14/09/2022
Selam ve dua ile Hayirli aksamlar
রাজনীতি বিশ্লেষক ও রক্ত সৈনিক
14/09/2022
Selam ve dua ile Hayirli aksamlar
26/03/2020
26/03/2020
বিবেকের তাড়নায় না লিখে পারি না, এইটা কি কোন সভ্য দেশে সভ্য মানুষের কাজ? দেশের চরম ক্লান্তি লগ্নে শিবির কর্মীদের মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করাও তারা সহ্য করতে পারছেনা। সচেতন মূলক মাস্ক ও লিফলেট বিতরণের কারণে এইভাবে চুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে শিবির কর্মীকে মারাত্মক জখম করেছে ছাত্রলীগ।
এক সাহাবা এক মহিলার গোসল করার দৃশ্য দেখায় যা হয়ে ছিল তার সাথে মহিলার গোসল করার দৃশ্য- আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবা, নাম থা’লাবা (Tha’laba, বাংলায় অনেক সময় সা’লাবা বলা হয়)। মাত্র ষোল বছর বয়স। রাসূল (সা) এর জন্য বার্তাবাহক হিসেবে এখানে সেখানে ছুটোছুটি করে বেড়াতেন তিনি। একদিন উনি মদীনার পথ ধরে চলছেন, এমন সময় একটা বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাঁর চোখ পড়ল দরজা খুলে থাকা এক ঘরের মধ্যে। ভিতরে গোসলখানায় একজন মহিলা গোসলরত ছিলেন, এবং বাতাসে সেখানের পর্দা উড়ছিল, তাই থা’লাবার চোখ ঐ মহিলার উপর যেয়ে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে উনি দৃষ্টি নামিয়ে নিলেন। কিন্তু থা’লাবার মন এক গভীর অপরাধবোধে ভরে গেল। প্রচন্ড দুঃখ তাকে আচ্ছাদন করল। তার নিজেকে মুনাফিক্বের মত লাগছিল। তিনি ভাবলেন, ‘কিভাবে আমি রাসূল (সা) এর সাহাবা হয়ে এতোটা অপ্রীতিকর কাজ করতে পারি?! মানুষের গোপনীয়তাকে নষ্ট করতে পারি? যেই আমি কিনা রাসূল (সা) এর বার্তা বাহক হিসেবে কাজ করি, কেমন করে এই ভীষণ আপত্তিজনক আচরণ তার পক্ষে সম্ভব?’ তাঁর মন আল্লাহর ভয়ে কাতর হয়ে গেল। তিনি ভাবলেন, ‘না জানি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমার এমন আচরণের কথা রাসূল সা এর কাছে প্রকাশ করে দেয়!’ ভয়ে, রাসূল (সা) এর মুখোমুখি হওয়ার লজ্জায়, তিনি তৎক্ষণাৎ ঐ স্থান থেকে পালিয়ে গেলেন। এভাবে অনেকদিন চলে গেল। রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সাহাবাদের কে থা’লাবার কথা জিজ্ঞেস করতেই থাকতেন। কিন্তু সবাই জানাল কেউ-ই থা’লাবা কে দেখেনি। এদিকে রাসূল সা এর দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছিল। তিনি উমর (রা), সালমান আল ফারিসি সহ আরো কিছু সাহাবাদের পাঠালেন থা’লাবার খোঁজ আনার জন্য। মদীনা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও থা’লাবার দেখা মিলল না। পরে মদীনার একেবারে সীমানাবর্তী একটা স্থানে, মক্কা ও মদীনার মধ্যখানে অবস্থিত পর্বতময় একটা জায়গায় পৌঁছে কিছু বেদুঈনের সাথে দেখা হল তাদের। দেখানে এসে তারা থা’লাবার সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে শুরু করলেন। ‘তোমরা কি লম্বা, তরুণ, কম বয়সী একটা ছেলেকে এদিকে আসতে দেখেছ?’ বেদুঈনগুলো মেষ চড়াচ্ছিল। তারা জবাব দিল, সে খবর তারা জানেনা, তবে তারা জিজ্ঞেস করল, ‘তোমরা কি ক্রন্দনরত বালকের সন্ধানে এসেছ?’ একথা শুনে সাহাবীরা আগ্রহী হয়ে উঠলেন এবং তার বর্ণনা জানতে চাইলেন। উত্তরে ওরা বলল, ‘আমরা প্রতিদিন দেখি মাগরিবের সময় এখানে একটা ছেলে আসে, সে দেখতে এতো লম্বা, কিন্তু খুব দুর্বল, সে শুধুই কাঁদতে থাকে। আমরা তাকে খাওয়ার জন্য এক বাটি দুধ দেই, সে দুধের বাটিতে চুমুক দেয়ার সময় তার চোখের পানি টপটপ করে পড়ে মিশে যায় দুধের সাথে, কিন্তু সেদিকে তার হুঁশ থাকেনা!’ তারা জানালো চল্লিশ দিন যাবৎ ছেলেটা এখানে আছে। একটা পর্বতের গুহার মধ্যে সে থাকে, দিনে একবারই সে নেমে আসে, কাঁদতে কাঁদতে; আবার কাঁদতে কাঁদতে, আল্লাহর কাছে সর্বদা ক্ষমা প্রার্থনা করতে করতে উপরে চলে যায়। সাহাবারা বর্ণনা শুনেই বুঝলেন, এ থা’লাবা না হয়ে আর যায় না। তবে তাঁরা উপরে যেয়ে থা’লাবা ভড়কে দিতে চাচ্ছিলেন না, এজন্য নিচেই অপেক্ষা করতে লাগলেন। যথাসময়ে প্রতিদিনের মত আজও থা’লাবা ক্রন্দনরত অবস্থায় নেমে আসলেন, তাঁর আর কোনদিকে খেয়াল নাই। কী দুর্বল শরীর হয়ে গেছে তাঁর! বেদুঈনদের কথামত তাঁরা দেখতে পেলেন, থা’লাবা দুধের বাটিতে হাতে কাঁদছে, আর তাঁর অশ্রু মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। তাঁর চেহারায় গভীর বিষাদের চিহ্ন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। সাহাবারা তাকে বললেন, ‘আমাদের সাথে ফিরে চল’; অথচ থা’লাবা যেতে রাজি হচ্ছিলেন না। তিনি বারবার সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন, ‘আল্লাহ কি আমার মুনাফেক্বী বিষয়ক কোন সূরা নাযিল করেছে?’ সাহাবারা উত্তরে বললেন, ‘না আমাদের জানামতে এমন কোন আয়াত নাযিল হয় নাই।’ উমর (রা) বললেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠিয়েছেন। তুমি যদি এখন যেতে রাজি না হও, তাহলে তোমাকে আমরা জোর করে ধরে নিয়ে যাব। রাসূল (সা) এর কথা অমান্য করবেন এমন কোন সাহাবা ছিল নাহ। কিন্তু থা’লাবা এতোটাই লজ্জিত ছিলেন যে ফিরে যেতে চাচ্ছিলেন নাহ। এরপর সাহাবারা তাকে রাসূল (সা) এর কাছে মদীনায় নিয়ে আসেন। মহানবী (সা) এর কাছে এসে থা’লাবা আবারও একই প্রশ্ন করে, ‘আল্লাহ কি আমাকে মুনাফিক্বদের মধ্যে অন্তর্গত করেছেন অথবা এমন কোন আয়াত নাযিল করেছেন যেখানে বলা আমি মুনাফিক্ব?’ রাসূল (সা) তাকে নিশ্চিত করলেন যে এমন কিছুই নাযিল হয়নি।তিনি থা’লাবার দুর্বল পরিশ্রান্ত মাথাটা নিজের কোলের উপর রাখলেন। থা’লাবা কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, এমন গুনাহগার ব্যক্তির মাথা আপনার কোল থেকে সরিয়ে দিন।’ উনার কাছে মনে হচ্ছিল যেন সে এসব স্নেহের যোগ্য নাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সান্ত্বনা দিতেই থাকলেন। আল্লাহর রহমত আর দয়ার উপর ভরসা করতে বললেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে বললেন। এমন সময় থা’লাবা বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল আমার এমন মনে হচ্ছে যেন আমার হাড় আর মাংসের মাঝখানে পিঁপড়া হেঁটে বেড়াচ্ছে।’
রাসূল (সা) বললেন, ‘ওটা হল মৃত্যুর ফেরেশতা। তোমার সময় এসেছে থা’লাবা, শাহাদাহ পড়’। থা’লাবা শাহাদাহ বলতে থাকলেন, ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদাতের যোগ্য আর কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’
