MSC Global

MSC Global Welcome to our study & immigration consulting services 'MSCglobal'.We are at your service since 2001. FAQs:
(Frequently asked questions)

Q. ANS. Q.

"MSC" is an international immigration and study consultancy company for students and people who are aspiring to immigrate and study abroad since 2001. we offer the people to immigrate anywhere in the world as their choice and also offer comprehensive test preparation, admission services, and financial advice to the students for their education in any developed country in the world. We provide the

most innovative and time-saving admission information to the students that will make the admission application process as simple as possible. Our company is unique compared to others for many reasons such as we have a sense of mission to help the students to improve their conditions and intelligence and be educated in the wider world and that is the reason behind the formation of our company. Our strongest point is that we create an infrastructure with the students to recruit them through our courses in speaking, writing, listening, reading English and world affairs so that they have to urge to study abroad. What documents do I need to send to the university along with my application form? You have to need to send the following documents along with your application form:

# S.S.C/O LEVEL Mark sheet & Certificate.

# H.S.C/A LEVEL Mark sheet & Certificate.

pass course/ Honors Mark sheet & Certificate.

# If you have completed your Bachelors's, you will need to attach your 1st, year, 2nd Year, 3rd year, 4th year and overall transcript / Mark sheets & Certificate.

you have completed your Bachelor's in Engineering or Law, you will need to attach, your 4th Year Mark sheets & Certificate.

# If you have completed your Master's Degree then you will need to attach, both your 1st year as well as 2nd year Mark sheets & Certificate or. Provisional Certificate

# Two Letters of Reference (LORS) -Two academic reference letters/One academic reference letter and one employment reference letter

# One Statement of Purpose (SOP)

# One copy Curriculum Vitae

# Passport Copy (First and Last page only)

# Work Experience Letter

# If GMAT /GRE has been done, a Scorecard need to be attached

# If IELTS/TOEFL has been done scorecard needs to be attached.

# Passport size photograph four copies

Q. What is the ideal time to start my application process? The admission process for any overseas university/ institution is lengthy. For the UK, ideally one should start the application process at least 3-4 months prior to the intake date. In Australia, one should send the applications at least 6 months prior to the intake date. If one starts the process of shortlisting and applying, to universities early, it would benefit the student interested. It betters the chances of receiving admission as well as getting priority for accommodation, bursaries, and scholarships. NORDIC COUNTRIES, GERMANY, SCOTLAND, NZ, CANADA, IRELAND & USA’s processing time take approx 6-7 months. How do I find out which University/Institution offers courses I am interested in? ANS.’MSc’ will help you to answer all your college or university-related queries. Our highly trained staff can tell you which university/institution around the world has the course that you are interested in. Is IELTS a mandatory prerequisite for admission in the UK? IELTS is not mandatory for every University / Institute. It depends on the University / Institute you have applied to. For those students, whose first language is not English, they must provide evidence of logistic ability by gaining an IELTS or TOEFL. Is TOEFL accepted by Australian Universities/Institutions? Yes, it is but TOEFL is not accepted by the Australian High Commission. They only accept IELTS. How important is it that I pay a deposit? It is important that you pay a deposit. Most Universities/Institutions require the students to pay part of the tuition fees in advance in order to reserve a place for them in the university. So we highly recommend that all students make deposit payments as it helps in making the visa process easier. What is the average time taken for visa processing in Australia or other countries? ANS. 10-12 weeks. What is the duration of the Bachelor program In Australia/Europe/ USA/Canada? In Australia or Europe or the USA or Canada’s Bachelor Program can be 3 years or 4 years long. What is the duration of the Master's Program In Australia/Europe/ USA/Canada? In Australia or Europe or the USA or Canada’s Master's Program can be 1 year, 1.5 years and/or 2 years long. https://www.twitter.com/mscctgbd/
https://www.linkedin.com/company/migration-&-study-consultancy

🇯🇵জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা🔸ভূমিকাউচ্চশিক্ষার জন্য জাপান আজ একটি গু...
23/08/2025

🇯🇵জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা

🔸ভূমিকা

উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা সুবিধা, উন্নত জীবনমান ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল নীতির কারণে দেশটি বিশ্বজুড়ে তরুণদের কাছে আকর্ষণীয়। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী জাপানে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হচ্ছে। জাপান সরকারের বিভিন্ন বৃত্তি, বিশেষ করে MEXT Scholarship, এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে।

🔸জাপানে আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থা

জাপানে বর্তমানে প্রায় ২ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে, যাদের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর কয়েকশ শিক্ষার্থী ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং গবেষণা প্রোগ্রামে ভর্তি হচ্ছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা প্রধানত ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা প্রশাসন, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান এবং পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করছে।

