruments. Investment Strategies: Learn to invest wisely with advice on stocks, bonds, real estate, and other asset classes tailored to your risk tolerance and goals. Retirement Planning: Plan for your future with comprehensive strategies to ensure financial security and peace of mind in your retirement years. Join BebshaPath and embark on a journey towards achieving your dreams and aspirations. Let us be your trusted partner in navigating the complexities of business and life, guiding you every step of the way.

25/08/2026

এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট এখন আরো সহজ! কোর্সের মাধ্যমে ব্যবসা শেখা, মার্কেট ডাটার মাধ্যমে ব্যবসা বুঝা, এবং টুলস-বায়ার-সাপ্লায়ার ডাটা দিয়ে ব্যবসা করা, সবকিছূ এখন এক জায়গায়!! সহজেই শুরু করুন আপনার ইম্পোর্ট এক্সপোর্ট ব্যবসা!

বিদেশের সুপারমার্কেটে যে কাপড়ের শপিং ব্যাগ কয়েক ডলারে বিক্রি হয়, সেটার কাঁচামালটা আসে আমাদের দেশ থেকেই। অথচ ব্যাগ বান...
23/08/2026

বিদেশের সুপারমার্কেটে যে কাপড়ের শপিং ব্যাগ কয়েক ডলারে বিক্রি হয়, সেটার কাঁচামালটা আসে আমাদের দেশ থেকেই। অথচ ব্যাগ বানিয়ে টাকাটা তুলছে অন্যরা।

ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত, তাই না? বাংলাদেশ একাই দুনিয়ার প্রায় ৫৮% পাট ফলায়, মানে যে জিনিসের জন্য সারা বিশ্ব আমাদের ওপর নির্ভরশীল, সেটার উৎস আমাদের হাতে। অথচ আমরা বেশিরভাগ সময় বেচি কাঁচা পাট বা সুতা, আর সেই সুতা দিয়ে সুন্দর ব্যাগ বানিয়ে কয়েকগুণ দামে বেচে বিদেশি ব্র্যান্ড।

কেন হঠাৎ এই ব্যাগের এত চাহিদা? কারণ দুনিয়াজুড়ে প্লাস্টিকের ব্যাগ একের পর এক নিষিদ্ধ হচ্ছে। আর প্লাস্টিক বন্ধ হলে মানুষের বিকল্প লাগবেই, বাজারে, ফ্যাশনে, কর্পোরেট গিফটে। এখানে "পাটের ব্যাগ" বলতে সেই পুরোনো চটের বস্তা ভাববেন না। দুনিয়া এখন চায় স্টাইলিশ টোট, বিচ ব্যাগ, ল্যাপটপ ব্যাগ, ব্র্যান্ডেড শপিং ব্যাগ। জুট ব্যাগ এখন রীতিমতো ফ্যাশন পণ্য, আর এর বিশ্ববাজার সামনের কয়েক বছরে কয়েকগুণ বাড়বে বলে অনুমান।

এবার সবচেয়ে ভালো ব্যাপারটা, যেটা তরুণ উদ্যোক্তার জন্য এই লাইনটাকে সহজ করে দেয়। এই ব্যবসায় বিশাল কারখানা লাগে না। দেশে এমন ছোট ছোট ইউনিট আছে যারা মাত্র কয়েকটা মেশিন নিয়ে জুট-কটনের ব্যাগ বানিয়ে বিদেশে পাঠাচ্ছে। কাঁচামাল হাতের কাছে, কারিগর আছে, আর আসল পার্থক্যটা বানায় ডিজাইন আর ফিনিশিং, ঠিক যেখানে একজন নতুন উদ্যোক্তা সহজে ঢুকতে পারে।

প্রসেসটা একটু বলি, তাহলে ভয় কমবে। জুট ব্যাগ পচনশীল খাবার না, তাই লেবু-সবজির মতো ফাইটোস্যানিটারি বা কোল্ড চেইনের তাড়াহুড়া নেই। শুকনো, হালকা, অনেকদিন টেকে, সাধারণ কন্টেইনারে জাহাজে দিব্যি যায়। নিয়মিত ও বৈধভাবে রপ্তানি করতে লাগে ট্রেড লাইসেন্স, e-TIN, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর CCI&E থেকে ERC. জুট সেক্টরের সংগঠন (যেমন BJGEA বা ডাইভার্সিফায়েড পণ্যের জন্য JPMEA)-এর মেম্বার হলে কাঁচামাল সোর্সিং, ক্যাশ ইনসেনটিভ আর বায়ার-নেটওয়ার্ক সহজ হয়। সরকারের JDPC আবার বিনামূল্যে ট্রেনিং আর বায়ার-সেলার মিটও করায়।

তারপরও সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা থেকে যায়, রিয়েল বায়ার কোথায়?

