20/05/2026
i
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ও কীর্তন করুন ?
20/05/2026
i
18/05/2026
|| শ্রী শ্রী চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্ ||
ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং
গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম্ ।
অনেক জন্মার্জিত পাপচৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ।। ১
অনুবাদ:
যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাদের বসন চোর বলে প্রসিদ্ধ ও যিনি স্বীয় ভক্তদের অশেষ জন্মার্জিত পাপসকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি নমস্কার করি।
শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং
নবাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরম্ ।
পদাশ্রিতানাং চ সমস্ত চৌরং
চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামি ।। ২
অনুবাদ:
যিনি রাধিকার চিত্ত চোর, যিনি নবজলধরমেঘের কান্তি চোর ও যিনি স্ব-চরণাশ্রিত ভক্তগণের সর্বস্ব হরণ করেন, সেই চোর শিরোমনিকে আমি প্রণাম করি।
অকিঞ্চনীকৃত্য পদাশ্রিতং যঃ
করোতি ভিক্ষুং পথি গেহহীনম্ ।
কেনাপ্যহো ভীষণচৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন জগত্রয়েহপি ।।৩
অনুবাদ:
যিনি স্বচরণাশ্রিত ভক্তদের অকিঞ্চন করে (তাদের স্ত্রী-পুত্র, ধনাদি সর্বস্ব হরণ করে) তাদেরকে গৃহহীন ও পথের ভিক্ষুক করেন, তাঁর ন্যায় ভীষণ চোর জগতে কেউ দেখেও নি বা শোনে নি।
যদীয় নামাপি হরত্যশেষং
গিরি-প্রসারানপি পাপরাশিন্ ।
আশ্চর্যরূপঃ ননু চৌর ঈদৃগ
দৃষ্টঃ শ্রুতো বা ন ময়া কদাপি ।।৪
অনুবাদ:
যাঁর নাম মাত্রেই জীবের পর্বত প্রমাণ পাপরাশি নিঃশেষে হরণ করেন, এরূপ আশ্চর্য চোর আমি কখনও দেখি নি বা শুনি নি।
ধনং চ মানং চ তথেন্দ্রিয়াণি
প্রাণাংশ্চ হৃত্বা মম সর্বমেব।
পলায়সে কুত্র ধৃতোহদ্য চৌর
ত্বং ভক্তিদাম্নাসি ময়া নিরুদ্ধঃ ।। ৫
অনুবাদ:
হে চোর! তুমি আমার ধন, মান, ইন্দ্রিয় ও প্রাণ প্রভৃতি হরণ করে কোথায় পলায়ন করেছ? আমি তোমাকে ভক্তিরজ্জু দ্বারা বেঁধে রাখলাম।
ছিনৎসি ঘোরং যমপাশবন্ধং
ভিনৎসি ভীমং ভবপাশবন্ধম্ ।
ছিনৎসি সর্বস্য সমস্তবন্ধং
নৈবাত্মনো ভক্তকৃতং তু বন্ধম্ ।। ৬
অনুবাদ:
তুমি মনুষ্য মাত্রেরই ঘোর যমপাশ ছিন্ন করতে পার, তার ভয়ানক সংসার বন্ধনও ছিন্ন করতে পার। এমনকি সকলের সবরকম বন্ধনই ছিন্ন করতে পার; কিন্তু স্বভক্তকৃত নিজ বন্ধন ছিন্ন করতে পার না।
মন্মানসে তামসরাশিঘোরে
কারাগৃহে দুঃখময়ে নিবদ্ধঃ ।
লভস্ব হে চৌর! হরে! চিরায়
স্বচৌর্যদোষোচিতমেব দণ্ডম্ ।। ৭
অনুবাদ:
হে চোর, তুমি ঘোর তমসাচ্ছন্ন দুঃখময় কারাগৃহ রূপ আমার হৃদয়ে চিরকালের জন্য নিবদ্ধ হয়ে নিজের চৌর্য কার্যের উপযুক্ত দণ্ড গ্রহণ করো।