বেশিরভাগ শিক্ষার্থী সরকারি বৃত্তি (MEXT), বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তি অথবা JASSO Scholarship নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছে।

জাপানের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করেছে।

🔸ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—জাপানে এখন অনেক প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ ইংরেজিতে পড়ানো হয়।

ব্যাচেলর স্তরে: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনীতি, ব্যবসা প্রশাসন, কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার সুযোগ রয়েছে।

মাস্টার্স স্তরে: প্রায় সব বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে Engineering, IT, MBA, Public Policy, Environmental Studies, International Development বিষয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা যায়।

ভর্তি হতে সাধারণত IELTS/TOEFL স্কোর প্রয়োজন হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যমে পূর্বের ডিগ্রি থাকলে শর্ত মওকুফ করা হয়।

🔸বৃত্তির সুযোগ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে পড়াশোনার ক্ষেত্রে কয়েকটি বড় বৃত্তি রয়েছে—

1. MEXT Scholarship (Monbukagakusho) – জাপান সরকারের সবচেয়ে জনপ্রিয় বৃত্তি। এটি টিউশন ফি, ভিসা, আবাসন, মাসিক ভাতা সব কভার করে।

2. JASSO Scholarship – টিউশন ফি ও মাসিক ভাতার সহায়তা দেয়।

3. University-specific Scholarships – টোকিও, কিয়োটো, ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজস্ব বৃত্তি দিয়ে থাকে।

4. Asian Development Bank-Japan Scholarship Program (ADB-JSP) – বিশেষ করে মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য।

5. Private Foundation Scholarships – যেমন Ito Foundation, Mitsubishi UFJ ইত্যাদি।

🔸জাপানের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা (বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগসহ)

নিচে ১০টি জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেওয়া হলো যেগুলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং যেখানে বৃত্তি ও ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে—

1. University of Tokyo – বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, সমাজবিজ্ঞান ও পাবলিক পলিসি বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, MEXT বৃত্তির সুবিধা।

2. Kyoto University – নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষণার জন্য বিখ্যাত, ইংরেজি মাধ্যমে মাস্টার্স ও পিএইচডি।

3. Osaka University – বায়োমেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিশ্বমানের গবেষণা।

4. Tohoku University – ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানীয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য MEXT।

5. Nagoya University – প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিষয়ে শক্তিশালী, ইংরেজি ভিত্তিক কোর্স রয়েছে।

6. Hokkaido University – পরিবেশবিজ্ঞান, কৃষি ও জীববিজ্ঞানে জনপ্রিয়, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বৃত্তি দেয়।

7. Tokyo Institute of Technology (Tokyo Tech) – ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি গবেষণায় বিশ্বসেরা।

8. Waseda University (Tokyo) – আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন, ব্যবসা ও অর্থনীতি বিষয়ে শক্তিশালী, ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স।

9. Keio University (Tokyo) – ব্যবসা প্রশাসন ও অর্থনীতির জন্য বিখ্যাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ।

10. Ritsumeikan Asia Pacific University (APU, Beppu) – সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম, বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশ।

📌সারসংক্ষেপ

জাপান বাংলাদেশের তরুণদের জন্য উচ্চশিক্ষার এক বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বর্তমানে কয়েকশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাপানে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স করছে, প্রধানত MEXT ও অন্যান্য বৃত্তির সহায়তায়। দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনেক প্রোগ্রাম এখন সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, ফলে ভাষাগত বাধা আর বড় সমস্যা নয়। গবেষণা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের কারণে আগামী দিনে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাপানকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নেবে বলে আশা করা যায়।

🇨🇳চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা▪️ভূমিকাবিশ্ব উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে চীন এখন...
23/08/2025

🇨🇳চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা

▪️ভূমিকা

বিশ্ব উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে চীন এখন একটি বৈশ্বিক শক্তি। দ্রুত উন্নয়নশীল অর্থনীতি, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো, বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত নীতি চীনকে আজকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিক্ষা গন্তব্যে পরিণত করেছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগ গ্রহণ করছে। বর্তমানে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছে। এ প্রবন্ধে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ, বৃত্তি ব্যবস্থা, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ এবং শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা আলোচনা করা হলো।

▪️চীনে আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থা

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চীনে প্রায় ৫ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে এসেছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর কয়েক হাজার শিক্ষার্থী চীনে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা প্রধানত মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা প্রশাসন, তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স করছে।

অনেক শিক্ষার্থী পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করছে।

চীনা সরকারের সাথে বাংলাদেশের শিক্ষা চুক্তি থাকায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর বিশেষ কোটার মাধ্যমে বৃত্তির সুযোগ পাচ্ছে।