জুট ব্যাগের বায়ার সাধারণত বিদেশি ইকো-ব্র্যান্ড, সুপারমার্কেট চেইন, কর্পোরেট গিফট কোম্পানি আর লাইফস্টাইল রিটেইলার। এদের খুঁজে বের করা আর যাচাই করাটাই আসল কাজ, আর এখানেই বেশিরভাগ মানুষ থেমে যায়, কারণ হাতে ভরসা করার মতো রিয়েল কন্টাক্ট থাকে না।

ঠিক এই জায়গাটার জন্যই EximTool. প্রোডাক্ট লিখে সার্চ দিলেই সামনে চলে আসে HS কোড, ডিউটি, কোন দেশে ডিমান্ড বেশি, স্টেপ-বাই-স্টেপ এক্সপোর্ট প্রসেস গাইড, আর ১১০+ দেশের ভেরিফাইড বায়ার কন্টাক্ট, সব এক জায়গায় গোছানো। ছড়ানো তথ্যের পেছনে দৌড়ানো বন্ধ, ডেটা দেখে সোজা সিদ্ধান্ত।

পুরো দুনিয়া যখন প্লাস্টিক থেকে সরে প্রকৃতির দিকে যাচ্ছে, তখন সেই বাঁকের ঠিক কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আমাদের সোনালি আঁশ। কাঁচামাল আমাদের, সুযোগও আমাদের, শুধু কাঁচা পাট বেচা থেকে এক ধাপ এগিয়ে ব্যাগটা নিজে বানিয়ে পাঠাতে হবে। প্রসেসটা জানলে ভয়টা চলে যায়। দরকার শুধু গোছানো তথ্য আর একটা শুরু।

ফেলে দেয়া জিনিস থেকেই এখন ডলার আয় হচ্ছে!পেঁপেগাছের ডাল, আমগাছের চিকন ডাল, নিমের ডাল, পড়ে থাকা ঘাস। কয়েক বছর আগেও এসবের ব...
21/08/2026

ফেলে দেয়া জিনিস থেকেই এখন ডলার আয় হচ্ছে!

পেঁপেগাছের ডাল, আমগাছের চিকন ডাল, নিমের ডাল, পড়ে থাকা ঘাস। কয়েক বছর আগেও এসবের বেশিরভাগই ছিল গ্রামের মানুষের কাছে নিছক ফেলনা জিনিস।

আজ সেই জিনিস দিয়েই তৈরি হচ্ছে পোষা প্রাণীর খাবার ও খেলনা। আর সেগুলো রপ্তানি হচ্ছে জাপান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ায়।

এই ব্যতিক্রমী ব্যবসার পেছনে আছেন উদ্যোক্তা রহমতুল ইসলাম।

মাগুরার জাগলা গ্রামে তিনি গড়ে তুলেছেন বোল্ড পার্টনারস লিমিটেডের কারখানা। লক্ষ্য ছিল এমন একটি export business তৈরি করা, যার কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে না।

২০১৮ সালে মাত্র ৪ থেকে ৫ জন কর্মী নিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা।
শুরুতে তৈরি হতো মাত্র দুই ধরনের পোষা প্রাণীর খেলনা। ওই বছরই জাপানে প্রথমবারের মতো ৩,০০০ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেন তাঁরা।
তারপর ধীরে ধীরে পণ্য, কর্মী এবং বাজার সবই বড় হতে থাকে।

এখন প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করছে প্রায় ৩৫০ ধরনের পোষা প্রাণীর খাবার ও খেলনা।

পেঁপেগাছের নল প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হচ্ছে খরগোশ, গিনিপিগ ও হ্যামস্টারের খাবার।

নিমের ডাল ব্যবহার হচ্ছে কুকুরের দাঁত পরিষ্কার করার chew হিসেবে।

ঘাস দিয়ে তৈরি হচ্ছে ছোট প্রাণীদের খাবার ও খেলনা। এমনকি ঘাস দিয়ে তৈরি ইঁদুরের ঘরও রপ্তানি হচ্ছে কানাডায়।

শুধু পণ্য তৈরি করেই থেমে থাকেননি রহমতুল ইসলাম।
তিনি একটি সম্পূর্ণ local supply chain তৈরি করেছেন।

কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় পেঁপের নল, গাছের চিকন ডাল, ঘাসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল এখন স্থানীয় মানুষ সংগ্রহ করে কারখানায় বিক্রি করছেন।

ফেলনা জিনিস এনে দিলে নগদ টাকা দেওয়া হয়।
ফলে গ্রামের প্রায় ১০০ জন সরবরাহকারী এখন এসব উপকরণ সংগ্রহ করে আয় করছেন।

এমনকি পেঁপের ডালের চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে, পেঁপে চাষিদের কাছ থেকে এই ডাল সংগ্রহের জন্য ফেসবুকে বিজ্ঞাপনও দিতে হচ্ছে।