উনি শাহাদাহ বলতে থাকলেন… বলতেই থাকলেন… এমনভাবে তাঁর রুহ শরীর থেকে বের হয়ে গেল। মহানবী (সা) থা’লাবাকে গোসল করিয়ে জানাজার পর কবর দিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। আরো অনেক সাহাবা থা’লাবাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মহানবী (সা) পা টিপে টিপে অনেক সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। উমর রাদিয়ালাহু আনহু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আপনি এভাবে কেন হাঁটছেন যেন ভিড়ের মাঝে হেঁটে চলেছেন.. কতো রাস্তা ফাঁকা পরে আছে, আপনি আরাম করে কেন চলছেন না ইয়া রাসুল?’ উত্তরে রাসূল (সা) বললেন, ‘হে উমর, আমাকে অনেক সাবধানে চলতে হচ্ছে। সমস্ত রাস্তা ফেরেশতাদের দ্বারা ভরে গেছে । থা’লাবার জন্য এতো ফেরেশতা এসেছে যে আমি ঠিকমত হাঁটার জায়গা পাচ্ছি না’। এই সেই থা’লাবা যে ভুলক্রমে একটা ভুল করার জন্য এতো প্রায়শ্চিত্য করেছেন। গুনাহ-র কাজ করা তো দূরের কথা, গুনাহ না করেও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে চেয়ে ব্যাকুল হয়েছেন। সুবহান আল্লাহ
আজ ২২শে মার্চ হামাস প্রতিষ্ঠাতা শেখ আহমেদ ইয়াসিনের ১৩ তম শাহাদাত বার্ষিক। ২০০৪ সালের এই দিনে ইজরায়েলি জায়নবাদ তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু থামাতে পারেনি তার রেখে যাওয়া সংগঠন হামাসকে। জায়নবাদের সকল স্বরযন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিচ্ছে এই এই সংগঠনটি। ইনশাআল্লাহ একদিন আল-আকসা মুক্তি পাবে এবং গোটা বিশ্ব জায়নবাদের স্বড়যন্ত্রের কবল থেকে মুক্তি পাবে...
20/03/2018
মাওলানা কুয়াকাটা হুজুরের কাছে নওশাদ মাহফুজের কিছু প্রশ্ন।
প্রিয় শায়েখ।
আপনি তো একজন আলেমে দ্বীন , বর্তমান সময়ে র একজন তুখোড় বক্তা ।
আপনার কাছে কিছু প্রশ্ন :-
“”””””””””””””””
১/ আপনি কি ১০০% নিশ্চিত যে আওয়ামিলীগ ও বাম রামরা জামাত নেতাদের যে সমস্ত অপরাধে অভিযুক্ত করে ফাঁসি দিল তা চুড়ান্ত সত্য ।
২/ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল শব্দটা ছাড়া এখানে কোন আন্তর্জাতিক কোন আইন এ সরকার অনুসরন করেছেন ?
৩/ ১৯৭১ সনে জামাত ইসলাম কে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সহযোগীতায় পাকিস্তান ভেংগে যাক তা চায়নি ও মুক্তিযুদ্ধ করেনি !
তাই বলে জামাত পাকিস্তান আর্মির সাথে অপরাধ করেছে?
৪/ আপনার তো তখন মনে হয় জন্ম হয়নি , হলেও শিশু , আপনি যাদের দল করেন সে দলের তো তখন জন্ম ও হয়নি ! কিন্ত কৈ আপনার নেতাদের কেউ কি কোন স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছে ? নেয়নি ।
৪/ মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই , আল্লামা আজিজুল হক র: , মুফতী আমীনি র: ও বর্তমান শাইখ আল্লামা আহমদ শফি হাফিজাহুল্লাহ এরা তো সবাই প্রাপ্ত বয়সের ছিল , তারা কি কেউ যুদ্ধে অংশ নিয়েছে !
নেয়নি , কেন নেয়নি কারন ঐ একটাই । তাই বলে এরা মানবতার দুষমন ?