▪️ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগে পড়াশোনা প্রধানত চীনা ভাষায় হতো, তবে বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অনেক ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো হয়।

ব্যাচেলর স্তরে চিকিৎসাবিজ্ঞান (MBBS), ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, কম্পিউটার সায়েন্স প্রভৃতি বিষয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানো হয়।

মাস্টার্স স্তরে ব্যবসা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কম্পিউটার সায়েন্স, এআই, ইঞ্জিনিয়ারিং, অর্থনীতি এবং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ইংরেজি মাধ্যমে অনেক প্রোগ্রাম অফার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে সাধারণত IELTS/TOEFL লাগতে পারে, তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি পূর্ববর্তী ডিগ্রি ইংরেজি মাধ্যমে হয় তবে এই শর্ত মওকুফ করা হয়।

▪️বৃত্তির সুযোগ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনে পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন বৃত্তির সুযোগ পাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

1. Chinese Government Scholarship (CSC Scholarship) – এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় বৃত্তি, যা টিউশন ফি, আবাসন এবং মাসিক ভাতা কভার করে।

2. Confucius Institute Scholarship – চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার জন্য।

3. Provincial Government Scholarships – স্থানীয় সরকার প্রদত্ত বৃত্তি, যা টিউশন ফি ও আংশিক খরচ কভার করে।

4. University Scholarships – বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব বৃত্তি দিয়ে থাকে।

5. Belt and Road Scholarship – বাংলাদেশসহ Belt and Road Initiative দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য।

▪️চীনের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা (বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জনপ্রিয়)

নিচে এমন ১০টি চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেওয়া হলো যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা, ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে এবং অনেক প্রোগ্রাম ইংরেজি মাধ্যমে অফার করা হয়:

1. Tsinghua University (Beijing) – ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স ও ম্যানেজমেন্টে বিশ্বখ্যাত।

2. Peking University (Beijing) – ব্যবসা, আইন, অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান।

3. Fudan University (Shanghai) – আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ম্যানেজমেন্ট, পাবলিক হেলথ।

4. Shanghai Jiao Tong University (Shanghai) – মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে জনপ্রিয়।

5. Zhejiang University (Hangzhou) – সায়েন্স ও টেকনোলজি।

6. Wuhan University (Wuhan) – আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি মাধ্যমে মাস্টার্স ও পিএইচডি।

7. Huazhong University of Science and Technology (HUST, Wuhan) – মেডিকেল (MBBS) প্রোগ্রামে বাংলাদেশিদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

8. Nanjing University (Nanjing) – বিজ্ঞান, ব্যবসা ও আইটি বিষয়ক প্রোগ্রাম।

9. Sun Yat-sen University (Guangzhou) – মেডিকেল ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে শক্তিশালী।

10. Beihang University (Beijing) – এভিয়েশন ও এয়ারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং।

📌সারসংক্ষেপ

চীন আজকের দিনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশাল শিক্ষার বাজার। ব্যাচেলর ও মাস্টার্স স্তরে হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইতোমধ্যেই চীনে পড়াশোনা করছে। সরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বৃত্তি, বিশ্বমানের অবকাঠামো, এবং ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ চীনকে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় করেছে। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যবসা বিষয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভর্তি হচ্ছে। ভবিষ্যতে চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা যায়।

🇰🇷🇱🇰দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা🔹ভূমিকাবর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ ক...
23/08/2025

🇰🇷🇱🇰দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স পড়াশোনা : সুযোগ ও বাস্তবতা

🔹ভূমিকা

বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আধুনিক ক্যাম্পাস সংস্কৃতির কারণে দেশটি দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিয়মিতভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হচ্ছে। এ প্রবন্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক চিত্র, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থা, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ এবং শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা তুলে ধরা হলো।

🔹দক্ষিণ কোরিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা

২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট ২,০৮,৯৬২ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে (en.wikipedia.org)। এর মধ্যে প্রায় ৩৩,৮৬০ জন মাস্টার্স প্রোগ্রামে এবং ১৮,২৯৪ জন পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি রয়েছে (gks.go.kr; studyinkorea.go.kr)। এ থেকে বোঝা যায়, স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।

🔹দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থা

যদিও শুধুমাত্র মাস্টার্সে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়নি, তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়—

দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ১,৪০০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কোরিয়ায় পড়াশোনা করছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি বিষয়ে মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি আছে এবং তারা আংশিক বা পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশোনা করছে (en.barta24.com)।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি Global Korea Scholarship (GKS) প্রোগ্রামের মাধ্যমে ২০১১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৩৭ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে (tbsnews.net; unb.com.bd)।