কারখানায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৫০০ মানুষের। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

কেউ চাকরির টাকা জমিয়ে ঘর করেছেন।
কেউ গরু ছাগল কিনে বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করেছেন।
আবার কেউ বাগানের ফেলে দেওয়া ডাল বিক্রি করেই আয় করছেন।

রপ্তানির হিসাবটাও দেখার মতো।

২০১৮ সাল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি মোট প্রায় ২৭.৩৬ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।

শুধু গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪.৫ লাখ ডলারের পণ্য, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা।

সবচেয়ে বড় বাজার জাপান। এরপর কানাডা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও যাচ্ছে এসব পণ্য।

আর এই ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, কারখানার কাঁচামালের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না। বাংলাদেশের মাটিতেই পেঁপে আছে, নিম আছে, আমগাছ আছে, ঘাস আছে।

এমনকি কারখানায়ও বর্জ্য কমানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পণ্য তৈরির পর অব্যবহৃত ঘাস ও নরম ডালও গবাদিপশুর খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

অর্থাৎ একটি ফেলনা জিনিস থেকে শুরু করে তৈরি হচ্ছে পুরো value chain। কাঁচামাল সংগ্রহ হচ্ছে গ্রাম থেকে।

গ্রামের মানুষ আয় করছে। কারখানায় পণ্য তৈরি হচ্ছে। পণ্য যাচ্ছে বিদেশে। বাংলাদেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

এখানেই এই গল্পের সবচেয়ে বড় business lesson.

অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরু করার আগে খোঁজেন, বিদেশ থেকে কী পণ্য আমদানি করা যায়।
কিন্তু বড় সুযোগ কখনো কখনো অন্য জায়গায়।

প্রশ্নটা হতে পারে,
আমাদের দেশে এমন কী আছে, যেটাকে আমরা মূল্যহীন মনে করছি, কিন্তু অন্য দেশের মানুষ সেটার জন্য টাকা দিতে প্রস্তুত?

রহমতুল ইসলাম সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন।

আর উত্তরটা ছিল পেঁপের ডাল, নিমের ডাল, ঘাস আর গাছের চিকন ডালের মধ্যে।

বিশ্বের pet food, pet clothing ও pet toy market এখন প্রায় ১৪৩ বিলিয়ন ডলারের! এই বাজারের বড় একটি অংশ ধরতে বাংলাদেশের জন্য শুধু বড় বড় শিল্পকারখানা দরকার নেই।

দরকার এমন উদ্যোক্তা, যারা স্থানীয় কাঁচামালকে নতুনভাবে দেখবে, value addition করবে এবং global market-এর জন্য product তৈরি করবে।

ব্যবসার সুযোগ অনেক সময় শুধু নতুন কিছু তৈরির মধ্যে নয়। বরং চোখের সামনে থাকা পুরোনো জিনিসটার নতুন মূল্য খুঁজে বের করার মধ্যেও সুযোগ থাকে।

#ব্যবসাপাঠ

19/08/2026

রপ্তানির পেমেন্ট কিভাবে বাংলাদেশে রিসিভ করবেন??

18/08/2026

রপ্তানির বায়ার কিভাবে পাবেন?

কিভাবে সহজেই ইম্পোর্ট এক্সপোর্ট শুরু করবেন?
এক জায়গাতেই সব প্রসেস, টুলস, বায়ার ডিরেক্টরি!

এক লাখ টাকা হাতে থাকলে আপনি আজই চীন থেকে প্রোডাক্ট এনে ইম্পোর্ট ব্যবসা শুরু করতে পারেন, কোনো IRC লাইসেন্স ছাড়াই।প্রথমেই...
15/08/2026

এক লাখ টাকা হাতে থাকলে আপনি আজই চীন থেকে প্রোডাক্ট এনে ইম্পোর্ট ব্যবসা শুরু করতে পারেন, কোনো IRC লাইসেন্স ছাড়াই।

প্রথমেই বুঝে নিন লাইসেন্স কেন লাগছে না। সাধারণত বড় পরিমাণে ইম্পোর্ট করতে IRC, LC, C&F এজেন্ট, কাস্টমস, সব লাগে। কিন্তু ছোট পরিসরে শুরু করলে এই ঝামেলার দরকার নেই, কারণ ডোর টু ডোর সার্ভিস পুরো আনার কাজটা আপনার হয়ে করে দেয়। ওরাই চীন থেকে মাল আনে, কাস্টমস আর শুল্ক সামলায়, আপনার হাতে পৌঁছে দেয়। আপনি শুধু পণ্যের দাম আর ওদের সার্ভিস চার্জ দেন। তাই নতুন হিসেবে শুরুর সবচেয়ে সহজ রাস্তা এটাই।

