02/03/2026
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ: নতুন কমিটি দ্বারা ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন শিক্ষক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ
সতর্কতা অবলম্বন করতে অনুরোধ : সম্মানিত অভিভাবক/ শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ। আসসালামু আলাইকুম / আদব/ নমস্কার।
ঘটনার বিষয়গুলো : জেনে রাখি।
চশিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ডা.আবদুল করিম স্যার গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ মৃত্যুবরণ করলে ১৫ ডিসেম্বর জানাজা ও দাপন হয় পরেরদিন ১৬ ডিসেম্বর জনাব সালেহ আহমেদ সুলেমান ও তাঁর সহযোগী জনাব এস এম বেলাল কে সাথে নিয়ে পরিচালকদের এক অংশ স্কুলের নতুন কমিটি বলে প্রচার করে ও স্কুল দখলে আসেন এবং পূর্বতন চেয়ারম্যানের দীর্ঘদিনের কর্মকান্ডকে প্রশ্ন তুলেন এবং সমালোচনা শুরু করেন। নতুন কমিটির চেয়ারম্যান স্কুলের কার্যক্রমকে আগের চেয়ারম্যানের চেয়ে দ্বিগুণ কাজ করবে বলে ২০২৬ সালের নতু ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেন।
নতুন কমিটির বিরদ্ধে গত ২ মাসে যেসকল বির্তক উঠেছে:
১ / ২০২০ সাল থেকে সুনামের সহিত পূর্বতন চেয়ারম্যানের কমিটির সহযোগিতায় শিউলি ম্যামকে অধ্যক্ষ হিসাবে চেয়ারে বসান।
দীর্ঘ ৫ বছরের সম্মানিত অধ্যক্ষ জোহরা আবজুন শিউলি কে অধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ করে নতুন কমিটি ষড়যন্ত্রমূলক একই স্কুলে আরেকটি পদে বসান। কৌশলে চাকরি করতে বলেন পদ পরিবর্তন করে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এবং শিক্ষকদের মধ্যে ভয়, রাগ, আতংক, অনেকের মধ্যে আবার হাসি-হাসি খোরাকে পরিনত হয়েছে। কিছু বলার নাই।
প্রতিদিন স্কুল ক্যাম্পসে লজ্জাকর অবস্থায়, সাবেক
অধ্যক্ষ জোহরা আবজুন শিউলি মুখ লুকিয়ে কান্না করা, চাকরি করতে হচ্ছে, আবার ভয়ে চলেও যেতে পারছে না।কিছু দিন আগে শিউলি ম্যামের স্বামী ও মারা যায়। অসহায় পরিবার।
নতুন চেয়ারম্যান ও পরিচালক জনাব এস এম বেলালের নতুন নতুন চাপ ও ষড়যন্ত্র শিকা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ উনার কথা মত না চললে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে সোজা বলে দেন শিউলি ম্যামকে।
২ / স্কুলের সুন্দর ক্যান্টিনটি বন্ধ রাখা হয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। টিফিনের সময় ছেলেমেয়েরা রাস্তা বাহিরে চলে যায় এতে যেকোনো সমস্যা হতে পারে। দোকানদারকে বিনা কারণে চাবি ও টাকা পয়সা বুঝে না দিয়ে জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে নতুন কমিটি কমিটি।
৩ / দীর্ঘদিনের কর্মচারী ছৈয়দুলকে পূর্বে চেয়ারম্যানের পছন্দের ব্যাক্তি ও সাবেক এডমিনের নামে ভূয়া, মিথ্যা ও বানোয়াট সাক্ষী না দেওয়ায় বর্তমান চেয়ারম্যানের নির্দেশে হুমকিমূলক জনাব এস এম বেলালের মাধ্যমে চাকরি না থাকতে বলে অন্যথায় মৃত্যুর হুমকিসহ মিথ্যা মামলা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
৪ / আসল ঘটনা, নতুন চেয়ারম্যান জায়গায় জমির ( প্রতি বেশি দূর্বল) আগের চেয়ারম্যানের স্কুলের নামে করা বোয়াল খালীতে ৫১ গন্ডা জায়গা যার আনুমানিক মূল্য ১৫- ২০ কোটি টাকা কমবেশি হবে।
এটা বিক্রি করে পরিচালকদের মধ্যে ভাগাভাগি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। ইত্যাদি ভিতরের বিষয় নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয় নতুন কমিটির মাধ্যমে। আরো অনেক কিছু।
সুতরাং উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে পরিচালকদের একটি অংশ প্রতিবাদ শুরু করেন। পূর্বের চেয়ারম্যানের কাছের
ও প্রিয় ব্যাক্তি হওয়ার কারণে সাবেক এডমিন ও পরিচালক
ডা. এম এ ফজলেকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য নতুন চেয়ারম্যানের সহযোগী এস এম বেলাল কে দিয়ে নাটকমূলক, অর্থ আত্মসাত গল্প সাজানো হয়।
সাবেক এডমিন ও পরিচালকের বিরুদ্ধে ভূয়া নিউজ দেন। বিষয়টি খুবই কষ্টকর ও মানহানিকর বলে নতুন কমিটিকে দৈনিক পূর্ব দেশ নিউজের মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
আরেকটা নাটক করে,,, হিসাব রক্ষক আনিসুল ইসলাম স্কুলের ব্যানারটা কর্মচারী ছৈয়দুলকর দেওয়াল থেকে নামিয়ে রাখতে বলে। কিছুক্ষণ পর সিসি ক্যামরা থেকে স্কিন ছবি তুলে নতুনকমিটিকে দেখান সেই নতুন কমিটির খুব কাছের লোক বলার জন্য... ম্যাজিকের মত কাজ করে দেন। হিসাব রক্ষক আনিসুল ইসলাম নিজে কোন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন সময় টাকা সংগ্রহ করে নাই বলে মিথ্যার আশ্রয় নিতে চাচ্ছে ইদানিং, সেই নাকি কোন শিক্ষার্থীদের ও অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করার বিষটি অস্বীকার করে নিজের অপরাধ অন্যর উপর দিচ্ছে।
সবাই সতর্ক থাকবেন।
অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিম স্যার জীবিত থাকা অবস্থায় কোন দিন কোন সময় অভিযোগের প্রতিষ্ঠানে প্রশ্ন উঠে নাই.... 😢
মৃত্যুর পর নতুন চেয়ারম্যান প্রতিশোধ নিতে,,,, স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করছে দিনদিন।
অসহায়...
শিক্ষক, কর্মচারী -কর্মকর্তাকে বিনা কারণে ও বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া। পরিচালকদের অসম্মান ও মিথ্যা ও ভূয়া নিউজ করে মানহানিকরসহ, ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলা দেওয়ায়,,,,
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
পরিচালক, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী। সবার
মতামত হলো উক্ত বিষয়টি নতুন কমিটি সমাধান না করলে,,,অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়বে, ষড়যন্ত্র বাদ দিয়ে স্কুলটিকে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
পরিচালক ও সচেতন অভিভাবকবৃন্দ।