যাই হোক মনের কষ্টে কথা গুলো লেখা
দোয়া করি আপনি আপনারা ভালো থাকুন সুখে শান্তিতে কাটুক আপনাদের জীবন।
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হোক সকল দলের অংশ গ্রহনে প্রতিদন্ধিতাপূর্ণ উৎসবমুখর এই প্রত্যাশা করি।
#বায়োম্যাট্রিক্স_পদ্ধতিতে_সিম_নিবন্ধনের_কিছু_কাল্পনিক_বিড়ম্বনাঃ
==========================================
#খুন হয়েছে চট্রগ্রামে, আপনার বাড়ি হচ্ছে
নোয়াখালী, পরদিন পুলিশ এসে আপনাকে ধরে
নিয়ে গেলো, কারণ তদন্তে আপনার আঙুলের ছাপ
পাওয়া গেছে, যদিও আপনি জীবনেও দেখেন নি
তাকে….!
...ঢাকার পরিত্যক্ত এলাকায় একজন তরুণীর লাশ
পাওয়া গেল, সাথে একটি ছুরি। সেই ছুরিতে আপনার
আঙুলের ছাপ বসিয়ে আপনাকে আসামী বানিয়ে
হাজতে চালান করল। আপনার ডিফেন্স কি?
....ঢাকা শহরের দশ কাঠা জমির মালিক আপনি,
কয়েকদিন পর এক লোক এসে আপনার জায়গা দখল
করলো, তারা বললো আপনি তাদের কাছে জমি
বিক্রি করেছেন, দলিলে আপনার আঙ্গুলের ছাপ
স্পষ্ট, মামলা করলেন, বাংলাদেশের মামলা যুগ যুগ
ধরে চলতেই থাকবে…..
...অথবা ধরুন আগামীতে এমন একটি আইন হলো যে
ভোট হবে বায়োমেট্রিক দিয়ে। আপনার হাতের
ছাপ তো ফোন কোম্পানী আর বিটিআরসি’র কাছে
আছেই। ভোটের দিন আপনি বাসায় ঘুমাবেন..আর
আপনার ভোট কাস্টিং হয়ে যাবে....
..ইহা কি সম্ভব?
অসম্ভবের কিছু নাই, আপনি আপনার সর্বোচ্চ
সিকিউরিটি তুলে দিচ্ছেন বিদেশী চোরদের
কাছে, এই লিলিপুটদের কাছ থেকে হ্যাকিং করা
কোন ব্যাপার?
কিন্তু ম্যাডাম তারানা হালিম যে বললো আঙ্গুলের
ছাপ সেভ রাখা হচ্ছেনা?
তারানা হালিম কোন জায়গা থেকে আইটি ডিগ্রি
নিছেন? বলবেন কি?
সিম কোম্পানি গুলোর ভেরিফিকেইশন করার জন্য
হলেও সার্ভারে জমা রাখতে হয়, ধরুন সিকিউরিটি
লেয়ার তৈরি করা কর্পোরেট ডাটাবেইজের
আড়ালে সব লুকিয়ে রাখলে, তখন যদি ম্যালওয়ার বা
রুটকিটের সাহায্যে সকল ডাটাবেজ ডাউনলোড করে
রাখে, সেটার খবর গভর্নমেন্ট কিভাবে নিবে?
..তাতে সমস্যা কি??
সমস্যা না বুঝলে মুড়ি খান, এয়ারটেল যদি তাদের
গোয়েন্দা সংস্থা "র" এর কাছে সব তথ্য দিয়ে দেয়,
গ্রামীণফোন যদি সিআইএর কাছে আপনার আঙ্গুলের
ছাপ বিক্রি করে, কাল যদি ভারতে কোন হামলা
হয়, কিংবা ইংল্যান্ডে আত্মঘাতী আঘাত করে
কেউ, দোষটা আপনার ঘাড়ে পড়লে মোটেও আশ্চর্য
হওয়ার কিছু নেই….!
আর যদি বিদেশে নিয়মিত যাওয়া আসা থাকে,
তাইলে….
(কবি এখানে নিরব)
অথবা কেউ আপনার হাতের ছাপ দিয়ে
রেজিস্ট্রেশন করা সিম/ফোন চুরি করে নিয়ে গিয়ে
কোনো হত্যাকান্ড ঘটালে...বাসায় এসে আপনাকেই
চ্যাংদোলা করে নিয়ে যাবে...!!