এবার আসল প্রসেস, ধাপ এক, প্রোডাক্ট ঠিক করা। এমন জিনিস বাছুন যা হালকা (ডোর টু ডোরে ওজন অনুযায়ী চার্জ), দামে ছোট বা মাঝারি, কিন্তু চাহিদা বেশি, যেমন গ্যাজেট, ফোন অ্যাকসেসরিজ, ফ্যাশন আইটেম। আনার আগে দেশে এর দাম, ক্রেতা আর কম্পিটিশন যাচাই করুন।

ধাপ দুই, সাপ্লায়ার খোঁজা। চায়নার প্রোডাক্ট খুঁজতে হয় 1688 বা Alibaba-তে। এখানেই সবচেয়ে বেশি মানুষ ঠকে, তাই যাচাই ছাড়া টাকা পাঠাবেন না। ভালো রেটিং, ট্রেড অ্যাসুরেন্স, আর আগে একটা ছোট স্যাম্পল অর্ডার দিয়ে মালের মান দেখে নিন, তারপর বড় অর্ডার।

ধাপ তিন, ডোর টু ডোর কোম্পানি ঠিক করা। বাংলাদেশে অনেক ডোর টু ডোর সার্ভিস আছে, যারা চায়না থেকে মাল আনে। তাদের সাথে কথা বলে জেনে নিন, প্রতি কেজি বা প্রতি সিবিএম চার্জ কত, কত দিনে মাল আসে, কোন ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট তারা আনে (কিছু জিনিস, যেমন ব্যাটারি বা লিকুইড, অনেকে আনে না)।

ধাপ চার, আসল হিসাব, ল্যান্ডেড কস্ট। এটা না বুঝলে লস নিশ্চিত। প্রোডাক্টের দাম + চায়নার ভেতরের শিপিং + ডোর টু ডোর চার্জ, সব যোগ করে বের করুন এক পিস মাল আপনার হাতে আসতে আসল খরচ কত পড়ছে। এই খরচের ওপর লাভ ধরে তবেই বিক্রয়মূল্য ঠিক করুন। অনেকে শুধু চায়নার দাম দেখে খুশি হয়, পরে চার্জ যোগ হলে দেখে লাভই নেই।

ধাপ পাঁচ, পেমেন্ট আর অর্ডার। সাধারণত ডোর টু ডোর কোম্পানির মাধ্যমে বা তাদের দেওয়া পদ্ধতিতে সাপ্লায়ারকে পেমেন্ট করা হয়। মাল চীনে তাদের ওয়্যারহাউসে গেলে, সেখান থেকে তারা বাংলাদেশে এনে আপনাকে বুঝিয়ে দেয়।

এবার এক লাখ টাকা কীভাবে ভাঙবেন। পুরোটা একবারে মালে ঢালবেন না। ৬০ থেকে ৭০ হাজারের ভেতরে প্রথম ছোট চালান আনুন, বাকিটা রাখুন প্যাকেজিং, মার্কেটিং, ফেসবুক বুস্ট আর অপ্রত্যাশিত খরচের জন্য। প্রথম চালানটা লাভের জন্য না, বাজার বোঝার টেস্ট।

আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সেই সাপ্লায়ার যাচাই আর প্রোডাক্ট নির্বাচন। ঠিক এই জায়গাটার জন্যই EximTool কাজে লাগে। প্রোডাক্ট লিখে সার্চ দিলেই সামনে চলে আসে যাচাই করা সাপ্লায়ার, দাম, আউটরিচ টেমপ্লেট আর পুরো প্রসেস এক জায়গায় গোছানো, তাই কাকে বিশ্বাস করব এই ধাঁধায় সময় আর টাকা দুটোই বাঁচে।

শেষে একটা কথা, এক লাখ টাকা বড় অঙ্ক না, কিন্তু ইম্পোর্টের পুরো খেলাটা হাতে-কলমে শেখার জন্য যথেষ্ট। প্রথম চালানের লাভটা ভোগে না লাগিয়ে আবার ব্যবসায় ঢালুন, ছোট পুঁজি এভাবে ঘুরেই একদিন বড় হয়। শুরুটা ছোট হোক, আজই হোক।

আপনি কোন প্রোডাক্ট দিয়ে শুরু করতে চান? কমেন্টে জানান।

#ইম্পোর্ট

এক্সপোর্ট করে সিআইপি হতে চান?সিআইপি (CIP - Export) মর্যাদা ও জাতীয় রপ্তানি পদক সম্পর্কে জানেন?একজন ব্যবসায়ী চাইলে রাষ্...
14/08/2026

এক্সপোর্ট করে সিআইপি হতে চান?
সিআইপি (CIP - Export) মর্যাদা ও জাতীয় রপ্তানি পদক সম্পর্কে জানেন?