কারাগৃহে বস সদা হৃদয়ে মদীয়ে
মদ্ভক্তিপাশদৃঢ়বন্ধন-নিশ্চল সন্।
ত্বাং কৃষ্ণ হে! প্রলয়কোটিশতান্তরেহপি
সর্বস্বচৌর হৃদয়ান্নহি মোচয়ামি ।।৮
অনুবাদ:
অতঃপর তুমি আমার হৃদয় কারাগারে আমার ভক্তিপাশ দ্বারা দৃঢ়রূপে বদ্ধ হয়ে সর্বদা নিশ্চলভাবে অবস্থান কর। হে কৃষ্ণ! হে আমার সর্বস্ব চোর! শতকোটি প্রলয়াবসানেও হৃদয় কারাগার হতে তোমাকে মুক্ত করব না।
18/05/2026
17/05/2026
সনাতন ধর্মে জপমালা সাধারণত ১০৮টি গুটি দিয়ে তৈরি হয়। এই ১০৮ সংখ্যাটিকে অত্যন্ত পবিত্র ও আধ্যাত্মিক সংখ্যা হিসেবে মানা হয়। জপ করার সময় প্রতিটি গুটিতে একবার করে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয়।
১০৮ গুটির কয়েকটি আধ্যাত্মিক পরিচয় ও ব্যাখ্যা:
১ = পরমেশ্বর বা একমাত্র সত্য
০ = শূন্যতা বা মায়া
৮ = অনন্ত বা অসীম শক্তির প্রতীক
আবার শাস্ত্রীয়ভাবে বলা হয়:
১২টি রাশি × ৯টি গ্রহ = ১০৮
২৭টি নক্ষত্র × ৪ পদ = ১০৮
অনেক উপনিষদের সংখ্যাও ১০৮ ধরা হয়।
জপমালায় সাধারণত ১০৮ গুটির সঙ্গে একটি বড় গুটি থাকে, যাকে “সুমেরু” বা “গুরু গুটি” বলা হয়। এই গুটি পার করে জপ করা হয় না; সেখানে পৌঁছে আবার উল্টো দিক থেকে জপ শুরু করা হয়।
জপমালার ধরনও বিভিন্ন হয়:
তুলসী মালা — ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভক্তদের মধ্যে জনপ্রিয়
রুদ্রাক্ষ মালা — ভগবান শিব উপাসনায় ব্যবহৃত
চন্দন মালা — শান্তি ও ভক্তির প্রতীক
ভক্তিভরে “ওম নমো ভগবতে বাসুদেবায়”, “হরে কৃষ্ণ”, মহামন্ত্র জপ করলে মন শান্ত হয় এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়।
17/05/2026
পুরুষোত্তম মাসে নিত্য পাঠ্য
পঞ্চদশ অধ্যায়: পুরুষোত্তম যোগ
11/05/2026
🪷বিশেষ সংখ্যা: ৩৩
এই পুরুষোত্তম মাসে ৩৩ সংখ্যাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাধাকৃষ্ণের উদ্দেশ্যেঃ-
৩৩ বার দণ্ডবৎ প্রণাম,
৩৩ সংখ্যক প্রদীপ দান,
৩৩ তুলসী পাতা প্রদান,
৩৩ সংখ্যক ফল ও পুষ্প প্রদান,
৩৩ মালা জপ করা,
৩৩ বার যুগলাষ্টকম পাঠ,
৩৩ বার মন্দির পরিক্রমা,
৩৩ রকমের পদে ভোগ নিবেদন,
৩৩ আমলকীর মালা নিবেদন,
৩৩ বার গীতার ১৫ অধ্যায় পুরুষোত্তম যোগ পাঠ,
এছাড়াও যেকোনো সেবায় ৩৩ সংখ্যার ব্যবহার করতে পারেন।
৩৩ টি গীতা দান করতে পারবেন গুরুমহারাজকে,
৩৩ জন বৈষ্ণবকে বস্ত্রদান করতে পারেন,
৩৩ জন বৈষ্ণব শিশুকে বৈষ্ণব সেবা প্রদান করতে পারেন,
(পুরাণে বর্ণিত আছে, এ মাসে কৌশিক মুনি ও তাঁর পুত্র মৈত্রেয় মুনি ব্রাহ্মণ গণকে ৩৩ সংখ্যক আপূপ দান করেছিলেন। আপূপ- আতপ চাল, শর্করা ও ঘৃত দ্বারা তৈরি পিষ্টক বিশেষ)।
হরে কৃষ্ণ