শুধু ২০২২ সালেই, GKS প্রোগ্রামে ১৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়, যারা সবাই মাস্টার্স বা পিএইচডি পড়ার সুযোগ পেয়েছিল (tbsnews.net; newagebd.net)।

এ তথ্য থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

🔹ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একটি বড় প্রশ্ন হলো—দক্ষিণ কোরিয়ায় মাস্টার্স কি ইংরেজি মাধ্যমে পড়া সম্ভব? এর উত্তর হলো—হ্যাঁ, সম্ভব।

ইংরেজি-ভিত্তিক প্রোগ্রাম: দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় যেমন Seoul National University (SNU), Korea University, Yonsei University, KAIST, POSTECH ইত্যাদিতে অনেক মাস্টার্স প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

ভাষার শর্ত: সাধারণত ভর্তি হতে IELTS বা TOEFL স্কোর লাগতে পারে। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর পূর্বের ডিগ্রি ইংরেজি মাধ্যমে সম্পন্ন হলে ভাষা পরীক্ষার শর্ত মওকুফ করে থাকে।

কোরিয়ান ভাষার গুরুত্ব: যদিও পড়াশোনা ইংরেজিতে করা সম্ভব, তবে দৈনন্দিন জীবন ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের জন্য কোরিয়ান ভাষা শেখা উপকারী। GKS বৃত্তির অংশ হিসেবেও শিক্ষার্থীদের কোরিয়ান ভাষা শিখতে হয়।

বৃত্তি কাভারেজ: GKS এবং বিশ্ববিদ্যালয়-ভিত্তিক বৃত্তিগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার প্রোগ্রাম কভার করে থাকে।

🔹দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা (Masters & PhD Programs for International Students)

নিচে দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হলো যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স পড়াশোনা করতে পারে এবং অনেক কোর্স ইংরেজি মাধ্যমে অফার করা হয়ঃ

1. Seoul National University (SNU) – কোরিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সামাজিক বিজ্ঞানে উচ্চমানের মাস্টার্স প্রোগ্রাম।

2. Korea University – আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে, আইন, ব্যবসা, প্রকৌশল ও আন্তর্জাতিক স্টাডিজে ইংরেজি মাধ্যমে প্রোগ্রাম।

3. Yonsei University – মানবিক, ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য বিখ্যাত।

4. KAIST (Korea Advanced Institute of Science and Technology) – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক মাস্টার্স প্রোগ্রামে বিশ্বখ্যাত।

5. POSTECH (Pohang University of Science and Technology) – প্রকৌশল ও গবেষণায় বিশেষ খ্যাতি।

6. Hanyang University – ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে শক্তিশালী, অনেক প্রোগ্রাম ইংরেজিতে।

7. Sogang University – ব্যবসা ও মানবিক বিষয়ে জনপ্রিয়।

8. Ewha Womans University – নারীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্বে অন্যতম বড় বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামও অফার করে।

9. Konkuk University – ব্যবসা, কৃষি ও আর্টস বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম।

10. Chung-Ang University (CAU) – মিডিয়া, আর্টস ও আইন বিষয়ে শক্তিশালী।

📌সারসংক্ষেপ
দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে প্রায় ২ লক্ষাধিক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, যার মধ্যে কয়েকশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছে, বিশেষ করে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে। সরকারি Global Korea Scholarship (GKS) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিতভাবে সুযোগ সৃষ্টি করছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—দক্ষিণ কোরিয়ায় মাস্টার্স সম্পূর্ণ ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা সম্ভব, এবং শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের পরিবেশ প্রদান করছে।

আমাদের সব শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই বাংলা ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা!
21/02/2025

আমাদের সব শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই বাংলা ভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা!

21/02/2025
17/04/2024

শুভ বাংলা নববর্ষ!

27/03/2024

⚠️ IMPORTANT UPDATE

On 23 March 2024, the English language requirements for Student and Temporary Graduate visas were changed.

The new English language requirements will better support learning and employment outcomes for you.

Strong English skills help you engage with the Australian community and understand your workplace rights and responsibilities.

To understand what this means for you, visit our website for further details ➤ https://ow.ly/cNOf50R0Kls

14/11/2023

As of November, Germany has eased the rules for skilled workers to acquire the Blue Card visa.

14/11/2023

EU foreign ministers have approved a digitalisation shift for Schengen visa applications, streamlining the process and removing the need for consulate appointments or visits to service providers' offices.

🌹💚Happy New Year 2023 To All🌹💚
12/01/2023

🌹💚Happy New Year 2023 To All🌹💚

Address

40, Momin Road, Bangladesh, Kadam Mubarak Muslim Orphanage Market, (4th Floor), Suit # 5;
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MSC Global posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to MSC Global:

Shortcuts

Share