একজন ব্যবসায়ী চাইলে রাষ্ট্রের কাছ থেকে ভিআইপি মর্যাদা পেতে পারেন। শর্ত একটাই, রপ্তানি।

ব্যাপারটা অনেকেই জানে না। আমাদের দেশে যারা ভালো রপ্তানি করেন, সরকার প্রতি বছর তাদের নিজে হাতে সম্মাননা দেয়, দুইভাবে। একটা হলো CIP (Export), মানে Commercially Important Person, আরেকটা জাতীয় রপ্তানি ট্রফি (সোনা, রুপা, ব্রোঞ্জ)।

এই স্বীকৃতিটা শুধু একটা কাগজ বা মেডেল না। CIP মর্যাদা পেলে একজন ব্যবসায়ী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পান, একটা বিশেষ পরিচয়পত্র পান, নানা সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার পান। মানে টাকা কামানোর পাশাপাশি একটা সামাজিক আর রাষ্ট্রীয় সম্মান, যেটা টাকায় কেনা যায় না।

আর সবচেয়ে ভালো খবর, এটা শুধু বড় বড় গার্মেন্টস মালিকদের জন্য না। জাতীয় রপ্তানি ট্রফির জন্য পণ্য ও সেবা ভাগ করা হয়েছে ২৯টি আলাদা খাতে, আর প্রতিটার আলাদা ন্যূনতম রপ্তানি আয়ের শর্ত আছে। এর মধ্যে অনেক খাতের শর্ত তুলনামূলক নাগালের ভেতরে, যেমন হস্তশিল্প, কৃষি পণ্য, অ্যাগ্রো-প্রসেসিং, হ্যান্ডিক্রাফট। শুধু তাই না, আলাদা করে "নারী উদ্যোক্তা রপ্তানিকারক" নামে একটা খাতই রাখা হয়েছে। মানে ছোট থেকে শুরু করা একজন উদ্যোক্তাও একদিন এই তালিকায় নাম তুলতে পারেন।

আর এই মুহূর্তটাই আসল কারণ পোস্টটা লেখার। এই দুই সম্মাননার আবেদন এখন খোলা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) CIP (Export)-২০২৭ আর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২৫-২৬-এর জন্য অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে, শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬। আবেদন করা যাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টালে (services.mincom.gov.bd)।

আপনি যদি এখনই রপ্তানি করেন, তাহলে দেরি না করে যোগ্যতা মিলিয়ে দেখুন, আবেদন করে ফেলুন। আর যদি এখনো শুরু না করে থাকেন, তাহলে এই খবরটা একটা কথা মনে করিয়ে দিক, রপ্তানি মানে শুধু কিছু ডলার আয় না। এটা এমন একটা পথ, যেখানে রাষ্ট্র নিজে এসে আপনার পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দেয়।

আজ যাদের হাতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি, তারাও একদিন প্রথম ছোট একটা চালান দিয়ে শুরু করেছিলেন। পার্থক্য শুধু একটাই, তারা শুরু করেছিলেন।

আর এই যাত্রাটা যদি শুরু করতে চান, রপ্তানির পুরো প্রসেস, বায়ার আর গাইড এক জায়গায় পাবেন EximTool-এ

আপনার শুরুটা কবে?

🇨🇳 ক্যান্টন ফেয়ার ২০২৬ — চীন থেকে আমদানির সবচেয়ে বড় সুযোগ(যা আগে জানলে হাজার হাজার টাকা আর অনেক ঝামেলা বাঁচবে) 👇প্রতি...
11/08/2026

🇨🇳 ক্যান্টন ফেয়ার ২০২৬ — চীন থেকে আমদানির সবচেয়ে বড় সুযোগ
(যা আগে জানলে হাজার হাজার টাকা আর অনেক ঝামেলা বাঁচবে) 👇

প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশি চীন থেকে পণ্য আনেন — কিন্তু বেশিরভাগই জানেন না, বছরে দুবার এমন একটা ফেয়ার হয় যেখানে হাজার হাজার ফ্যাক্টরির সাথে সরাসরি দেখা, দরদাম আর পণ্য হাতে যাচাই — সব একসাথে করা যায়।

সেটাই 𝗖𝗮𝗻𝘁𝗼𝗻 𝗙𝗮𝗶𝗿 (China Import & Export Fair)।
📅 এবারের (১৪০তম): ১৫ অক্টোবর – ৪ নভেম্বর ২০২৬
📍 গুয়াংজু, চীন

⚠️ নতুনদের সবচেয়ে বড় ভুল — ভুল ফেজে চলে যাওয়া!
ফেয়ার ৩ ফেজে ভাগ, প্রতিটা আলাদা পণ্যের 👇
🔹 ফেজ ১ (১৫–১৯ অক্টো): ইলেকট্রনিকস, মেশিন, হার্ডওয়্যার, লাইটিং
🔹 ফেজ ২ (২৩–২৭ অক্টো): গৃহস্থালি, গিফট, আসবাব, সিরামিক
🔹 ফেজ ৩ (৩১ অক্টো–৪ নভে): পোশাক, টেক্সটাইল, জুতা, ব্যাগ, খেলনা, খাবার
👉 আপনার পণ্য যে ফেজে, ঠিক সেই তারিখেই যান।