মানুষের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের রেটিনা এবং
ডিএনএ তথ্য একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদ। এ তথ্য নিজস্ব
ও রাষ্ট্র ছাড়া কারো কাছে থাকাই নিরাপদ নয়।
রাষ্ট্র শুধু এটা প্রটেক্ট করতে পারে বা স্টোর করতে
পারে। ওই ডেটাবেজ থেকে যদি কেউ পেয়ে যায়
তাহলে তো ডেফিনেটলি ক্রাইম।
আঙ্গুলের ছাপ তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে গেলে
নানারকম অপব্যবহার হতে পারে। রিস্কটা হলো অন্য
একটা অজানা লোক আপনাকে ইমপার্সনেট করতে
পারে সে প্রিটেন্ড করতে পারে যে আপনি অমুক বা
আপনি তমুক।
কোটি কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়া বিদেশী চোর
সিম কোম্পানি গুলো নিশ্চই আপনার আমার
দুলাভাই লাগেনা????
(কবি আবার নিরব)
হ্যাঁ, তারানা হালিম বলেছে আঙুলের ছাপের
অপব্যবহার করলে ফোন কোম্পানির ৩০০ কোটি
টাকা জরিমানা...LOL যেই সিম কোম্পানি হাজার
কোটি টাকা কর ফাঁকি দেয় তারা দিবে
জরিমানা...
প্রশ্ন করতে পারেন তাইলে কি করবো? সিম তো বন্ধ
করে দিবে...
কাঁক যেমন ভাতের কাঁঙ্গাল, তেমনি মোবাইল
কোম্পানি গ্রাহকের কাঁঙ্গাল। ৭ কোটির ভিতরে
এক কোটি গ্রাহকও সিম বায়োমেট্রিক
রেজিস্ট্রেশন করেনি।
৬ কোটি সিম বন্ধ করার মত কলিজা মোবাইল
কোম্পানি গুলোর আছে???
...মাস খানেক আগে ফিলিপাইনের দ্য
ফিলিপাইন্স কমিশন অন দ্য ইলেকশন্সের ওয়েবসাইট
হ্যাক করে ৭ কোটি মানুষের আঙ্গুলের ছাপ চুরি
করেছে একদল হ্যাকার, লুজসেক নামের গোষ্ঠীটি
ঘোষণা দিয়েছে সরকার বেশি তেড়িবেড়ি করলে
সব ইনফরমেশন প্রকাশ করে দিবে.....
..ব্যাপার না, আমাদের সরকার অনেক বেশি
সিকিউরিটি সম্পন্ন, আমাদের হ্যাকিংয়ের
সম্ভাবনা জিরো.... (!)
কারণ আমাদের আছে ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা
বেতনের আন্তর্জাতিক মানের ফাওয়ার পয়েন্ট/
কম্পিউটার বিজ্ঞানী.....
.ওয়েল, যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস অফিস অব পারসোনেল
ম্যানেজমেন্টর হ্যাকিংয়ে মাত্র দুই কোটি
মানুষের আঙ্গুলের ছাপ এবং সামাজিক নিরাপত্তা
নম্বর হ্যাক করা হয়েছিলো !
ক্যান ইউ ইমাজিন?
..পাকিস্তান বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করেছে
সন্ত্রাসী হামলা থেকে বাঁচার জন্য, পরে তারাই
সারা বিশ্বে ফেঁসেছে..বিশ্বের অনেক হামলায়
তাদের আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া গেছে....
বাংলাদেশের কি সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে যার জন্য
আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিতে হবে?
জানিনা আমি, জানার ইচ্ছাও নেই, কারণ সামনের
হত্যাকান্ড/সন্ত্রাসী হামলা গুলোতে আমার/
আপনার নাম আসলেও খুব বেশি অবাক হবো না...
হাতের ছাপ কেন? নাকের ছাপও নিক..দেশ তো
ডিজিটাল হচ্ছে... (Collected)
21/03/2016
in the campus of Chittagong city corporation jame mosque.
আস্সালামুআলাইকুম,বন্ধুরা সবাই কেমন আছো?