🛂 ভিসা — এখানেই সবাই দেরি করে ফেলেঃ
চীনা M (বিজনেস) ভিসা লাগবে। দরকার হয় —
- পাসপোর্ট (৭ মাস+ মেয়াদ)
- ফেয়ারের ইনভাইটেশন লেটার
- ট্রেড লাইসেন্স (ইংরেজি অনুবাদসহ, ক্ষেত্রবিশেষে)

প্রসেসিং ৩–৭ কর্মদিবস — তাই অন্তত ১–১.৫ মাস আগে শুরু করুন, নইলে টিকিট কেটেও আটকে যাবেন।

💰 খরচের বাস্তবতাঃ
রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে ফ্রি (ভেন্যুতে ~$১৫)। কিন্তু ফ্লাইট + হোটেল + ভিসা মিলিয়ে ভালো খরচ — আর ফেয়ারের সময় হোটেল দ্রুত শেষ, দামও বাড়ে। যত আগে বুক, তত সাশ্রয়।

💡 ভেতরের কিছু টিপস (যা কেউ বলে না)
✔️ Canton Fair অ্যাপে আগেই বুথ প্ল্যান করুন — ফেয়ার এত বিশাল যে এলোমেলো ঘুরলে দিন শেষ
✔️ প্রচুর বিজনেস কার্ড নিন, প্রতিটা সাপ্লায়ারের বুথ নম্বর টুকে রাখুন
✔️ বুথেই তাড়াহুড়ো করে বড় অর্ডার/অ্যাডভান্স দেবেন না — আগে স্যাম্পল, তারপর দেশে ফিরে যাচাই
✔️ WeChat Pay/Alipay আগে সেটআপ করে যান (চীন প্রায় পুরো ক্যাশলেস)

আর দেশে এনে? — সঠিক HS Code আর ডিউটি আগে হিসাব না করলে লাভের অর্ধেক কাস্টমসেই চলে যায়।

📖 পুরো A-to-Z গাইড — ভিসা চেকলিস্ট, খরচের হিসাব, প্রস্তুতির টাইমলাইন সহ, বাংলায় একটা ব্লগ কমেন্টে লিংক দেয়া আছে!

সাপ্লায়ার যাচাই • HS Code • ডিউটি ক্যালকুলেটর — সব 𝗘𝘅𝗶𝗺𝗧𝗼𝗼𝗹-এ 🚀

#ক্যান্টনফেয়ার #আমদানি #ইমপোর্ট

যে তাঁতের কাপড় একসময় কেউ কিনতে চাইত না, আজ সেটাই বিদেশে বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ দামে। আর এই বদলটা রুবিনা আক্তার নিজের চো...
11/08/2026

যে তাঁতের কাপড় একসময় কেউ কিনতে চাইত না, আজ সেটাই বিদেশে বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ দামে। আর এই বদলটা রুবিনা আক্তার নিজের চোখে দেখেছেন।

ছোটবেলা থেকে রুবিনার ঘুম ভাঙত তাঁতের শব্দে। বাবা তাঁতি, দাদাও ছিলেন। কুমিল্লার সেই গ্রামে প্রায় প্রতি ঘরেই কাঠের তাঁতে সুতো ওঠানামা করত সারাদিন, খট, খট, খট।

তারপর শব্দটা একে একে থেমে যেতে লাগল। বাজারে সস্তা মেশিনের কাপড় ঢুকল। এক গজ হাতে বুনতে যেখানে সারাদিন লাগে, মেশিন সেখানে মিনিটে বের করে হাজার গজ। দাম নেমে গেল, তাঁতিরা লোকসানে পড়ল। রুবিনার পাড়ার একের পর এক তাঁত বন্ধ হলো, কেউ রিকশা চালাতে গেল, কেউ গার্মেন্টসে। বাবা মারা যাওয়ার পর তাদের তাঁতটাও চুপ হয়ে গেল কোণে।

রুবিনা ভাবতেন, এই শিল্পটা বুঝি শেষ। বাবার হাতের ওই খাদি, ওই তাঁতের নকশা, সব হারিয়ে যাবে।

কিন্তু একদিন একটা জিনিস চোখে পড়ল তার। অনলাইনে এক বিদেশি মেয়ে গর্ব করে দেখাচ্ছে তার জামা, লিখেছে "handwoven, natural, sustainable"। দাম দেখে রুবিনার চোখ কপালে। হাতে বোনা বলেই সেই কাপড় দামি, মেশিনের কাপড়ের চেয়ে কয়েকগুণ।

তখন একটা কথা মাথায় বিঁধল। মেশিন যেটা পারে না, সেটাই তো তাদের কাছে আছে। ওই "হাতে বোনা" জিনিসটাই, যেটাকে তারা এতদিন দুর্বলতা ভেবেছিল।

রুবিনা বাবার সেই পুরোনো তাঁতটা আবার চালু করলেন। পাড়ার যে কয়জন বুড়ো তাঁতি এখনো ছিলেন, তাদের ডাকলেন। অল্প কিছু খাদি আর তাঁতের কাপড় বুনলেন, ভালো ছবি তুললেন, আর সাথে জুড়ে দিলেন গল্পটা, কে বুনেছে, কোন গ্রামে, কত বছরের ঐতিহ্য।

বিদেশি ক্রেতারা ঠিক এই গল্পটার জন্যই এসেছিল। তারা শুধু কাপড় কিনছিল না, কিনছিল একজন মানুষের হাতের সময়, একটা টিকে থাকা ঐতিহ্য।

তবে এই ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোই ছিল রুবিনার আসল পরীক্ষা। কাপড় বোনা সে জানত, কিন্তু বিদেশি বায়ার কোথায় পাবে, সেটা জানত না। শুরুতে অনেকদিন হাতড়েছে।

প্রথমে সে যা করল, নিজের বোনা কাপড়ের সুন্দর ছবি তুলে অনলাইনে দিতে শুরু করল, ইনস্টাগ্রাম আর ফেসবুকে, ইংরেজিতে, সাথে সেই গল্পটা, কোন গ্রামের হাতে বোনা, কত বছরের ঐতিহ্য। ধীরে ধীরে বিদেশি কিছু মানুষ আগ্রহ দেখাতে লাগল, কেউ কমেন্ট করত, কেউ দাম জিজ্ঞেস করত।

এর সাথে সে খুঁজে বের করল কিছু আন্তর্জাতিক হ্যান্ডিক্রাফট আর সাসটেইনেবল ফ্যাশনের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে দুনিয়ার মানুষ ঠিক এমন হাতে বানানো জিনিসই খুঁজতে আসে। সেখানে নিজের ছোট একটা পেজ খুলল, কয়েকটা পণ্য তুলল। প্রথম অর্ডারটা এসেছিল একজন বিদেশি ক্রেতার কাছ থেকে, মাত্র একটা কাপড়ের। রুবিনা সেটা এমন যত্ন নিয়ে বুনে, সুন্দর করে প্যাক করে পাঠাল, যেন এটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্ডার। তবে বায়ার খুজেঁ পাওয়ার জার্নিটা মোটেও সহজ ছিলোনা। আর বেশিরভাগ মানুষ এই জায়গাটাতেই থেমে যায়।

ঠিক এই জায়গাটার জন্যই আমরা তৈরি করেছি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ইম্পোর্ট এক্সপোর্ট অপারেটিং সিস্টেম EximTool. যেখানে প্রোডাক্ট লিখে সার্চ দিলেই সামনে চলে আসে HS কোড, ডিউটি, কোন দেশে ডিমান্ড বেশি, স্টেপ-বাই-স্টেপ এক্সপোর্ট প্রসেস গাইড, আর ১১০+ দেশের ভেরিফাইড বায়ার কন্টাক্ট, সব এক জায়গায় গোছানো। ছড়ানো তথ্যের পেছনে দৌড়ানো বন্ধ, ডেটা দেখে সোজা সিদ্ধান্ত। রুবিনার মতো যাদের হাতে পণ্য আছে কিন্তু বায়ার নেই, তাদের জন্য এই একটা জিনিসই পুরো পথটা সহজ করে দেয়।

আজ রুবিনার গ্রামে আবার সেই শব্দটা ফিরেছে, খট, খট, খট, কিন্তু এবার সেই কাপড় যাচ্ছে দেশের বাইরে। সে নতুন কিছু আবিষ্কার করেনি, যা ছিল তা-ই ফিরিয়ে এনেছে, শুধু দৃষ্টিভঙ্গিটা বদলেছে।

দুনিয়া এখন মেশিনের ভিড়ে আবার খুঁজছে মানুষের হাতের ছোঁয়া। আমাদের যেটা আছে, যেটাকে আমরা মূল্যহীন ভেবে ফেলে দিচ্ছি, সেটাই হয়তো আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। দরকার শুধু সঠিক তথ্য আর একটা শুরু।

আপনার আশপাশে এমন কোন পুরোনো শিল্প নীরবে হারিয়ে যাচ্ছে, যেটার দিকে দুনিয়া আসলে নতুন করে তাকাতে শুরু করেছে?

লেবু রপ্তানি করবেন ভাবছেন?অনেকে ভাবে লেবুর মতো সাধারণ জিনিস আবার বিদেশে যায় নাকি। যায়, আর নিয়মিতই যায়। বিদেশে যত বাং...
09/08/2026

লেবু রপ্তানি করবেন ভাবছেন?

অনেকে ভাবে লেবুর মতো সাধারণ জিনিস আবার বিদেশে যায় নাকি। যায়, আর নিয়মিতই যায়। বিদেশে যত বাংলাদেশি থাকে, তারা দেশি লেবু খোঁজে, বাইরের লেবুতে সেই ঘ্রাণ বা টক পায় না। তাই চাহিদা আছে, খুঁজে বের করতে হয় না।

বাজারটা কোথায় বেশি, সেটা জানা থাকলে সুবিধা। ইউরোপ, মিডল ইস্ট আর আমেরিকা মিলিয়ে অনেক প্রবাসী বাঙালি, কিন্তু সবচেয়ে সহজ বাজার গালফ, মানে সৌদি, দুবাই, কাতার, ওমান, কুয়েত। বাংলাদেশের ফল-সবজি রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই এখন এই গালফে যায়, দশ বছর আগেও যেটা ছিল অনেক কম। গালফ কাছে, ফ্লাইট বেশি, তাই তাজা লেবু দ্রুত পৌঁছায়।

আর একটা জিনিস মাথায় রাখলে ভালো দাম পাওয়া যায়, সেটা হলো সময়। রমজান আর ঈদের আগে দেশি লেবুর চাহিদা অনেক বেড়ে যায়, ইফতারের শরবত আর লেবু-পানির জন্য। যে এই সিজনের দুই-তিন মাস আগে থেকে মাল আর কার্গোর জায়গা রেডি রাখে, সে ভালো দাম পায়। যে শেষ সময়ে দৌড়ায়, সে কার্গোতে জায়গাই পায় না।

আরেকটা কথা কম মানুষ জানে। লেবু শুধু তাজা পাঠাতে হবে, এমন না। তাজা লেবু পচনশীল, তাই কোল্ড চেইন আর সময়ের চাপ থাকে। কিন্তু শুকনো লেবু, গালফের রান্নায় যেটা খুব চলে, সেটা পচে না, হালকা, অনেকদিন টেকে, জাহাজেও পাঠানো যায়। মানে তাজার ঝামেলা এড়াতে চাইলে এই শুকনো লেবুর আলাদা একটা বাজারও আছে।

প্রসেসটা একটু বলি, তাহলে ভয়টা কমবে। তাজা লেবুর HS কোড 0805.50, আর কাস্টমস, ডিউটি, ডকুমেন্ট সব এই কোড ধরে হয়। কাগজপত্রের মধ্যে লাগে এক্সপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট, সার্টিফিকেট অফ অরিজিন, আর ইউরোপে গেলে GAP প্রায় বাধ্যতামূলক। বেশিরভাগ চালান কিন্তু মালে আটকায় না, আটকায় এই কাগজে। ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট পচনশীল পণ্যে মাত্র সাত দিন ভ্যালিড থাকে, তাই দেরি করার সুযোগ নেই। প্রায় সব শিপমেন্টই যায় এয়ার কার্গো দিয়ে।

এরপর আসল প্রশ্ন, বায়ার কোথায় পাবেন।

লেবুর বায়ার সাধারণত বড় ইম্পোর্টার না। এরা বিদেশের দেশি গ্রোসারি দোকান আর ছোট হোলসেলার, যারা প্রবাসী কমিউনিটির কাছে দেশি জিনিস পৌঁছে দেয়। প্রথম ডিল হয় ছোট স্যাম্পল আর ট্রায়াল অর্ডার দিয়ে, পেমেন্ট সাধারণত LC বা অ্যাডভান্সে। এই বায়ার খুঁজে বের করা আর যাচাই করাটাই আসল কাজ, আর এখানেই বেশিরভাগ মানুষ আটকে যায়, কারণ হাতে বিশ্বাস করার মতো রিয়েল কন্টাক্ট থাকে না।

ঠিক এই জায়গাটার জন্যই EximTool. প্রোডাক্ট লিখে সার্চ দিলেই সামনে চলে আসে HS কোড, ডিউটি, কোন দেশে ডিমান্ড বেশি, স্টেপ-বাই-স্টেপ এক্সপোর্ট প্রসেস গাইড, আর ১১০+ দেশের ভেরিফাইড বায়ার কন্টাক্ট, সব এক জায়গায় গোছানো। ছড়ানো তথ্যের পেছনে দৌড়ানো বন্ধ, ডেটা দেখে সোজা সিদ্ধান্ত।

লেবুর সুযোগটা সারা বছরই থাকে, শুধু কখন কোন বাজার গরম সেটা জানলে দামটা বেশি তোলা যায়। প্রসেসটা জানলে ভয় কমে যায়। সুযোগটা আছেই, দরকার শুধু গোছানো তথ্য আর একটা শুরু।

Address

House 03, Road 01, Bashundara R/A, Halishahar
Chittagong
4224

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BebshaPath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share